রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২
রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

ইসলামে রুকাইয়া

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৩:১১ এএম | 132 বার পড়া হয়েছে
ইসলামে রুকাইয়া

ইসলামে ঝাড়ফুঁক-কে রুকইয়াহ বলে। রুকইয়াহ অর্থ হলো ঝাড়ফুঁক, মন্ত্র ইত্যাদি। আর রুকইয়াহ শারইয়্যাহ মানে শরিয়াত সম্মত ঝাড়ফুঁক, কোরআনের আয়াত অথবা হাদিসে বর্ণিত দোয়া দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা। তবে ‘রুকইয়া’ শব্দটি সচরাচর ঝাড়ফুঁক করা বুঝাতে ব্যবহার হয়।

এই ঝাড়ফুঁক সরাসরি কারো ওপর হতে পারে, অথবা কোনো পানি বা খাদ্যের ওপর করে সেটা খাওয়া অথবা ব্যাবহার করা হতে পারে। এক্ষেত্রে রুকইয়ার পানি, অথবা রুকইয়ার গোসল ইত্যাদি পরিভাষা ব্যবহার হয়।

রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “রুকইয়াতে যদি শিরক না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৫৪৪)।

উলামায়ে কিরামের মতে রুকইয়া করার পূর্বে এই আক্বিদা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়া উচিত ‘রুকইয়া বা ঝাড়ফুঁকের নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই, সব ক্ষমতা আল্লাহ তা’আলার, আল্লাহ চাইলে শিফা হবে, নইলে নয়।’

ফিক্বহী বিধানঃ ফক্বিহদের মতে রুকইয়াহ বৈধ হওয়ার জন্য ৪ শর্ত পূরণ হওয়া আবশ্যক, যথা-

১. এতে কোন শিরক বা কুফরির সংমিশ্রণ না থাকা।
২. ঝাড়ফুঁকের নিজের কোন সক্ষমতা আছে; এমন কোন বিশ্বাস না রাখা। বরং বিশ্বাস করা, আল্লাহর ইচ্ছাতেই এর প্রভাব হয়, আল্লাহর হুকুমেই এর দ্বারা আরোগ্য হয়।
৩. এখানে পাঠ করা জিনিসগুলো স্পষ্ট আরবি ভাষায় হওয়া।
৪. যদি অন্য ভাষায় হয়, তবে এমন হওয়া; যার অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে।

রুকইয়া প্রকারভেদঃ বিভিন্ন ভাবে রুকইয়া করা হয়, যেমনঃ দোয়া বা আয়াত পড়ে ফুঁ দেয়া হয়, মাথায় বা আক্রান্ত স্থানে হাত রেখে দোয়া/আয়াত পড়া হয়। এছাড়া পানি, তেল, খাদ্য বা অন্য কিছুতে দোয়া অথবা আয়াত পড়ে ফুঁ দিয়ে খাওয়া এবং ব্যাবহার করা হয়।

পূর্বশর্তঃ রুকইয়া করে উপকার পেতে তিনটি জিনিসের প্রয়োজন।

১. নিয়্যাত (কেন রুকইয়া করছেন, সেজন্য নির্দিষ্টভাবে নিয়াত করা)
২. ইয়াক্বিন (এব্যাপারে ইয়াকিন রাখা যে, আল্লাহর কালামে শিফা আছে)
৩. মেহনত (অনেক কষ্ট হলেও, সুস্থ হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরে রুকইয়া চালিয়ে যাওয়া)।

লক্ষণীয়ঃ রুকইয়ার ফায়দা ঠিকমতো পাওয়ার জন্য দৈনন্দিনের ফরজ অবশ্যই পালন করতে হবে, পাশাপাশি সুন্নাতের প্রতিও যত্নবান হতে হবে। যথাসম্ভব গুনাহ থেকে বাঁচতে হবে। (মেয়েদের জন্য পর্দার বিধানও ফরজ) ঘরে কোনো প্রাণীর ছবি / ভাস্কর্য রাখা যাবেনা। আর সুরক্ষার জন্য সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো অবশ্যই করতে হবে। আর ইতিমধ্যে শারীরিক ক্ষতি হয়ে গেলে, সেই ঘাটতি পোষানোর জন্য রুকইয়ার পাশাপাশি ডাক্তারের চিকিৎসাও চালিয়ে যেতে হবে।

বাচ্চাদের জন্য রুকইয়া ও নিরাপত্তা

১. ফজর ও মাগরিবের পর আয়াতুল কুরসি ১বার, ইখলাস, ফালাক ও নাস ৩বার করে পড়ে ফুঁ দিবেন।

২. বাচ্চাদের রুমে কোন প্রকাশমাণ প্রাণীর ছবি ও পুতুল রাখবেন না (পুরো বাসাতেই রাখা ঠিক না)।

৩. রাতে ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসি, ইখলাস, ফালাক ও নাস ১বার করে পড়ে হাতে ফুঁ দিয়ে শরীর মুছে দিবেন -৩বার।

৪. মাগরিবের ২০মিনিট পুর্বে দরজা ও জানালা ‘বিসমিল্লাহ’ বলে বন্ধ করে দিবেন এবং মাগরিবের ১৫-২০মিনিট পর খুলে দিতে পারবেন যদি প্রয়োজন হয়। খোলার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলে খুলবেন।

৫. মানুষ ও জ্বীনের বদনজর থেকে হিফাযত ও শিফার নিয়তে: দুরুদে ইব্রাহিম (১বার), সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, ইখলাস, ফালাক ও নাস (প্রতিটি ৭বার করে পড়বেন), দুরুদে ইব্রাহিম (১বার) পড়ে ডান কানে হালকা করে ফুঁ দিয়ে দিবেন এবং সমস্ত শরীরে ফুঁ দিয়ে দিবেন।

৬. আসরের পর থেকে নিয়ে মাগরিবের ২০-৩০ মিনিট পর্যন্ত বাচ্চাদের নিয়ে বের হবেন না।

৭. পানি (উপরে উল্লেখিত সুরা ও আয়াত পড়ে পানি তৈরি করবেন) অল্প করে পান করাবেন এবং অল্প পানি দিয়ে মাথা, আইভ্রু, হাত ও‌ পায়ের তালুতে মাসেহ করে দিবেন (দিনে কমপক্ষে ৩বার)।

৮. এই দু’আটি সকাল-সন্ধ্যা ১/৩/৫/৭ বা এর বেশি বেজোড় সংখ্যকবার পড়ে ফুঁ দিবেন:

“আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন কুল্লি শায়ত্বানিন ওয়া হাম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি আইনিন লিআম্মাতিন।”

অর্থ: “আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামসমূহের মাধ্যমে শয়তানের সব আক্রমণ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। বিষধর প্রাণীর ও বদনজরকারীর অনিষ্টতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।”
(বুখারি)

রুকইয়ার আয়াত:

কোরআন মাজিদের বিভিন্ন আয়াত দ্বারা রুকইয়া করা হয়, তন্মধ্যে প্রসিদ্ধ কিছু আয়াত হচ্ছে-

সুরা ফাতিহা
সুরা বাকারা ১-৫
সুরা বাকারাহ ১৬৩-১৬৪
সুরা বাকারাহ ২৫৫
সুরা বাকারাহ ২৮৫-২৮৬
সুরা আলে ইমরান ১৮-১৯
সুরা আ’রাফ ৫৪-৫৬
সুরা আ’রাফ ১১৭-১২২
সুরা ইউনুস ৮১-৮২
সুরা ত্বহা ৬৯
সুরা মু’মিনুন ১১৫-১১৮
সুরা সফফাত ১-১০
সুরা আহকাফ ২৯-৩২
সুরা আর-রাহমান ৩৩-৩৬
সুরা হাশর ২১-২৪
সুরা জিন ১-৯
সুরা ইখলাস
সুরা ফালাক
সুরা নাস

নিজের জন্য বা পরিবারের জন্য যে কেউ রুকইয়াহ করতে পারে! এজন্য বিরাট বুজুর্গ হওয়া শর্ত না। আল্লাহর ওপর ভরসা রাখে এমন যেকোনো ব্যক্তি, যদি দেখে-দেখে কিংবা মুখস্থ দোয়া অথবা কোরআনের আয়াত পড়তে পারে, তাহলে সেই সেলফ রুকইয়াহ করতে পারবে।

তবে হ্যাঁ, আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদে অথবা জনগণের জন্য ব্যাপকভাবে রুকইয়াহ করতে চান, তাহলে অবশ্যই এ বিষয়ে আপনাকে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখতে হবে। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কেউ যদি চিকিৎসার জ্ঞান না রেখেই চিকিৎসা করে, তবে (কিছু ঘটলে) সেই দায়ী হবে।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নম্বর ৪৫৮৬)।

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে শিরক মুক্ত রুকইয়াহ গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

‘৫১’র জাগরণ’-এর উদ্যোগে 

মোল্লাহাটে ভোটাধিকার ও গণভোট বিষয়ে যুব-নেতৃত্বাধীন সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক

আজিজুল গাজী, বাগেরহাট প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৫ এএম
মোল্লাহাটে ভোটাধিকার ও গণভোট বিষয়ে যুব-নেতৃত্বাধীন সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক সচেতনতা ও গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরতে যুব-নেতৃত্বাধীন স্থানীয় পর্যায়ের সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সামাজিক ও নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ‘৫১’র জাগরণ’।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মোল্লারহাট উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আয়োজন করা হয় একাধিক উঠান বৈঠক, যেখানে নারীদের ও যুবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে ভোটাধিকার প্রয়োগে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা, নাগরিক দায়িত্ব এবং গণভোটের ধারণা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনা সভার মূল প্রতিপাদ্য ছিল—
“আমরা কেমন বাংলাদেশ চাই” ও “গণ ভোট কেন প্রয়োজন”।
উঠান বৈঠকে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুম্পা আক্তার মিম, ‘৫১’র জগগরণ’-এর নাগরিক ও ভোটার শিক্ষা বিষয়ক স্থানীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষক এবং VBD বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি। তিনি অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন,
“ভোট শুধু একটি অধিকার নয়, এটি নাগরিক শক্তির প্রতিফলন। গণভোট হচ্ছে জনগণের সরাসরি মত প্রকাশের একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, যা সম্পর্কে আমাদের দেশে এখনো ব্যাপক অজ্ঞতা রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, মোল্লারহাটের অনেক মানুষ আগে জানতেন না গণভোট কী, এটি কীভাবে কাজ করে কিংবা কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণ ও আলোচনা শেষে অংশগ্রহণকারীরা গণভোটের ধারণা, উদ্দেশ্য এবং গণতন্ত্রে এর ভূমিকা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করেন।
আলোচনায় নারীরা বলেন, ভোটকেন্দ্রে যেতে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, নিরাপত্তাহীনতা এবং তথ্যের অভাব তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগে বড় বাধা। অন্যদিকে যুবরা জানান, তারা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী হলেও সঠিক দিকনির্দেশনা ও নাগরিক শিক্ষার অভাবে অনেক সময় পিছিয়ে পড়েন।
‘৫১’র জাগরণ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ভোটার তালিকাভুক্তি, ভোট প্রদানের গুরুত্ব, ভোটের গোপনীয়তা, গণভোটের আন্তর্জাতিক উদাহরণ এবং একটি কাঙ্ক্ষিত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা পুরো কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের মতামত সংগ্রহ করেন।
স্থানীয় এক নারী অংশগ্রহণকারী বলেন,
“আগে ভোটকে তেমন গুরুত্ব দিতাম না। আজ বুঝলাম, আমার একটি ভোটই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে।”
আয়োজকরা জানান, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং বিশেষ করে নারী ও যুব সমাজকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা। ভবিষ্যতে মোল্লারহাটসহ বাগেরহাট জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।
উল্লেখ্য, ‘৫১’র জাগরণ’ দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক অধিকার, ভোটার শিক্ষা ও গণতন্ত্র চর্চা বিষয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করে আসছে। এই সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত উঠান বৈঠক স্থানীয় পর্যায়ে গণতান্ত্রিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঘিলাতলী পাড়ার মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি (কামরুন তানিয়া) প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৮ এএম
ঘিলাতলী পাড়ার মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সাবেক বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় রাজাপালং ইউনিয়ন উত্তর শাখার ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ–সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, জননেতা Sarwar Jahan Chowdhury, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব, জনতার চেয়ারম্যান ও জননেতা Sadman Zami Chowdhury.

ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে এক কিশোর নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিনিধি (কামরুন তানিয়া) প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:১৯ এএম
ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে এক কিশোর নিখোঁজ

ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে এক কিশোর নিখোঁজ হয়েছেন।

নিখোঁজ কিশোরের নাম ইমরুল আলম প্রবাল (১৬)। তিনি ঢাকা মতিঝিল বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। তাঁর পিতার নাম এডভোকেট মোহাম্মদ আলম এবং মাতার নাম সেনোয়ারা বেগম।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইমরুল আলম প্রবাল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়। নামাজ শেষে এখনও সে বাসায় ফিরে আসেনি এবং দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

নিখোঁজের সময় তার পরনের পোশাক ও অন্যান্য বিবরণ হালকা সবুজ পাঞ্জাবি ও ল্যাব কালার টাউজার পরনে ছিল।

নিখোঁজ কিশোরের
বর্তমান ঠিকানা: সিদ্ধেশ্বরী, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড, রমনা, ঢাকা।
স্থায়ী ঠিকানা: পিএমখালী ৭ নম্বর ওয়ার্ড, ধাউনখালী, এডভোকেট আলমের বাড়ি, কক্সবাজার সদর।

কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি ইমরুল আলম প্রবালকে কোথাও দেখে থাকেন বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে—

📞 যোগাযোগ নম্বর:
০১৩২১৮৬৯৬০৮
০১৬২৬১৮২৭৩২

পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।