সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

উখিয়ার দলিলুর রহমান শাহীন তৃণমূল থেকে উঠে আসা বিএনপি নেতা

সিরাজুল কবির বুলবুল, উখিয়া প্রতিনিধি

দলিলুর রহমান শাহীন একজন আপাদমস্তক বিএনপি নেতা।জন্ম ১৯৬৯ সালে সাবেক রুমখা গ্রামের ছায়া সুশীতল এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে।বাবা মৃত: রশিদ আহাম্মদ, মাতা:মৃত : মাজেদা বেগম। তিন বোন তিন ভাইয়ের একটি সুন্দর পরিবারে বেড়ে উঠা স্বপ্নবাজ সাবেক ছাত্রনেতার। সাবেক রুমখা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনার হাতেখড়ি, পালং আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ না করে চলেযান মরিচ্যা উচ্চবিদ্যালয়ে। সেখানথেকে তিনি মাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্জন করে প্রথমে ভর্তি হন কক্সবাজার সরকারি কলেজে। কলেজে পড়াশোনা পাশাপাশি তিনি রাজনীতি অঙ্গনে যুক্ত হন।পরে কক্সবাজার কলেজ থেকে তিনি চলে যান চট্টগ্রাম এ,জে চৌধুরী কলেজে সেই কলেজ থেকে তিনি এইচ,এস,সি পাশ করেন। পরে তিনি ১৯৯৩ সালে বি,এ, ছালে নুর কলেজ থেকে বি,এ পাশ করেন। পরে তিনি চট্টগ্রাম কলেজে মাস্টার্সে অধ্যায়ন করেন।
নব্বইয়ের স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে তিনি উখিয়ার রাজনীতি আলোচনায় আসেন,১৯৯৮ সালে তিনি উখিয়া উপজেলা (জাসাস)এর আহবায়ক নির্বাচিত হন। এর পর থেকে তিনি আর থেমে থাকেননি রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা দলিলুর রহমানকে ধীরে, ধীরে নিয়ে যান মূলদলে, প্রথমে তিনি হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন, পরে হলদিয়া পালং ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন, একসময় তিনি হলদিয়া পালং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক কর্মদক্ষতার ফসল স্বরুপ তিনি প্রথম বারের মতো প্রচার সম্পাদক, অর্থ ও ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হন উখিয়া উপজেলা বিএনপির পরে তিনি উখিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালন করেন,সবশেষে ৫ আগস্টের পর উখিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।বর্তমানে তিনি উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্বপালন করে যাচ্ছেন।
তৃণমূল থেকে বেড়ে উঠা এই দুর্দান্ত সাহসী নেতা রাজনৈতিক জীবনে অনেক অবদান রেখেছেন, দলের প্রতিটি মিছিল, মিটিংয়ে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন দলকে কি এগিয়ে নিয়ে শক্তিশালী করে কি ভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় এই ব্যপারে তিনি দলীয় বিচক্ষণতার পরিচয় দেন এবং সবার নজরে আসেন।২০১৮ সালে স্বৈরাচারীনি হাসিনা সরকারের লেলিয়ে দেওয়া কিছু সন্ত্রাসী তাকে চিরতরে মেরেফেলার জন্য নির্মমভাবে আহত করেন, সেদিন যথা সময়ে তার ছেলে তারেক রহমান যদি ঘটনাস্থলে ছুটে না আসতো হয়তো দলিলুর রহমান আজ বেঁচে থাকতোনা। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ায় তিনি একাধিক মিথ্যা মামলার স্বীকার হন।
তবুও তিনি দলের আদর্শ থেকে এক সেকেন্ডের জন্য বিচ্যুত হননি বরং নিজের দলীয় নেতাকর্মীদে সাথে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনকে আরো বেগবান করতে দুর্দান্ত গতিতে সামনের সারিতে এগিয়ে যান।২৪ জুলাই ছাত্রজনতা আন্দোলনে কোর্টবাজার স্টেশনে দলিলুর রহমানের ভূমিকা ছিলো অনন্য। উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরীর পজিটিভ ভুমিকায় দলিলুর রহমান শাহীন রাজনীতিক ভাবে আরো বেশি তেজস্ক্রিয় হয়ে উঠেন।
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি নিজ এলাকার উন্নয়নে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন
মসজিদ, মাদ্রাসা,কবরস্থান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও তিনি আর্থিক ভাবে বিভিন্ন সময় সহযোগিতা করেন।
৩ ছেলে ১ মেয়ে সংসার জীবনে তিনি খুবই সন্তুষ্ট। তার তিন ছেলে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত,এক মেয়ে এখনো অধ্যায়নরত আছেন।
দলিলুর রহমান শাহীনের স্বপ্ন শহীদ জিয়ার আর্দশে নতুন বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে অনেক দুর এগিয়ে যাবে। তৃণমূলে ত্যাগীদের মুল্যায়ন হবে, নতুন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, দেশে শিক্ষিত,অশিক্ষিত কোন বেকার থাকবেনা বলে তিনি মনে করেন।

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মোঃ আঃ হান্নান মিলন, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ রাজিবুল করিম রোমিও-এম, এস, এস (সমাজ কর্ম), নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, সহ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আউয়াল ভাসানী, বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন