শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

নতুন জাতির স্বপ্ন দেখছেন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪, ৪:২১ পিএম | 126 বার পড়া হয়েছে
নতুন জাতির স্বপ্ন দেখছেন

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই-আগস্টে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর তার জীবনের গতিপথ পরিবর্তন হওয়ার আভাস দিয়েছেন।

সোমবার অধ্যাপক ইউনূসের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে মার্কিন পাবলিক ব্রডকাস্টিং সংস্থা এনপিআর।

স্বৈরাচারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগস্টের শুরুতে ভারতে পালিয়ে যান যখন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী তার নেতৃত্ব ও নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর পক্ষে চাকরির কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করে দলে দলে তার বাসভবনে ঢুকে পড়ে।

ইউনূস গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে যোগদান করার প্রেক্ষিতে প্যারিসে আবস্থানকালে প্রায় ৫,০০০ মাইল দূর থেকে এসব ঘটনা দেখছিলেন। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি তখন অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশে সম্ভাব্য কারাবাসের ঝুঁকির মধ্যে ছিলেন।
কিন্তু গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার কয়েক ঘণ্টা পর ইউনূসের কাছে একটি ফোন কল আসে। তাকে অন্তর্র্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়।

তিনি গত ২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সিটিতে এনপিআর-এর মর্নিং এডিশনে বলেছিলেন, এটি ছিল ‘ঘটনার খুব অদ্ভুত পরিবর্তন’।

২০০৬ সালের নোবেল বিজয়ী ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করার উপায় হিসাবে স্বল্প আয়ের লোকদের জন্য ছোট ঋণের ব্যবস্থা চালুর পথিকৃৎ হিসাবে পরিচিত। তিনি যখন বাংলাদেশে আইনি ঝামেলায় জর্জরিত, তখন বারাক ওবামা থেকে শুরু করে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি-মুন পর্যন্ত বিশ্ব নেতারা সংহতি প্রকাশ করেন।

ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তৃতা করার পরে এনপিআর-এর মিশেল মার্টিনের সাথে আলাপচারিতায় বসেছিলেন। সাক্ষাৎকারটি স্পষ্টতার জন্য কিছুটা সম্পাদনা করা হয়েছে।

মিশেল মার্টিন: গত গ্রীষ্মে যখন আমরা কথা বলেছিলাম আপনি দুর্নীতির অভিযোগে বিচারাধীন ছিলেন এবং এখন আপনি বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এসব কিছুই ঘটনার পালাবদল। নিজেকে এই অবস্থানে পেয়ে অবাক হচ্ছেন কি?

মুহাম্মদ ইউনূস: ঘটনার খুবই অদ্ভুত পালাবদল। আমি প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে শপথ নেওয়ার আগে আমি প্যারিসে ছিলাম, আমি দেখার চেষ্টা করছিলাম যে আমি ফিরে যাব কি-না, আমাকে গ্রেপ্তার করা হবে, কারণ তিনি আমার ওপর রাগান্বিত হবেন এবং আমাকে জেলে পাঠাবেন। তাই ভাবছিলাম ফিরতে দেরি করব। আর হঠাৎ বাংলাদেশ থেকে একটা ফোন পেলাম যে তিনি (শেখ হাসিনা) এখন চলে গেছেন। আমরা চাই, আপনি সরকার প্রধান হন। এটি একটি বড় চমক ছিল।

মার্টিন: আপনি যখন ফোনটি পেয়েছিলেন তখন আপনার মনে কী হয়েছিল?

ইউনূস: দেশ পরিচালনায় আমার আদৌ যুক্ত হওয়া উচিত কি-না। এটা খুবই কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতি। কিন্তু যখন ছাত্ররা আমাকে ডেকে ব্যাখ্যা করল যে পরিস্থিতি কী, অবশেষে আমি বললাম, ‘হ্যাঁ, তোমরা এর জন্য জীবন দিয়েছ। তোমরা যদি জীবন দিতে পার, তবে আমি আমার সকল অন্যান্য বিবেচনা বাদ দিতে পারি। আমি তোমাদের সেবা করতে পারি। আমি এটা করব।’

মার্টিন: আপনি যখন বলেন যে আপনি জীবন দিয়েছেন আপনি অতিরঞ্জিত করেননি এবং এটি কোন রূপক নয়।

ইউনূস: না, এটা কোনো রূপক নয়। মানুষ মারা যায়। প্রায় এক হাজার যুবক মারা গেল, বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে বুলেটে বুক পেতে দিলো। আক্ষরিক অর্থে, যুবকরা এসে আত্মাহুতি দিয়েছে। তারা যখন বিক্ষোভে যোগ দিতে তাদের বাড়ি থেকে বের হচ্ছিল, তারা তাদের বাবা-মাকে বিদায় জানাচ্ছিল। তারা তাদের ভাইবোনদের বিদায় বলছে; ‘আমি হয়তো ফিরে আসব না।’ এটাই সেই চেতনা যার মধ্যে পুরো ব্যাপারটা ঘটেছে। অবশেষে, এটি এতটাই অবিশ্বাস্য ছিল। প্রধানমন্ত্রী দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন কারণ পুরো জনতা তার বাড়ির দিকে আসছিল।

মার্টিন: একদিকে এসব বিক্ষোভ আন্দোলনে খুবই অজনপ্রিয় কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত নেতার প্রস্থানের পথ প্রশস্ত করেছিল। সেইসব বিশৃঙ্খলতার প্রথম দিনগুলোতে আহমদিয়া ও হিন্দুদের ওপর হামলা হয়েছিল। এসব ঘটনার কিছু অংশ ছিল শেখ হাসিনার দলের প্রতি তাদের আনুগত্যের কারণে। এর কিছু ঘটনা কেবলমাত্র সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে আক্রমণ বলে মনে হয়েছে। সেসব ঘটনাও কমে গেছে। কিন্তু তারপর থেকে আরও হামলা হয়েছে, এইবার সুফি মাজারে। আমাদের প্রতিবেদন অনুসারে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে ২০টিরও বেশি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, উত্তেজিত জনতার হাতে হত্যা হয়েছে। কেন এমন হচ্ছে?

ইউনূস: জনগণ বিপ্লবের মেজাজে আছে। সুতরাং এটি একটি বিপ্লবী পরিস্থিতি। তাদের অনেককে হত্যা করা হয়েছে। তাই তারা এমন লোকদের খুঁজছে যারা তাদের সহকর্মীদের মৃত্যু ঘটিয়েছে। তাই জনগণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দলের অনুসারীদের ওপর হামলা চালাচ্ছিল। আপনি যখন বলেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা হচ্ছে, সেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায় শেখ হসিনার সঙ্গে যুক্ত ছিল। সুতরাং আপনি পার্থক্য করতে পারবেন না যে, তারা শেখ হাসিনার অনুসারী হওয়ার কারণে তাদের উপর হামলা হয়েছে নাকি তারা হিন্দু বলে তাদের ওপর হামলা হয়েছে। কিন্তু তাদের ওপর হামলা হয়েছে, এটা নিশ্চিত। কিন্তু তারপর আমরা সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করি। আমি সবাইকে বলতে থাকি যে, আমাদের মতভেদ থাকতে পারে। এর মানে এই নয় যে, আমাদের একে অপরকে আক্রমণ করতে হবে।

মার্টিন: আপনি কি মনে করেন যে আপনি জনগণকে প্রতিশোধের পরিবর্তে সংস্কারের দিকে মনোনিবেশ করার পথে ফিরিয়ে আনতে পারেন?

ইউনূস: প্রতিশোধের সময় মাত্র কয়েক সপ্তাহ ছিল। কিন্তু তারপর স্বাভাবিকতা ফিরে আসতে শুরু করে। তাই আমরা দেশ চালাচ্ছি। কিন্তু বিক্ষোভ আছে, প্রতিশোধমূলক বিক্ষোভ নয়। বেশিরভাগ বিক্ষোভ তাদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে, তাদের চাকরির দাবিতে, যাদেরকে সরকার আগে বরখাস্ত করেছিল।

তাই তারা বলেছিল, অতীতের সরকার আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে এবং আমরা বিনা কারণে আমাদের চাকরি হারিয়েছি। কারণ আমরা অন্য রাজনৈতিক দলের সদস্য। তাই বঞ্চিতরা সবাই তাদের দাবি মেটানোর চেষ্টা করছে। আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করছিলাম। দেখুন এগুলো আপনাদের ১৫ বছরের ক্ষোভ। আমরা ১৫ দিনের মধ্যে এটি সমাধান করতে পারি না। আমাদের কিছু সময় দিন যাতে আমরা ফিরে যেতে পারি। আপনারা একটি খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন এবং আমাদের এটি এমনভাবে সমাধান করতে হবে যাতে এটি পদ্ধতিগতভাবে সম্পন্ন হয়।

মার্টিন: সময়ের কথা বলছি, সেনাবাহিনী আপনার পেছনে রয়েছে। সামরিক নেতারা বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ১৮ মাস শাসন করতে হবে। বিরোধী দলগুলো তা চায় না। তারা নভেম্বরে নির্বাচন চেয়েছিল। আপনার যা করতে হবে তা করার জন্য কি ১৮ মাস যথেষ্ট সময় আছে?

ইউনূস: জনগণ এই সংখ্যাগুলো বিবেচনা করছে না। কত মাস, কত বছর তাদের প্রয়োজন মনে হয়। কেউ কেউ বলে যে এটি দ্রুত করা উচিত, কারণ আপনি যদি দীর্ঘায়িত করেন আপনি অজনপ্রিয় হবেন এবং সবকিছু এলোমেলো হয়ে যাবে। কেউ কেউ বলেন যে না, আপনাকে সংস্কার শেষ করতে হবে। সুতরাং আপনি দীর্ঘ সময় ধরে থাকুন। কারণ আমরা সবকিছু ঠিক না করে বাংলাদেশ ২.০-এ যেতে চাই না। তাই এই নিয়ে বিতর্ক চলছে।

মার্টিন: আপনি জানেন, আপনি প্রায় সুশীল সমাজের মতো করে সম্পূর্ণ পুনর্গঠনের কথা বলছেন।

ইউনূস: সংস্করণ ২-এর অর্থ ঠিক এটাই। আমরা পুরনো স্টাইলে ফিরে যেতে চাই না। তাহলে এত জীবন দেওয়ার মানে কী? এর কোনো মানে নেই কারণ আমরা যা করেছি, সবকিছু ধ্বংস করেছি। তাই একটি নতুন দেশ নির্মাণ আমাদের শুরু করতে হবে।

মার্টিন: আপনি জানেন, এটি চ্যালেঞ্জিং, কিন্তু এটি উত্তেজনাপূণর্, তাই না?

ইউনূস: এটা খুবই উত্তেজনাপূর্ণ। আপনি নেতিবাচক দিক দেখছেন। আমি এটাকে খুবই ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখি। আমি বলেছিলাম এই জাতি সবচেয়ে বড় সুযোগ পেয়েছে। এসব মানুষ, দেশ একটি বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ: আমাদের পরিবর্তন দরকার।

মার্টিন: আপনি ৮৪ বছর বয়সী। আমি জানি না যে, আপনি কখনো নিজেকে সরকার প্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ভেবেছেন কি-না। আপনি কি মনে করেন যে, আপনি বাংলাদেশকে সেই দেশে পরিণত হতে দেখবেন যা আপনি আশা করেন, আপনার জীবদ্দশায়?

ইউনূস: সব কিছু নয়। তবে আমি খুব খুশি হব এটি হওয়ার পথে। প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিক আছে। নীতি সঠিক। তরুণেরা বিশ্বকে পরিবর্তন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে তারা দেশের মধ্যে এবং বিশ্বব্যাপী ভূমিকা পালন করে। জলবায়ু পরিবর্তনের কথা বললে, আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের ভুক্তভোগী। তবে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমি সবসময় তরুণদের গুরুত্ব দেই কারণ তারাই ভবিষ্যৎ গড়বে এবং যেভাবেই হোক তাদের নেতৃত্বের অবস্থানে থাকা উচিত। কারণ তাদের উত্তরাধিকারসূত্রে এই গ্রহে থাকতে হবে। আপনি উল্লেখ করেছেন যে, আমি ৮৪ বছর বয়সী। আমার সামনে দীর্ঘ সময় নেই, তাদের সামনে পুরো জীবন রয়েছে।

সূত্র: বাসস

ডাঃ মোঃ আবুল কালাম

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে “আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল–২০২৬” অনুষ্ঠিত

ডাঃ মোঃ আবুল কালাম প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৬ পিএম
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে “আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল–২০২৬” অনুষ্ঠিত

অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে এম এন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ, মুক্তাগাছা। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। পরে নাতে রাসুল (সা.) পরিবেশন করেন তোফাজ্জল হোসেন, যা উপস্থিত সকলকে আবেগাপ্লুত করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ শামীম, অধ্যক্ষ ও পরিচালক, এম এন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
জনাব আব্দুল করিম
ড. আবু উমর উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী
উপাধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল আলম
অধ্যাপক শামসুল হক
অধ্যাপক আবু বকর সিদ্দিকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পবিত্র রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তব্যে অধ্যাপক শামসুল হক বলেন, রমজান মানুষকে নৈতিকতা ও আত্মসংযমের শিক্ষা দেয়। তিনি সমাজে ন্যায়, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, তিনি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মুক্তাগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রত্যাশী।
প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ তার বক্তব্যে বলেন, রমজান মাস মানুষের আত্মশুদ্ধির মাস। এই মাসে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি করার পাশাপাশি সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয় এবং উপস্থিত সকলের মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়।

দিঘলিয়ায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি-খুলনা প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম
দিঘলিয়ায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

খুলনা দিঘলিয়া উপজেলায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতি সভা উপজেলা পরিষদের সন্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ হারুন অর রশিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ প্রবীর কুমার বিশ্বাস, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ মোঃ মাহবুবুল আলম, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার স্নিগ্ধা খাঁ বাবলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার টি এম শাহ আলম, উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা প্রকাশ কুমার আইচ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ মোনায়েম খান, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোঃ সোহাগ হোসেন, উপজেলা সমবায় অফিসার খন্দকার জহিরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাচন অফিসার হুমায়রা পারভীন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মিসেস নিসা, উপজেলা তথ্য অফিসার সাঈদা খাতুন, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি অফিসার মমতাজ খানম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, দিঘলিয়া ফায়ার সার্ভিসের মোঃ আজিম, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ জামাল হুসাইন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কপিল দেব বসাক, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নবনীতা দত্ত, উপজেলা সদর মসজিদের ইমাম মোঃ আব্দুল্লাহ, ১নং গাজীরহাট ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, ৩ নং দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুরাইয়া পারভীন, ৪ নং সেনহাটি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তানভীন আক্তার ডলি, ৬ নং যোগীপোল ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আসমা খাতুন প্রমুখ। মহান স্বাধীনতা দিবস ঈদের ছুটির মধ্যে উৎযাপিত হবে। তাই যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনে সবাইকে আন্তরিকতা সহকারে উপস্থিত থেকে সকল কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।
মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভার শেষে পবিত্র ঈদ উল ফেতর উৎযাপনের আগে পরে যাতে মানুষের কোনো সমস্যা না হয় এবং ঈদ উপলক্ষে ঘর ফেরা মানুষের ভোগান্তি না হয় তা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং আইন শৃঙ্খলার কোনোরূপ অবনতি না ঘটে সে ব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সজাগ দৃষ্টি রাখার আহবান জানানো হয়।

মোঃ আল আমিন ইসলাম নীলফামারী

পবিত্র ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ময়নুল ইসলাম

মোঃ আল আমিন ইসলাম নীলফামারী প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৩ পিএম
পবিত্র ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ময়নুল ইসলাম

জলঢাকা উপজেলা বাসিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জনাব ময়নুল ইসলাম সাবেক সাধারণ সম্পাদক জলঢাকা উপজেলা বিএনপি ও বর্তমান সদস্য নীলফামারী জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটি,ও সমাজসেবক, শিক্ষক ও চৌকস রাজনীতিবিদ। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুসলমানদের জীবনে একটি আনন্দ মুহূর্ত দিন ঈদুল ফিতরের দিন। এ দিন কে কেন্দ্র করে বিশ্ব মুসলিমদের মাঝে আনন্দ বিরাজ করতেছে। ময়নুল ইসলাম জলঢাকা উপজেলার সর্বস্তরের মুসলিম ভাই ও বোনদের প্রতি অন্তরের অন্তস্থল থেকে মোবারকবাদ ও ভালোবাসা পবিত্র মাহে রমজান শেষ ঈদুল ফিতরের উপলক্ষে সবার জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ ও শান্তি ও সমৃদ্ধি। এবং তিনি বলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র পক্ষ থেকে আমরা সব সময় জনগণের পাশে ছিলাম, এখনো আছি, ভবিষ্যতে থাকবো আমরা সব সময় চেষ্টা করি পরিচ্ছন্ন রাজনীতি করার জন্য কারণ এটি আমাদের দলের নীতি এবং আদর্শ। তবে মজলুম এই নেতা দীর্ঘ কারাবাস, একাধিক মামলার আসামি, অনেকবার গ্রেফতার, সহ আওয়ামী লীগ সরকার থাকাকালীন অনেক নির্যাতনের শিকার হন। তবুও যেনো মনে নেই চুল পরিমাণ আফসোস শুধু আছে জনগণের জন্য ভালোবাসা। তাইতো জলঢাকা উপজেলা সহ পুরো বাংলাদেশ মুসলিম ভাই ও বোনদের প্রতি ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক।

error: Content is protected !!