অসহায় প্রবাসীর স্ত্রীর আর্তনাদ
বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে দুই বছর মেলামেশা: চাকরি পেতেই দেবর এখন অচেনা
গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে উঠেছে প্রতারণা ও শারীরিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ।
ভুক্তভোগী এক নারী, যাঁর স্বামী গত চার বছর ধরে জেলখানায়, তাঁর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে খোদ নিজের দেবর আশরাফ শেখ (পিতা: হাবিব শেখ) ঘটিয়েছেন এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা।
বিশ্বাসঘাতকতার নীল নকশা:
সহযোগিতার ছলে প্রতারণা:
স্বামীর অনুপস্থিতিতে দেবর আশরাফ ওই নারীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত দুই বছর ধরে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ওই নারীর দাবি, আশরাফ তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিলেন চাকরি পেলেই তিনি বিয়ে করে ঘরে তুলবেন।
চাকরি পেতেই ভোলবদল:
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চাকরি পাওয়ার পর থেকেই আশরাফের আচরণ বদলে যায়। তিনি ওই নারীকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন এবং মোবাইলে থাকা সম্পর্কের সব প্রমাণ ডিলিট করে দেন।
শ্বশুরবাড়ি ও দেবরের পরিবারের অমানবিকতা: নিজের অধিকার দাবি করতে গেলে ওই নারীকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।
এমনকি আশরাফের বাড়িতে আশ্রয় নিলে সেখানে তাঁর শ্বশুর হাবিব শেখ ও পরিবারের সদস্যরা মিলে ওই নারীকে রাতভর আটকে রেখে অকথ্য গালিগালাজ ও মারধর করে।
মরার ওপর খাঁড়ার ঘা:
ভুক্তভোগী নারী জানান, তাঁকে বাড়ি থেকে তাড়াতে একের পর এক নির্যাতন চালানো হচ্ছে। এমনকি তিনি যখন তাঁর অধিকারের জন্য আশরাফের ঘরে প্রবেশ করেন, তখন তাঁকে ‘চোর’ সাজিয়ে বা আত্মহত্যার নাটক সাজিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টাও করা হচ্ছে।
আইনি প্রেক্ষাপট:
বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করা ‘ধর্ষণ’ বা ‘প্রতারণার’ আওতায় পড়ে। এছাড়া ওই নারীর গায়ে হাত তোলা এবং তাঁকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা ফৌজদারি অপরাধ।














