সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

আর কোন আয়নাঘর থাকবে না

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪, ২:১৭ এএম | 128 বার পড়া হয়েছে
আর কোন আয়নাঘর থাকবে না

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক বলেছেন, ডিবি কার্যালয়ে আর কোন আয়নাঘর থাকবে না। ভাতের হোটেল থাকবে না। সেলেব্রিটি নায়ক-নায়িকাদের বিচরণস্থল হবে না।

(৫ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় ডিবি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার, উপকমিশনার ও ডিসি মিডিয়া উপস্থিত ছিলেন।

রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, ডিবিকে জনবান্ধন হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। জনসাধারণের ভরসাস্থল হবে ডিবি। যারা অসহায়, ভুক্তভোগী তাদের কথা শুনবো। তাদের কীভাবে আইনি সহায়তা দেয়া যায়, সেটাই দেখবো। ডিবিকে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। যদি ডিবির কোন সদস্য অন্যায় করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি বলেন, ডিবি অফিসের নাম শুনলে আর কেউ যেন আতঙ্কিত না হয়। শুধু অপরাধীরাই যেন আমাদের ভয় পায়। আমি যতো দিন ডিবি প্রধানের দায়িত্ব পালন করবো ততোদিন ন্যায়নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব, সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবো ইনশাআল্লাহ।

রেজাউল করিম মল্লিক আরও বলেন, দুর্গাপূজায় নিরবচ্ছিন্ন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে যেন নির্বিঘ্নে পূজা অনুষ্ঠিত হয়। ডিবির টিম সাদা পোশাকে বিভিন্ন পূজামণ্ডপগুলোতে থাকবে।

এ সময় ডিবির ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রেজাউল করিম মল্লিক।

মোতাহার হোসেন শেরপুর

ইফতার মাহফিলে ঐক্যের বার্তা দিলেন প্রেসক্লাব সভাপতি এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ

মোতাহার হোসেন শেরপুর প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
ইফতার মাহফিলে ঐক্যের বার্তা দিলেন প্রেসক্লাব সভাপতি এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ

শেরপুরের শ্রীবরদীতে প্রেসক্লাব শ্রীবরদীর আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) উপজেলা পরিষদের হৈচৈ পার্কে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব শ্রীবরদীর সভাপতি এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ। সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ আবদুল গফুর, সাংবাদিক কেএম ফারুক, ফরিদ আহমেদ রুবেল, সাজিদ হাসান শান্ত এবং মমিনুল ইসলাম মমিন প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ বলেন, প্রেসক্লাব শ্রীবরদীকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে নতুন ও প্রবীণ সকল সাংবাদিককে একসাথে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের মাধ্যমেই সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন এবং সংগঠনের অগ্রগতি সম্ভব।

আলোচনা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন সিনিয়র সাংবাদিক আলহাজ্ব তাজুল ইসলাম। এসময় প্রেসক্লাব শ্রীবরদীর সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

ঘরের মেঝে পরিষ্কারের সহজ ৫ উপায়

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
ঘরের মেঝে পরিষ্কারের সহজ ৫ উপায়

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। এই আনন্দ পূর্ণতা পায় তখন, যখন ঘরদোর থাকে পরিপাটি ও পরিচ্ছন্ন। কিন্তু ব্যস্ত সময়ে মেঝের দাগ বা কালচে ভাব দূর করা বেশ ঝক্কির কাজ বলে মনে হতে পারে। রোজ ডিটারজেন্ট মেশানো পানি দিয়ে মোছার পরও অনেক সময় ঘরের মেঝে পরিচ্ছন্ন দেখায় না। কিন্তু হাতের কাছে থাকা উপকরণ দিয়ে খুব অল্প পরিশ্রমেই ঘরের মেঝে ঝকঝকে করে তোলা সম্ভব।

টাইলসের জন্য ভিনেগার ও পানির মিশ্রণ

টাইলসের মেঝেতে অনেক সময় পানির দাগ বা ছোপ ছোপ কালচে দাগ পড়ে যায়। এটি দূর করতে সাদা ভিনেগার খুবই কার্যকর। এ জন্য এক বালতি কুসুম গরম পানিতে আধা কাপ সাদা ভিনেগার নিন। এই মিশ্রণ দিয়ে ঘর মুছলে টাইলসের চটচটে ভাব দূর হয় এবং চকচকে ভাব আসে। ভিনেগার প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক হিসেবেও কাজ করে, যা ঘর রাখে নিরাপদ।

কড়া দাগ সরাতে বেকিং সোডা

রান্নাঘরের মেঝের কোণে বা ডাইনিং টেবিলের নিচে অনেক সময় তেলের আঠালো দাগ পড়ে যায়, যা সাধারণ সাবান পানি দিয়ে ওঠে না। এ ক্ষেত্রে বেকিং সোডা ব্যবহার করুন। দাগের ওপর সামান্য বেকিং সোডা ছড়িয়ে দিয়ে অল্প পানি দিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর একটা পুরোনো টুথপেস্ট দিয়ে ঘষলেই দেখবেন দাগ উঠে যাবে।

মার্বেল মেঝের জন্য লেবুর রস ও লবণ

যাঁদের ঘরের মেঝে মার্বেলের, তাঁরা অনেক সময় মেঝে হলুদ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন। মার্বেল মেঝের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে লেবুর রস ও লবণের মিশ্রণ খুবই কার্যকর। লেবুর অ্যাসিডিক গুণ ময়লা কাটাতে সাহায্য করে আর লবণ স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। তবে মনে রাখবেন, মিশ্রণটি ব্যবহারের পর অবশ্যই পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালো করে মেঝে মুছে নিতে হবে। কারণ লেবুর অ্যাসিড দীর্ঘক্ষণ থাকলে মেঝের ক্ষতি হতে পারে।

সুগন্ধির জন্য তরল ডিশ সোপ ও এসেনশিয়াল অয়েল

ঈদের দিন পরিষ্কার থাকার সঙ্গে সঙ্গে ঘর থেকে সুঘ্রাণ আসাটাও জরুরি। বালতির পানিতে কয়েক ফোঁটা তরল ডিশ ওয়াশিং সোপ এবং কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার বা লেমন গ্রাস এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন। এটি মেঝে পরিষ্কার করার পাশাপাশি সারা ঘরে এক স্নিগ্ধ সুবাস ছড়িয়ে দেবে। যাঁরা ঘরে পোষা প্রাণী রাখেন, তাঁদের জন্য এ পদ্ধতিটি দুর্গন্ধ দূর করতে খুব ভালো কাজ করে।

পুরোনো সুতি কাপড় বা মাইক্রোফাইবার মপ ব্যবহার

পরিষ্কার করার পদ্ধতি যেমনই হোক, মোছার সরঞ্জামটি হওয়া চাই সঠিক। ঘর মোছার জন্য সব সময় পুরোনো সুতি কাপড় বা মাইক্রোফাইবার মপ ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। মাইক্রোফাইবার মপ মেঝের সূক্ষ্ম ধুলাবালু শুষে নিতে পারে এবং মেঝেতে কোনো দাগ বা রেখা ফেলে না। ঘর মোছার পর জানলাগুলো খুলে দিন, যাতে দ্রুত বাতাস চলাচলের মাধ্যমে মেঝে শুকিয়ে যায়। ভেজা মেঝেতে পা দিলে পুনরায় দাগ পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

কিছু বাড়তি সতর্কতা

মেঝের উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে মেঝে মোছার আগে অবশ্যই খুব ভালো করে ঝাড়ু দিয়ে সব ধুলাবালু ও ময়লা পরিষ্কার করে নিন।
যেকোনো নতুন মিশ্রণ পুরো মেঝেতে ব্যবহারের আগে এক কোণে সামান্য ব্যবহার করে পরীক্ষা করে নিন।
অতিরিক্ত রাসায়নিকযুক্ত ফ্লোর ক্লিনার এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ এগুলো দীর্ঘ মেয়াদে মেঝের রং নষ্ট করে দেয়।
কাঠের বা ল্যামিনেট মেঝের স্থায়িত্ব বজায় রাখতে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার না করে হালকা ভেজা কাপড় দিয়ে মেঝে মুছে নিন।
পরিষ্কার করার সময় ভিনেগারের সঙ্গে ভুলেও ব্লিচ মেশাবেন না। তাতে মারাত্মক বিষাক্ত গ্যাস সৃষ্টি হতে পারে। এ গ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

শবে কদর চেনার ৭ উপায়

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:২২ পিএম
শবে কদর চেনার ৭ উপায়

প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে প্রতি বছর ফিরে আসে পবিত্র মাহে রমজান। সিয়াম সাধনার এই মাসটি যখন তার শেষ দশকে এসে দাঁড়ায়, তখন মুমিনের হৃদয়ে এক অদ্ভুত ব্যাকুলতা জাগে এক মহিমান্বিত রজনীকে পাওয়ার জন্য; যার নাম লাইলাতুল কদর বা মহিমান্বিত ভাগ্য রজনী। এটি আত্মশুদ্ধি এবং পরম করুণাময়ের সান্নিধ্য লাভের এক মাহেন্দ্রক্ষণ।

লাইলাতুল কদরে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায়লাইলাতুল কদরে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায়
কদরের আভিধানিক ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ
আরবি কদর শব্দের অর্থ মহিমা, সম্মান ও পরিমাপ। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, এই রাতের নামকরণ কদর হওয়ার পেছনে দুটি কারণ রয়েছে:

মর্যাদা: এটি অত্যন্ত সম্মান ও মর্যাদাপূর্ণ রাত।

ভাগ্য নির্ধারণ: এই রাতে মানুষের আগামী এক বছরের ভাগ্যলিপি ফেরেশতাদের নিকট হস্তান্তর করা হয়। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘সে রাতে প্রত্যেক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্থিরীকৃত হয়।’ (সুরা দুখান: ৪)

লাইলাতুল কদরের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের সম্পর্ক
শবে কদরের মাহাত্ম্য মূলত আল-কোরআনের কারণে। এই রাতেই কোরআন লাওহে মাহফুজ থেকে প্রথম আসমানে অবতীর্ণ হয়। কোরআনের সংস্পর্শে এসে একটি সাধারণ রাত যেমন হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ হয়েছে, তেমনি একজন মানুষ যদি এই রাতে কোরআনের আদর্শ ধারণের শপথ নেয়, তবে তার জীবনও অসাধারণ হয়ে উঠবে।

অনির্ধারিত রাতের রহস্য
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে কদরের রাত তালাশ করো।’ (সহিহ্ বুখারি: ২০২০)। যদি এটি একটি নির্দিষ্ট রাতে হতো, তবে মানুষ কেবল সেই রাতেই ইবাদত করত। আল্লাহ চেয়েছেন বান্দা অন্তত শেষ দশটি দিন তাঁর দুয়ারে পড়ে থাকুক। এই রাতটি খুঁজে পাওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায় হলো ইতিকাফ করা।

লাইলাতুল কদরের ৭টি বিশেষ আলামত
হাদিস শরিফে এই মহিমান্বিত রাতের কিছু নিদর্শনের কথা বলা হয়েছে:

রাতটি খুব বেশি অন্ধকার হবে না।
আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ হবে (খুব গরম বা খুব শীতল নয়)।
মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হতে থাকবে।
ইবাদতে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি তৃপ্তি অনুভূত হবে।
ওই রাতে হালকা বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
শয়তান ওই রাতে কোনো ক্ষতি করার সুযোগ পায় না।
পরবর্তী সকালে সূর্যোদয় হবে হালকা আলোকরশ্মিসহ—যা দেখতে পূর্ণিমার চাঁদের মতো মনে হবে।

error: Content is protected !!