এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ
মার্চ থেকে চট্টগ্রামে চসিকের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বর্জ্য সংগ্রহ
চসিকের দুটি বর্জ্যাগারে জমা বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস, গ্রিন ফুয়েল ও জ্বালানি উৎপাদনের মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) ঘোষণা করেছে, আগামী মার্চ মাস থেকে নগরের বাসা-বাড়ির ময়লা–আবর্জনা সংগ্রহ সম্পূর্ণভাবে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হবে। এতে এপ্রিল মাস থেকে বাসাবাড়ির ময়লার জন্য কোনো ভেন্ডার বা ঠিকাদারকে নগদ অর্থ দিতে হবে না।
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ২৩ ফেব্রুয়ারী( সোমবার) টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে ভেন্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত ভেন্ডাররা বাসা থেকে ময়লা সংগ্রহ করবেন এবং ফেব্রুয়ারির বকেয়া টাকা মার্চ মাসে পাবেন। মার্চ মাস থেকে চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগে কর্মরত ২ হাজার পরিচ্ছন্নকর্মী বাসা থেকে ময়লা সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করবেন।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রামে উৎপাদিত বর্জ্যের একটি অংশ খাল ও নালায় চলে যায়। এই সমস্যা সমাধানে বেসরকারি ভেন্ডারদের কিছু ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলকভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ পাওয়ায় দেখা গেছে ভেন্ডাররা ঠিকমতো সেবা দিতে পারছেন না। তাই মার্চ থেকে চসিকের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ময়লা সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “নগরবাসীর কাছে আমাদের অনুরোধ, যত্রতত্র ময়লা ফেলবেন না। এতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এবং পরিবেশ নষ্ট হয়। আমাদের কর্মচারীরা নিয়মিত বাসা থেকে ময়লা সংগ্রহ করবেন। এতে ময়লা জমে থাকবে না, মশার উপদ্রব কমবে এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন থাকবে।”
মেয়র জানান, চসিকের দুটি বর্জ্যাগারে জমা বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস, গ্রিন ফুয়েল ও জ্বালানি উৎপাদনের মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে চসিকের আয়ও বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও যোগ করেন, “শহর পরিষ্কার রাখতে হলে শতভাগ বর্জ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে।”
সভায় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন ভেন্ডার প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা।













