শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় ঠান্ডা-গরমে হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর চাপ, বেশি আক্রান্ত শিশু-বয়স্করা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩১ পিএম | 49 বার পড়া হয়েছে
চুয়াডাঙ্গায় ঠান্ডা-গরমে হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর চাপ, বেশি আক্রান্ত শিশু-বয়স্করা

ঋতু পরিবর্তনের কারণে দিনে তপ্ত রোদ, গরম। আবার রাতে মৃদু শীত। গরম-ঠান্ডার এমন আবহাওয়ায় চুয়াডাঙ্গায় জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগী বেড়ে গেছে। ঘরে ঘরে অসুস্থ হয়ে পড়া এসব রোগীর চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, বিভিন্ন ওয়ার্ডে ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকায় তাঁরা চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। গত এক সপ্তাহে ঠান্ডার রোগে আক্রান্ত নানা বয়সী অন্তত ৫ হাজার রোগী বহির্বিভাগ থেকে চিকিৎসাসেবা নিয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের নথি অনুযায়ী, গতকাল রোববার পর্যন্ত সাত দিনে বহির্বিভাগে মোট রোগী এসেছে ৪ হাজার ৯৬৪ জন। এর মধ্যে নারী ১ হাজার ৯০৬, পুরুষ ১ হাজার ৫১৮ এবং শিশুর সংখ্যা ১ হাজার ৫২৮ জন। এ সময় ১৩টি শয্যার শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে ১৫৫ শিশু। আক্রান্তদের মধ্যে সিংহভাগই শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়ার সমস্যায় ভুগছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি রোগীর চাপ বেড়েছে শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডে। শিশু ওয়ার্ডে মাত্র ১৩ শয্যার বিপরীতে ২ মার্চ থেকে গতকাল দুপুর পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে ১৭৫ জন নতুন রোগী। এর মধ্যে ২ মার্চ ৩০, ৩ মার্চ ১৫, ৪ মার্চ ৩৬, ৫ মার্চ ১৮, ৬ মার্চ ২২, ৭ মার্চ ১৫ এবং গতকাল বেলা ১টা পর্যন্ত ১৯টি শিশু ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শিশু ওয়ার্ডের প্রায় ৯০ শতাংশ রোগীই নিউমোনিয়া ও ঠান্ডার রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

অন্যদিকে গত এক সপ্তাহে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে ২১০ জন। নারী মেডিসিন ওয়ার্ডে মাত্র ১১ শয্যার বিপরীতে এক সপ্তাহে ২৪৬ জন রোগী ভর্তি হয়; যার মধ্যে ৪ মার্চ সর্বোচ্চ ৫৪ জন রোগী ভর্তি হয়। অন্যদিকে পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে ২২ শয্যার বিপরীতে গত এক সপ্তাহে ১৭৪ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে।

ডায়রিয়া ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এক শিশুর বাবা আতিকুর রহমান জানান, আবহাওয়ার তারতম্যের কারণেই তাঁর শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। তিন দিন ধরে হাসপাতালে থাকার পর শিশুর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ মাহবুবুর রহমান মিলন বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০০ জন শিশু রোগী দেখছি। আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে শিশুদের শরীর ঘেমে তা বসে গিয়ে ঠান্ডার রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অভিভাবকদের এ সময়ে অত্যন্ত সচেতন থাকতে হবে।’

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব বলেন, ‘ঋতু পরিবর্তনের এই সন্ধিক্ষণে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। বর্তমানে হাসপাতালে জ্বর, সর্দি ও কাশির রোগীর চাপ বেশি থাকলেও চিকিৎসাসেবায় কোনো ঘাটতি নেই। আমরা সাধ্যমতো সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করছি। হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ওষুধের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।’

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক আলতাফ হোসেন জানান, চুয়াডাঙ্গায় গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বোচ্চ ৩২ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আগের দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছিল।

রূপগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ইফতার বিতরণ

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩১ পিএম
রূপগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ইফতার বিতরণ

নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ও

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক ১ নং সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আরমান মোল্লা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল মোল্লার নেতৃত্বে তারাবো পৌরসভার ১ নং ও ২ নং ওয়ার্ডে হতদরিদ্র গাড়ি চালক ও পথচারীদের মধ্যে ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠিত।
এসময় আরো
উপস্থিত ছিলেন তারাবো পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন বাবু, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক ওহাব মাসুম, তারাবো পৌর যুবদলের ১নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম,তারাবো পৌর বিএনপি’র আহবায়ক সদস্য জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহির মোল্লা সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন

রাউজানে শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত

মিলন বৈদ্য শুভ,রাউজান (চট্টগ্রাম) : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৮ পিএম
রাউজানে শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সম্প্রতি মন্দির প্রাঙ্গণে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, মঙ্গলারতি, গঙ্গা আহ্বান, শুভ অধিবাস, মাতৃপূজা এবং চতুষ্প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়।

শতবর্ষ পূর্তি উদযাপনকে ঘিরে আয়োজিত মহোৎসবে ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মন্দির প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। ধর্মীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শ্রীশ্রী নামলীলা অর্চনা, মহানাম সংকীর্তন ও বিভিন্ন ভক্তিমূলক আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে পরিবেশিত হয় ভক্তিমূলক সংগীত ও কীর্তন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্থান থেকে আগত কীর্তনীয়া দল অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে শ্রীনাম সম্প্রদায়, জীবনানন্দ ভক্তবৃন্দ ও শ্রীচৈতন্য সম্প্রদায়ের শিল্পীরা ভক্তিমূলক পরিবেশনার মাধ্যমে উপস্থিত ভক্তদের আপ্লুত করেন।
মহোৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিক্সন নাথ, রাষ্ঠন নাথ, নিউটন নাথ, ওয়াস্টিন নাথ, পরিমল নাথ, পরাগ নাথ, সজল নাথ, মাষ্টার সুভাষ নাথ, সুমন নাথ, শান্ত কুমার নাথ, উজ্জ্বল নাথ, রাজেস নাথ ও রাজীব নাথসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিটন মহাজন (লিটু), সহ-সভাপতি দোলন ঘোষ, সুজন দে, সুজন দাশ ও অঞ্জন বিশ্বাস।
আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই মহোৎসবের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনা ও ভক্তিভাব আরও সুদৃঢ় হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আগত অসংখ্য ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠান শেষে মন্দির পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে সকল ভক্ত, শুভানুধ্যায়ী ও সহযোগীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

রামপুরা BTV ভবন সংলগ্ন এটিএমে ছেঁড়া টাকা দেওয়ার অভিযোগ

প্রতিবেদন: মোঃ শাকিল মাহমুদ, ঢাকা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৫ পিএম
রামপুরা BTV ভবন সংলগ্ন এটিএমে ছেঁড়া টাকা দেওয়ার অভিযোগ

 

রাজধানীর রামপুরা এলাকায় রামপুরা বিটিভি ভবন সংলগ্ন Dutch-Bangla Bank Limited–এর এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলনের সময় ছেঁড়া ও অচল নোট পাওয়ার অভিযোগ করেছেন গ্রাহকেরা। এতে করে সাধারণ গ্রাহকদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ:
অনেক গ্রাহক জানান, এটিএম থেকে টাকা তোলার পর দেখা যায় কিছু নোট ছেঁড়া বা ক্ষতিগ্রস্ত। পরে এসব নোট দোকান বা অন্য জায়গায় ব্যবহার করতে গেলে সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক সময় দোকানদাররা এসব নোট নিতে অস্বীকৃতি জানান।
গ্রাহকদের প্রশ্ন:
গ্রাহকদের প্রশ্ন, এটিএমে টাকা লোড দেওয়ার সময় কেন নোটগুলো সঠিকভাবে যাচাই করা হয় না। এ ধরনের অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।
দাবি:
ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এটিএম বুথ থেকে ছেঁড়া বা অচল নোট না আসে, সে বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

error: Content is protected !!