মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

তাড়াশে প্রতিবন্ধী নারীর ঘরে ঈদ উপহার ও নতুন পোষাক দিলেন বিএনপি নেতা

Md.Khalid Hasan
Md.Khalid Hasan - Staff Reporter, TARASH (SIRAJGING) প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ১১:১৯ এএম | 91 বার পড়া হয়েছে
তাড়াশে প্রতিবন্ধী নারীর ঘরে ঈদ উপহার ও নতুন পোষাক দিলেন বিএনপি নেতা
  1. সিরাজগঞ্জের তাড়াশে প্রতিবন্ধী এক নারীকে ঈদ শুভেচ্ছা ও উপহার দিয়েছেন বিএনপি নেতা খন্দকার সাইফুল ইসলাম।
  2. ‎সোমবার বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালিদাসনিলী গ্রামে সোনা উল্লার মেয়ে  প্রতিবন্ধী রাবেয়া খাতুন ও ছেলে ইসরাফিল ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নতুন পোষাক,লাচ্চা সেমাই,এক বস্তা চাউল ও কাঁচা বাজার তার বাড়িতে গিয়ে পৌছেদেন।
  3. ‎জানা গেছে, জীবনের ৫০টি বছর পার করা উপজেলার কালিদাসনিলী গ্রামে মৃত সোনা উল্লার
  4. ‎প্রতিবন্ধী মেয়ে রাবেয়া খাতুন জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী সে কথা বলতে ও চলাফেরা করতে পারে না। দিন-রাত কাটে সরকারের দেওয়া একটি  ঘরে।  একই সাথে তার আপন ভাইও প্রতিবন্ধী বোনের সাথে অভাব অনাটনে সংসার চালান।
  5. ‎প্রতিবন্ধী এ নারীর জীবন  সংগ্রামের গল্প শুনে তার বাড়িতে ছুটে যান বিএনপি নেতা খন্দকার সাইফুল্লাহ ইসলাম। এ সময় তাদের জন্য নতুন পোষাক,লাচ্চা,সেমাই,চিনি,মিসরি,এক বস্তা চাউল ও কাঁচা বাজার তার বাড়িতে গিয়ে পৌছিয়েদেন। অপর দিকে একই দিনে ঘর-বাড়ি হারানো তাড়াশ সদর ইউনিয়নের শ্রী কৃষ্ণপুর গ্রামের উদিস চন্দ মাহাতোর পরিবার কেও তিনি একই ধরনের সহযোগিতা করেন।
  6. ‎বিএনপি নেতা খন্দকার সাইফুল্লাহ ইসলাম
  7. ‎তাড়াশ উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা
  8. ‎মরহুম খন্দকার আলী আকবার এর ছোট ছেলে ও তাড়াশ পৌর বিএনপির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহবায়ক।
  9. ‎এ ব্যাপারে খন্দকার সাইফুল্লাহ ইসলাম বলেন,
  10. ‎ আমার বাবা গরীব দুঃখী মানুষ কে ভালবাসতেন। আমিও চেষ্টা করি গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাড়াতে। আমরা নতুন পোষাক পরবো আর সমাজের গরীব দুঃখী মানুষ ছেঁড়া কাপড় পরে থাকবে এটা হতে পারে না। সকলের উচিত এ ধরেনর অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো। আমি তাড়াশ পৌর সভার এমন শতাধিক পরিবার কে ঈদ উপহার দেব ইনশাআল্লাহ।

ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

তালাত মাহমুদ বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫০ পিএম
ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

ইসলাম মানুষের বাস্তব সমস্যার বাস্তব সমাধান করতে পেরেছিল । আর তা দেখেই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল । কিন্তু আফসোস প্রকৃত ইসলামের সেই প্রাঞ্চল আদর্শ আজ নেই । ফলে এককালে যে মুসলিমরা অর্ধ দুনিয়াকে ন্যায় শান্তি ও সুবিচার অলংকারে সাজিয়ে তুলেছিল । সেই মুসলিমরাই আজ সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে অবজ্ঞাত, উপেক্ষিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত, অপমানিত,উভ্যাস্ত ,জনগোষ্ঠীতে পরিমিত পরিণিত হয়েছে । ইসলাম অনৈক্য -হানাহানিতে লিপ্ত দাঙ্গাবাজ আরবদের কে ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ করেছিল বংশানুক্রমিক শত্রুতা আর রক্তপাতে নিমজ্জিত আরব জাতিকে একে অপরের ভাই বানিয়ে দিয়েছিল ।বিশৃঙ্খল ও উশৃঙ্খল আরবদের কে, শৃঙ্খলা শিক্ষা দিয়েছিল ইসলাম যাদের জীবন যাপনে এতদিন শৃঙ্খলার কোন লেশমাত্র ছিল না । তারা ইসলামের আদর্শ গ্রহণের পর পুরোপুরি বদলে গিয়েছিল। তাদের ব্যক্তিগত জীবন পারিবারিক জীবন পোশাক আশাক খাদ্য গ্রহণ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সামাজিকতা জাতীয় সাময়িক কর্মকাণ্ডের পুরোটাই ছিল সুশৃংখল ও সুপরিকল্পিত। “চলবে”

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম
রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

জাহিদ হোসেন স্টাফ রিপোর্টার, চাঁদপুর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

চাঁদপুর জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের প্রতিটি বাড়ি যেনো এক একটি সবজি বাগান।

তারা বছরের যে কোনো সময়ের চাইতে শীত মৌসুমে সবজির আবাদ বেশি ফলায়। চরাঞ্চলের মানুষে নিয়মিত এসব সবজি চাষ করে নিজের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারেও বিক্রি করে।

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন চলাঞ্চলের নদী ভাঙা গড়ার খেলায় এক চর থেকে অন্য চরে বসতি স্থাপন করে এসব চরাঞ্চলের মানুষজন। নতুন চরে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন যেখানে তাদের নতুন করে বাড়ি সাজানো হয়। আর সেখানেই গড়ে তুলেন সবজির বাগান। একই সাথে গবাদি পশু ও অন্যান কৃষি উৎপাদন করেন। বর্তমানে চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি দিয়ে শহর অঞ্চলের সবজির একটি অংশ চাহিদা মিটায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিমে চরগুলোর দিকে থাকালে প্রতিটি বাড়ি দেখে মনে হয় যেন সবজির বাগানে ভরপুর। তারা বাড়ির সামনের জমিও ও ঘরের অঙ্গিনায় এসব সবজি চাষ করে জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের বলাশিয়া, শিলার চর, চিরারচর, বেড়া চাক্কি, বাঁশগাড়ি চরে গিয়ে দেখা গেছে পদ্মা-মেঘনা নদীর অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন শাক লতাপাতা লাগিয়ে শহরের চাহিদা মিটায়। কিন্তু শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে গেলে জমিতে সরিষা, মাশকালাই, করলা শশা, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ অন্যান্য শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও বসে নেই এসব উৎপাদনে । প্রতিটি বাড়ি নারীদের হাতের ছোঁয়ায় পরিণত হয় এক একটি সবজি বাগানে ।

এ বিষয়ে জনতা ৭১ টিভির প্রতিবেদক সরেজমিনে গেলে কথা হয় ট্রলারে লোক কিসমত আলীর সাথে। তিনি, বার বার নদী ভাঙ্গনের ফলে নতুন চর জেগে উঠে আর নতুন চরে পলি সমৃদ্ধ মাটিতে এসব সবজির ফলন খুব ভালো হয়।

শীতকালে দেখা যায় চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি ট্রলারে পদ্মা-মেঘনা পাড়ি দিয়ে চাঁদপুর শহরে র পুরান বাজার বৌ বাজারে নিয়ে আসে । শহরের চরাঞ্চলের সবজির চাহিদা বেশী। প্রতি কেজি শিম পাইকারী বিক্রি হয় ২০-২৫ টাকা। প্রতি পিস লাউ ৪০-৫০ টাকা। কুমড়া গড়ে প্রতি পিচ ৪০-৫০ টাকা। এছাড়াও অনেকে কুমড়া, মাশকালাই শাক বিক্রি করেন। শীত মৌসুমে নদীতে মাছ কম পাওয়া যায়। সবজির বিক্রির টাকা কিছুটা হলে আমাদের চরাঞ্চলের লোকদের আয় রোজগার বাড়ে।

তবে এখন কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাড়িতে সবজি এবং জমিতে একাধিক উচ্চ ফলনশীল ফসল উৎপাদনের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।

error: Content is protected !!