রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২

চাঁদা না দিলে হুমকির অভিযোগ

কালিয়াকৈরে ‘জসিম দেওয়ান বাহিনী’র দৌরাত্ম্য

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২০ পিএম | 17 বার পড়া হয়েছে
কালিয়াকৈরে ‘জসিম দেওয়ান বাহিনী’র দৌরাত্ম্য

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় জসিম দেওয়ান ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জমি দখলের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে, যার ফলে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, জসিম দেওয়ান তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী রবিন দেওয়ানকে ব্যবহার করে এলাকায় চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বিভিন্ন অজুহাতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হুমকি দেওয়া হয় বলেও জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, “আমরা সব সময় ভয়ের মধ্যে থাকি। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে নানা ভাবে হয়রানি করা হয়। এভাবে চলতে থাকলে এলাকায় বসবাস করাই কঠিন হয়ে পড়বে।”

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নিয়মিত চাঁদার চাপের কারণে তাদের ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে উঠেছে। তারা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।

এদিকে এলাকাবাসী প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এলাকায় শান্তি ফিরে আসবে এবং সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে জীবনযাপন করতে পারবে।

ফরিদপুরে টাকা ও ক্ষমতার দাপটে প্রবাসীর জমি দখলের চেষ্টা” ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

মোঃমাহফুজুর রহমান বিপ্লব বিপ্লব। প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৭ পিএম
ফরিদপুরে টাকা ও ক্ষমতার দাপটে প্রবাসীর জমি দখলের চেষ্টা” ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুর চরভদ্রাসন উপজেলায় প্রবাসীর জমি দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ ভুক্তভোগী পরিবার তার বসত বাড়ীর আঙিনায় এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন চরভদ্রাসন উপজেলার খান মামুদের ডাঙ্গী গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে কুয়েত প্রবাসী রাজিব মাহমুদ (৩৭)।

তিনি বলেন তার বসতভিটে সংলগ্ন ১৮ শতাংশ জমি প্রতিপক্ষরা জোর পূর্বক দখলের অপচেষ্টা সহ তাকে প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকী দিচ্ছে।
একই গ্রামের প্রভাবশালী প্রতিবেশী প্রতিপক মেহেদী হাসান, ইমরান মাহমুদ ও সজিব গংরা।

এরা আমার বসতভিটে জমির বাউন্ডারী ওয়ালের তিনটি পিলার ভেঙে দিয়েছে, জমির মালিকানা স্বত্তের সাইনবোর্ড তুলে নিয়ে গেছে এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দিয়ে প্রবাসীর জমিতে মহড়া দেওয়া সহ তাকে মোবাইল ফোনে জীবন নাশের হুমকী দিচ্ছে।

তিনি জানান, প্রবাস জীবনের অনেক কষ্টে অর্জিত অর্থ দিয়ে তার বসতভিটে সংলগ্ন প্রকৃত মালিকদের কাছ থেকে তিনি ১০.৩৯ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি। তার ক্রয়কৃত উক্ত ক্রয়কৃত জমির সাথে তার মা রেজিয়া বেগম তার পৈত্রিক ওয়ারিশ স্বত্তে প্রাপ্ত জমি মিলে তাদের ১৮ শতাংশ জমি রয়েছে।

উক্ত জমি দীর্ঘদিন ধরে আমি দখলে রয়েছে এবং জমিতে বসতিয় ঘর দরজা, গাছপালা ও বৃক্ষরাজি সহ বাউন্ডারী ওয়াল করেছি। এই জমি ক্রয়ের পর জমির নামপত্তন জারী (মিউটেশন) করেছি এবং ভুমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে চলেছি। জমির নামপত্তন জারীর খতিয়ান নং হলো-২০০৫-১০০০০৭ নং। বসতিয় জমিটুকু দিয়ারা ২৬/১১ নং চরভদ্রাসন মৌজার ২৩৯ নং খতিয়ানের ৫১৪৪ নং, ৫১৪২ নং, ৫২২৭ নং ও ৫২২৯ নং দাগের অন্তর্ভুক্ত জমি।

তিনি আরও জানান, আমরা দুই ভাই বিদেশে থাকি এবং বাবা মা বৃদ্ধ। তাই পরিবারের জন শূন্যতার দুর্বলতার সুযোগে প্রভাবশালী প্রতিবেশী মেহেদী হাসান গং প্রবাসীর জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিপক্ষরা জমির পাশে একখন্ড সিকস্তি ভুমির দলিল বানিয়ে সাড়ে ২৫ শতাংশ জমির মালিকানা দাবী করে যাচ্ছে এবং জমি দখলের জন্য বিভিন্ন কূট কৌশল চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যপারে স্থানীয়রা ৭/৮ দফায় আপোষ মিমাংষার জন্য সালিশ বৈঠকের দিন ধার্য্য করলেও প্রতিপক্ষ মেহেদী হাসান গংরা সালিশ বৈঠকে হাজিরা হয় নাই। এছাড়া চরভদ্রাসন থানায় আরও দু’দফায় সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হলেও মেহেদী হাসান গংরা সালিশে হাজির হয় নাই।

প্রবাসী রাজিব মাহমুদ আরও জানান, গত ২৯ মার্চ দিবাগত গভীর রাতে প্রতিপক্ষ মেহেদী হাসান গংরা দলবল নিয়ে আমার দখলীয় বসতভিটের জমির মধ্যে তান্ডব চালায়। তারা জমির মালিকানা স্বত্তের সাইনবোর্ড তুলে নিয়ে যায়। সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে তারা আমার বসতভিটের জমির বাউন্ডারী ওয়ালের তিনটি পিলার গুড়িয়ে দেয়। একই সাথে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের দিয়ে আমার জমিতে দিনরাত মহড়া চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিপক্ষরা। এছাড়া আমাকে মোবাইল ফোনের ওয়াটএ্যাপে বার বার প্রাণনাশের হুমকী দিচ্ছে। প্রতিনিয়ত ভয়েজ ম্যাসেস পাঠাচ্ছে।

এ অবস্থায় কোনো উপায় না পেয়ে আমি চরভদ্রাসন থানায় একটি অভিযোগ পত্র দায়ের করলে পুলিশ উভয় পক্ষকে কাগজপত্র সহ আগামী ৩ এপ্রিল থানায় হাজির হয়ে আপোষ মিমাংষার বৈঠকে বসার দিন ধার্য করেন। কিন্ত প্রতিপক্ষ মেহেদী হাসান চতুরতা করে গত ১ এপ্রিল ফরিদপুর কোর্টে গিয়ে বিরোধীয় জমির উপর ১৪৪ ধারা জারীর আবেদন করেন।

এতে করে আপোষ মিমাংষার বৈঠকও স্থবির হয়ে পড়েছে বলে জানা যায়। এ ব্যপারে বৃহস্পতিবার চরভদ্রাসন থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেনকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, “যেহেতু মেহেদী হাসান কোর্টে ১৪৪ করার জন্য আবেদন করেছেন তাই পুলিশ আর আপোষের জন্য ডাকতে পারে না।

জমির ব্যাপার কোর্ট বুঝবেন। তবে স্থানীয়রা গোপনে আপোষ করলে সেটা তাদের ব্যাপার”।
আর এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার প্রতিপক্ষ মেহেদী হাসানকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান,“ আমি গঞ্জর আলী বেপারী গংদের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছি। তাই ক্রয় স্বত্তে আমি জমির মালিকানা দাবী করছি। তবে আমার দলিলটা পরে হলেও তার দাতা সঠিক বলে তিনি দাবী করেন।

ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান তৃণমূলের পরীক্ষিত নেতা মোহাম্মদ ফেরদৌস কোরাইশী

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১৫ পিএম
ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান তৃণমূলের পরীক্ষিত নেতা মোহাম্মদ ফেরদৌস কোরাইশী

দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, ত্যাগ ও নির্যাতনের ইতিহাস তুলে ধরে দলীয় মূল্যায়ন ও জনগণের সমর্থন প্রত্যাশা

ফেনী সদর উপজেলার আসন্ন চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের পরীক্ষিত ও পরিচিত নেতা মোহাম্মদ ফেরদৌস কোরাইশী। তিনি দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র পত্রিকার ফেনী জেলা স্টাফ রিপোর্টার মোহাম্মদ হানিফ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তার এই আগ্রহের কথা জানান।
সাক্ষাৎকারে তিনি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সংগ্রাম, ত্যাগ ও নির্যাতনের কথা তুলে ধরে বলেন, দলীয় মূল্যায়ন এবং জনগণের সমর্থন পেলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত।
মোহাম্মদ ফেরদৌস কোরাইশী লেমুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং একজন সফল সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় রাজনীতি করে আসছেন এবং দলকে সুসংগঠিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
তিনি জানান, তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে। লেমুয়া হাইস্কুল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে তার পথচলা শুরু হয়। পরে তিনি লেমুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত এই নেতা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর আদর্শ তাকে রাজনীতিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে, বিশেষ করে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
তার রাজনৈতিক জীবনে রয়েছে নির্যাতন ও ত্যাগের দীর্ঘ ইতিহাস। তিনি দাবি করেন, বিগত সময়ে একাধিকবার কারাবরণ করতে হয়েছে এবং রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। গত প্রায় ১৮ বছরে ৩৮টিরও বেশি মামলার মুখোমুখি হয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর নেতৃত্বে রাজনীতি করে আসা এই নেতা বলেন,
“আমার শৈশব, কৈশর ও যৌবনের বড় একটি অংশ আমি বিএনপির জন্য উৎসর্গ করেছি। কখনো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাইনি।”
বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বকে শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন,
“তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমি ফেনী সদর উপজেলার উন্নয়নে কাজ করতে চাই। দল আমাকে মূল্যায়ন করলে জনগণও আমাকে সমর্থন দেবে।”
তিনি আরও জানান, তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ ইতোমধ্যে তাকে সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন।
নির্বাচিত হলে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা, উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করা এবং ফেনী সদর উপজেলাকে একটি আধুনিক মডেল উপজেলায় রূপান্তর করাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।
সবশেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা বিবেচনায় দল তাকে মনোনয়ন দেবে এবং জনগণের ভালোবাসাই হবে তার আগামী দিনের প্রধান প্রেরণা।

পুকুরে মিলল স্কুলছাত্রের মরদেহ

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী: প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১৩ পিএম
পুকুরে মিলল স্কুলছাত্রের মরদেহ

নোয়াখালীর হাতিয়ায় গোসল করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে অনির্বাণ ওরফে স্বর্ণ (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত অনির্বাণ উপজেলার আব্দুল মোতালেব উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিল। তার পিতা সুব্রত দাস রাজশাহী জেলার আরালি গ্রামের বাসিন্দা এবং মাতা অনুপমা হাওলাদার হাতিয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাস্টারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অনির্বাণের মা প্রশিক্ষণে থাকায় সে নানির কাছে থেকে পড়াশোনা করছিল। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সে গোসল করতে উপজেলা পরিষদের পুকুরে যায়। এরপর দীর্ঘ সময় তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান চালান। প্রায় কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে পুকুর থেকে অনির্বাণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

অকাল মৃত্যুর এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে পুরো পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, মরদেহ থানায় এনে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

error: Content is protected !!