রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২

সম্পাদকঃ রুবিনা শেখ

গাজীপুরের শ্রীপুরে অস্ত্র সহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ২:৫৩ পিএম | 140 বার পড়া হয়েছে
গাজীপুরের শ্রীপুরে অস্ত্র সহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

ঢাকা, ৬ অক্টোবর ২০২৫ (বৃহস্পতিবার): গতকাল মধ্যরাতে গাজীপুর সদরের শ্রীপুর এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ অভিযানে অবৈধ অস্ত্রসহ ৭ জন অপরাধী গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে হত্যা, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী এনামুল হক মোল্লা এবং শওকত মীর উল্লেখযোগ্য।
অভিযানে ২টি ৭.৬৫ মিঃমিঃ পিস্তল,‌‌ ৩টি ম্যাগাজিন, ৪ রাউন্ড গোলাবারুদ, ৪টি ওয়াকি টকি সেট, ২টি স্টান গান, ১টি নেইল গান, ২টি লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেল এবং অন্যান্য ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধমূলক কর্মকান্ডের যেকোনো তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প অথবা অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট প্রদান করুন।

মোঃ সাগর সরকার

পলাশবাড়ীতে থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশের উপর হামলা: পলাশ ও সহযোগী গোলজার গ্রেফতার

মোঃ সাগর সরকার প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ পিএম
পলাশবাড়ীতে থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশের উপর হামলা: পলাশ ও সহযোগী গোলজার গ্রেফতার

গাইবান্ধা জেলা পলাশবাড়ীতে গত ২৫ মার্চ থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশের উপর হামলায় ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান অভিযুক্ত আসামী যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক পলাশ আহমেদ (৩৫) ও ৪ নং আসামী যুব জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি গোলাজার রহমান (৩৪) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্র জানায় গ্রেফতারকৃত মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামী উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক পলাশ আহমেদ পৌর শহরের গৃধারীপুর গ্রামের নুর মোহাম্মাদের ছেলে । অপরজন মামলা ৪ নম্বার আসামি গোলজার রহমান পৌর শহরের বৈরী হরিণবাড়ি গ্রামের মধু মিয়া ছেলে। সে পৌর যুব জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি।

৫ এপ্রিল রবিবার গেল রাত দেড়টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের দিঘলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাকা রাস্তা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারের বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেন থানা অফিসার ইনচার্জ সরোয়ারে আলম খান।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় ব্যবসায়ী নিহত

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১০ পিএম
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় ব্যবসায়ী নিহত

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো. সেলিম (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গৌরিপুর গ্রামের দুধির বাপের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সেলিম একই গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।
নিহতের বড় ছেলে মো. শাকিল অভিযোগ করে জানান, তার ছোট ভাই অন্তর (১৫) একই গ্রামের জলকাটাগো বাড়ির সজল (১৭)-এর সঙ্গে চলাফেরা করত। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সজল মুঠোফোনে অন্তরকে কল করে তাকে নাম ধরে ডাকতে নিষেধ করে। এ নিয়ে ফোনেই তাদের মধ্যে সিনিয়র-জুনিয়র বিষয়ক তর্ক-বিতর্ক হয়।

তিনি আরও জানান, পরে সজল অন্তরকে তার চাচাতো ভাইয়ের দোকান ‘খলিল স্টোর’-এ যেতে বলে। তবে অন্তর বাড়ি থেকে আর বের হয়নি।
শাকিলের অভিযোগ, এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সজল তার সহযোগী শাওন, ফাহাদ ও রিয়াদসহ কয়েকজনকে নিয়ে তাদের বাড়ির সামনে আসে। একপর্যায়ে তারা অন্তরকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।

এ সময় শাকিল তাদের ধাওয়া করলে হামলাকারীরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। শোরগোল শুনে সেলিম পাশের একটি মুদি দোকান থেকে বের হয়ে বাড়ির দিকে আসছিলেন। তখন সজল ও তার সহযোগীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে।

মারধরের একপর্যায়ে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। ওই সময় ভিকটিম ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আকস্মিকভাবে তার মুখে একটি আঘাত লাগে এবং তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামায়াত নেতার বাড়ীতে বিয়ের জন্য অনশন

নুরুজ্জামান আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৮ পিএম
জামায়াত নেতার বাড়ীতে বিয়ের জন্য অনশন

হাতীবান্ধার ভবানীপুর ছেফাতিয়া মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা কাজী ফেরদৌস আলমের মিলনবাজারস্থ বাড়িতে বিয়ের দাবিতে এক নারী ৫ দিন ধরে অনশন করছেন। ওই নারীর দাবী, জামায়াত নেতা কাজী ফেরদৌস আলম তাকে নিজ বাড়িতে এনে তার স্ত্রীকে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীর সাথে একাধিকবার দৈহিক মেলামেশা করেন। কাজী ফেরদৌস আলম গত সংসদ নির্বাচনে উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন জামায়াতের নির্বাচনী সমন্বয়কারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।পাশাপাশি হাতীবান্ধা উপজেলা ঈমাম কল‌্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।মুঠোফোনে একাধিকবার কাজী ফেরদৌস আলমের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে,কিন্তু যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

error: Content is protected !!