শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ৫

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪, ৪:৩৫ পিএম | 111 বার পড়া হয়েছে
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ৫

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এবারের ফলাফল প্রকাশ নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান সাংবাদিক সম্মেলন করে ফলাফলের সার্বিক বর্ণনা করেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড ময়মনসিংহের অধীনে অনুষ্ঠিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি)-২০২৪ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ৭৭ হাজার ৬২১ জন পরীক্ষার্থী যার মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৯ হাজার ০৬৯ জন, পাশের হার ৬৩ দশমিক ২২ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৭০ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৮২৬ জন, গত বছর (২০২৩ এ) পেয়েছিল ৩ হাজার ২৪৪ জন। ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ, উত্তীর্ণ এবং জিপিএ ৫ প্রাপ্তি সব সূচকেই এগিয়ে। পুরুষ পরীক্ষার্থীদের পাশের হার ৬১ শতাংশ ২৪ শতাংশ, জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ হাজার ১০৯ জন। অপরদিকে নারী পরীক্ষার্থীদের পাশের হার ৬৫ দশমিক ৬ শতাংশ, জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭১৭ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাশ করেছে ৮৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ শিক্ষার্থী, মানবিক শাখায় ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ৫০ দশমিক ৭৩ শতাংশ। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীন জেলাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ পাশের হার জামালপুর (৬৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ), সর্বনিম্ন শেরপুরে ( ৫৮ দশমিক ০১ শতাংশ)। মোট ৯৯ টি কেন্দ্রে বোর্ডের আওতাধীন ২৯৫ টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জুন ও জুলাই মাসে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে গত ২৪ সেপ্টেম্ব অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলো না নিয়ে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ফলাফল প্রস্তুত করা হয়। এবার ময়মনসিংহে শতভাগ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫টি, শতভাগ অনুত্তীর্ণ ৪ টি। গত চার বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পরীক্ষায় পাশের হার ক্রমহ্রাসমান। ২০২১ সালে যেখানে পাশের হার ছিল ৯৫ দশমিক ২১ শতাংশ, ২০২২ সালে ৮০ দশমিক ২২ শতাংশ, ২০২৩ এ ৭০ দশমিক ৪৪ শতাংশ, এই বছর (২০২৪) তা ৬৩ দশমিক ২২ শতাংশে নেমে এসেছে।

ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত তিনটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সরকারি আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১ হাজার ০৬৪ জন, পাশের হার ৮৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৬৪ জন। সরকারি মুমিনুন্নেসা মহিলা কলেজ এর পরীক্ষার্থী ছিল ৯৯৭, পাশের হার ৯৭ দশমিক ১৮ শতাংশ, জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬৫৬ জন এবং শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ১ হাজার ২৭২, পাশের হার ৯৭.৭২, জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭৪০ জন। ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এবারে তুলনামূলক ভালো ফলাফল করেছে।

হবিগঞ্জের ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস পালিত

মোঃ আজিজুল ইসলাম হৃদয় হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১১ পিএম
হবিগঞ্জের ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস পালিত

৪-ই এপ্রিল ২৬ইং রোজ শনিবার

হবিগঞ্জের ঐতিহাসিক মুক্তিযোদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
১৯৭১ সালের এই দিনে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা-বাগানের বাংলোয় সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের অংশগ্রহণে মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের উদ্যোগে বেলা ১১টায় পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচি সূচনা করা হয়। পরে দুপুরে বেলা এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তেলিয়াপাড়া থেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল।

এ সময় তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিকল্পনায় এবং সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর নেতৃত্বে যুদ্ধ পরিচালিত হয়। এখান থেকেই সেক্টর ভাগ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, সে সময় তিনি পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বেগম খালেদা জিয়া বোরকা পরে তার দুই শিশুসন্তান নিয়ে ঢাকায় চলে যান এবং তাকে বাংলাদেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করেন।

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরেনি, বরং বিকৃত ইতিহাস উপস্থাপন করেছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ আলহাজ জি কে গউছ, হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম ফয়সল, হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হোসেন জীবন, চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক জি এম সরফরাজ এবং পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক।

উল্লেখ্য, তেলিয়াপাড়া দিবস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কৌশল নির্ধারণসহ দেশকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করার বিষয়ে তেলিয়াপাড়া থেকেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

কালিয়াকৈরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

মোঃ ফরহাদুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার: প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৯ পিএম
কালিয়াকৈরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা-এর বোয়ালী ইউনিয়নের কড়িচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ মীর ফজলুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও মেয়র মজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কালিয়াকৈর উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক মোঃ মজিবর রহমান।

এছাড়া প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন ফরহাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আ ন ম খলিলুর রহমান ইব্রাহিম (সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটি), মোঃ পারভেজ আহম্মেদ (সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপি) এবং মোঃ আনোয়ার হোসেন (দাতা সদস্য)সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দিনব্যাপী আয়োজিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় উপস্থিত দর্শকরা মুগ্ধ হন।

উৎসবমুখর পরিবেশে অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা লুট, অভিযোগ গুরুতর

মোঃ আজগার আলী, খুলনা ব্যুরো প্রধান: প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৭ পিএম
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা লুট, অভিযোগ গুরুতর

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে—কাজ না করেই বিল উত্তোলন, ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া, নামমাত্র কাজ করে পুরো বরাদ্দ আত্মসাৎ, ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে বিল বাণিজ্য এবং ঠিকাদার-কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ঘুষ বাণিজ্যের এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জেলা পরিষদের এডিপি ও উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের আওতায় বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে—এই বরাদ্দের বড় একটি অংশ প্রকল্প বাস্তবায়ন ছাড়াই আত্মসাৎ করা হয়েছে।
বিশেষ করে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. আব্দুর রশিদের নাম ব্যবহার করে তার আত্মীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব প্রকল্পে জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মেহেদী মাসুদ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মসজিদ, ঈদগাহ, মাদ্রাসা, ক্লাব ও সড়ক উন্নয়নের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে কাজ হয়নি বা নামমাত্র কাজ করা হয়েছে।
খুবদিপুর ঈদগাহে ১০ লাখ, কদমতলা জামে মসজিদে ১৫ লাখ এবং আলামিন জামে মসজিদে ৫ লাখ টাকার বরাদ্দ থাকলেও কাজের মান ও পরিমাণ নিয়ে রয়েছে গুরুতর প্রশ্ন। একইভাবে কৃষ্ণনগরের একটি মসজিদে ১০ লাখ টাকার প্রকল্পেও নামমাত্র কাজের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো—অনেক প্রকল্পের অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যায়নি। যেমন, জামিয়া ইমদাদিয়া তালিমুল কুরআন মাদ্রাসার নামে বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
কিছু ক্ষেত্রে একই প্রকল্পে একাধিকবার বরাদ্দ দেখিয়ে টাকা উত্তোলনের অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্যরা জানিয়েছেন, আগে করা কাজকে পুনরায় দেখিয়ে নতুন বরাদ্দ তুলে নেওয়া হয়েছে।
সিপিপিসি প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ পাওয়া অনেক প্রতিষ্ঠান প্রকৃত অর্থের অর্ধেকও পায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। বাকিটা ভাগ-বাটোয়ারা হয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
দাদাভাই ক্লাবের নামে বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে, যেখানে ক্লাবের কোনো উন্নয়ন হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী প্রকৌশলী মেহেদী মাসুদ বিতর্কিত মন্তব্য করে বলেন, “আপনারা সাংবাদিক যত পারেন লিখেন, কিছুই করতে পারবেন না। টাকার ভাগ সবাই পায়।”—এমন বক্তব্য জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
তবে অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, তারা নিয়ম মেনেই কাজ করেছেন এবং দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন।
জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, এসব অভিযোগ সম্পর্কে তিনি অবগত নন।
স্থানীয়দের দাবি, জনগণের কষ্টার্জিত অর্থে বাস্তবায়িত প্রকল্পে এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

error: Content is protected !!