বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

পছন্দ না হলে আসবেন না, কিন্তু ভাঙচুর করবেন কেন?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম | 69 বার পড়া হয়েছে
পছন্দ না হলে আসবেন না, কিন্তু ভাঙচুর করবেন কেন?

ভিন্নমত মানেই কি ধ্বংসযজ্ঞ?
পছন্দ না হলে আসবেন না, কিন্তু ভাঙচুর করবেন কেন?”—প্রেস সচিবের এই প্রশ্নটি আজ প্রতিটি সচেতন নাগরিকের।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজার এবং ধর্মীয় স্থাপনায় যে পরিকল্পিত হামলা ও ভাঙচুর চালানো হচ্ছে, তা কেবল নিন্দনীয়ই নয় বরং আমাদের সামাজিক সহনশীলতার মূলে কুঠারাঘাত। প্রেস সচিবের সেই ক্ষোভটি অত্যন্ত যৌক্তিক— “পছন্দ না হলে আসবেন না, কিন্তু ভাঙচুর করবেন কেন?”
ধর্মীয় স্বাধীনতা: বাংলাদেশের সংবিধানে প্রত্যেকের নিজস্ব বিশ্বাস ও আচার পালনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। মাজারে যাওয়া বা না যাওয়া সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়।
সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য: অনেক মাজার আমাদের শত বছরের ইতিহাস এবং লোকজ সংস্কৃতির অংশ। এগুলো ধ্বংস করা মানে নিজের শেকড়কেই আঘাত করা।
আইন হাতে তুলে নেওয়া: কোনো স্থান বা রীতিনীতি পছন্দ না হওয়ার অর্থ এই নয় যে, সেখানে গিয়ে ভাঙচুর করার লাইসেন্স পেয়ে গেছেন কেউ।
এটি সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ।
আমাদের দাবি ও আহ্বান: আমরা এই হীন কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে বা ক্ষোভের অজুহাতে জাতীয় সম্পদ ও মানুষের আস্থার জায়গায় হামলা চালাচ্ছে, তাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। ভিন্নমতের উত্তর দিতে হয় যুক্তি দিয়ে, হাতুড়ি বা লাঠি দিয়ে নয়। সমাজকে মধ্যযুগীয় বর্বরতার দিকে ঠেলে দেওয়ার এই প্রচেষ্টা রুখে দেওয়া এখন সময়ের দাবি।
কারো বিশ্বাস বা মাজার সংস্কৃতি আপনার পছন্দ না হতেই পারে, সেটা আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু দলবেঁধে গিয়ে প্রাচীন স্থাপনা বা মানুষের ইবাদতগাহে হামলা চালানো স্রেফ অপরাধ। যারা আজ মাজারে হাত দিচ্ছে, তারা কাল আপনার ঘরেও ঢুকবে। এই নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।🕊️ 🤝 🇧🇩 ✨ 🙏
দেশটা আমাদের সবার। আসুন, ধ্বংস নয় বরং গড়ার শপথ নেই। মাজার ভাঙচুরের এই অপরাজনীতি রুখে দেই। ✊🇧🇩
পছন্দ না হলে এড়িয়ে যান, কিন্তু পবিত্রতাকে রক্তাক্ত করবেন না।”
মাজার কোনো সাধারণ স্থাপনা নয়; এটি কোনো এক বিরহী আত্মার ক্রন্দন, কোনো এক সাধকের ধ্যান আর হাজারো আর্তের আশ্রয়ের নাম। আপনি যদি সেই পথে হাঁটতে না চান, তবে আপনার পথ ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু যে হাত ধ্বংসের জন্য উদ্যত হয়, সে হাত কি কখনো স্রষ্টার করুণা স্পর্শ করতে পারে?
আধ্যাত্মিকতার প্রথম পাঠ হলো—’মানুষের হৃদয়ে আঘাত না করা’। কোনো স্থান আপনার পছন্দ না হলে আপনি সেখানে যাবেন না, এটাই স্বাভাবিক বোধ। কিন্তু পাথর ভাঙার এই উন্মাদনা আসলে আপনার শক্তির পরিচয় দেয় না, বরং আপনার ভেতরের আধ্যাত্মিক শূন্যতাকে প্রকাশ করে।
মহাত্মারা বলে গেছেন—
“ঘর ভাঙা যায় হাতুড়ি দিয়ে, কিন্তু মানুষের বিশ্বাস কিংবা ভালোবাসা ভাঙার সাধ্য কারোর নেই।”
মাজারের ইট-পাথর ভেঙে ফেলা সহজ, কিন্তু সেখানে মিশে থাকা ভক্তি আর নিভৃত প্রার্থনাকে আপনি মুছবেন কীভাবে? ঘৃণা দিয়ে কখনো স্রষ্টাকে পাওয়া যায় না। আপনি যদি মনে করেন ধ্বংসের মাধ্যমে আপনি সত্য প্রতিষ্ঠা করছেন, তবে জেনে রাখুন—প্রেমহীন কোনো পথই স্রষ্টার আরশ পর্যন্ত পৌঁছায় না।আসুন, ভাঙার আগে আমরা গড়ার সংস্কৃতি শিখি। অন্যের বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা রাখাটাই হলো প্রকৃত আভিজাত্য। মাজার ভাঙার চেয়ে নিজের ভেতরের ঘৃণা আর অহংকারটুকু ভাঙা কি অধিক শ্রেয় নয়?”

আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৩ এএম
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস ইজাবস এর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠককালে তারা বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘনিষ্টভাবে কাজ করবে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করার ব্যাপারে তারা একমত পোষণ করেন।
এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আশ্বাস প্রদান করা হয় যে, বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইউনিয়নের ২০০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল কাজ করবে।
ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইইউনিয়ন ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতের ইউরোপের মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. যুবায়ের আহমেদ এবং আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।

রাজশাহীতে ভুটভুটি ও বালুবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত-২

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:০২ এএম
রাজশাহীতে ভুটভুটি ও বালুবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত-২

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার তাহেরপুর রোডে বালুবাহী ট্রাকের সাথে ভুটভুটির সংঘ*র্ষে দুইজন নি*হ*ত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে আটটার দিকে এই দুর্ঘ*টনা ঘটে।
পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, বালুবাহী ট্রাকটি পুঠিয়া থেকে তাহেরপুরের দিকে যাচ্ছিল। পুঠিয়া পৌরসভার গন্ডগোহালী গ্রামের নিমতলা এলাকায় বিপরীত দিকে থেকে আসা একটি ভুটভুটির সাথে ট্রাকটির (কুষ্টিয়া-ট-১১-০২১৬) মুখোমুখি সংঘ*র্ষ হয়। এ ঘটনায় নসিমনে থাকা শ্রমিক রাজশাহী নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার হড়গ্রাম শেখপাড়া এলাকার নাহিম ও হামিম নি*হ*ত হন। তারা শহর থেকে পুঠিয়ায় মুরগি কিনতে এসেছিলেন।
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় জনতা ট্রাকচালক মিন্টুকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মুরগি ব্যবসায়ী মামুন হোসেন বলেন, আমার গাড়ির দুজন লোক মারা গেছে। প্রায় দেড় লাখ টাকার মুরগি ছিল। আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেছে।

এক বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৭ এএম
এক বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা

এক বছরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার ৩৯২ টাকার। এক বছর আগের অর্থ বছরে তাঁর সম্পদ ছিল ১৪ কোটি ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৩ টাকার। বিদায়ী অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫ টাকা। সঞ্চয়পত্র নগদায়ন, সঞ্চয়ী বা মেয়াদি আমানতে বৃদ্ধি, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া শেয়ার ইত্যাদি কারণে মোট সম্পদ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বাড়লেও এক বছরে কমেছে তাঁর স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের সম্পদ। এক বছরে তাঁর সম্পদ কমেছে ৮৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১৪ টাকা। এক বছর আগের অর্থ বছরে তাঁর ২ কোটি ১১ লাখ ৭৭ হাজার ২৭৪ টাকা। বিদায়ী অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ৩৬০ টাকা।
মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।