বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

✍️ জাহারুল ইসলাম জীবন এর লেখা ও সম্পাদনায় রচিত নারী ও পুরুষের দেহতত্ত্বের গবেষণা‌‌

রতি থেকে জ্যোতি☞পর্ব:-৫

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম | 117 বার পড়া হয়েছে
রতি থেকে জ্যোতি☞পর্ব:-৫

এই বিশ্ব-জগৎতে গভীরতম আধ্যাত্মিক দর্শনের অবতারণা সত্যিই এক অনন্য সাধনার বাস্তব নিদর্শন! এখানে সুফিতত্ত্বের মারেফাত এবং দেহতত্ত্বের সংযোগ সূত্র একত্রে এক দুর্লভ সমন্বয় ঘটিয়েছে, যেখানে ‘আদম তত্ত্ব’ এবং ‘লতিফা’র বিন্যাস কেবল তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, বরং এক জীবন্ত সাধনার জ্যোতির্ময় পথ। এই আধ্যাত্মিক দর্শনের সাথে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপট্ এবং বিজ্ঞানের কিছু সূক্ষ্ম চিন্তার মিরাক্কেলীয় সমন্বয় সাধনে ঘটেছে রতি থেকে জ্যোতি তত্ত্বের তাত্ত্বিকতায় মূল্যবান গবেষণালব্ধ তথ্য সমূহ:
আধুনিক বিশ্বের মানুষ যখন কেবল দৃশ্যমান বস্তুজগৎ আর যান্ত্রিকতায় নিমগ্ন, তখন আধ্যাত্মিক সাধকগণ দেহের ভেতরে-ই খুঁজে পান এক বিশাল মহাবিশ্বের মানচিত্র। সুফি দর্শনের ‘আদম তত্ত্ব’ এবং লতিফার বিন্যাস আমাদের শেখায় যে, মানুষ কেবল রক্ত-মাংসের স্তূপ নয়, বরং এটি নূরের এক প্রজ্জ্বলিত আঁধার।
**১. আদম তত্ত্ব ও লতিফা সমূহের বিন্যাস আর আধুনিকতার প্রেক্ষাপটে্ ‘ইনসাইড-আউট সাইড’ জীবন ধারা:- সুফি সাধনায় লতিফা বা সূক্ষ্ম শক্তি কেন্দ্রগুলো (কলব, রূহ, সিরর, খফি, আখফা) মূলত মানুষের চেতনার ভিন্ন ভিন্ন স্তর।
* নফসের নিয়ন্ত্রণ ও সাইকোলজি:- বর্তমানে আমরা যাকে ‘ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স’ বা আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা বলি, দেহতত্ত্বের ভাষায় তাই হলো ‘লতিফায়ে নফ্স’কে পরিশুদ্ধ করা। মাটির টানে নিচে পড়ে থাকা কামকে যখন সাধক ঊর্ধ্বমুখী করেন, তখন তার জৈবিক চাহিদাগুলো সৃজনশীল শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
* নারী-পুরুষের পরিপূরকতা:- আধ্যাত্মিক পরিমন্ডলে নারী ও পুরুষ একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। আদমের বাম পাঁজরের তত্ত্বটি মূলত শক্তির ভারসাম্যের কথা বলে। আধুনিক কোয়ান্টাম ফিজিক্সের ভাষায় যেমন প্রতিটি কণার একটি প্রতি-কণা থাকে, তেমনি আধ্যাত্মিক মিলনে এক নূরের সাথে অন্য নূরের একীভূত হওয়া হলো সেই পরম ভারসাম্য লাভ।
**২. ‘মরণ জিতা’ বা ‘জ্যান্ত মরা’: ইগো বা অহং-এর বিনাশ:- রাসুলুল্লাহ (সা:)-এর বাণী “মরার আগে মরো” বর্তমানের মানসিক প্রশান্তি বা ‘Mindfulness’ এর সর্বোচ্চ স্তর।
* ইচ্ছা মৃত্যু বনাম জৈবিক মৃত্যু:- বর্তমান যুগে মানুষ মানসিক চাপে জর্জরিত। ‘মরণ জিতা’ সাধনা শেখায় কীভাবে নিজের ‘আমি’ত্ব বা ‘ইগো’কে বিসর্জন দিয়ে স্রষ্টার ইচ্ছায় সমর্পিত হতে হয়। যখন সাধকের ভেতর থেকে ‘আমি’ মুছে যায়, তখন সেখানে কেবল ‘তিনি’ (স্রষ্টা) বিরাজ করেন।
* রতি থেকে জ্যোতি:- এটি শক্তির রূপান্তর বা Energy Transformation। জৈবিক শক্তি (রতি) যখন সাধনার মাধ্যমে প্রজ্ঞায় (মতি) রূপান্তরিত হয়, তখন তা চেহারায় ও চরিত্রে এক অলৌকিক জ্যোতি বা নূর সৃষ্টি করে। একেই আধুনিক পরিভাষায় ‘Positive Vibration’ বলা যেতে পারে।
**৩. সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে্ আধ্যাত্মিক অমরত্বের গুরুত্ব:- আজকের পৃথিবী যখন ভোগবাদ আর ক্ষণস্থায়ী সুখে মত্ত, তখন ‘আদম তত্ত্ব’ আমাদের এক শাশ্বত পথের দিশা দেয়।
* সম্পর্কের গভীরতা:- মহামায়া বা সঙ্গিনীকে কেবল ভোগের বস্তু না ভেবে যখন তাকে সাধনার সহযাত্রী ভাবা হয়, তখন সামাজিক অবক্ষয় ও বিচ্ছেদ দূর হয়।
* ইনসানে কামেল বা পূর্ণ মানুষ:- আধুনিক সমাজ আজ আদর্শ মানুষের সংকটে ভুগছে। লতিফাগুলোর সঠিক বিন্যাস এবং নূরের পথে পদার্পণই পারে একজন মানুষকে ‘ইনসানে কামেল’ বা পূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে, যিনি সময়ের ঊর্ধ্বে গিয়েও মানবতার সেবা করেন।
>>সর্বপরি সারকথা হলো, ‘মরণ জিতা’ মানে জীবন থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়, বরং জীবনের মূলে পৌঁছে মৃত্যুকে জয় করা। রতি, মইথন, মতি এবং জ্যোতির এই চতুর্মুখী যাত্রাই মানুষকে তার খোদায়ী সত্তার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।
পরবর্তী ধাপে আমি আপনাদের সম্মুখে- ‘ফানা-ফিলাহ’ (নিজেকে নূরে বিলীন করা) এবং ‘বাকা-বিল্লাহ’ (পরম সত্তায় স্থিতি লাভ) এর গূঢ় রহস্য সম্পর্কে ইনশাল্লাহ্ আলোচনা করবো- আমিন।>>চলমাস পাতা।

আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৩ এএম
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস ইজাবস এর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠককালে তারা বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘনিষ্টভাবে কাজ করবে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করার ব্যাপারে তারা একমত পোষণ করেন।
এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আশ্বাস প্রদান করা হয় যে, বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইউনিয়নের ২০০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল কাজ করবে।
ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইইউনিয়ন ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতের ইউরোপের মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. যুবায়ের আহমেদ এবং আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।

রাজশাহীতে ভুটভুটি ও বালুবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত-২

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:০২ এএম
রাজশাহীতে ভুটভুটি ও বালুবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত-২

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার তাহেরপুর রোডে বালুবাহী ট্রাকের সাথে ভুটভুটির সংঘ*র্ষে দুইজন নি*হ*ত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে আটটার দিকে এই দুর্ঘ*টনা ঘটে।
পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, বালুবাহী ট্রাকটি পুঠিয়া থেকে তাহেরপুরের দিকে যাচ্ছিল। পুঠিয়া পৌরসভার গন্ডগোহালী গ্রামের নিমতলা এলাকায় বিপরীত দিকে থেকে আসা একটি ভুটভুটির সাথে ট্রাকটির (কুষ্টিয়া-ট-১১-০২১৬) মুখোমুখি সংঘ*র্ষ হয়। এ ঘটনায় নসিমনে থাকা শ্রমিক রাজশাহী নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার হড়গ্রাম শেখপাড়া এলাকার নাহিম ও হামিম নি*হ*ত হন। তারা শহর থেকে পুঠিয়ায় মুরগি কিনতে এসেছিলেন।
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় জনতা ট্রাকচালক মিন্টুকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মুরগি ব্যবসায়ী মামুন হোসেন বলেন, আমার গাড়ির দুজন লোক মারা গেছে। প্রায় দেড় লাখ টাকার মুরগি ছিল। আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেছে।

এক বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৭ এএম
এক বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা

এক বছরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার ৩৯২ টাকার। এক বছর আগের অর্থ বছরে তাঁর সম্পদ ছিল ১৪ কোটি ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৩ টাকার। বিদায়ী অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫ টাকা। সঞ্চয়পত্র নগদায়ন, সঞ্চয়ী বা মেয়াদি আমানতে বৃদ্ধি, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া শেয়ার ইত্যাদি কারণে মোট সম্পদ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বাড়লেও এক বছরে কমেছে তাঁর স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের সম্পদ। এক বছরে তাঁর সম্পদ কমেছে ৮৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১৪ টাকা। এক বছর আগের অর্থ বছরে তাঁর ২ কোটি ১১ লাখ ৭৭ হাজার ২৭৪ টাকা। বিদায়ী অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ৩৬০ টাকা।
মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।