সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস, খরচে নুইয়ে পড়েছে পরিবার—সহায়তার অপেক্ষায় রনি
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের কোনাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম রনি (২৯) দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছেন। মাত্র দুই বছর বয়সেই ধরা পড়ে তার গুরুতর কিডনি সমস্যা। সেই ছোট্ট বয়সেই চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, বড় হওয়ার পর জটিল অপারেশন লাগতে পারে এবং নিয়মিত চিকিৎসা ছাড়া তার জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
শৈশব থেকেই শুরু হয় হাসপাতাল আর চিকিৎসকের কাছে ছুটে বেড়ানো। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রনির শারীরিক অবস্থাও ক্রমে খারাপ হতে থাকে। পরিবারের সামর্থ্য অনুযায়ী তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অসহায় বাবা। কিন্তু দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে এত বছর চিকিৎসা চালানো তাদের জন্য ছিল অত্যন্ত কঠিন এক সংগ্রাম।
বর্তমানে রনির অবস্থা আরও জটিল হয়ে পড়েছে। জীবন বাঁচিয়ে রাখতে তাকে এখন সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করাতে হয়। প্রতিবার ডায়ালাইসিস, ওষুধ ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে সপ্তাহে প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়।
রনির বাবা মো. লুৎফর রহমান পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। প্রতিদিনের আয়ের উপর নির্ভর করেই চলে তার সংসার। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় তিন দশক ধরে ছেলের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে এখন তিনি সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েছেন। দিনমজুরের এই আয়ে সংসার চালানোই যেখানে কঠিন, সেখানে নিয়মিত ডায়ালাইসিসের খরচ বহন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রনির ছোট ভাই মো. আসিফ আরাফাত জানান,
“আমার ভাই প্রায় ২৭–২৮ বছর ধরে কিডনি সমস্যায় ভুগছে। ছোটবেলা থেকেই আমরা তাকে নিয়ে হাসপাতাল আর ডাক্তারদের কাছে ছুটেছি। এখন সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস না করালে তার জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। কিন্তু এত খরচ চালানো আমাদের পরিবারের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না।”
তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, মানবিক সংগঠন এবং সরকারের কাছে তার ভাইয়ের চিকিৎসার জন্য আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।
রাকিবুল ইসলাম রনি বাঁচতে চান। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা। সমাজের সহৃদয় মানুষদের একটু সহানুভূতি ও সহযোগিতাই পারে এই তরুণের জীবন বাঁচাতে নতুন আশার আলো জ্বালাতে।
আর্থিক সহযোগিতা পাঠানোর জন্য যোগাযোগ:
মো. লুৎফর রহমান (রনির বাবা)
মোবাইল: ০১৭৩৪-২৬৩০৯৩ (বিকাশ)











