বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

ইসলামে রুকাইয়া

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৩:১১ এএম | 137 বার পড়া হয়েছে
ইসলামে রুকাইয়া

ইসলামে ঝাড়ফুঁক-কে রুকইয়াহ বলে। রুকইয়াহ অর্থ হলো ঝাড়ফুঁক, মন্ত্র ইত্যাদি। আর রুকইয়াহ শারইয়্যাহ মানে শরিয়াত সম্মত ঝাড়ফুঁক, কোরআনের আয়াত অথবা হাদিসে বর্ণিত দোয়া দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা। তবে ‘রুকইয়া’ শব্দটি সচরাচর ঝাড়ফুঁক করা বুঝাতে ব্যবহার হয়।

এই ঝাড়ফুঁক সরাসরি কারো ওপর হতে পারে, অথবা কোনো পানি বা খাদ্যের ওপর করে সেটা খাওয়া অথবা ব্যাবহার করা হতে পারে। এক্ষেত্রে রুকইয়ার পানি, অথবা রুকইয়ার গোসল ইত্যাদি পরিভাষা ব্যবহার হয়।

রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “রুকইয়াতে যদি শিরক না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৫৪৪)।

উলামায়ে কিরামের মতে রুকইয়া করার পূর্বে এই আক্বিদা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়া উচিত ‘রুকইয়া বা ঝাড়ফুঁকের নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই, সব ক্ষমতা আল্লাহ তা’আলার, আল্লাহ চাইলে শিফা হবে, নইলে নয়।’

ফিক্বহী বিধানঃ ফক্বিহদের মতে রুকইয়াহ বৈধ হওয়ার জন্য ৪ শর্ত পূরণ হওয়া আবশ্যক, যথা-

১. এতে কোন শিরক বা কুফরির সংমিশ্রণ না থাকা।
২. ঝাড়ফুঁকের নিজের কোন সক্ষমতা আছে; এমন কোন বিশ্বাস না রাখা। বরং বিশ্বাস করা, আল্লাহর ইচ্ছাতেই এর প্রভাব হয়, আল্লাহর হুকুমেই এর দ্বারা আরোগ্য হয়।
৩. এখানে পাঠ করা জিনিসগুলো স্পষ্ট আরবি ভাষায় হওয়া।
৪. যদি অন্য ভাষায় হয়, তবে এমন হওয়া; যার অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে।

রুকইয়া প্রকারভেদঃ বিভিন্ন ভাবে রুকইয়া করা হয়, যেমনঃ দোয়া বা আয়াত পড়ে ফুঁ দেয়া হয়, মাথায় বা আক্রান্ত স্থানে হাত রেখে দোয়া/আয়াত পড়া হয়। এছাড়া পানি, তেল, খাদ্য বা অন্য কিছুতে দোয়া অথবা আয়াত পড়ে ফুঁ দিয়ে খাওয়া এবং ব্যাবহার করা হয়।

পূর্বশর্তঃ রুকইয়া করে উপকার পেতে তিনটি জিনিসের প্রয়োজন।

১. নিয়্যাত (কেন রুকইয়া করছেন, সেজন্য নির্দিষ্টভাবে নিয়াত করা)
২. ইয়াক্বিন (এব্যাপারে ইয়াকিন রাখা যে, আল্লাহর কালামে শিফা আছে)
৩. মেহনত (অনেক কষ্ট হলেও, সুস্থ হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরে রুকইয়া চালিয়ে যাওয়া)।

লক্ষণীয়ঃ রুকইয়ার ফায়দা ঠিকমতো পাওয়ার জন্য দৈনন্দিনের ফরজ অবশ্যই পালন করতে হবে, পাশাপাশি সুন্নাতের প্রতিও যত্নবান হতে হবে। যথাসম্ভব গুনাহ থেকে বাঁচতে হবে। (মেয়েদের জন্য পর্দার বিধানও ফরজ) ঘরে কোনো প্রাণীর ছবি / ভাস্কর্য রাখা যাবেনা। আর সুরক্ষার জন্য সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো অবশ্যই করতে হবে। আর ইতিমধ্যে শারীরিক ক্ষতি হয়ে গেলে, সেই ঘাটতি পোষানোর জন্য রুকইয়ার পাশাপাশি ডাক্তারের চিকিৎসাও চালিয়ে যেতে হবে।

বাচ্চাদের জন্য রুকইয়া ও নিরাপত্তা

১. ফজর ও মাগরিবের পর আয়াতুল কুরসি ১বার, ইখলাস, ফালাক ও নাস ৩বার করে পড়ে ফুঁ দিবেন।

২. বাচ্চাদের রুমে কোন প্রকাশমাণ প্রাণীর ছবি ও পুতুল রাখবেন না (পুরো বাসাতেই রাখা ঠিক না)।

৩. রাতে ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসি, ইখলাস, ফালাক ও নাস ১বার করে পড়ে হাতে ফুঁ দিয়ে শরীর মুছে দিবেন -৩বার।

৪. মাগরিবের ২০মিনিট পুর্বে দরজা ও জানালা ‘বিসমিল্লাহ’ বলে বন্ধ করে দিবেন এবং মাগরিবের ১৫-২০মিনিট পর খুলে দিতে পারবেন যদি প্রয়োজন হয়। খোলার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলে খুলবেন।

৫. মানুষ ও জ্বীনের বদনজর থেকে হিফাযত ও শিফার নিয়তে: দুরুদে ইব্রাহিম (১বার), সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, ইখলাস, ফালাক ও নাস (প্রতিটি ৭বার করে পড়বেন), দুরুদে ইব্রাহিম (১বার) পড়ে ডান কানে হালকা করে ফুঁ দিয়ে দিবেন এবং সমস্ত শরীরে ফুঁ দিয়ে দিবেন।

৬. আসরের পর থেকে নিয়ে মাগরিবের ২০-৩০ মিনিট পর্যন্ত বাচ্চাদের নিয়ে বের হবেন না।

৭. পানি (উপরে উল্লেখিত সুরা ও আয়াত পড়ে পানি তৈরি করবেন) অল্প করে পান করাবেন এবং অল্প পানি দিয়ে মাথা, আইভ্রু, হাত ও‌ পায়ের তালুতে মাসেহ করে দিবেন (দিনে কমপক্ষে ৩বার)।

৮. এই দু’আটি সকাল-সন্ধ্যা ১/৩/৫/৭ বা এর বেশি বেজোড় সংখ্যকবার পড়ে ফুঁ দিবেন:

“আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন কুল্লি শায়ত্বানিন ওয়া হাম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি আইনিন লিআম্মাতিন।”

অর্থ: “আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামসমূহের মাধ্যমে শয়তানের সব আক্রমণ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। বিষধর প্রাণীর ও বদনজরকারীর অনিষ্টতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।”
(বুখারি)

রুকইয়ার আয়াত:

কোরআন মাজিদের বিভিন্ন আয়াত দ্বারা রুকইয়া করা হয়, তন্মধ্যে প্রসিদ্ধ কিছু আয়াত হচ্ছে-

সুরা ফাতিহা
সুরা বাকারা ১-৫
সুরা বাকারাহ ১৬৩-১৬৪
সুরা বাকারাহ ২৫৫
সুরা বাকারাহ ২৮৫-২৮৬
সুরা আলে ইমরান ১৮-১৯
সুরা আ’রাফ ৫৪-৫৬
সুরা আ’রাফ ১১৭-১২২
সুরা ইউনুস ৮১-৮২
সুরা ত্বহা ৬৯
সুরা মু’মিনুন ১১৫-১১৮
সুরা সফফাত ১-১০
সুরা আহকাফ ২৯-৩২
সুরা আর-রাহমান ৩৩-৩৬
সুরা হাশর ২১-২৪
সুরা জিন ১-৯
সুরা ইখলাস
সুরা ফালাক
সুরা নাস

নিজের জন্য বা পরিবারের জন্য যে কেউ রুকইয়াহ করতে পারে! এজন্য বিরাট বুজুর্গ হওয়া শর্ত না। আল্লাহর ওপর ভরসা রাখে এমন যেকোনো ব্যক্তি, যদি দেখে-দেখে কিংবা মুখস্থ দোয়া অথবা কোরআনের আয়াত পড়তে পারে, তাহলে সেই সেলফ রুকইয়াহ করতে পারবে।

তবে হ্যাঁ, আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদে অথবা জনগণের জন্য ব্যাপকভাবে রুকইয়াহ করতে চান, তাহলে অবশ্যই এ বিষয়ে আপনাকে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখতে হবে। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কেউ যদি চিকিৎসার জ্ঞান না রেখেই চিকিৎসা করে, তবে (কিছু ঘটলে) সেই দায়ী হবে।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নম্বর ৪৫৮৬)।

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে শিরক মুক্ত রুকইয়াহ গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

ক্রিকেটারের প্রেমে মজলেন মালাইকা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
ক্রিকেটারের প্রেমে মজলেন মালাইকা

বলিউডের ‘আইটেম গার্ল’ মালাইকা অরোরা মানেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দু। কখনো আরবাজ খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ, কখনো অর্জুন কাপুরের সঙ্গে অসম প্রেম, আবার কখনো কোনো হিরের ব্যবসায়ীর সঙ্গে নাম জড়ানো মালাইকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই ভক্তদের।
তবে এবার কোনো গুঞ্জন বা লুকোছাপা নয়, বরং নিজেই নিজের মনের মানুষের কথা জনসমক্ষে আনলেন এই অভিনেত্রী। মালাইকার জীবনের নতুন এই বিশেষ মানুষটি আর কেউ নন, তিনি সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নভজ্যোত সিং সিধু।
সম্প্রতি ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’-তে অতিথি হিসেবে হাজির হয়ে মালাইকা তাদের এই বিশেষ সম্পর্কের কথা জানান। গ্ল্যামার দুনিয়ার কৃত্রিমতার বাইরে তাদের এই বন্ধুত্ব এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার তুঙ্গে।
অনুষ্ঠানে আবেগপ্রবণ হয়ে মালাইকা বলেন, ‘অনেকে বলেন একটা বয়সের পর নতুন বন্ধু পাওয়া কঠিন, কারণ মানুষের হাতে সময় নেই। কিন্তু সিধুর মধ্যে আমি একজন সত্যিকারের বন্ধু খুঁজে পেয়েছি। তার প্রতি আমার ভালোবাসা এতটাই অকৃত্রিম যে আমি জানি, তিনি কখনোই আমার মনে কষ্ট দেবেন না।’
কথার মাঝেই মালাইকা এক মজার তথ্য ফাঁস করেন। তিনি জানান, সিধু নিয়ম করে প্রতি ১৫-২০ দিন অন্তর অমৃতসর থেকে মালাইকার জন্য খাঁটি সাদা মাখন, মুখরোচক স্ন্যাকস এবং গুড় পাঠিয়ে দেন। এই শুনেই শো-র সঞ্চালক কপিল শর্মা রসিকতা করে বলেন, ‘ম্যাম, অমৃতসরের কুলচার ওপর সাদা মাখন দেখলেই এখন আপনার কথা মনে পড়ে যায়।’

‘প্রিন্স’ -এর টিজার মুক্তি

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
‘প্রিন্স’ -এর টিজার মুক্তি

আসন্ন ঈদুল ফিতরে বড় পর্দা কাঁপাতে আসছেন ঢালিউড কিং শাকিব খান। উৎসবের আমেজকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে তার তুরুপের তাস এবার ‘প্রিন্স’। সিনেমাটির ঘোষণা আসার পর থেকেই ভক্তদের মনে ছিল টানটান উত্তেজনা।
সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঠিক দুপুর ১২টায় প্রকাশ পাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত এই ছবির প্রথম ঝলক বা টিজার।
সিনেমাটির ‘ফার্স্টলুক’ পোস্টার প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শাকিব খানের নতুন রূপ আর রহস্যময় আবহ দর্শকদের কৌতূহল উসকে দিয়েছে কয়েক গুণ।
পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ জানিয়েছেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় ‘ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড’-এর অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে টিজারটি উন্মুক্ত করা হবে। সিনেমাটির পটভূমি সাজানো হয়েছে নব্বই দশকের ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড ও আভিজাত্যের এক অনন্য সংমিশ্রণে।
কারিগরি দিক থেকেও চমক দিচ্ছে ‘প্রিন্স’। ভারতের ব্লকবাস্টার হিট ছবি ‘অ্যানিম্যাল’ খ্যাত প্রখ্যাত সিনেমাটোগ্রাফার অমিত রায় সামলাচ্ছেন এর ক্যামেরার দায়িত্ব। ছবিটি প্রযোজনা করছে ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মস।
‘প্রিন্স’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে থাকছেন দুই লাস্যময়ী অভিনেত্রী। দেশের জনপ্রিয় মুখ তাসনিয়া ফারিণের পাশাপাশি দেখা যাবে কলকাতার জ্যোতির্ময়ীকে। সব মিলিয়ে আসন্ন ঈদে ‘প্রিন্স’ যে প্রেক্ষাগৃহে ঝড় তুলতে প্রস্তুত, টিজার প্রকাশের তারিখ ঘোষণাতেই তার স্পষ্ট আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

আমি কাজ করতে চাই না : ঋতুপর্ণা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
আমি কাজ করতে চাই না : ঋতুপর্ণা

বর্তমান সময়ে শোবিজ জগতের তারকাদের রাজনৈতিক ময়দানে নাম লেখানো কোনো নতুন ঘটনা নয়। ওপার বাংলার দেব থেকে শুরু করে কোয়েল একাধিক জনপ্রিয় মুখ এখন সক্রিয় রাজনীতির মাঠে। তবে ইন্ডাস্ট্রির হাই প্রোফাইল তারকা হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে সবসময় এই আঙিনা থেকে দূরে রেখেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
টলিউডের প্রথম সারির অনেক শিল্পী যখন সিনেমা এবং রাজনীতির মাঠ একসঙ্গে সামলাচ্ছেন, তখন ঋতুপর্ণা কেন ব্যতিক্রম? সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ খোলসা করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।
রাজনীতিতে যোগ না দেওয়ার কারণ হিসেবে ঋতুপর্ণা স্পষ্ট জানান, তিনি রাজনীতির মারপ্যাঁচ একেবারেই বোঝেন না।
তার ভাষ্যমতে, ‘আমি রাজনৈতিক ব্যাপারটা কিছুই বুঝি না। এমনকি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের বা ইন্ডাস্ট্রির পলিটিক্সও আমি বুঝি না। যার ফলে আমাকে বারবার হোঁচট খেতে হয়। যে বিষয়টি নিয়ে আমার সঠিক ধারণা নেই, সেখানে আমি কাজ করতে চাই না।’
রাজনীতির চেয়ে নিজের অভিনয় জীবনকে সমৃদ্ধ করতেই বেশি আগ্রহী এই তারকা। ঋতুপর্ণা আরও বলেন, ‘আমি একজন শিল্পী। আমি সবসময় আমার শৈল্পিক সত্তাকে প্রাধান্য দিতে চাই এবং আমার শিল্পী জীবনকে আরও উন্নত করতে চাই। শিল্পী হিসেবে যদি মানুষের জন্য কিছু করতে পারি, সেটাই হবে আমার আসল সার্থকতা।’

error: Content is protected !!