সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

সাব্বির আলম বাবু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ভোলায় পতিত জমিতে ফসল আবাদ করে কৃষকের সাফল্য

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:১৯ পিএম | 42 বার পড়া হয়েছে
ভোলায় পতিত জমিতে ফসল আবাদ করে কৃষকের সাফল্য

পতিত জমিতে ফসল আবাদ করে সাফল্য ভোলার কৃষকের। জেলার সাত উপজেলায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে কৃষি আবাদ। এতে কমছে পতিত জমি। রবি মৌসুমে পতিত জমির পরিমাণ নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। সরকারি সহযোগিতায় আগের চেয়ে বেশি আবাদে ঝুঁকছেন বলে জানান কৃষকরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চলতি মৌসুমে আমন ধান ও বিভিন্ন শীতকালীন সবজি আবাদ করেছেন কৃষকরা। এরই মধ্যে কিছু কৃষক সবজি বিক্রি শুরু করে দিয়েছেন। কিছুদিনের মধ্যেই ধান কাটার উপযোগী হবে। বর্ষার মৌসুম হওয়ায় জলাবদ্ধতার কারণে অনেক কৃষক পিরামিড ও মাচা পদ্ধতিতে সবজির চাষ করেছেন। জেলায় আবাদহীন পতিত জমির দেখা মেলে না।
‘রবি মৌসুমে প্রতি বছর বিভিন্ন সবজি, সরিষা ও গম চাষ করি। খরিপ-১ ও ২ এর সময় জমি খালি থাকতো। কিন্তু গত বছর কৃষি অফিস থেকে সরকারিভাবে ধানের বীজ ও সার-ওষুধ পেয়ে ধানচাষে ভালো লাভবান হয়েছি। তাই চলতি মৌসুমে আরও বেশি জমিতে আমন ধানের চাষ করেছি।’
ভোলা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার সাত উপজেলায় ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৮২ হেক্টর কৃষি জমি রয়েছে। ২০২৪-২৫ থেকে রবি মৌসুমে পুরো জমিতেই সবজি, গম, সরিষা, সয়াবিনসহ বিভিন্ন ধরনের ফসলের চাষ হচ্ছে। খরিপ-১ এ গত মৌসুমে ৭৫ হাজার ২ হেক্টর জমিতে চাষ রয়েছে। যা এর আগের মৌসুম থেকে ৩ হাজার হেক্টর বেশি। খরিপ-২ এ গত মৌসুমে চাষ হয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮৮২ হেক্টর জমি। যা এর আগের মৌসুম থেকে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর বেশি।
ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের চর ভেদুরিয়া গ্রামের কৃষক মো. বজলুল জানান, তার বাবা-দাদা কৃষি কাজ করতেন। তিনি প্রায় ৩৫ বছর ধরে কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত। কৃষিকাজ করেই তার সংসার পরিচালনা হয়। তিনি বিগত বছরে খরিপ-১ ও খরিপ-২ মৌসুমে ধানচাষ করতেন। এরপর রবি মৌসুমে তিনি কিছু করতেন না। কিন্তু গত কয়েক বছর কৃষি অফিস থেকে তাকে রবি মৌসুমে প্রদর্শনী ও প্রণোদনা দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও তিনি গ্রহণ করেননি। তাই রবি মৌসুমে ওই জমি খালি থাকতো। তবে গত বছর থেকে তিনি কৃষি অফিসের সহোগিতা পেয়ে বিভিন্ন মৌসুমে সবজি, সরিষা চাষ করেছেন। এতে সফলতাও পেয়েছেন। তাই এ বছর রবি মৌসুমে তিনি আরও বেশি জমিতে চাষাবাদের পরিকল্পনা করেছেন।
‘জেলার সাত উপজেলায় ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় কৃষক সংখ্যা রয়েছেন ৪ লাখ ২৮ হাজার ৭০১ জন। জেলায় মোট জমির পরিমাণ ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৮২ হেক্টর। গত ২০২৪-২৫ মৌসুমে জেলায় রবি মৌসুমে কোনো জমি খালি ছিল না।’

দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়ন মদনপুর গ্রামের কৃষক মো. মনির হেসেন বলেন, আমি রবি মৌসুমে প্রতি বছর বিভিন্ন সবজি, সরিষা ও গম চাষ করি। খরিপ-১ ও ২ এর সময় জমি খালি থাকতো। কিন্তু গত বছর কৃষি অফিস থেকে সরকারিভাবে ধানের বীজ ও সার-ওষুধ পেয়ে ধানচাষে ভালো লাভবান হয়েছি। তাই চলতি মৌসুমে আরও বেশি জমিতে আমন ধানের চাষ করেছি। তার দাবি, বিগত দিনে জমি ফাঁকা রেখে লোকসান হয়েছে। আগামীতে কৃষি অফিস থেকে কোনো সহযোগিতা না করলেও তিনি আউশ ও আমন ধানের চাষ করবেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নের চর গঙ্গাপুর গ্রামের কৃষক মো. সোহাগ জানান, তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে চাষাবাদের সঙ্গে জড়িত। আগে প্রায় ৮ একর জমিতে আউশ ও আমন ধানের চাষ করতেন। রবি মৌসুমে ৩ একর জমিতে সরিষা, গম ও ভূট্টা চাষ করতেন। বিগত কয়েক বছর বেশ লাভ হওয়ায় গত বছর তিনি ৬ একর জমিতে চাষ করেছেন। এবছর তিনি নিজের ৮ একর জমির পাশাপাশি আরও কিছু জমি বর্গা নিয়েও চাষ করবেন বলে জানান।
চরফ্যাশন উপঝেলার চর মাদ্রাজ ইউনিয়নের মাদ্রাজ গ্রামের কৃষক মো. সাহাবদ্দিন জানান, তিনি প্রতি বছরই প্রায় ১৫ একর জমিতে চাষাবাদ করেন। বর্ষার মৌসুমে তার জমিতে অতি জলাবদ্ধতার কারণে আউশ ও আমন ধানের সর্বোচ্চ ৬ একরর বেশি পারছিলেন না। এ বছর তিনি ধানের পাশাপাশি ৫ একর জমিতে জমি উঁচু করে মাচা পদ্ধতিতে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করছেন। এতে সবজির ভালো ফলন হয়েছে। বিক্রি শুরু করেছেন তিনি।
একই উপজেলার আমেনাবাদ ইউনিয়নের কৃষক মা. নজরুল ইসলাম বলেন, তার প্রায় ১৩ একর জমি থাকলেও খরিপ-১ মৌসুমে ওই জমিতে চাষাবাদ করতে পারেন না। আর খরিপ-২ এর সময় ৭-৮ একর জমিতে আমন ধানের চাষ করতে পারেন। রবি মৌসুমে পুরো জমিতেই সবজি, গম, সরিষা, সয়াবিনসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ করন।
ভোলা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. খাইরুল ইসলাম মল্লিক জানান, জেলার সাত উপজেলায় ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় কৃষক সংখ্যা রয়েছেন ৪ লাখ ২৮ হাজার ৭০১ জন। জেলায় মোট জমির পরিমাণ ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৮২ হেক্টর। গত ২০২৪-২৫ মৌসুমে জেলায় রবি মৌসুমে কোনো জমি খালি ছিল না।
তিনি আরও বলেন, তবে খরিপ-১ এ প্রচন্ড রোদ, অতি খরা, লবণাক্ততা ও সেচ ব্যবস্থাপনার কারণে ১ লাখ ১৭ হাজার ৩৮০ হেক্টর জমি খালি ছিল। অতি জলাবদ্ধতার কারণে খরিপ-২ এ সাড়ে ৪ হাজার হেক্টর জমি খালি ছিল। কিন্তু চলতি রবি মৌসুমে কোনো খালি থাকবে না। পাশাপাশি খরিপ-১ ও ২ এর মৌসুমে আগের বেশি অনেক বেশি জমিতে চাষাবাদ হবে। এজন্য কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

অঞ্জনা চৌধুরী, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ

কাজিপুর পৌরসভার রাস্তা পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন

অঞ্জনা চৌধুরী, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
কাজিপুর পৌরসভার রাস্তা পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তার পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে পৌরসভার আলমপুর এনএম উচ্চ বিদ্যালয় হতে কবিহার পর্যন্ত এক কিলোমিটার আরসিসি রাস্তার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান। ১ কোটি ২২ লক্ষ ৫৯ হাজার ২২ টাকা ব্যয় বরাদ্দে কাজটি বাস্তবায়ন করছে মেসার্স জিন্না এন্টার প্রাইজ।
উদ্বোধনকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাজিপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম লিটন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে পক্ষে সাইফুল ইসলাম।
ইউএনও বলেন, “ গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (বেড-এ-২) এর আওতায় এই রাস্তাটি নির্মিত হলে কয়েক হাজার পৌরবাসীর চলাচলের দুর্ভোগ লাঘব হবে। কাজটি ড্রইং, ডিজাইন ও এস্টিমেট অনুযায়ী হচ্ছে কিনা তা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে।” (ছবি আছে)

 

সৈয়দ আব্দুল মান্নান

বাহুবলে বাংলাদেশ ব্যাংকের জালনোট প্রতিরোধে ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

সৈয়দ আব্দুল মান্নান প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৫:০০ পিএম
বাহুবলে বাংলাদেশ ব্যাংকের জালনোট প্রতিরোধে ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট শাখার আয়োজনে ও সোনালী ব্যাংক পিএলসি বাহুবল শাখার সহযোগিতায় জালনোট প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমুলক এক ওয়ার্কসপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৩০ মার্চ সকাল ১১ টায় উপজেলা সভাকক্ষে এ ওয়ার্কসপ অনুষ্ঠিত হয়।

সোনালী ব্যাংক পিএলসি বাহুবল শাখার ম্যানেজার মোঃ ইব্রাহিম খলিল এর সভাপতিত্বে ওয়ার্কসপে প্রধান অতিথি ছিলেন সোনালী ব্যাংক হবিগঞ্জের ডিজিএম মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বাহুবল উজ্জ্বল রায়, বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট শাখার যুগ্ম পরিচালক (ক্যাশ) রান্টু চন্দ্র দাস, উপপরিচালক তানভীর আহমেদ, উপপরিচালক শুভাশীষ পাল, ম্যানেজার জনতা ব্যাংক বাহুবল শাখার ম্যানেজার হোসাইন আহমেদ, মুক্তিযুদ্ধা সংসদ বাহুবল এর আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফিরোজ মিয়া।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাহুবল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ আবিদ, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক হাবিবুর রহমান নোমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে জালনোটের উপর ডকুমেন্টারী প্রদর্শন করা হয়।

উখিয়ার দলিলুর রহমান শাহীন তৃণমূল থেকে উঠে আসা বিএনপি নেতা

সিরাজুল কবির বুলবুল, উখিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৮ পিএম
উখিয়ার দলিলুর রহমান শাহীন তৃণমূল থেকে উঠে আসা বিএনপি নেতা

দলিলুর রহমান শাহীন একজন আপাদমস্তক বিএনপি নেতা।জন্ম ১৯৬৯ সালে সাবেক রুমখা গ্রামের ছায়া সুশীতল এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে।বাবা মৃত: রশিদ আহাম্মদ, মাতা:মৃত : মাজেদা বেগম। তিন বোন তিন ভাইয়ের একটি সুন্দর পরিবারে বেড়ে উঠা স্বপ্নবাজ সাবেক ছাত্রনেতার। সাবেক রুমখা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনার হাতেখড়ি, পালং আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ না করে চলেযান মরিচ্যা উচ্চবিদ্যালয়ে। সেখানথেকে তিনি মাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্জন করে প্রথমে ভর্তি হন কক্সবাজার সরকারি কলেজে। কলেজে পড়াশোনা পাশাপাশি তিনি রাজনীতি অঙ্গনে যুক্ত হন।পরে কক্সবাজার কলেজ থেকে তিনি চলে যান চট্টগ্রাম এ,জে চৌধুরী কলেজে সেই কলেজ থেকে তিনি এইচ,এস,সি পাশ করেন। পরে তিনি ১৯৯৩ সালে বি,এ, ছালে নুর কলেজ থেকে বি,এ পাশ করেন। পরে তিনি চট্টগ্রাম কলেজে মাস্টার্সে অধ্যায়ন করেন।
নব্বইয়ের স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে তিনি উখিয়ার রাজনীতি আলোচনায় আসেন,১৯৯৮ সালে তিনি উখিয়া উপজেলা (জাসাস)এর আহবায়ক নির্বাচিত হন। এর পর থেকে তিনি আর থেমে থাকেননি রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা দলিলুর রহমানকে ধীরে, ধীরে নিয়ে যান মূলদলে, প্রথমে তিনি হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন, পরে হলদিয়া পালং ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন, একসময় তিনি হলদিয়া পালং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক কর্মদক্ষতার ফসল স্বরুপ তিনি প্রথম বারের মতো প্রচার সম্পাদক, অর্থ ও ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হন উখিয়া উপজেলা বিএনপির পরে তিনি উখিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালন করেন,সবশেষে ৫ আগস্টের পর উখিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।বর্তমানে তিনি উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্বপালন করে যাচ্ছেন।
তৃণমূল থেকে বেড়ে উঠা এই দুর্দান্ত সাহসী নেতা রাজনৈতিক জীবনে অনেক অবদান রেখেছেন, দলের প্রতিটি মিছিল, মিটিংয়ে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন দলকে কি এগিয়ে নিয়ে শক্তিশালী করে কি ভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় এই ব্যপারে তিনি দলীয় বিচক্ষণতার পরিচয় দেন এবং সবার নজরে আসেন।২০১৮ সালে স্বৈরাচারীনি হাসিনা সরকারের লেলিয়ে দেওয়া কিছু সন্ত্রাসী তাকে চিরতরে মেরেফেলার জন্য নির্মমভাবে আহত করেন, সেদিন যথা সময়ে তার ছেলে তারেক রহমান যদি ঘটনাস্থলে ছুটে না আসতো হয়তো দলিলুর রহমান আজ বেঁচে থাকতোনা। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ায় তিনি একাধিক মিথ্যা মামলার স্বীকার হন।
তবুও তিনি দলের আদর্শ থেকে এক সেকেন্ডের জন্য বিচ্যুত হননি বরং নিজের দলীয় নেতাকর্মীদে সাথে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনকে আরো বেগবান করতে দুর্দান্ত গতিতে সামনের সারিতে এগিয়ে যান।২৪ জুলাই ছাত্রজনতা আন্দোলনে কোর্টবাজার স্টেশনে দলিলুর রহমানের ভূমিকা ছিলো অনন্য। উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরীর পজিটিভ ভুমিকায় দলিলুর রহমান শাহীন রাজনীতিক ভাবে আরো বেশি তেজস্ক্রিয় হয়ে উঠেন।
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি নিজ এলাকার উন্নয়নে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন
মসজিদ, মাদ্রাসা,কবরস্থান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও তিনি আর্থিক ভাবে বিভিন্ন সময় সহযোগিতা করেন।
৩ ছেলে ১ মেয়ে সংসার জীবনে তিনি খুবই সন্তুষ্ট। তার তিন ছেলে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত,এক মেয়ে এখনো অধ্যায়নরত আছেন।
দলিলুর রহমান শাহীনের স্বপ্ন শহীদ জিয়ার আর্দশে নতুন বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে অনেক দুর এগিয়ে যাবে। তৃণমূলে ত্যাগীদের মুল্যায়ন হবে, নতুন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, দেশে শিক্ষিত,অশিক্ষিত কোন বেকার থাকবেনা বলে তিনি মনে করেন।

error: Content is protected !!