শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২

বর্ষার আগেই পাগলি ছড়া খাল খননের দাবি

জলাবদ্ধতায় নাকাল ফেনীর আবু বক্কর সড়ক

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৬:০৪ পিএম | 88 বার পড়া হয়েছে
জলাবদ্ধতায় নাকাল ফেনীর আবু বক্কর সড়ক

আবর্জনা ও ভরাটে পানিপ্রবাহ বন্ধ; সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুসমান পানি, দ্রুত উদ্যোগ চায় এলাকাবাসী

ফেনী পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের আবু বক্কর সড়ক মাথা থেকে লালপোল পর্যন্ত বিস্তৃত পাগলি ছড়া খাল দীর্ঘদিন ধরে অপরিষ্কার অবস্থায় পড়ে আছে। খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ময়লা-আবর্জনায় আটকে থাকায় বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে সড়কের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অনেক সময় হাঁটুর ওপর পানি জমে পুরো এলাকা সয়লাব হয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর বর্ষা এলেই একই সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। সময়মতো খালটি পরিষ্কার ও পূর্ণ খনন না করায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে না। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. আলমগীর হোসেন বলেন, “সামান্য বৃষ্টি হলেই আমাদের দোকানের সামনে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। এতে ক্রেতারা আসতে পারেন না, ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়। বর্ষার আগে যদি খালটি পরিষ্কার করা না হয়, তাহলে আবারও বড় সমস্যায় পড়তে হবে।”
এলাকার বাসিন্দা আবদুল কাদের জানান, “পাগলি ছড়া খালটি আগে অনেক প্রশস্ত ছিল। কিন্তু বছরের পর বছর খনন না হওয়ায় এখন অনেকটা ভরাট হয়ে গেছে। ময়লা-আবর্জনায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।”
আরেক ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম বলেন, “বৃষ্টি হলেই পানি জমে পুরো সড়ক ডুবে যায়। ক্রেতারা আসতে পারে না, অনেক সময় দোকান বন্ধ রাখতে হয়। দ্রুত খাল পরিষ্কার ও খনন করা প্রয়োজন।”
স্থানীয় বাসিন্দা রাশেদা বেগম বলেন, “শুধু ব্যবসায়ী নয়, সাধারণ মানুষও খুব কষ্ট পায়। শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচল করতে সমস্যা হয়। বর্ষার আগেই যদি খালটি পরিষ্কার করা হয় তাহলে এই দুর্ভোগ অনেকটা কমবে।”
এলাকার আরেক তরুণ বাসিন্দা মাহমুদ হাসান বলেন, “প্রতিবছর একই সমস্যা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হচ্ছে না। পৌর কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে পাগলি ছড়া খালটি খনন করলে এলাকাবাসী বড় দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পাবে।”
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই পাগলি ছড়া খাল পরিষ্কার ও পূর্ণ খননের জন্য ফেনী পৌর কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

চাটমোহরে পুকুর খননের সময় মাটির নিচে মিলল প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি

খালিদ হাসান,স্টাফ রিপোর্টার,উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৭ পিএম
চাটমোহরে পুকুর খননের সময় মাটির নিচে মিলল প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি

পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল এলাকায় পুকুর সংস্কারের কাজ করতে গিয়ে মাটির নিচ থেকে একটি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বাঘলবাড়ি গ্রামের একটি মাঠের পুকুর থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।

‎জানা যায়, সরকারি একটি প্রকল্পের আওতায় পুকুরটি সংস্কারের জন্য ভেকু (খননযন্ত্র) দিয়ে মাটি কাটার সময় শ্রমিকরা মাটির নিচে একটি পাথরের মূর্তি দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।

‎পুকুর খননকাজের দায়িত্বে থাকা গ্রামের বাসিন্দা ইদ্রীস আলী বিষয়টি থানায় ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুসা নাসের চৌধুরী এবং হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আতিকুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে তারা মূর্তিটি উদ্ধার করে নিরাপদে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে মূর্তিটি হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

‎স্থানীয়দের ধারণা, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজিত বিষ্ণু দেবতার এবং এটি অনেক প্রাচীন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই এলাকায় আগে কোনো প্রাচীন মন্দির বা স্থাপনা থাকতে পারে, যার অংশ হিসেবে মূর্তিটি মাটির নিচে চাপা পড়ে ছিল।

‎চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী জানান, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটির উচ্চতা প্রায় চার ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ কেজি। মূর্তিটি ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। আপাতত এটি হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

স্টাফ রিপোর্টারঃ

মুনতাসীর রহমানের প্রথম জন্মদিন আজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৯ পিএম
মুনতাসীর রহমানের প্রথম জন্মদিন আজ

আজ ৭ মার্চ ২০২৬, সাংবাদিক মোঃ মিজানুর রহমান মিলনের একমাত্র পুত্র, আদরের সন্তান ও বংশের গর্ব মোঃ মুনতাসীর রহমান -এর প্রথম জন্মদিন।আজ তার ১ বছর পূর্ণ হলো ।আজকের এই দিনে সকলের কোল উজার করে পৃথিবীর আলোবাতাস দেখেছেন তিনি ।

তার এই জন্মদিনে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা মুনতাসীরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন। সবাই মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন—তিনি যেন সুস্থ, দীর্ঘায়ু ও নেককার বান্দা হিসেবে গড়ে ওঠেন।

মুনতাসীরের বাবা-মা দোয়া চেয়ে বলেন, “আমাদের সন্তান যেন বড় হয়ে একজন আলেম, রাসূল (সঃ)-এর অনুসারী ও সমাজের উপকারে আসা একজন আদর্শ মানুষ হতে পারে—এই আমাদের কামনা।”

আজকের এই শুভ দিনে সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিলনের পক্ষ থেকে দেশবাসী ও সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর প্রতি রইল সালাম ও দোয়ার অনুরোধ ।

সাইফ উল্লাহ

ধর্মপাশায় পবিত্র কোরআনের ৪৩জন নবীন হাফেজদের কে সংবর্ধনা

সাইফ উল্লাহ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৪ পিএম
ধর্মপাশায় পবিত্র কোরআনের ৪৩জন নবীন হাফেজদের কে সংবর্ধনা

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা সদরের ধর্মপাশা আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা মাঠে এ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের নয়টি হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে ২০২৫সালে পবিত্র কোরআনুল কারীমের হিফজ সম্পন্নকারী ৪৩জন নবীন হাফেজকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। তাকরীমুল হুফফাজ ফাউন্ডেশন নামের একটি সংগঠন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ফাউন্ডেশনের সভাপতি হাফেজ হুজ্জাতুল্লাহ নাঈমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সম্মিলিত উলামা পরিষদের ধর্মপাশা উপজেলার সাবেক সভাপতি মাওলানা আমিনুল ইসলাম। সংগঠনটির সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হাসান মওদুদ ও হাফেজ নাজিমুল ইসলাম সিয়ামের সঞ্চালনে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন তাকরীমুল হুফফাজ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিনিয়র সাংবাদিক সালেহ আহমদ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ধর্মপাশা উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি হাবিবুর রহমান কাসেমী, ধর্মপাশা আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি কাজী মাজহারুল হক, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ধর্মপাশা উপজেলার উপ-আঞ্চলিক কার্যালয়ের এজিএম মো. হাফিজুর রহমান, ধর্মপাশা হাসপাতাল জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মুখলেছুর রহমান, ধর্মপাশা সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, তাকরীমুল হুফফাজ ফাউন্ডেশনের সদস্য ও শিক্ষা উদ্যোক্তা গোলাম জিলানী, মুফতি মোবারক হোসেন, নলগড়া বাইতুল কোরআন মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা হাবিবুর রহমান তাবারী, মানারাতুল আজহার একাডেমির মুহতামিম মাওলানা আনোয়ার হোসেন, মুফতি মোল্লা মাহমুদ, হাফেজের অভিভাবক সেলিম খাঁ, মিছির উদ্দিন, নবীন হাফেজ মাহফুজুর রহমান, আরিফুল ইসলাম প্রমুখ। এতে পবিত্র কোরআনের নবীন ৪৩জন হাফেজের প্রত্যেককে ক্রেস্ট ও পোশাক উপহার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সকল মুসলমানদের শান্তুি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। তাকরীমুল হুফফাজ ফাউন্ডেশনের সভাপতি হাফেজ হুজ্জাতুল্লাহ নাঈম বলেন, দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যানার্থে এই অনুষ্ঠানটিকে সফল করতে অনেকেই টাকা,শ্রমসহ নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। আমরা তাঁদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। সবার সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতেও আমরা এ ধরণের অনুষ্ঠান করব। আমরা চাই এ ধরণের অনুষ্ঠান সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক।

error: Content is protected !!