বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২

প্রতিমার শুভ উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪, ২:২৫ এএম | 126 বার পড়া হয়েছে
প্রতিমার শুভ উদ্বোধন

রবিবার, ঠিক সন্ধে সাতটায়, স্বাধীনতা দিবস উৎসব উদযাপন সমিতির প্রতিমার শুভ উদ্বোধন হয়ে গেল। ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে, ১১ তম বর্ষের ভাবনা… তরঙ্গ অপার।

উপস্থিত ছিলেন এলাকার সবার প্রিয় মানুষ বিধায়ক পরস্পর মহাশয়, উপস্থিত ছিলেন আনন্দবাজার পত্রিকার সাংবাদিক সহ, ক্লাবের উদ্যোক্তা ও যুগ্ম সম্পাদক অমল হাজরা ও অপু দাস, সভাপতি গৌড় ঘোষ, সহ-সভাপতি প্রবীর বিশ্বাস, সহযোগী অতনু হাজরা, পরিকল্পনা ও সৃজনে সংবর্ত জানা সহ , সকল মহিলা সদস্যবৃন্দ ও ক্লাবের সদস্যরা।

প্রতিবছরই স্বাধীনতা দিবস উৎসব উদযাপন সমিতি, নতুন নতুন ভাবনা নিয়ে আসেন, মানুষের সামনে তুলে ধরতে  এবং দর্শনার্থীদের আনন্দ দেওয়ার জন্য।

এবারেও ১১ তম বর্ষে তাদের ভাবনা, …তরঙ্গ ওপারে….‌ যার সুর ও বাদ্যে ভেসে যায় সারা বিশ্ব, আকাশ বাতাস অন্দলিত হয়, সংগীতের তাল ও লয় কে ধরে রাখে, বাউল সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে যার মূল্য সীমাহীন, সেই একতারা ও পোড়ামাটির বাদ্যযন্ত্র দিয়ে তৈরি হয়েছে পূজা মন্ডপ, তার সাথে সাথে দেবীর মূর্তিও এই ভাবনা ও পরিকল্পনায় তৈরি হয়েছে, সব মিলিয়ে একটা আলাদা মাত্রা এনে দিয়েছে এই পুজো মণ্ডপ, রয়েছি সুন্দর আলোর রোশনাই, দেখে মনে হবে জোনাকি পোকারা জ্বলে রয়েছে। রয়েছে লালন ফকিরের সেই একতারা, তাহার মধ্যে দেবী দুর্গা প্রবেশ করেছে, মনে হচ্ছে সারা বিশ্বে শান্তির ধনী ভেসে যাচ্ছে।

পুজোর উদ্যোক্তা অমল হাজরা জানালেন, আমরা নিমিত্ত মাত্র চেষ্টা করেছি , একটা ভাবনা নিয়ে তৈরি করা, কম বাজেটের মধ্যে যতটা সম্ভব আপনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, যে ভাবনাটির মধ্যে শিল্পী তার সৃজনশীলতা দিয়ে গড়ে তুলেছেন এই পূজা মন্ডপ, সম্পূর্ণ হাতে তৈরি প্রায় ৩৫০থেকে ৪০০ পোড়া মাটির বাদ্যযন্ত্র এবং দেড়শোর মতো একতারা শিল্পী তৈরি করে এই মন্ডপকে সাজিয়ে তুলেছেন, প্রায় আড়াই মাসের পরিশ্রমে, জল ঝড় বৃষ্টি কে উপেক্ষা করে, দিনকে রাত করে, আমাদের পাশে সহযোগিতা করেছেন সকল সদস্যরা ও মহিলা সদস্যরা, তা না হলে এই ধরনের একটি ভাবনা ভাবা যেত না। এবং সবার সহযোগিতায় আমরা প্রতিবারই বেশ কয়েকটি করে সম্মান ছিনিয়ে নিতে পেরেছি এবারও আশা করছি, আমরা সম্মান ছিনিয়ে নিতে পারবো।

সকল দর্শনার্থীদের স্বাধীনতা দিবস উৎসব উদযাপন সমিতির তরফ থেকে শুভ শারদীয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই, দাঁড়াও আসুন পূজা মন্ডব দর্শন করুন এবং আপনাদের মতামত আমাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আমরা নতুন নতুন ভাবনা আরো আনতে পারব, তবে আজ শুভ উদ্বোধনে ক্লাব কর্তৃপক্ষদের মন কিছুটা ম্লান করে দেয়, ক্লাবেরী এক মহিলা সদস্যার অকাল প্রয়াণে ক্লাবের সদস্যরা গভীর ভাবে শোকাহত, তাই আজ শুভ উদ্বোধন যে সকল অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হওয়ার কথা ছিল , সমস্ত কিছু বাতিল করে দেন, শুধু ফিতে কেটে এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে আজকের দিনটি শুভ সূচনা ও উদ্বোধন করেন, সত্যিই আজকের আনন্দ দিনে এরকম একটি ঘটনা ঘটায় , সবার মনকে শোকাহত করেছে, সকল দর্শনার্থীদের উদ্দেশ্যে একটা কথাই বলবো, আপনারা আসুন ,পূজা মণ্ডব দর্শন করুন, আপনাদের মতামত আমাদের জানিয়ে যান। সামনে থেকে না দেখলে হয়তো কিছু একটা মিস করবেন।

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার, মানুষের মনে জাগিয়েছেন আশার আলো

অকুতোভয় কলমযোদ্ধা ড. মোহাম্মদ আবু নাছের: নোয়াখালী সাংবাদিকতায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৪ পিএম
অকুতোভয় কলমযোদ্ধা ড. মোহাম্মদ আবু নাছের: নোয়াখালী সাংবাদিকতায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

সাংবাদিকতা মানেই সত্যের সন্ধান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আর সমাজের কল্যাণে নিরলস কাজ। সেই আদর্শকে বুকে ধারণ করে নোয়াখালী জেলায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। তিনি বর্তমানে সেনবাগ উপজেলা প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, সেনবাগ উপজেলা শাখার সভাপতি, নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিটির যুগ্ম আহবায়ক, ন্যাশনাল রিপোর্টার্স ইউনিটি ফোরাম এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং দৈনিক উপকন্ঠ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জাতীয় দৈনিক আজকের বসুন্ধরা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার। বিভিন্ন দৈনিক প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় তাঁর প্রেরিত সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার হওয়ায় দৃষ্টি নন্দন কয়েকটি ভাইরাল নিউজ মানুষের মাঝে আশার আলো জুগিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে নির্ভীক ও সাহসী সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। বিশেষ করে তাঁর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে সমাজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার করেছে।

সাংবাদিকতায় তাঁর এই সাহসী পদচারণা তাকে নোয়াখালীর গণমাধ্যম অঙ্গনে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। অনেকেই তাঁকে ‘অকুতোভয় কলমযোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। সত্য প্রকাশে তিনি কখনোই আপোস করেননি—যা নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, ড. আবু নাছেরের মতো সাহসী ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের হাত ধরেই সমাজে ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তাঁর প্রতিটি প্রতিবেদন শুধু সংবাদ নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের একেকটি শক্তিশালী হাতিয়ার।

এদিকে, তাঁর এই অবদানের জন্য বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রশংসা ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও তিনি একইভাবে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবেন। সাংবাদিকতার অঙ্গনে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের শুধু একটি নাম নয়, বরং একটি সাহস, একটি আদর্শ এবং একটি পরিবর্তনের প্রতীক।

চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক

টেকনাফে বাস–সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৪

কামরুল ইসলাম প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৯ পিএম
টেকনাফে বাস–সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৪

টেকনাফ উপজেলা: কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমনখালী হাইওয়ে সড়কে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত এবং অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সিএনজি চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৮ মার্চ ২০২৬) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ঝিমনখালী হাইওয়ে সড়কে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিতে থাকা এক যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে সিএনজি চালকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অতিরিক্ত গতি ও অসতর্কতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

হাইওয়ে পুলিশের ওসি নুরুল আফসার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ

এতিমদের মাঝে ৫৯ বিজিবি’র ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৭ পিএম
এতিমদের মাঝে ৫৯ বিজিবি’র ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানন্দা ব্যাটেলিয়ান ৫৯ বিজিবির উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজানের বিদায় লগ্ন, চারিদিকে সবাই মা-বাবা, ভাই-বোন ও আত্মীয় স্বজন নিয়ে ঈদ উৎসব আয়োজনের প্রস্তুতি—ঠিক সেই মুহূর্তে কিছু নিষ্পাপ মুখে ফুটে ওঠে এক অনাবিল প্রশান্তির হাসি। সমাজের অবহেলিত, সুবিধা বঞ্চিত এতিম শিশুদের হাতে যখন ঈদ উপহার ও ঈদের দিনের খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়, তখন সেটি শুধু উপহার নয়—একটি ভালোবাসা, একটি যত্ন, একটি আপন করে নেওয়ার অনুভূতি জাগ্রত করে।

আজ ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ ১০২০ ঘটিকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম পাশে দাঁড়িয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাধীন গোমস্তাপুর উপজেলার চকপুস্তম এলাকার শিশু সদনে অসহায় ও মা-বাবা হারা শিশুদের পাশে। ঈদের দিনের জন্য নতুন পোশাক এবং ঈদের দিনের উন্নত খাদ্য পরিবেশনের জন্য পোলাও চাল, সেমাই, তৈলসহ সহায়ক খাদ্য উপকরণ নিয়ে হাজির হন শিশুদের দরজায় এবং তাদের ন্যূনতম ঈদের দিনের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করেন। এ ঈদ উপহার সামগ্রী শুধু তাদের চাহিদা মেটায়নি, তার চেয়েও বেশি পূরণ করেছে ভালোবাসার অভাবটুকু। আর নতুন পোশাক হাতে পেয়ে সেই অভিভাবকহীন সন্তানদের চোখেই জ্বলে উঠেছে তৃপ্তি ও প্রশান্তির আলো।

ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ শেষে লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম আবেগঘন কণ্ঠে জানান, “এতিমদের মুখে একটুখানি হাসি ফোটাতে পারা—এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কিছু হতে পারে না। এই শিশুরাই আমাদের সমাজের অংশ, তাদের আনন্দই আমাদের প্রকৃত অভিপ্রায় ও চাওয়া।”তিনি আরো বলেন আমরা সবাই নিজেদের অবস্থান থেকে যদি এভাবে একটু করে এগিয়ে আসি, তবে হয়েতো কোনো শিশু আর নিজেকে একা ও অসহায় ভাববে না। বিজিবির এই উদার ও জনহিতকর কর্মকান্ডে বিজিবি’র ভাবমূর্তি বেসামরিক অঙ্গনে বহুল প্রশংসিত হয়েছে। তাঁর এ মানবদরদী কর্মকান্ডে সমাজের বিত্তবানরা উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত হবে বলে সাধারণ জনগণ মনে করছে।

error: Content is protected !!