মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২

সংগ্রাম, সততা ও মানবিক নেতৃত্বে তিনবারের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান; মামলা-হামলা ও কারাবরণের পরও অটল জনসেবায়

জনসেবার রাজনীতিতে আস্থার প্রতীক: মোহাম্মদ ফেরদৌস কোরাইশী

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৩৯ পিএম | 25 বার পড়া হয়েছে
জনসেবার রাজনীতিতে আস্থার প্রতীক: মোহাম্মদ ফেরদৌস কোরাইশী

গ্রামের এক সাধারণ পরিবারে জন্ম নেওয়া মোহাম্মদ ফেরদৌস কোরাইশী আজ নিজ যোগ্যতা, সততা ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় আস্থার এক উজ্জ্বল প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, অসংখ্য মামলা-হামলা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়েও তিনি মানুষের পাশে থেকে গড়ে তুলেছেন এক অনন্য নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত।
ছাত্রজীবনেই নেতৃত্বের দীপ্ত সূচনা
শিক্ষাজীবন থেকেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি যুক্ত হন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর রাজনীতিতে। অধ্যয়নকালে লেমুয়া উচ্চ বিদ্যালয় শাখার সভাপতি নির্বাচিত হয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ তার রাজনৈতিক জীবনকে আরও দৃঢ় ভিত্তি দেয়। বিশেষ করে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ-এর শাসনামলে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়ে তিনি নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হন। পরবর্তীতে শেখ হাসিনা সরকারের আমলেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাকে একাধিক মামলা ও হামলার শিকার হতে হয়।
ছাত্ররাজনীতির ধারাবাহিকতায় তিনি লেমুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে সুসংগঠিত করেন এবং তরুণ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এক বলিষ্ঠ চেয়ারম্যান
২০০২ সালে লেমুয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মোহাম্মদ ফেরদৌস কোরাইশী। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেন।
রাস্তা-ঘাট সংস্কার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসে। কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেন।
শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ সহায়তা এবং অসহায়দের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান—এসব মানবিক উদ্যোগ তাকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে যায়। তার প্রশাসনিক দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার জন্য তিনি তিনবার ফেনী সদর উপজেলা-এর শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
রাজনীতি মানেই মানুষের সেবা
মোহাম্মদ ফেরদৌস কোরাইশী বিশ্বাস করেন, রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়—মানুষের সেবার জন্য। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তিনি সবসময় সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
তার ভাষায়, “মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”
মামলা-হামলা ও কারাবরণ: সংগ্রামের আরেক অধ্যায়
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়ে দীর্ঘদিন কারাবরণ করেন তিনি। বর্তমানে তার নামে প্রায় এক ডজন মামলা চলমান রয়েছে। তবে এসব বাধা তার জনসেবামূলক কার্যক্রমকে থামাতে পারেনি।
অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
আজ তিনি শুধু একজন জনপ্রতিনিধি নন; তিনি এলাকার মানুষের আশা-ভরসার প্রতীক। তার সংগ্রামী ও গৌরবময় রাজনৈতিক জীবন প্রমাণ করে—সৎ ইচ্ছা, কঠোর পরিশ্রম ও মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থাকলে যেকোনো বাধা অতিক্রম করা সম্ভব।
মোহাম্মদ ফেরদৌস কোরাইশীর এই দীর্ঘ পথচলা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হয়ে থাকবে অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০০ পিএম
অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) কাজী জিয়াউল বাসেত।

আগামী ০৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারীদের পাঁচটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে ময়মনসিংহ বিভাগের সফল নারীদের পুরস্কার প্রদান করা হবে। ক্যাটাগরিগুলো হলো: অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী, শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী, সফল জননী নারী, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী। ময়মনসিংহ বিভাগে প্রতিটি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা দুইজন করে নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যা পরবর্তী সভায় চূড়ান্তভাবে একজন করে বাছাই করে ঢাকায় পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে প্রত্যেকটি নারীর নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অবদান ও সংগ্রামের ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং তুলনামূলক অধিকতর যোগ্য নারীকে সর্বসম্মতিক্রমে বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সারাদেশে বাছাইকৃত নারীদের মধ্যে থেকে জাতীয় পর্যায়ে আগামী ০৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হবে।

তাসলিমা রত্না

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

তাসলিমা রত্না প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৯ পিএম
ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা, ময়মনসিংহের সদর – ৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আবু ওয়াহাব আকন্দ মহোদয়
আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নগরী নিয়ে কিছু কথা ব্যক্ত করতে চাই।
আমার এই লেখাটির যাদের দৃষ্টিগোচর হবে অবশ্য শেয়ার করবেন।
১/ প্রথম কথা হলো বর্তমানে এই নগরীর আপনি একজন এমপি হয়েছেন,সেক্ষেএে আমার প্রশ্ন —
২/ নগরীর যানজট নিরসন করতে হবে অবৈধ লাইসেন্স বাতিল করতে হবে, অবৈধ ফুটপাত পার্ক দখল মুক্ত করতে হবে।
৩/ নগরীকে মাদক মুক্ত করতে হবে– যদিও মাদক মুক্ত হওয়ার পথে না কারন টাকা খেয়ে পুলিশ প্রশাসন আসামী ছেড়ে দেয়, — এটা নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা।
৪/ বেকার যুবকদের কর্মসংস্হানের ব্যবস্হা করতে হবে,, —
৫ /সব শেষে এটাই বলবো কিছু কিছু পয়েন্টে রাস্তার যে বহালদশা সেটা সংস্কার করতে হবে/ শিক্ষানগরীকে কোন পুঁজিবাদ ইভেন ব্যবসায়ী ক্ষেএে নেওয়া যাবেনা, বরং একজন শিক্ষার্থীকে সঠিক শিক্ষা পাঠদানে গড়ে তুলতে হবে – আর বয়স্ক বাবা মা যাদের কেউ নেই, তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র স্থল গড়ে তুলতে হবে।
আর সব চেয়ে বড় কথা হলো বিগত বছরে কি হয়েছে,সব দ্বিধাধন্দ ভূলে আমাদের এই নগরীকে অন্যান্য জেলার তুলনায় আরও ডেভেলপ করতে হবে।
থানায় কোন সাংবাদিক দালালি করতে পারবেনা
আর একটা বিশেষ কথা না বলে পারলাম না সেটা হলো
অহিংসার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে? চুরি, ছিনতাই ও অরাজকতা লুটপাট থেকে পুলিশ প্রশাসন কে অবশ্য সজাক দৃষ্টিভঙি রাখতে হবে, সেক্ষেএে আপনার ভূমিকা বড় ভূমিকা রাখতে হবে।
ইভেন ময়মনসিংহ বাসি আপনার কাছে এইটুকুর দাবিদার
আমি একজন গণমাধ্যম কর্মী হয়ে একজন সাধারণ মানুষ হয়ে এই কথা বলছি।
এই নগরীর মানুষ একজন সত্যি কারের সেবক হিসেবে, আপনার কি করনীয় আছে, সেই টুকো আমরা শত ভাগ আশাবাদী।
জনগণ আপনাকে ভোট দিয়েছে বলে আজ আপনি জন প্রতিনিধি, তাই আমার এই লেখাটা একটু দৃষ্টিগোচর দিবেন মহোদয়।
আমি ছোট মানুষ আমার মনে এই কথা গুলো ছিলো তাই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করলাম।
বেয়াদবি নিবেননা।
আর একটা বিষয় না বললেই হয়না, এখন আপনার আশেপাশে কিছু অহেতুক সুবিধাবাদী লোক যাতায়াতের মাএা দ্বিগুণ আকারে বৃদ্ধি পাবে, তাদেরকে একটু দুরে সরিয়ে রাখবেন।

বিশেষ প্রতিনিধি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় চাকুরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা কন্ট্রাক্ট হয়।
পরে নগদ ৫ লক্ষ টাকা অগ্রিম নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শুভ (২২) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত শুভ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের ছোট পাঁকা গ্রামের মো. শাহিন আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড় পাঁকা গ্রামের মৃত কানু হাজীর ছেলে সাইফুল ইসলামের স্ত্রী মোছা: জেমি খাতুন (৩৭)-এর কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পাকাঁ কলেজের সভাপতি আবু আব্দুল্লাহ ওরফে বুলবুলের নাম ভাঙিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা নেন তিনি। তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
পরে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী এলাকায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে শুভ টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ না করে তিনি নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শুভ জেমি খাতুনের বাড়িতে গিয়ে উল্টো আবারও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি মারার হুমকি এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বান্দরবানে বদলি করিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এতে ভুক্তভোগী পরিবার চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
জেমি খাতুন বলেন, “চাকুরির আশ্বাসে আমরা কষ্ট করে টাকা জোগাড় করে দিয়েছি।
এখন টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।” জেমি আরও জানান, ঘটনার সময় গোপনে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে, যেখানে অভিযুক্তের হুমকিমূলক বক্তব্য রেকর্ড রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের প্রতারণার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়ান মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুরুল আলম’র মুঠোফোন বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।