শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৪, ৬:৪৪ পিএম | 181 বার পড়া হয়েছে
কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজাসহ চারদিনের টানা ছুটিতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে পর্যটন নগরী কুয়াকাটায়।

বৃহস্পতিবার থেকে টানা চারদিনের ছুটি থাকার কারণে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কুয়াকাটায় এসেছেন নানান বয়সের নানান পেশার মানুষ।

শুক্রবার(১১ অক্টোবর) সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায় নানান বয়সের মানুষ সমুদ্রে গোসল করছেন, কেউ কেউ আবার প্রিয়জনের সাথে বসে আড্ডায় মেতেছেন। পুরো সৈকত এলাকা পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে।

ঢাকা কচুক্ষেত থেকে ঘুরতে আসা কলেজ শিক্ষক হালিম রনি বলেন ,পরিবারের সবাইকে নিয়ে প্রথমবারের মতো কুয়াকাটায় আসলাম। খুব ভালো লাগছে সমুদ্রে গোসল করে। টানা ৪ দিন ছুটি পাওয়ার কারণে পরিবার নিয়ে বের হতে পারলাম, এখানে ২ দিন থাকবো তারপর আবার ঢাকায় ফিরে যাবো। আসার পথে রাস্তা কিছুটা খারাপ থাকায় সামান্য অসুবিধা হয়েছে তাছাড়া সব ঠিক আছে ।

পর্যটক বাড়ার কারণে ব্যস্ত সময় পার করছে কুয়াকাটার পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে ৫ই আগস্ট দেশের পট পরিবর্তনের পরে পর্যটন শূন্য হয়ে পরে কুয়াকাটা। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সাথে সাথে পর্যটকও বাড়তে থাকে। হিন্দু ধর্মের এই বড় অনুষ্ঠানের কারণে ৪ দিন ছুটি থাকায় ইতোমধ্যে প্রথম শ্রেণীর হোটেলগুলো শতভাগ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির হোটেলগুলো ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে।

কুয়াকাটার অভিজাত আবাসিক হোটেল খান প্যালেসের পরিচালক রাসেল খান বলেন, টানা ৪ দিন ছুটি থাকার কারণে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় হয়েছে কুয়াকাটায়।আমাদের হোটেল সহ প্রথম শ্রেণীর সবগুলো হোটেলে শতভাগ বুকিং রয়েছে।দীর্ঘ অনেক মাস পরে এত বেশি সংখ্যক পর্যটক এসেছেন এখানে। আশা করছি ব্যবসায়ীরা তাদের লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, কুয়াকাটায় সর্বমোট ২০০টি আবাসিক হোটেল-মোটেল রয়েছে তার মধ্যে ১০-১৩ তারিখের জন্য প্রায় ৭০ শতাংশ কক্ষ অগ্রীম বুকিং হয়ে ছিলো।দেশের অন্যতম এই পর্যটন নগরীতে মাত্র বিশ-ত্রিশ হাজার পর্যটকদের রাত্রিযাপনের জন্য ব্যবস্থা রয়েছে।তবে পর্যটক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীরও প্রতিনিয়ত আসতে শুরু করেছে কুয়াকাটায়।

মুক্তি পেল ধানুশ-কৃতির ‘তেরে ইশক মে’

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০০ পিএম
মুক্তি পেল ধানুশ-কৃতির ‘তেরে ইশক মে’

প্রেক্ষাগৃহে দর্শকমন জয়ের পর ধানুশ ও কৃতি শ্যানন অভিনীত আলোচিত ছবি ‘তেরে ইশক মে’ অবশেষে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স-এ মুক্তি পেয়েছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) থেকে ছবিটি জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে। তথ্যটি নেটফ্লিক্স তাদের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজে জানিয়েছে।
‘তেরে ইশক মে’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় গত বছরের ২৮ নভেম্বর। অবশ্য সে সময় ছবিটি মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়লেও বক্স অফিসে অন্য ছবিগুলোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতা করে দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখতে সক্ষম হয়। দর্শকের মুখে মুখে ইতিবাচক প্রচারণার জেরেই মূলত শেষ পর্যন্ত ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে সফলতার দেখা পায়।
ক্ষতি, অনুশোচনা এবং অমীমাংসিত অনুভূতির প্রেক্ষাপটে আবেগঘন প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘তেরে ইশক মে’ পরিচালনা করেছেন আনন্দ এল. রাই।
সিনেমায় ধানুশ অভিনয় করেছেন শঙ্কর চরিত্রে। অন্যদিকে, কৃতি শ্যাননের চরিত্রের নাম মুক্তি। কলেজ জীবনে শুরু হয় শঙ্কর ও মুক্তির সম্পর্ক। পরবর্তীতে প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় আবার যখন দুজন একত্রিত হয় তখন তাদের পূর্বের স্মৃতি কীভাবে দুজনের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে সেটাই রুপালি পর্দায় তুলে ধরেছেন নির্মাতা।
ছবিটি নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-তে প্রকাশিত এক পর্যালোচনায় সমালোচক শৈবাল চ্যাটার্জি লেখেন, ‘মুখ্য চরিত্রে থাকা ধানুশ ও কৃতি শ্যানন, শঙ্কর ও মুক্তি চরিত্রে যথাসাধ্য আবেগ ও তীব্রতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তবে গল্পের জটিলতা এতটাই বেশি যে, অভিনয়ে দুজনের আপ্রাণ প্রচেষ্টার পরও সেটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি।’
রানঝানা (২০১৩) ও আতরঙ্গি রে (২০২১)-এর পর পরিচালক আনন্দ এল. রাইয়ের পরিচালনায় দক্ষিণী তারকা ধানুশের এটি তৃতীয় সিনেমা।

রূপপুর প্রকল্পে ব্যয় সমন্বয়: জিওবি খাতে সাশ্রয় ১৬৬ কোটি টাকা

ঈশ্বরদী সংবাদদাতা, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
রূপপুর প্রকল্পে ব্যয় সমন্বয়: জিওবি খাতে সাশ্রয় ১৬৬ কোটি টাকা

ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় পুনর্নির্ধারণ করা হলেও এতে বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন (জিওবি) খাতে প্রায় ১৬৬ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বাস্তবায়নাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। সে সময় প্রকল্পটির মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা, এবং মেয়াদ ধরা হয় ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত। তবে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়নের বাস্তবতা বিবেচনায় প্রথম সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনায় (ডিপিপি) প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন তথ্য কর্মকর্তা সৈকত আহমেদ জানান, বর্তমানে ডিপিপি সংশোধনের কাজ চলমান রয়েছে।
সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা। যদিও সামগ্রিক ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—জিওবি খাতে ব্যয় ১৬৬ কোটি টাকা কমেছে, ফলে জাতীয় বাজেটের ওপর সরকারের সরাসরি চাপ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
প্রকল্প অনুমোদনের সময় প্রতি মার্কিন ডলার ৮০ টাকা ধরে ব্যয় হিসাব করা হয়েছিল। কিন্তু গত নয় বছরে ডলারের বিনিময় হার বেড়ে প্রায় ১২২.৪০ টাকা হওয়ায় বৈদেশিক ঋণের অংশ টাকায় রূপান্তরিত হয়ে প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বাস্তবতায় সংশোধিত ডিপিপিতে বিভিন্ন খাতে ব্যয় পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।
সংশোধিত প্রস্তাবে ৩৪টি খাতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং ৪৯টি খাতে বরাদ্দ হ্রাস করা হয়েছে। জনবল ব্যয়, ভূমি অধিগ্রহণ ক্ষতিপূরণ, বিদ্যুৎ বিল ও পরামর্শক খাতে সাশ্রয়ের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অর্থ সাশ্রয় সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি, প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত প্রয়োজন মেটাতে ১০টি নতুন খাত সংযোজন করা হয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি পরিচালনা নিশ্চিত করতে অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ (O&M) সংক্রান্ত সেবা চুক্তি এবং খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহ চুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলমান রয়েছে। এছাড়া আন্তঃরাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় রাশিয়ান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিদেশি জনবলের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে গ্রিনসিটি আবাসিক এলাকার অসমাপ্ত ভবন সম্পন্ন এবং নতুন অধিগ্রহণকৃত প্রায় ৬.০৬ একর জমিতে প্রয়োজনীয় স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনাও সংশোধিত প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কোভিড-১৯ মহামারী, রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধজনিত বৈশ্বিক পরিস্থিতি, সরবরাহ চেইনের সীমাবদ্ধতা এবং প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি বিবেচনায় Joint Coordination Committee (JCC) ঋণচুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুপারিশ করে। এর ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-২-এর প্রভিশনাল টেকওভার সময়সীমা ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের সূত্রে জানা যায়, একই VVER-1200 প্রযুক্তি ব্যবহার করে হাঙ্গেরিতে দুই ইউনিটের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৩.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, মিশরে চার ইউনিটে ৩০ বিলিয়ন ডলার, তুরস্কে রাশিয়ার মালিকানাধীন চার ইউনিটে ২০ বিলিয়ন ডলার এবং বেলারুশে দুই ইউনিটে ১১ বিলিয়ন ডলার। এসব প্রকল্পের সঙ্গে তুলনা করলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ব্যয় আন্তর্জাতিকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছে কমিশন।
অন্যদিকে, ভারতের কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে VVER-1000 প্রযুক্তির পঞ্চম ও ষষ্ঠ ইউনিটের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যন্ত্রপাতি সরবরাহেই ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতের পারমাণবিক শক্তিতে পূর্ব অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষিত জনবল এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর কারণে তুলনামূলক কম ব্যয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১-এর কমিশনিং কার্যক্রম বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, যা দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুই ইউনিট চালু হলে জাতীয় গ্রিডে মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।

নানা আয়োজনে পালিত হলো সরস্বতী পূজা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫০ এএম
নানা আয়োজনে পালিত হলো সরস্বতী পূজা

বিভিন্ন মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে গতকাল সনাতন ধর্মালম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মীয় বিধান অনুসারে, মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে শুভ্র হংসের পিঠে চড়ে পৃথিবীতে নেমে আসবেন বিদ্যা ও ললিতকলার দেবী সরস্বতী। শ্বেত-শুভ্র বসনা স্বরসতী দেবীর এক হাতে বেদ, অন্য হাতে বীণা। এজন্য তাকে বীণাপানিও বলা হয়। সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, জ্ঞান ও বিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবী তার আশীর্বাদের মাধ্যমে মানুষের চেতনাকে উদ্দীপ্ত করতে প্রতি বছর আবির্ভূত হন ভক্তদের মাঝে। পাবনা জিলা স্কুল, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সেন্ট্রাল গার্লস হাই স্কুল, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র আশ্রমসহ বিভিন্ন স্কুল কলেজ, পূজা মন্ডপ এবং ঘরে ঘরে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পূজা ছাড়াও পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনেকস্থানে দেবীর সামনে ‘হাতেখড়ি’ দিয়ে শিশুদের বিদ্যা চর্চার সূচনা করা হয়।