সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

তারেক রহমানকে ৯ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের চিঠি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:২৯ পিএম | 8 বার পড়া হয়েছে
তারেক রহমানকে ৯ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের চিঠি

মানবাধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে একটি চিঠি লিখেছে একাধিক মানবাধিকার সংস্থা। বাংলাদেশে ‘বিদ্যমান জরুরি মানবাধিকার চ্যালেঞ্জগুলো’তে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ নয়টি অধিকারভিত্তিক সংগঠন এই চিঠি লিখে।

চিঠিতে বলা হয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আপনার সাম্প্রতিক নির্বাচনী বিজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা এই চিঠি লিখছি। আপনি নিজেই যেমনটা স্বীকার করেছেন—এটি আপনার দেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনার এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। আপনার পদক্ষেপগুলো আগামী বহু বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার পরিস্থিতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলবে।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশে বিদ্যমান জরুরি মানবাধিকার চ্যালেঞ্জগুলো আপনার দৃষ্টি আকর্ষণে আমরা নয়টি অধিকারভিত্তিক সংগঠনের পক্ষ থেকে লিখছি। আপনার দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো এবং আগের অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো আমরা স্বাগত জানাই, যা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে মানবাধিকার সুরক্ষা জোরদার হবে।

উদাহরণস্বরূপ, জোরপূর্বক গুমের ঘটনা তদন্ত, বিচার ও প্রতিরোধের প্রতিশ্রুতি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে এখনো নিখোঁজ অন্তত ২৮৭ জন মানুষের পরিবার উত্তর প্রত্যাশা করে অপেক্ষা করছে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত বিভিন্ন কমিশন মূল্যবান সুপারিশ দিয়েছে, যা আপনার প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পূরণে সহায়ক হবে। মামলার তদন্ত এবং ভবিষ্যৎ নির্যাতন প্রতিরোধে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যদিও শেখ হাসিনা সরকারের সময় সংঘটিত বহু মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ হয়েছে, তবুও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও নির্বিচার ও ব্যাপক আটকসহ কিছু লঙ্ঘন অব্যাহত ছিল। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কিছুটা উন্নত হলেও সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ওপর গ্রেপ্তার ও হামলার কারণে তা ঝুঁকির মধ্যে রয়ে গেছে। জনতার সহিংসতার বৃদ্ধি আইনের শাসনের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে এবং বিশেষত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। এমন এক পরিবেশে নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষিত রাখা জরুরি, যেখানে ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলো তাদের স্বাধীনতা সীমিত করতে চায়।

চিঠিতে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনীও লঙ্ঘন অব্যাহত রেখেছে, যেমন চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল-এ হামলা বা নির্যাতনের ঘটনা। একই সঙ্গে আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে, যারা কক্সবাজার-এর শিবিরগুলো এবং ভাসান চর-এ ঘনবসতিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যেখানে জীবিকা বা শিক্ষার যথাযথ সুযোগ নেই এবং মানবিক সহায়তাও কমে যাচ্ছে।

আমরা উপলব্ধি করি যে, আপনি এমন এক সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন, যখন বড় ধরনের কৌশলগত, বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক চাপ বিদ্যমান। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিও মানবাধিকারের জন্য বিশেষভাবে কঠিন। আন্তর্জাতিক আইনের শাসনের প্রতি সম্মান হুমকির মুখে, অর্থনৈতিক সংকট তীব্র, এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষের অধিকার বিপন্ন। যদিও প্রতিটি সরকারেরই নিজ দেশের সমস্যাগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হয়, তবুও এটি এমন একটি সময় যখন বাংলাদেশের উচিত শুধু দেশের ভেতরেই নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও মানবাধিকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।

চিঠিতে একাধিক সুপারিশ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, আপনার দায়িত্বকালকে ইতিবাচক পরিবর্তনের উত্তরাধিকার হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা আপনাকে আহ্বান জানাই, যার মধ্যে রয়েছে পদ্ধতিগত সংস্কার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। বিশেষ করে, নিচে উল্লিখিত বিষয়গুলোতে আমরা আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই এবং কিছু সুপারিশ উপস্থাপন করছি। সহজ রেফারেন্সের জন্য, মানবাধিকার মানদণ্ড রক্ষায় যেসব আইন ও অধ্যাদেশ সংশোধন বা বাতিল করা সবচেয়ে জরুরি, সেই তালিকা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা যেসব গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ অধিকারকে শক্তিশালী করে এবং সংসদের অনুমোদন প্রয়োজন, তার তালিকাও শেষে দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, আমরা স্বীকার করি, সুপারিশগুলোর এই তালিকা দীর্ঘ মনে হতে পারে। তবে বাংলাদেশের সকল মানুষের অধিকার সুরক্ষার জন্য এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

চিঠিতে স্বাক্ষর করা মানবাধিকার সংগঠনগুলো হলো—অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, আর্টিকেল ১৯, কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস, সিভিকাস: ওয়ার্ল্ড অ্যালায়েন্স ফর সিটিজেন পার্টিসিপেশন, এফআইডিএইচ, ফর্টিফাই রাইটস, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, রবার্ট অ্যান্ড ইথেল কেনেডি হিউম্যান রাইটস সেন্টার এবং টেক গ্লোল ইনস্টিটিউট।

অভিনন্দন নবাগত অ্যাডভোকেট সুমন সরকার জয়কে

জাহিদ হোসেন, চাঁদপুর প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫৩ পিএম
অভিনন্দন নবাগত অ্যাডভোকেট সুমন সরকার জয়কে

আপনি প্রতিটা ধাপে ধাপে বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে অ্যাডভোকেট হওয়ায় হৃদয়ের গভীর থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।

আপনার এই অর্জন শুধু আপনার একার নয়, চাঁদপুর জেলার পুরো পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের জন্য গর্বের একটি মুহূর্ত জীবন।

দীর্ঘ পরিশ্রম, ধৈর্য ও নিষ্ঠার ফল আজ আপনি পেয়েছেন। আল্লাহ আপনার সামনে আরও বড় সাফল্যের দরজা খুলে দিন, ন্যায় ও সত্যের পথে থেকে মানুষের জন্য কাজ করার তৌফিক দান করুন, এই দোয়া করি।
আপনার আগামীর পথ হোক আলোকিত, সুন্দর ও সম্মানময়।

ভালোবাসা ও দোয়া রইলো সবসময়।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হুজরাপুর করনেশন রোড ব্যবসায়ী মালিক সমিতির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে হুজরাপুর করনেশন রোড ব্যবসায়ী মালিক সমিতির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

পবিত্র মাহে রমজান-২০২৬ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে হুজরাপুর করনেশন রোড ব্যবসায়ী মালিক সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকাল ৫টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের হুজরাপুর উদয়ন হল সংলগ্ন আলাউদ্দিন চাইনিজ এন্ড রেস্টুরেন্টে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাদার্স ফার্নিচারের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির সভাপতি মোঃ মতিউর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন মেসার্স রায়হান স্টিলের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল গফুর, নিউ সৌদিয়া স্টিলের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আকবর আলী, রফিক স্টিলের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাইনুল ইসলাম, মেসার্স আহাদ স্টিলের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির কোষাধ্যক্ষ মোঃ মোমিনুল ইসলাম, কারিগর মেটালের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির দপ্তর সম্পাদক ইয়াদুল ইসলাম রনি, তাজ স্টিলের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির প্রচার সম্পাদক মোঃ তাইজুল ইসলাম, ফরহাদ ফার্নিচারের স্বত্বাধিকারী ও সমিতির নির্বাহী সদস্য মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ এবং নকশা কর্নার ফার্নিচারের স্বত্বাধিকারী মোঃ বেলাল হোসেনসহ সমিতির অন্যান্য সদস্যরা। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন জামিয়া ইসলামি মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ রাশেদুল ইসলাম। এ সময় সমিতির কোষাধ্যক্ষ মোঃ মোমিনুল ইসলাম সমিতির আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন করেন এবং সমিতির সকল সদস্যের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়।
ইফতার মাহফিলে সমিতির সদস্যরা পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করার পাশাপাশি ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ঐক্য ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা সরকারের: মিরসরাইয়ে অর্থমন্ত্রী

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৭ পিএম
২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা সরকারের: মিরসরাইয়ে অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে খাল খনন কর্মসূচির প্রস্তাব রয়েছে এবং জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে মিরসরাই উপজেলার বামনসুন্দর এলাকায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, খাল খনন প্রকল্পে দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই। খাল দখলে যত শক্তিশালী দখলদারই থাকুক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি জানান, সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার খনন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মিরসরাইয়ে প্রায় ৩ কিলোমিটার খাল খনন কাজ শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে বাকি কাজ শেষ করা হবে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, খাল পুনঃখনন সম্পন্ন হলে এই অঞ্চলের প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমি নতুন করে চাষাবাদের আওতায় আসবে এবং অতিরিক্ত প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য উৎপাদন সম্ভব হবে। এতে এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নত হবে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা কমবে এবং খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ করা হবে, যা পরিবেশ ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মুহাম্মদ বদিউল আলম সরকার, মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নজির আহমেদ খাঁনসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা।

error: Content is protected !!