মোঃ মেহেদী হাসান হৃদয়
সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিলেন রেজাউল করিম
সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিলেন মোঃ রেজাউল করিম, সাবেক উপপরিদর্শক বাংলাদেশ পুলিশ ও পরিচালক বৃদ্ধাশ্রম বকসা মহানগর রংপুর ও সাফল্য অনাথ আশ্রম ও মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র।
তিনি বলেন ”
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। তবে সমাজের অবহেলিত ও পরিবারবিচ্ছিন্ন প্রবীণদের কাছে এই আনন্দ অনেক সময় ম্লান হয়ে থাকে। সেই সব প্রবীণদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন বাকশা বৃদ্ধাশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক রেজাউল করিম।
ত্যাগের মহিমায় ঈদের শুভেচ্ছা
পবিত্র ঈদ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রেজাউল করিম বলেন,
”ঈদ আমাদের ত্যাগের শিক্ষা দেয় এবং আর্তমানবতার পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেয়। বাকশা বৃদ্ধাশ্রমের নিবাসী প্রবীণরা আমাদের বাবা-মায়ের সমতুল্য। তাদের একাকীত্ব দূর করে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়া আমাদের সামাজিক দায়িত্ব।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সমাজের বিত্তবানরা যদি এগিয়ে আসেন, তবে কোনো বৃদ্ধাশ্রমেই আর কেউ নিজেকে অসহায় মনে করবেন না।
প্রতি বছরের মতো এবারও বাকশা বৃদ্ধাশ্রমে নিবাসীদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা এবং নতুন পোশাক বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন রেজাউল করিম। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে নিবাসীদের সাথে সময় কাটান এবং তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন। তার এই আন্তরিকতায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আশ্রমের অনেক প্রবীণ সদস্য।
সমাজসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত
রেজাউল করিম দীর্ঘদিন ধরে নিঃস্বার্থভাবে সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। তার প্রতিষ্ঠিত বাকশা বৃদ্ধাশ্রম বর্তমানে অনেক অসহায় মানুষের শেষ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে। কেবল থাকা-খাওয়া নয়, বরং প্রবীণদের মানসিক প্রশান্তি ও চিকিৎসার বিষয়টিও তিনি ব্যক্তিগতভাবে তদারকি করেন।
প্রতিবেদনের শেষে রেজাউল করিম সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন, আমরা নিজের পরিবারের পাশাপাশি চারপাশের অসহায় মানুষের খবর রাখি। আমাদের সামান্য একটু সহানুভূতিই পারে একটি সুন্দর সমাজ গড়তে।”














