ফ্যামিলি কার্ড পাবে আরও ৩০ হাজার পরিবার: প্রধানমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনীতি আরও সচল হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি আরও জানান, চলতি অর্থ বছরের বাকি তিন মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি আওতায় আনা হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, গত ১০ মার্চ দেশের ১৩টি জেলার ৩টি সিটি করপোরেশন/ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৩৭ হাজার ৮১৪টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদান করা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরের বাকি তিন মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে এ কর্মসূচি আওতায় আনা হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড পরিবারের সম্পদের ওপর নারীর নিয়ন্ত্রণ বাড়বে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ কার্ড পরিবারের নারী প্রধানকে দেওয়া হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে এই সহায়তাটি যেমন সরাসরি পরিবারের সদস্যদের খাদ্য, পুষ্টি, জরুরি চিকিৎসা ও শিক্ষায় ব্যয় হবে, অন্যদিকে ফ্যামিলি কার্ডটি পরিবারে নারী প্রধানের নামে হওয়ায় পরিবারের সম্পদের ওপর তাঁর নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবারে সিদ্ধান্ত প্রদান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। পরিবার ও সমাজের ওপর নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করবে।
আজ বুধবার সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এই প্রথম প্রশ্নোত্তরে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দেন। বিএনপি দলীয় সংসদসদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেনের (পটুয়াখালী-৪) প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানান তিনি।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্নোত্তরের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত ছিল।
প্রশ্নোত্তর পর্বের শুরুতে সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ আসনের ভোটারদের ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও বলেন, ‘যাঁরা আমাকে ভোট দিয়ে ঢাকা-১৭ আসনে নির্বাচিত করেছেন, তাদের ধন্যবাদ। একইসঙ্গে যারা ভোট দেননি, জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাদেরও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রথম প্রশ্ন করেন সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর। প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁর প্রশ্ন ছিল, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত কার্যক্রমগুলোর কী কী অগ্রগতি হয়েছে?
প্রশ্নোত্তর পর্বে তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আমরা দেশের মানুষকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে প্রতিশ্রুতি পালনের চেষ্টা করব।’
সরকার পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ নেবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এই অর্থ জনগণের আমানত। দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার পদক্ষেপ নেবে।
কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।














