মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

মেট্রোরেলের মিরপুর স্টেশন খুলছে আজ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:২১ এএম | 101 বার পড়া হয়েছে
মেট্রোরেলের মিরপুর স্টেশন খুলছে আজ

কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরাধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ভাঙচুর-হামলায় বন্ধ হয়ে যাওয়া মেট্রো রেলের মিরপুর-১০ নম্বর স্টেশন চালু হচ্ছে আজ।

আজ মঙ্গলবার উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান স্টেশনটি চালু উদ্বোধন করবেন।

এর আগে সোমবার রাজধানীর উত্তরায় ডিএমটিসিএল কার্যালয়ে এক সাংবাদ সম্মেলনে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ আবদুর রউফ এই কথা জানান।

আবদুর রউফ বলেন, ৮৭ দিন পর মঙ্গলবার সকাল থেকে চালু হচ্ছে মেট্রো রেলের মিরপুর-১০ স্টেশনটি। উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান স্টেশনটি চালু উদ্বোধন করবেন।

স্টেশনটি মেরামতে কত খরচ হয়েছে—এমন প্রশ্নে ডিএমটিসিএল এমডি বলেন, ‘এটা আমরা নিরূপণে কাজ করছি। উপদেষ্টা উদ্বোধনের সময় কত খরচ হয়েছে জানাবেন। স্টেশন ঠিক করতে ঠিকাদার বা বিদেশি কাউকে লাগেনি। ডিএমটিসিএলই দুটি স্টেশন ঠিক করেছে।’

লোকাল রিসোর্স ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া মেট্রো রেলের কয়েকটি স্টেশন থেকে কিছু জিনিস নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আগামী শুক্রবার থেকে অফপিক টাইমে মেট্রো রেলের হেডওয়ে (দুই ট্রেনের মধ্যবর্তী সময়) ১২ মিনিটের জায়গায় ১০ মিনিট করা হবে। এতে দিনে ৬০টির বদলে ৭২টি ট্রেন চলবে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ জুলাই বিকালে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি চলাকালে মিরপুর-১০ স্টেশনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বন্ধ হয়ে যায় মেট্রোরেল। পরদিন কাজীপাড়া ও মিরপুর-১০ স্টেশনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। স্টেশন দুটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং ব্যবহার বন্ধ রাখতে হয়।

এরপর গত ২৫ আগস্ট মেট্রোরেল চালু করা হলেও স্টেশন দুটি চালু করা যাচ্ছিল না। মেরামত শেষে প্রথমে কাজীপাড়া স্টেশন খুলে দেওয়া হয়। আজ খুলছে মিরপুর-১০ নম্বরের স্টেশনটি।

রূপগঞ্জে সাংবাদিকদের হুমকি-অপহরণে 

নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের উদ্বেগ

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৯ পিএম
নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের উদ্বেগ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় সাংবাদিকদের ওপর হুমকি ও অপহরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম। একই সঙ্গে দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের জেলা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, সম্প্রতি রূপগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর দুটি উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে, যা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করেছে।
গত ১৪ মার্চ কর্ণগোপ রোড এলাকায় কয়েকটি মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা রূপগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক সাংবাদিক নাজমুল হুদাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় তিনি নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
অন্যদিকে গত ৯ মার্চ কর্ণগোপ প্রাইমারি স্কুলসংলগ্ন তার নিজ মালিকানাধীন ‘মা মেডিসিন কর্নার’ ফার্মেসি থেকে রূপগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের সদস্য ও পূর্বাচল প্রেস ক্লাবের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক মাইনুল ইসলাম মাহিন অপহরণের শিকার হন। অপহরণকারীরা তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে তাকে নির্জন স্থানে আটক রাখে।
পরে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ সাংবাদিকদের সহযোগিতায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, সাংবাদিকদের ওপর হুমকি ও অপহরণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। সংগঠনটি প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে।
একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা ও শিক্ষক নেতা আবু সাঈদ মুন্না প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।

লড়াই করে যাচ্ছেন জুতার কারিগরেরা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৭ পিএম
লড়াই করে যাচ্ছেন জুতার কারিগরেরা

নরসিংদী জেলার আরগীনগর মোড়ে গেলেই প্রথমেই নাকে ভেসে আসে একধরনের তীব্র আঠার গন্ধ। চারপাশে তাকালেই দেখা যায়, বিভিন্ন শিল্পকারখানার বাইরে ছোট ছোট কারিগরদের হাতে তৈরি হচ্ছে জুতা। সেই জুতার আঠার ঘ্রাণই যেন জানান দেয়—এখানে এখনো টিকে আছে ঐতিহ্যবাহী হাতে তৈরি জুতার কারখানা।

একসময় এই হাতে তৈরি জুতার বাজার ছিল জমজমাট। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চিত্র বদলে গেছে। এখন ক্রেতার উপস্থিতি আগের মতো চোখে পড়ে না। শুধু ঈদ মৌসুমে কিছুটা ভিড় দেখা গেলেও তা বড় বড় শোরুমের সঙ্গে তুলনা করলে খুবই নগণ্য। ফলে চিরচেনা এসব দোকান ধীরে ধীরে ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ছে।

এখানকার উদ্যোক্তারা নীরবে নিজেদের কাজ করে যাচ্ছেন। কোথাও কয়েকজন শ্রমিক মিলে জুতা তৈরি করছেন, আবার কোথাও একজন কারিগরই একাই ফিতা কাটা, সেলাই থেকে শুরু করে পুরো জুতা তৈরির কাজ সামলাচ্ছেন।

স্থানীয় এক দোকানদার দিলীপ রবি দাস বলেন, বহু দিন ধরেই তিনি এই পেশার সঙ্গে যুক্ত। একসময় একটি বড় কোম্পানিতে চাকরি করলেও পরে তা হারিয়ে নিজেই ছোট পরিসরে দোকান গড়ে তোলেন। তিনি বলেন, ‘ঈদ মৌসুম ছাড়া আমাদের প্রায় ক্রেতাশূন্য থাকতে হয়। দুই ঈদ ছাড়া সারা বছরই কষ্টে দিন কাটে। জুতা বিক্রি করে ঠিকমতো সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।’ তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত পুঁজি না থাকায় ব্যবসা বড় করা সম্ভব হচ্ছে না। কিস্তির ওপর নির্ভর করেই চলতে হচ্ছে পুরো বছর। নতুন ডিজাইন বা উন্নত মানের জুতা তৈরির ইচ্ছা থাকলেও অর্থের অভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না।

দিলীপ রবি দাসের মতে, বড় বড় শোরুমের ভিড়ে তাঁদের মতো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের টিকে থাকা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের ক্রেতা মূলত নিম্ন আয়ের মানুষ। তাঁরা ৫০০-৬০০ টাকার মধ্যে চামড়ার স্যান্ডেল খোঁজেন। আমরা চাইলে ভালো মানের দামি জুতা তৈরি করতে পারি, কিন্তু তখন ক্রেতারা শোরুমমুখী হয়ে গেছেন।’

পাশের আরেক দোকানদার বিপ্লব কুমার দাস বলেন, প্রায় ২৫-৩০ বছর ধরে তাঁরা এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আগে এত ব্র্যান্ডের দোকান ছিল না। তখন গ্রামাঞ্চল থেকেও আমাদের কাছে অর্ডার আসত। আমরা জুতা তৈরি করে সরবরাহ করতাম। এখন সেই অর্ডার নেই বললেই চলে। সবকিছু বড় কোম্পানির দখলে চলে গেছে।’

নরসিংদী বড় বাজারসংলগ্ন আরেক কারিগর আনিস মিয়া কিছুটা আশার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘এখন ঈদের সময়, তাই ব্যবসা কিছুটা ভালো যাচ্ছে। বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ আসছেন। মাঝে মাঝে কিছু ক্রেতা ভালো মানের জুতা চান, তাঁদের জন্য আমরা উন্নত মানের জুতা তৈরি করি।’

ক্রেতাদের মধ্যেও রয়েছে ভিন্ন বাস্তবতা। অটোচালক রমজান আলী জানান, স্বল্প আয়ের কারণে তিনি শোরুমে গিয়ে জুতা কেনার সামর্থ্য রাখেন না। তিনি বলেন, ‘এখানে কম দামে ভালো জুতা পাওয়া যায়। আমি ৭০০ টাকায় ভালো জুতা কিনেছি। শোরুমে গেলে এত কম দামে পাওয়া সম্ভব না।’

সব মিলিয়ে নরসিংদীর এই হাতে তৈরি জুতাশিল্প এখন কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। একদিকে বড় ব্র্যান্ডের প্রতিযোগিতা, অন্যদিকে পুঁজির অভাব ও কমে যাওয়া চাহিদা—সবকিছু মিলিয়ে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষের জন্য টিকে থাকাই যেন এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নরসিংদী বাজার কমিটির সভাপতি বাবুল সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে বিক্রি কমছে, জুতার বিভিন্ন কাঁচামালের দাম বাড়ছে—সেই তুলনায় জুতার দাম বাড়ছে না। হাতে তৈরি দোকানদারদের বিক্রিতে মন্দা যাচ্ছে। হয়তো এখন ঈদ উপলক্ষে একটু বেচাকেনা ভালো।’

আমাদের ঘাড়ের ওপর কারও আধিপত্য মেনে নেব না

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৬ পিএম
আমাদের ঘাড়ের ওপর কারও আধিপত্য মেনে নেব না

সারা দুনিয়ার সভ্য সমস্ত দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা কথা উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটা কথা খুবই পরিষ্কার। আমাদের ঘাড়ের ওপর আমরা কারও আধিপত্য মেনে নেব না। আমাদের যুবসমাজ একদম এটা সহ্য করবে না। তারা বুক উঁচু করে বাঁচতে চায়, বিশ্বের বুকে পরিচয় দিতে চায় আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশি।’

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুরে আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে দুস্থদের মাঝে চীনের সহায়তায় ফুড প্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনও উপস্থিত ছিলেন।

আজ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে চীন কোনো হস্তক্ষেপ করেনি মন্তব্য করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অনেকে বাংলাদেশকে কিছু না দিয়েই বাংলাদেশ থেকে সবকিছু নিয়েই তারা যখন-তখন হস্তক্ষেপ করেন। কিন্তু চীন করে না। চীন অবিরত বন্ধুর পরিচয় দিয়েই চলেছে। আমরা আশা করব অতীতের চাইতেও আগামী দিনগুলোতে আমাদের প্রিয় বন্ধু রাষ্ট্র চীন আরও বেশি উদ্যোগী হয়ে বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করবে।’

অনুষ্ঠানে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক সুদীর্ঘ ৫০ বছরের। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে চীন অন্যতম বৃহৎ পার্টনার, উন্নয়ন অংশীদার।

বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘এটা পরিপূর্ণভাবেই চীনের অর্থায়নে বাংলাদেশের জন্য উপহার। এখানে বাংলাদেশের একটি টাকাও নাই। পুরাটাই চীনের উপহার। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে আমাদের এই বন্ধুত্বের নিদর্শনটা হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিল। এই হলটার নাম পাল্টিয়ে তাদের বাপের নাম এখানে লিখে দিয়েছিল। এটি চরম অকৃতজ্ঞতা। একটা দেশ ভালোবাসার জায়গা থেকে আমাদের উপহার দিয়েছে। আর তাদের নাম-নিশানাই মিশিয়ে দেওয়া হলো।’

অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘এখানে এসে আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আপনাদের বড় উৎসব আসছে। ঈদুল ফিতর হলো ভালোবাসা উৎসব। কৃতজ্ঞতার প্রকাশ এবং সবার মাঝে আনন্দ, ঈদের প্রস্তুতিতে সহায়তা করতে এবং পরিবারের সঙ্গে ভালো সময় কাটাতে আজকে আমরা কিছু উপহার নিয়ে এসেছি।’

চীনের রাষ্ট্রদূত সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে জামায়াত আমিরের প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমর্থন দেওয়ার জন্য বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসহ ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামী ও আমির ডা. শফিকুর রহমান সমর্থন করবেন। আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যেতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি যে বাংলাদেশের মুসলিম ভাইবোনেরাও একটি উন্নত জীবন, নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ অংশীদার হবে।’

error: Content is protected !!