বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

স্টাফ রিপোর্টারঃ

তাড়াশে ভোরের আলো ফুটতেই জমে ওঠে শ্রমিকের হাট

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫, ৪:৪৬ পিএম | 356 বার পড়া হয়েছে
তাড়াশে ভোরের আলো ফুটতেই জমে ওঠে শ্রমিকের হাট

ভোরের আলো ফোটার আগেই জীবিকার জন্য কাজ খুঁজতে আসা মানুষের আনাগোনায় মুখরিত হতে শুরু করে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিভিন্ন বাজারে রাস্তার পাশে শ্রমিকের হাট । প্রতিদিন ভোর থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত উপজেলার খালকুলা, মহিষলুটি, মান্নান নগরসহ এলাকায় এ হাট বসে। এখানে পণ্যের মতো দর-কষাকষি করে কেনাবেচা হয় মানুষের শ্রম।

ভোরের আলো ফুটতেই জমে ওঠে শ্রমিকের এ হাটটি। এ হাটে উপজেলর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসেন নানা বয়সের শ্রমজীবী মানুষ। শ্রমিক খুঁজতে আসা কৃষকরাও হাটে এসে পেয়ে যান তাদের কাজের জন্য শ্রমিক।

সরেজমিনে উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের খালকুলা বাজারে দেখা গেছে, সড়কের পাশে নানা বয়সের শ্রমজীবী মানুষ। তাদের হাতে ব্যাগ। কেউ কেউ আছেন খালি হাতেই। বাজারের বেশিরভাগ জায়গাজুড়ে শ্রমিকরা জটলা পাকিয়ে কাজের অপেক্ষা করছেন। হাটে ওঠা শ্রমিকরা কেউই এখানকার স্থানীয় বাসিন্দাও উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে এসেছেন তারা। কৃষক ও শ্রমিকদের মধ্যে চলে শ্রমের দরকষাকষি। উভয়ে দরদামে সন্তুষ্ট হলে শ্রমিক পেয়ে যাচ্ছেন কাজ, আর কৃষকরা পেয়ে যাচ্ছেন কাজের মানুষ। এভাবেই চলছে শ্রম বেচাকেনা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা এ বাজারেই আসেন শ্রমিক নিতে।

শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নওগাঁ, সোলাপাড়া, মাগুরা বিনোদ, সগুনা, কোহিত, ভাদাস, তাড়াশ, ঘরগ্রাম, দোবিলা, বাঁশবাড়িয়া, বানিয়াবো, মহিষলুটি, মঙ্গলবাড়িয়া, কুটিগাছা, উলিপুর, সাঁকুয়া দিঘী, হামকুড়িয়া, দক্ষিণ শ্যামপুরসহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে এসেছেন তারা।

পছন্দের কাজ না পেলে অনেকে এক হাট থেকে ছুটে যান অন্য হাটে, এক মালিক থেকে অন্য মালিকের কাজে। নিজেদের এলাকায় এ সময় কাজ না থাকায় একটু বাড়তি রোজগারের আশায় তারা এ হাটে এসেছেন। কাজের খোঁজে ভোর না হতেই প্রতিদিন এ হাটে জড়ো হতে শুরু করেন তারা।

সোলাপাড়া থেকে আসা শ্রমিক রতন আলী জানান, আমাদের এলাকায় কাজ কম। যে কাজ আছে তা দিয়ে কোন রকমের মতো করে সংসার চলছে। তাই এ এলাকায় কাজের সন্ধানে এসেছি। রসুন সময়টা কাজ করে কিছু টাকা জমিয়ে আবার বাড়ি ফিরে যাব।

আরেক শ্রমিক সোলেমান হোসেন জানান, রসুন তলার জন্য এ সময় কাজের সন্ধানে এ এলাকায় আসি। কাজ ফুরিয়ে গেলে নিজের এলাকায় ফিরে যাই। দরদামে বনাবনি হয় না তাই মাঝেমধ্যে কাজ পাই না। তবে আমাদের এলাকার তুলনায় এ এলাকায় কাজ বেশি, এজন্যই আমরা আমাদের এলাকার কাজ শেষে অনেকে মিলে এখানে কাজ করতে আসি।

কাছিকাটা বাজার থেকে শ্রমিক নিতে আসা কৃষক আলমগীর হোসেন জানান, আমাদের এলাকার স্থানীয় শ্রমিক এখন আর তেমন পাওয়া যায় না। দূরদূরান্ত থেকে আসা শ্রমিকদের ওপরেই আমাদের ভরসা। তাই রসুন ঘরে তোলার কাজের জন্য এ হাটে এসেছি শ্রমিক নেওয়ার জন্য। কিছু শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেছি, দরদামে মিলে গেলে তাদের নিয়ে জমিতে যাব।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আসাদুল ইসলাম জানান, এ হাটে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে দিনমজুররা আসেন কাজের খোঁজে। শ্রমিক খোঁজা স্থানীয় কৃষকরাও সহজেই শ্রমিক পেয়ে যান।

ক্রিকেটারের প্রেমে মজলেন মালাইকা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
ক্রিকেটারের প্রেমে মজলেন মালাইকা

বলিউডের ‘আইটেম গার্ল’ মালাইকা অরোরা মানেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দু। কখনো আরবাজ খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ, কখনো অর্জুন কাপুরের সঙ্গে অসম প্রেম, আবার কখনো কোনো হিরের ব্যবসায়ীর সঙ্গে নাম জড়ানো মালাইকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই ভক্তদের।
তবে এবার কোনো গুঞ্জন বা লুকোছাপা নয়, বরং নিজেই নিজের মনের মানুষের কথা জনসমক্ষে আনলেন এই অভিনেত্রী। মালাইকার জীবনের নতুন এই বিশেষ মানুষটি আর কেউ নন, তিনি সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নভজ্যোত সিং সিধু।
সম্প্রতি ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’-তে অতিথি হিসেবে হাজির হয়ে মালাইকা তাদের এই বিশেষ সম্পর্কের কথা জানান। গ্ল্যামার দুনিয়ার কৃত্রিমতার বাইরে তাদের এই বন্ধুত্ব এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার তুঙ্গে।
অনুষ্ঠানে আবেগপ্রবণ হয়ে মালাইকা বলেন, ‘অনেকে বলেন একটা বয়সের পর নতুন বন্ধু পাওয়া কঠিন, কারণ মানুষের হাতে সময় নেই। কিন্তু সিধুর মধ্যে আমি একজন সত্যিকারের বন্ধু খুঁজে পেয়েছি। তার প্রতি আমার ভালোবাসা এতটাই অকৃত্রিম যে আমি জানি, তিনি কখনোই আমার মনে কষ্ট দেবেন না।’
কথার মাঝেই মালাইকা এক মজার তথ্য ফাঁস করেন। তিনি জানান, সিধু নিয়ম করে প্রতি ১৫-২০ দিন অন্তর অমৃতসর থেকে মালাইকার জন্য খাঁটি সাদা মাখন, মুখরোচক স্ন্যাকস এবং গুড় পাঠিয়ে দেন। এই শুনেই শো-র সঞ্চালক কপিল শর্মা রসিকতা করে বলেন, ‘ম্যাম, অমৃতসরের কুলচার ওপর সাদা মাখন দেখলেই এখন আপনার কথা মনে পড়ে যায়।’

‘প্রিন্স’ -এর টিজার মুক্তি

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
‘প্রিন্স’ -এর টিজার মুক্তি

আসন্ন ঈদুল ফিতরে বড় পর্দা কাঁপাতে আসছেন ঢালিউড কিং শাকিব খান। উৎসবের আমেজকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে তার তুরুপের তাস এবার ‘প্রিন্স’। সিনেমাটির ঘোষণা আসার পর থেকেই ভক্তদের মনে ছিল টানটান উত্তেজনা।
সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঠিক দুপুর ১২টায় প্রকাশ পাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত এই ছবির প্রথম ঝলক বা টিজার।
সিনেমাটির ‘ফার্স্টলুক’ পোস্টার প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শাকিব খানের নতুন রূপ আর রহস্যময় আবহ দর্শকদের কৌতূহল উসকে দিয়েছে কয়েক গুণ।
পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ জানিয়েছেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় ‘ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড’-এর অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে টিজারটি উন্মুক্ত করা হবে। সিনেমাটির পটভূমি সাজানো হয়েছে নব্বই দশকের ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড ও আভিজাত্যের এক অনন্য সংমিশ্রণে।
কারিগরি দিক থেকেও চমক দিচ্ছে ‘প্রিন্স’। ভারতের ব্লকবাস্টার হিট ছবি ‘অ্যানিম্যাল’ খ্যাত প্রখ্যাত সিনেমাটোগ্রাফার অমিত রায় সামলাচ্ছেন এর ক্যামেরার দায়িত্ব। ছবিটি প্রযোজনা করছে ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মস।
‘প্রিন্স’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে থাকছেন দুই লাস্যময়ী অভিনেত্রী। দেশের জনপ্রিয় মুখ তাসনিয়া ফারিণের পাশাপাশি দেখা যাবে কলকাতার জ্যোতির্ময়ীকে। সব মিলিয়ে আসন্ন ঈদে ‘প্রিন্স’ যে প্রেক্ষাগৃহে ঝড় তুলতে প্রস্তুত, টিজার প্রকাশের তারিখ ঘোষণাতেই তার স্পষ্ট আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

আমি কাজ করতে চাই না : ঋতুপর্ণা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
আমি কাজ করতে চাই না : ঋতুপর্ণা

বর্তমান সময়ে শোবিজ জগতের তারকাদের রাজনৈতিক ময়দানে নাম লেখানো কোনো নতুন ঘটনা নয়। ওপার বাংলার দেব থেকে শুরু করে কোয়েল একাধিক জনপ্রিয় মুখ এখন সক্রিয় রাজনীতির মাঠে। তবে ইন্ডাস্ট্রির হাই প্রোফাইল তারকা হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে সবসময় এই আঙিনা থেকে দূরে রেখেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
টলিউডের প্রথম সারির অনেক শিল্পী যখন সিনেমা এবং রাজনীতির মাঠ একসঙ্গে সামলাচ্ছেন, তখন ঋতুপর্ণা কেন ব্যতিক্রম? সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ খোলসা করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।
রাজনীতিতে যোগ না দেওয়ার কারণ হিসেবে ঋতুপর্ণা স্পষ্ট জানান, তিনি রাজনীতির মারপ্যাঁচ একেবারেই বোঝেন না।
তার ভাষ্যমতে, ‘আমি রাজনৈতিক ব্যাপারটা কিছুই বুঝি না। এমনকি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের বা ইন্ডাস্ট্রির পলিটিক্সও আমি বুঝি না। যার ফলে আমাকে বারবার হোঁচট খেতে হয়। যে বিষয়টি নিয়ে আমার সঠিক ধারণা নেই, সেখানে আমি কাজ করতে চাই না।’
রাজনীতির চেয়ে নিজের অভিনয় জীবনকে সমৃদ্ধ করতেই বেশি আগ্রহী এই তারকা। ঋতুপর্ণা আরও বলেন, ‘আমি একজন শিল্পী। আমি সবসময় আমার শৈল্পিক সত্তাকে প্রাধান্য দিতে চাই এবং আমার শিল্পী জীবনকে আরও উন্নত করতে চাই। শিল্পী হিসেবে যদি মানুষের জন্য কিছু করতে পারি, সেটাই হবে আমার আসল সার্থকতা।’

error: Content is protected !!