নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজটা তেমন একটা জমছে না। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে পরশু সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দুই ইনিংস মিলে ২০০ রানও হয়নি। ভেন্যু বদলে আজ হ্যামিল্টনে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ড স্কোরবোর্ডে লড়াই করার মতো রান তুলেছে ঠিকই। তবে প্রোটিয়ারা পাত্তাই পায়নি।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটে জিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। আজ জিতলে সিরিজ জয়ের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যেত প্রোটিয়ারা। তবে হ্যামিল্টনে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে কিউইরা পেয়েছে ৬৮ রানের বিশাল জয়। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ এখন ১-১ সমতায় রয়েছে।
১৭৬ রানের লক্ষ্যে নেমে সাবধানী শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলীয় ২৪ রানেই ভাঙতে পারত তাদের উদ্বোধনী জুটি। চতুর্থ ওভারের শেষ বলে লকি ফার্গুসনকে সোজা ড্রাইভ করতে যান ভিয়ান মুলডার। তবে কট এন্ড বোল্ড করতে পারেননি ফার্গুসন।
শুরুতে ক্যাচ মিস নিউজিল্যান্ডের জন্য তেমন একটা বিপদ হয়ে আসেনি। পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে কনর এস্টারহুইজেনকে (৮) ফেরান বেন সিয়ার্স। দলীয় ২৯ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে ভাঙনের শুরু। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা প্রোটিয়ারা ১৫.৩ ওভারে ১০৭ রানে গুটিয়ে যায়। যার মধ্যে শেষ ৫ উইকেট তারা হারিয়েছে ১৮ রানে। সাত নম্বরে নামা জর্জ লিন্ডের ঝোড়ো ইনিংস বৃথা গেছে। ১২ বলে তিনটি করে চার ও ছক্কায় ৩৩ রান করেন তিনি। তাঁর স্কোরই দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে সর্বোচ্চ।
নিউজিল্যান্ডের সিয়ার্স ও ফার্গুসন তিনটি করে উইকেট পেয়েছেন। যাঁর মধ্যে সিয়ার্স ৩ ওভারে ১৪ রান খরচ করেছেন। অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ৩ ওভারে ১৯ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন কোল ম্যাকনকি ও জেমস নিশাম।
হ্যামিল্টনে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক কেশব মহারাজ। আগে ব্যাটিং পেয়ে নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ৬ উইকেটে করেছে ১৭৫ রান। ইনিংস সর্বোচ্চ ৬০ রান করেছেন ডেভন কনওয়ে। ৪৯ বলের ইনিংসে ৫ চার ও ২ ছক্কা মেরেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার মুলডার ২ ওভারে ১৪ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। লিন্ডে, মহারাজ, ওটনিল বার্টম্যান ও জেরাল্ড কোয়েটজি একটি করে উইকেট পেয়েছেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে কনওয়ের হাতেই।

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক 