মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

ফ্ল্যান কেক

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:১৩ পিএম | 100 বার পড়া হয়েছে
ফ্ল্যান কেক

বাংলাদেশে অনেকেই এই কেকটিকে পুডিং কেক নামে চিনে থাকেন, কিন্তু আসলে এর আসল নাম ফ্ল্যান কেক। নরম কেক, ক্রিমি পুডিং আর গাঢ় ক্যারামেলের অসাধারণ কম্বিনেশনে তৈরি এই কেক খেতে যেমন চমৎকার, দেখতে তেমনই মনকাড়া। আজ এই কেকের রেসিপিটি দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী ইভা বিনতে সানোয়ার
উপকরণ ও প্রস্তুত প্রণালি………….
#ধাপ ১ : ক্যারামেল তৈরি
উপকরণ :
চিনি কোয়ার্টার কাপ, পানি ২ টেবিল চামচ, বাটার বা তেল আধা চা চামচ (পাত্র মাখানোর জন্য)
প্রস্তুত প্রণালি :
১. কেক তৈরির পাত্রে হালকা করে তেল বা বাটার মাখিয়ে নিতে হবে।
২. একটি প্যানে চিনি ও পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে বসাতে হবে।
৩. চিনি গলতে শুরু করলে অনবরত নাড়তে থাকতে হবে।
৪. ধীরে ধীরে যখন রং বাদামি হতে শুরু করবে এবং ক্যারামেল ঘন হয়ে আসবে, সঙ্গে সঙ্গে চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে।
৫. প্রস্তুত ক্যারামেলটা পুডিং তৈরির পাত্রে ঢেলে দিতে হবে এবং একপাশে ঠান্ডা হতে দিতে হবে।
#ধাপ ২ : পুডিং তৈরি
উপকরণ :
ঘন দুধ ১ কাপ, ডিম ২টি, চিনি আধা কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স আধা চা চামচ।
প্রস্তুত প্রণালি :
১. দুই কাপ দুধ ফুটিয়ে ১ কাপ ঘন দুধ তৈরি করতে হবে।
২. স্বাদমতো চিনি দিয়ে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে চুলা বন্ধ করতে হবে। (যদি কনডেন্সড মিল্ক ব্যবহার করা হয়, তাহলে দুধ ঠান্ডা করে তারপর দিতে হবে)
৩. ঠান্ডা হলে ডিমগুলো ভালোভাবে হুইস্ক করে ফেটিয়ে নিতে হবে।
৪. এরপর ডিমের মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স ও দুধ মিশিয়ে নিতে হবে।
৫. শেষে ছাঁকনি দিয়ে মিশ্রণটি ছেঁকে রাখতে হবে।
#ধাপ ৩ : কেক তৈরি
উপকরণ :
ডিম ২টি, ময়দা আধা কাপ, চিনি আধা কাপের একটু কম, তেল বা বাটার কোয়ার্টার কাপ, তরল দুধ কোয়ার্টার কাপ, বেকিং পাউডার আধা চা চামচ স্ট্রবেরি ইমালশন আধা চা চামচ।
প্রস্তুত প্রণালি :
১. ডিমের সাদা অংশ ও কুসুম আলাদা করে নিতে হবে।
২. সাদা অংশে চিনি দিয়ে ২ মিনিটের মতো বিট করতে হবে যতক্ষণ না ফোম তৈরি হয়। (খেয়াল রাখতে হবে, ওভারবিট করলে ফোম বসে যাবে বা শক্ত হয়ে যাবে)
৩. অন্য পাত্রে ডিমের কুসুম, দুধ, তেল ও স্ট্রবেরি ইমালশন একসাথে ফেটিয়ে নিতে হবে।
৪. ময়দা ও বেকিং পাউডার ছেকে শুকনো উপকরণগুলো একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে।
৫. এরপর শুকনো মিশ্রণটা কুসুমের মিশ্রণে দিয়ে ভালোভাবে মেশাতে হবে।
৬. শেষে ডিমের ফোমটা অল্প অল্প করে স্প্যাচুলা দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে, যেনো ফোম নষ্ট না হয়।
#ধাপ ৪ : সেট করা ও বেক করা
১. ওভেন ট্রেতে অর্ধেক পানি ভরে রাখতে হবে (এটা বেইন মেরি মেথড বা ওয়াটার বাথ)। (চুলায় তৈরি করলে পাত্রেও একইভাবে অর্ধেক পানি ঢালতে হবে)
২. ক্যারামেল দেওয়া মোল্ডে প্রথমে পুডিং মিশ্রণ ঢালতে হবে।
৩. পুডিংয়ের উপর আস্তে করে কেক ব্যাটার ঢেলে দিতে হবে।
৪. মোল্ডটা সাবধানে পানিভরা ট্রেতে বসিয়ে ৫০ থেকে ৬০ মিনিট বেক করতে হবে। (চুলায় তৈরি করলে ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করতে হবে)
৫. টুথপিক ঢুকিয়ে চেক করতে হবে, যদি পরিষ্কার বেরিয়ে আসে, কেক তৈরি।
৬. ঠান্ডা হলে ফ্রিজে ২/৩ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে।
#ধাপ ৫ : পরিবেশন
১. ঠান্ডা কেকের উপর একটি সার্ভিং প্লেট বসিয়ে উল্টিয়ে নিতে হবে।
২. উপর থেকে গলে আসা ক্যারামেল ও পুডিং লেয়ার ঝকঝকে দেখাবে – একদম পারফেক্ট!
৩. চাইলে উপরে কুচানো স্ট্রবেরি বা হুইপড ক্রিম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।
কিছু জরুরী টিপস :
#ডিম বিট করার সময় ঠান্ডা ডিম ব্যবহার করলে ফোম ভালো উঠবে।
#ক্যারামেল পোড়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
#পরিবেশনের আগে কেকটা পুরোপুরি ঠান্ডা হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

তালাত মাহমুদ বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫০ পিএম
ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

ইসলাম মানুষের বাস্তব সমস্যার বাস্তব সমাধান করতে পেরেছিল । আর তা দেখেই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল । কিন্তু আফসোস প্রকৃত ইসলামের সেই প্রাঞ্চল আদর্শ আজ নেই । ফলে এককালে যে মুসলিমরা অর্ধ দুনিয়াকে ন্যায় শান্তি ও সুবিচার অলংকারে সাজিয়ে তুলেছিল । সেই মুসলিমরাই আজ সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে অবজ্ঞাত, উপেক্ষিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত, অপমানিত,উভ্যাস্ত ,জনগোষ্ঠীতে পরিমিত পরিণিত হয়েছে । ইসলাম অনৈক্য -হানাহানিতে লিপ্ত দাঙ্গাবাজ আরবদের কে ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ করেছিল বংশানুক্রমিক শত্রুতা আর রক্তপাতে নিমজ্জিত আরব জাতিকে একে অপরের ভাই বানিয়ে দিয়েছিল ।বিশৃঙ্খল ও উশৃঙ্খল আরবদের কে, শৃঙ্খলা শিক্ষা দিয়েছিল ইসলাম যাদের জীবন যাপনে এতদিন শৃঙ্খলার কোন লেশমাত্র ছিল না । তারা ইসলামের আদর্শ গ্রহণের পর পুরোপুরি বদলে গিয়েছিল। তাদের ব্যক্তিগত জীবন পারিবারিক জীবন পোশাক আশাক খাদ্য গ্রহণ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সামাজিকতা জাতীয় সাময়িক কর্মকাণ্ডের পুরোটাই ছিল সুশৃংখল ও সুপরিকল্পিত। “চলবে”

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম
রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

জাহিদ হোসেন স্টাফ রিপোর্টার, চাঁদপুর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

চাঁদপুর জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের প্রতিটি বাড়ি যেনো এক একটি সবজি বাগান।

তারা বছরের যে কোনো সময়ের চাইতে শীত মৌসুমে সবজির আবাদ বেশি ফলায়। চরাঞ্চলের মানুষে নিয়মিত এসব সবজি চাষ করে নিজের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারেও বিক্রি করে।

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন চলাঞ্চলের নদী ভাঙা গড়ার খেলায় এক চর থেকে অন্য চরে বসতি স্থাপন করে এসব চরাঞ্চলের মানুষজন। নতুন চরে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন যেখানে তাদের নতুন করে বাড়ি সাজানো হয়। আর সেখানেই গড়ে তুলেন সবজির বাগান। একই সাথে গবাদি পশু ও অন্যান কৃষি উৎপাদন করেন। বর্তমানে চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি দিয়ে শহর অঞ্চলের সবজির একটি অংশ চাহিদা মিটায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিমে চরগুলোর দিকে থাকালে প্রতিটি বাড়ি দেখে মনে হয় যেন সবজির বাগানে ভরপুর। তারা বাড়ির সামনের জমিও ও ঘরের অঙ্গিনায় এসব সবজি চাষ করে জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের বলাশিয়া, শিলার চর, চিরারচর, বেড়া চাক্কি, বাঁশগাড়ি চরে গিয়ে দেখা গেছে পদ্মা-মেঘনা নদীর অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন শাক লতাপাতা লাগিয়ে শহরের চাহিদা মিটায়। কিন্তু শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে গেলে জমিতে সরিষা, মাশকালাই, করলা শশা, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ অন্যান্য শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও বসে নেই এসব উৎপাদনে । প্রতিটি বাড়ি নারীদের হাতের ছোঁয়ায় পরিণত হয় এক একটি সবজি বাগানে ।

এ বিষয়ে জনতা ৭১ টিভির প্রতিবেদক সরেজমিনে গেলে কথা হয় ট্রলারে লোক কিসমত আলীর সাথে। তিনি, বার বার নদী ভাঙ্গনের ফলে নতুন চর জেগে উঠে আর নতুন চরে পলি সমৃদ্ধ মাটিতে এসব সবজির ফলন খুব ভালো হয়।

শীতকালে দেখা যায় চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি ট্রলারে পদ্মা-মেঘনা পাড়ি দিয়ে চাঁদপুর শহরে র পুরান বাজার বৌ বাজারে নিয়ে আসে । শহরের চরাঞ্চলের সবজির চাহিদা বেশী। প্রতি কেজি শিম পাইকারী বিক্রি হয় ২০-২৫ টাকা। প্রতি পিস লাউ ৪০-৫০ টাকা। কুমড়া গড়ে প্রতি পিচ ৪০-৫০ টাকা। এছাড়াও অনেকে কুমড়া, মাশকালাই শাক বিক্রি করেন। শীত মৌসুমে নদীতে মাছ কম পাওয়া যায়। সবজির বিক্রির টাকা কিছুটা হলে আমাদের চরাঞ্চলের লোকদের আয় রোজগার বাড়ে।

তবে এখন কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাড়িতে সবজি এবং জমিতে একাধিক উচ্চ ফলনশীল ফসল উৎপাদনের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।

error: Content is protected !!