মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

ভাঙ্গুড়ায় ঈদগাঁ কমিটি বাতিলের দাবিতে নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ

MD. ABDUL AZIZ
MD. ABDUL AZIZ - MANAGING EDITOR, BANGLADESH প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ২:৩৮ পিএম | 7 বার পড়া হয়েছে
ভাঙ্গুড়ায় ঈদগাঁ কমিটি বাতিলের দাবিতে নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ

পাবনার ভাঙ্গুড়া চকদিগর অর্থাৎ মল্লিকচক,মন্ডতোষ,কান্দিপাড়া,বোয়ালমারী, টুনিপাড়া,জালেশ্বর,পাইক পাড়া,গজারমারা,চক মৌষাট, সম্মিলিত ঈদগাঁ মাঠের নব-গঠিত কমিটি বাতিল চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, অত্র ঈদগাঁ মাঠের দাঁতা সদস্যের ছেলে আওলাদ হোসেন মাষ্টারসহ,বিএনপিপন্থি,জামাতপন্থী, আওয়ামী লীগপন্থী নয় গ্রামের ৭৫ জন নেতাকর্মী। গত রবিবার (১৫ মার্চ) এই লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

তাদের অভিযোগ, সাবেক কমিটির অর্ধেকওকম সদস্যের নিয়ে সৈরাতান্ত্রিক উপায়ে অতি চালাকি করে এই বিতর্কিত কমিটি ঘটন করা হয়েছে। তাই অবিলম্বে বিতর্কিত কমিটি বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জানাযায়,গত ৭ই মার্চ ৯ গ্রাম সম্বলিত ঈদগাঁ মাঠের কমিটির দুই তৃতীয়াংশ সদস্য উপস্থিত রেখে কমিটির ঘটন করার কথা থাকলেও তারা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক উপায়ে চালাকি করে (ঈদগাঁ মাঠ) যেহেতু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সেহেতু কমিটিতে আলেম ওলামা বা মওলানাদের নিয়ে কমিটি করার কথা,কিন্তু তা না করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে ঈদগাঁ মাঠ কমিটির সাধারণ সম্পাদক করা হয়,তখন এ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন অভিযোগ কারীরা। এই কমিটি নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে যা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলার বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগামী ঈদুল ফিতরের নামাজকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা হওয়ার সম্ভাবনা লক্ষ করা যাচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছের দাবি জানিয়েছেন এলাকা বাসি।

এবিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ মিজানুর রহমান বলেন,অভিযোগ পেয়েছি তবে এ সব কমিটির কোন ভিত্তি নাই, এলাকায় সমঝোতার ভিত্তিতে হয়ে থাকে,এসব অবৈধ কমিটি নিয়ে যদি আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হয় তাহলে দুই পক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ কারা হবে

ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

তালাত মাহমুদ বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫০ পিএম
ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

ইসলাম মানুষের বাস্তব সমস্যার বাস্তব সমাধান করতে পেরেছিল । আর তা দেখেই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল । কিন্তু আফসোস প্রকৃত ইসলামের সেই প্রাঞ্চল আদর্শ আজ নেই । ফলে এককালে যে মুসলিমরা অর্ধ দুনিয়াকে ন্যায় শান্তি ও সুবিচার অলংকারে সাজিয়ে তুলেছিল । সেই মুসলিমরাই আজ সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে অবজ্ঞাত, উপেক্ষিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত, অপমানিত,উভ্যাস্ত ,জনগোষ্ঠীতে পরিমিত পরিণিত হয়েছে । ইসলাম অনৈক্য -হানাহানিতে লিপ্ত দাঙ্গাবাজ আরবদের কে ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ করেছিল বংশানুক্রমিক শত্রুতা আর রক্তপাতে নিমজ্জিত আরব জাতিকে একে অপরের ভাই বানিয়ে দিয়েছিল ।বিশৃঙ্খল ও উশৃঙ্খল আরবদের কে, শৃঙ্খলা শিক্ষা দিয়েছিল ইসলাম যাদের জীবন যাপনে এতদিন শৃঙ্খলার কোন লেশমাত্র ছিল না । তারা ইসলামের আদর্শ গ্রহণের পর পুরোপুরি বদলে গিয়েছিল। তাদের ব্যক্তিগত জীবন পারিবারিক জীবন পোশাক আশাক খাদ্য গ্রহণ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সামাজিকতা জাতীয় সাময়িক কর্মকাণ্ডের পুরোটাই ছিল সুশৃংখল ও সুপরিকল্পিত। “চলবে”

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম
রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

জাহিদ হোসেন স্টাফ রিপোর্টার, চাঁদপুর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

চাঁদপুর জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের প্রতিটি বাড়ি যেনো এক একটি সবজি বাগান।

তারা বছরের যে কোনো সময়ের চাইতে শীত মৌসুমে সবজির আবাদ বেশি ফলায়। চরাঞ্চলের মানুষে নিয়মিত এসব সবজি চাষ করে নিজের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারেও বিক্রি করে।

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন চলাঞ্চলের নদী ভাঙা গড়ার খেলায় এক চর থেকে অন্য চরে বসতি স্থাপন করে এসব চরাঞ্চলের মানুষজন। নতুন চরে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন যেখানে তাদের নতুন করে বাড়ি সাজানো হয়। আর সেখানেই গড়ে তুলেন সবজির বাগান। একই সাথে গবাদি পশু ও অন্যান কৃষি উৎপাদন করেন। বর্তমানে চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি দিয়ে শহর অঞ্চলের সবজির একটি অংশ চাহিদা মিটায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিমে চরগুলোর দিকে থাকালে প্রতিটি বাড়ি দেখে মনে হয় যেন সবজির বাগানে ভরপুর। তারা বাড়ির সামনের জমিও ও ঘরের অঙ্গিনায় এসব সবজি চাষ করে জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের বলাশিয়া, শিলার চর, চিরারচর, বেড়া চাক্কি, বাঁশগাড়ি চরে গিয়ে দেখা গেছে পদ্মা-মেঘনা নদীর অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন শাক লতাপাতা লাগিয়ে শহরের চাহিদা মিটায়। কিন্তু শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে গেলে জমিতে সরিষা, মাশকালাই, করলা শশা, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ অন্যান্য শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও বসে নেই এসব উৎপাদনে । প্রতিটি বাড়ি নারীদের হাতের ছোঁয়ায় পরিণত হয় এক একটি সবজি বাগানে ।

এ বিষয়ে জনতা ৭১ টিভির প্রতিবেদক সরেজমিনে গেলে কথা হয় ট্রলারে লোক কিসমত আলীর সাথে। তিনি, বার বার নদী ভাঙ্গনের ফলে নতুন চর জেগে উঠে আর নতুন চরে পলি সমৃদ্ধ মাটিতে এসব সবজির ফলন খুব ভালো হয়।

শীতকালে দেখা যায় চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি ট্রলারে পদ্মা-মেঘনা পাড়ি দিয়ে চাঁদপুর শহরে র পুরান বাজার বৌ বাজারে নিয়ে আসে । শহরের চরাঞ্চলের সবজির চাহিদা বেশী। প্রতি কেজি শিম পাইকারী বিক্রি হয় ২০-২৫ টাকা। প্রতি পিস লাউ ৪০-৫০ টাকা। কুমড়া গড়ে প্রতি পিচ ৪০-৫০ টাকা। এছাড়াও অনেকে কুমড়া, মাশকালাই শাক বিক্রি করেন। শীত মৌসুমে নদীতে মাছ কম পাওয়া যায়। সবজির বিক্রির টাকা কিছুটা হলে আমাদের চরাঞ্চলের লোকদের আয় রোজগার বাড়ে।

তবে এখন কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাড়িতে সবজি এবং জমিতে একাধিক উচ্চ ফলনশীল ফসল উৎপাদনের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।

error: Content is protected !!