বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

রতি থেকে জ্যোতি☞পর্ব: ২ (দ্বিতীয় ধাপ)

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম | 81 বার পড়া হয়েছে
রতি থেকে জ্যোতি☞পর্ব: ২ (দ্বিতীয় ধাপ)

দেহতত্ত্বের নিগূঢ় আলোচনা এবং আধ্যাত্মিক দর্শনের আলোকে মাং(মায়াবী), মাম(মায়া), কাম, প্রেম এবং নূর- এই পাঁচটি স্তম্ভের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ নিচে আলাদা আলাদা শিরোনামে আপনাদের সম্মুখে উপস্থাপন করার চেষ্টা করিলাম:>>
**১. মাং(মায়াবী):> নারীর আভ্যন্তরীণ আধ্যাত্মিক শক্তি বা মায়ারস:- “মাং(মায়াবী)” শব্দটি প্রচলিত কোনো শব্দ নয়, বরং এটি দেহতত্ত্বের একটি বিশেষ সাংকেতিক প্রতীক। এটি মূলত নারীর দেহের সেই বিশেষ “মায়ারস” বা “মা-তাত্ত্বিক” শক্তিকে নির্দেশ করে যা সাধনার প্রাথমিক উপাদান। এই শক্তিটিই সাধকের কাম-ভাবনাকে পরিশুদ্ধ করে প্রেমে রূপান্তরিত করার শক্তি জোগায়। চিত্রে এটি নারীর অনন্য শক্তিকে চিহ্নিত করে, যা পুরুষের “রতি” শক্তির সাথে মিলিত হয়ে ঊর্ধ্বমুখী এক জ্যোতি বা নূরের সৃষ্টি করে। সহজ কথায়, “মাং(মায়াবী)” হলো সেই আধ্যাত্মিক রস যা সাধনার পথে নারীকে কেবল ভোগের আধার নয়, বরং শক্তির আধার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
**২. মাম বা মায়া:> সৃষ্টির মমতা ও শক্তির ভারসাম্য:- “মাম বা মায়া” শব্দটি আধ্যাত্মিক সাধনায় একটি গভীর রূপক। এটি মূলত “মায়ারস” বা “মায়াবী মায়া” এর সংক্ষিপ্ত রূপ। নারী যেহেতু সৃষ্টির জননী রূপের আধার, তাই তার ভেতরের পরম মমত্ব ও আধ্যাত্মিক রসকে এই সংকেত দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। এটি একটি রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে, পুরুষের জৈবিক “কাম” যখন নারীর এই “মমত্ব” বা “মায়া” রসের সংস্পর্শে আসে, তখন তা লালসা মুক্ত হয়ে শুদ্ধ হতে শুরু করে। “মাম” বা মায়া হলো সেই শক্তি যা কামের বিষকে অমৃতের দিকে ধাবিত করে এবং সাধককে জ্যোতির পথে এগিয়ে নেয়।
**৩. কাম:> রূপান্তরের কাঁচামাল ও সাধনার প্রথম ধাপ:- দেহতত্ত্বে “কাম” কেবল শারীরিক আকর্ষণ নয়, বরং এটি একটি সুপ্ত এবং শক্তিশালী জীবনী শক্তি। সাধকদের মতে, কাম বর্জনীয় নয়, বরং শোধনযোগ্য। এটি একটি আগুনের মতো, যা কাঁচা সোনাকে পুঁড়িয়ে খাঁটি করে। যখন পুরুষের কাম-ভাবনা নারী-ভাবনায় জারিত হয় এবং সাধক তার সঙ্গিনীকে সৃষ্টিকর্তা/ঈশ্বরের কুদরতের দর্পণ হিসেবে দেখতে শুরু করেন, তখনই কাম তার ধ্বংসাত্মক রূপ (কালনাগিনী) হারিয়ে দিব্যভাবনায় পরিণত হয়। কাম হলো সেই কাঁচামাল বা বীজ, যা সঠিক সাধনার মাটিতে রোপণ করলে নূরের বৃক্ষ জন্ম নেয়।
**৪. প্রেম:> রতিকে জ্যোতিতে রূপান্তরের অনুঘটক:- প্রেম কোনো সাধারণ আবেগ নয়, এটি একটি “কিমিয়া” বা পরশপাথর। যখন কাম নিজেকে পুঁড়িয়ে ভস্ম করে, তখন তার ছাঁই থেকে প্রেমের জন্ম হয়। সাধকের কাছে প্রেম হলো রতিকে অপচয় না করে দেহের ঊর্ধ্বে- হৃদয়ে (কলবে) বা মস্তিষ্কের জ্যোতি দেশে টেনে তোলার প্রধান চালিকাশক্তি। প্রেমহীন মিলন দেহরসকে বিষাক্ত করে জীবনী শক্তি হ্রাস করে, পক্ষান্তরে প্রেমময় মিলন দেহরসকে ওজঃ শক্তিতে পরিণত করে। এটি-ই সেই আধ্যাত্মিক মইথনের চাবিকাঠি যা রতিকে মতিতে এবং মতিকে জ্যোতিতে রূপান্তরিত করে সাধককে অমরত্বের স্বাদ দেয়।
**৫. নূর:> পরম সত্যের আলো ও সাধনার চূড়ান্ত প্রাপ্তি:- “নূর” হলো আধ্যাত্মিক সাধনার সর্বোচ্চ স্তর বা জ্যোতির দেশ। রতি যখন প্রেমের প্রভাবে মতির সাথে মিলিত হয়ে মেরুদণ্ডের পথ ধরে মস্তিষ্কের “সুলতানুল আজকারে” পৌঁছায়, তখন সাধকের ভেতরে এক মহাজাগতিক আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে। এই স্তরে পৌঁছালে সাধকের নিজস্ব কোনো আমিত্ব থাকে না, তার ইচ্ছা স্রষ্টার ইচ্ছায় বিলীন হয়ে যায়। এই নূর বা জ্যোতি-ই হলো অন্ধকার (কামনা-বাসনা) থেকে মুক্ত হয়ে পরম সত্যের সাথে একীভূত হওয়া। যখন পুরুষের সংরক্ষিত রতি এবং নারীর রূপান্তরিত প্রেমরস একীভূত হয়, তখন-ই সেখানে “নূরুন আলা নূর” বা ঐশী জ্যোতির উদয় ঘটে- আমিন >চলমান পাতা।

আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৩ এএম
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস ইজাবস এর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠককালে তারা বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘনিষ্টভাবে কাজ করবে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করার ব্যাপারে তারা একমত পোষণ করেন।
এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আশ্বাস প্রদান করা হয় যে, বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইউনিয়নের ২০০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল কাজ করবে।
ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইইউনিয়ন ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতের ইউরোপের মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. যুবায়ের আহমেদ এবং আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।

রাজশাহীতে ভুটভুটি ও বালুবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত-২

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:০২ এএম
রাজশাহীতে ভুটভুটি ও বালুবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত-২

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার তাহেরপুর রোডে বালুবাহী ট্রাকের সাথে ভুটভুটির সংঘ*র্ষে দুইজন নি*হ*ত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে আটটার দিকে এই দুর্ঘ*টনা ঘটে।
পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, বালুবাহী ট্রাকটি পুঠিয়া থেকে তাহেরপুরের দিকে যাচ্ছিল। পুঠিয়া পৌরসভার গন্ডগোহালী গ্রামের নিমতলা এলাকায় বিপরীত দিকে থেকে আসা একটি ভুটভুটির সাথে ট্রাকটির (কুষ্টিয়া-ট-১১-০২১৬) মুখোমুখি সংঘ*র্ষ হয়। এ ঘটনায় নসিমনে থাকা শ্রমিক রাজশাহী নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার হড়গ্রাম শেখপাড়া এলাকার নাহিম ও হামিম নি*হ*ত হন। তারা শহর থেকে পুঠিয়ায় মুরগি কিনতে এসেছিলেন।
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় জনতা ট্রাকচালক মিন্টুকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মুরগি ব্যবসায়ী মামুন হোসেন বলেন, আমার গাড়ির দুজন লোক মারা গেছে। প্রায় দেড় লাখ টাকার মুরগি ছিল। আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেছে।

এক বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৭ এএম
এক বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা

এক বছরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার ৩৯২ টাকার। এক বছর আগের অর্থ বছরে তাঁর সম্পদ ছিল ১৪ কোটি ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৩ টাকার। বিদায়ী অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫ টাকা। সঞ্চয়পত্র নগদায়ন, সঞ্চয়ী বা মেয়াদি আমানতে বৃদ্ধি, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া শেয়ার ইত্যাদি কারণে মোট সম্পদ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বাড়লেও এক বছরে কমেছে তাঁর স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের সম্পদ। এক বছরে তাঁর সম্পদ কমেছে ৮৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১৪ টাকা। এক বছর আগের অর্থ বছরে তাঁর ২ কোটি ১১ লাখ ৭৭ হাজার ২৭৪ টাকা। বিদায়ী অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ৩৬০ টাকা।
মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।