বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২

কাঁচামরিচের কেজি ৬০০

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৫২ পিএম | 82 বার পড়া হয়েছে
কাঁচামরিচের কেজি ৬০০

বাগেরহাটে বেড়েছে সবজি, মশলা, মাছ ও চালসহ সব ধরণের নিত্য পণ্যের দাম।সব থেকে বেশি বেড়েছে কাঁচা মরিচের ঝাল। সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট শহরের সব থেকে বড় বাজারে কেজিপ্রতি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা। সপ্তাহখানেক আগেও ১৮০-২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হত কাঁচা মরিচ।

বেড়েছে অন্যান্য সবজির দামও। ৫৫ টাকার আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, ৩০ টাকার মিস্টি কুমড়া পৌছেছে ৬০ টাকা, ৪০ টাকার শসা ৬০-৭০ টাকা, করলা ৮০, বেগুনের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। ৭০ টাকার বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা থেকে ১৫০ টাকায়। টমেটো ২৬০ টাকা, পেপে ৫০ টাকা, ঢেড়স ৬০, কুশি ৮০, পটল ৯০, কচুর মুখি ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক কথায় ৬০ টাকার নিচে কোন সবজি নেই বাজারে। ব্যবসায়ীরা বলছেন সরবরাহ কম তাই দাম বেড়েছে।

অন্যদিকে মা ইলিশ রক্ষায় সমুদ্রে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় বাজারে সাগরের মাছের সরবরাহ কমেছে। সেই সুযোগে স্থানীয় উৎপাদিত মাছ বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। রুই, কাতলা, মৃগেল, গ্রাসকার্প, নালোটিকা, চায়না পুঠি, সিলভারকার্প আকার ভেদে ৩০০ থেকে ৫শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

টেংরা মাছ, হরিণা চিংড়ি, চামি চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত। পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১২০-২৮০ টাকা পর্যন্ত। চাষের কৈ ২০০-২৫০ টাকা, শোল মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৬০০টাকা, টাকি মাছ বিক্রি হচ্ছে ২০০-৩০০টাকা, রুপচাদা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকা দাঁতনে মাছ বিক্রি হচ্ছে ২০০-৫০০ টাকা, পুটি মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০-১২০ টাকা, জাবা ২৬০-৩৫০ পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এত বেশি দামে মরিচ কেন বিক্রি হচ্ছে এ প্রশ্নের উত্তরের বিক্রেতা শেখ তলিফ বলেন, কয়েক দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। কয়েকটি জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে অনেক সবজির বাগান নষ্ট হয়ে গেছে। তাই কাঁচা মরিচসহ সবজির দরও বাড়তি।

বাজার করতে আসা খাদিল হাসান বলেন, ১৫ দিন আগেও কাঁচা মরিচসহ সবজির দাম কিছুটা কম ছিল। চলতি সপ্তাহে দাম অনেক বেড়েছে। ২০০ গ্রাম কাঁচা মরিচ কিনেছি ১৪০ টাকায়।কি ভাবে বেছে থাকবো আমরা.?

সালমা আক্তার বলেন, এক সপ্তাহেই মরিচের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এই ভাবে চলতে থাকলে আমাদের বেঁচে থাকা কষ্ট হয়ে দাঁড়াবে।

এদিকে চালের দামও বেড়েছে ৫ থেকে দশ টাকা করে। বুলেট ও স্বর্না বুলেট প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, চিকন চাল জাত ভেদে ৬০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সংকট দেখা দিয়েছে স্থানীয় মোটা চাল ও ভোজন চালের।

বাগেরহাট ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহ-কারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান বলেন, বাজার দর নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। আমরা নিয়মিত বাজারে অভিযান চালাচ্ছি। কোথাও অসঙ্গতি ও অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অবৈধ পুকুর খননের সংবাদ করতে গিয়ে তাড়াশে সাংবাদিক লাঞ্ছিত,থানায় অভিযোগ দায়ের

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
অবৈধ পুকুর খননের সংবাদ করতে গিয়ে তাড়াশে সাংবাদিক লাঞ্ছিত,থানায় অভিযোগ দায়ের

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অবৈধ পুকুর খননের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তাড়াশ উপজেলার সগুনা গ্রামের বাসিন্দা ও দৈনিক চলনবিল প্রবাহ পত্রিকার সাংবাদিক রাশিদুল হাসান (৩২) গত ৪ মার্চ ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার গুল্টা এলাকায় অবৈধ পুকুর খননে উপজেলা প্রশাসনের একটি অভিযানের সংবাদ সংগ্রহে যান। তার সঙ্গে ছিলেন দৈনিক শ্যামল বাংলা ও দৈনিক তৃতীয় মাত্রা পত্রিকার সাংবাদিক খালিদ হাসান।

‎সংবাদ সংগ্রহ শেষে ফেরার পথে সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ৪৫ মিনিটে তাড়াশ থানাধীন ধোপাগাড়ি বাজার এলাকায় পৌঁছালে ঠিকাদার মো. রাজু আহমেদ (৫৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন তাদের পথরোধ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

‎ভুক্তভোগীদের দাবি, এ সময় তাদের মারধর করা হয় এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে চেয়ার দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে হাত তুলে বাধা দিলে রাশিদুল হাসানের হাতে ও মাথায় আঘাত লাগে। এতে তার হাতে ক্ষত সৃষ্টি হয়ে রক্তপাত হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে শাবল ও লোহার রড নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

‎ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা তাড়াশ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তারা হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

‎এ বিষয়ে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎উল্লেখ্য, তাড়াশ উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনহীন পুকুর খননের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব খননের ফলে কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অবৈধ খনন বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি জরুরি।

‎সচেতন মহল মনে করছেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা অবাধ ও অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের প্রতিফলন। অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

error: Content is protected !!