বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২

জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের ওপর হামলাকারী যে বাহিনীরই হোক, বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৫ পিএম | 89 বার পড়া হয়েছে
জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের ওপর হামলাকারী যে বাহিনীরই হোক, বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানকারী ও সাধারণ জনগণের ওপর যারা সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে, সেটা যে বাহিনীর ড্রেসেই হোক বা আওয়ামী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, যুবলীগ, ছাত্রলীগ যারাই হোক, তারা সবাই অপরাধী। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সব মামলার সুষ্ঠু তদন্ত হবে। বিচার করার দায়িত্ব বিচার বিভাগের।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুকের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষার বিষয়টিও তুলে ধরেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

সম্পূরক প্রশ্নে এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, ‘গত ১৬ বছর ধরে আইন অমান্য করে পুলিশ যা কিছু করেছে, বিশেষত জুলাইয়ে তারা স্বপ্রণোদিত হয়ে নানা ধরনের হত্যাযজ্ঞে অংশগ্রহণ করেছে, মানুষের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন করেছে; সেই বিষয়গুলোতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত বা কার্যক্রমের বাইরে এসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার বিভাগীয় কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কি না? এ ছাড়া এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগের তরফ থেকে ‘‘পুলিশ হত্যা’’ নামের একটা ফ্রেম ব্যবহার করে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হচ্ছে, সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ আছে কি না?’

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধাদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়ে আমরা ‘‘জুলাই জাতীয় সনদে’’ অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছি। বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ‘‘জুলাই যোদ্ধা সুরক্ষা অধ্যাদেশ’’ নামে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে, যা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। আমরা সর্বসম্মতিক্রমে এই অধ্যাদেশ পার্লামেন্টে বিল আকারে পাস করার বিষয়ে একমত হয়েছি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে সমস্ত হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি করছে, সেই বিষয়ে আমি আগেও বলেছি—যদি এখন কেউ মামলা নিয়ে আসে, তাহলে তো মুক্তিযোদ্ধাদেরও বিচার করা হবে রাজাকার হত্যার কারণে। গণ-অভ্যুত্থানের সময় যারা হানাদার বাহিনীর মতো আন্দোলনকারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে গণহত্যা চালিয়েছে, তারা জনতার প্রতিরোধের মুখে হয়তো প্রাণ হারিয়েছে, কেউ আহত হয়েছে, কিন্তু সেটা যুদ্ধের ময়দানে ফয়সালা হয়ে গেছে। সেখানে জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ছাড়া পুলিশের বিভিন্ন হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট মামলা করা হয়েছে। কিছু মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এবং কিছু সাধারণ পেনাল কোডের অধীনে আদালতে আছে। সেগুলো তদন্ত হচ্ছে, কিছু চার্জশিটও হয়েছে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এবং তাঁর সহযোগী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দু-একটা মামলার রায় ঘোষিত হয়েছে। সেগুলো সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে। আদালত স্বাধীনভাবে তাঁর বিচার পরিচালনা করবেন, সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। দেশের সব গুম, খুন, হত্যাকাণ্ড এবং গণহত্যার বিচার হবেই।

বিএনপির সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ছাত্র অভ্যুত্থান সংগঠিত হওয়ার মুহূর্ত পর্যন্ত যে সমস্ত গায়েবি মামলা, মিথ্যা রাজনৈতিক মামলা এবং যে সমস্ত গুম, খুন, অপহরণসহ অনাচার-অবিচার এ দেশের জনগণের ওপরে হয়েছে, তার সঙ্গে তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্দেশে পুলিশ বাহিনীর কিছু কিছু সদস্য তাদের সেই নির্দেশ পালন করেছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে কিছু মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করার পরে প্রথম কাজ হিসেবে কিছু মামলা প্রত্যাহার করেছি। সরকারি দল, বিরোধী দলসহ অন্যান্য রাজনৈতিক কর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে করা কিছু মিথ্যা মামলা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহার করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে সব মামলা ছিল না।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরে জেলা পর্যায়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল, সেই মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য ওই কমিটির কাছে আবেদন করা যাবে। কমিটি বাছাই করে সেটি মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। এরপর আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত কমিটি যে পরামর্শ দেবে, সেই মতে সিআরপিসি ৪৯৪ অনুসারে মামলা প্রত্যাহারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, চিফ রিপোর্টার

শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত

শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, চিফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৩ এএম
শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত

গাজীপুরে শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক আনন্দঘন, তাৎপর্যপূর্ণ ও পেশাগত চেতনায় সমৃদ্ধ ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(৩১’শে মার্চ ২০২৬) মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘের বাজার সাবাহ্ গার্ডেন রিসোর্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আলফাজ উদ্দিন স্বপনের সঞ্চালনায় ও শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাজ্বী আসাদুজ্জামানের সার্বিক পরিচালনায় অনুষ্ঠানে ঈদের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আলফাজ উদ্দিন স্বপন, শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি সাংবাদিক মোঃ শাহাদত হোসাইন, শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আল আমিন, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সোহাগ ভান্ডারী, সহ-সভাপতি শামীম আল মামুন, চ্যানেল এস এর সাংবাদিক মিজানুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামাল পাশা, যুগ্ম-সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাগর, সাংবাদিক দুর্জয়, সাংবাদিক বিলকিস, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক এনামুল হক প্রমুখ। এ সময় শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের অন্যান্য সদস্য এবং জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার পাশাপাশি সমসাময়িক গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ, পেশাগত দায়বদ্ধতা, সংবাদ পরিবেশনের নৈতিকতা এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গণমাধ্যম শুধু সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম নয়, বরং সত্য উদঘাটন, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং জনমত গঠনের শক্তিশালী হাতিয়ার। বক্তারা আরো বলেন, স্বাধীনতার চেতনা লালন এবং সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করার লক্ষে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পরে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত, দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট

লালমনিরহাট জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেলেন মমিনুল হক

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০১ এএম
লালমনিরহাট জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেলেন মমিনুল হক

লালমনিরহাট জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মমিনুল হক। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের (জেলা পরিষদ শাখা) বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

​প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ৩ দ্বারা ‘জেলা পরিষদ আইন, ২০০০’-এ সন্নিবেশিত ধারা ৮২ক (১) মোতাবেক পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ কে এম মমিনুল হককে লালমনিরহাট জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

​জানা যায়, গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সারা দেশের জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের দায়িত্ব স্থগিত করে দেয়। এরপর থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখতে লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন জেলা প্রশাসক (ডিসি)। নতুন এ প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে এই পদে পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হলো।

​নবনিযুক্ত প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক বর্তমানে লালমনিরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

পীরগঞ্জ উপজেলা এনজিও মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

মো. আরফান আলী, ঠাকূরগাঁও প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ এএম
পীরগঞ্জ উপজেলা এনজিও মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

৩১ মার্চ মঙ্গলবার পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা এনজিও মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে সভাপতিত্ব করেণ নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী সরদার। নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপস্থিত এনজিও প্রতিনিধিদের সাথে পরিচয় পর্ব ও প্রকল্প সম্পর্কে অবগত হন।

error: Content is protected !!