মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ খনন

সোনাগাজীর চরচান্দিয়ায় গাছ কেটে পাকা দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:১৫ পিএম | 52 বার পড়া হয়েছে
সোনাগাজীর চরচান্দিয়ায় গাছ কেটে পাকা দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চরচান্দিয়া ইউনিয়নের রসূলপুর এলাকায় এক প্রবাসী পরিবারের ফসলি জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে।

গভীর রাতে ভারী স্কেভেটার এনে জমির মাটি কেটে ট্রাকে করে বিক্রির চেষ্টা এবং গাছ কেটে পাকা দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ইতালি প্রবাসী মাহমুদুল হাসানের পক্ষে তার ভায়রা ভাই মো. আবদুল্লাহ বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দা মরহুম মাওলানা জিয়াউল হকের ছেলে গোলাম মাওলাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে মাহমুদুল হাসানের মালিকানাধীন জমি দখলের চেষ্টা করে আসছিল একটি পক্ষ।

সম্প্রতি সুযোগ বুঝে তারা জোরপূর্বক জমিতে প্রবেশ করে সেখানে থাকা বিভিন্ন গাছ কেটে ফেলে এবং জমির মাটি কেটে বিক্রির উদ্যোগ নেয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল গভীর রাতে একটি ভারী স্কেভেটার এনে প্রবাসীর ফসলি জমিতে মাটি খনন শুরু করে অভিযুক্তরা।

পরে সেই মাটি ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসে।

এতে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা দ্রুত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ডকে বিষয়টি অবহিত করেন।

খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধভাবে মাটি খননের কাজ বন্ধ করে দেন এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে অবৈধ কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এর আগেও অভিযুক্তরা ওই জমিতে থাকা প্রায় ১০ থেকে ১২টি মেহগনি ও নারিকেল গাছ কেটে ফেলেছে।

পাশাপাশি জমির চারপাশে পাকা দেয়াল নির্মাণের কাজও শুরু করে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে দাবি করেছেন জমির মালিক পক্ষ।

প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা জানান, বিদেশে থাকার সুযোগে পরিকল্পিতভাবে তাদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে।

বাদী মো. আবদুল্লাহ বলেন, “আমার ভায়রা ভাই দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে বসবাস করছেন।

তিনি দেশে না থাকায় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি তার জমি দখলের চেষ্টা করছে।

আমরা প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।”

এলাকাবাসীর অনেকেই জানান, প্রবাসী পরিবারের জমি হওয়ায় দখলদার চক্র প্রায়ই এমন সুযোগ নেয়।

তারা প্রশাসনের কাছে এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।

বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে প্রবাসী পরিবারের জমি রক্ষা পাবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

তালাত মাহমুদ বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫০ পিএম
ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

ইসলাম মানুষের বাস্তব সমস্যার বাস্তব সমাধান করতে পেরেছিল । আর তা দেখেই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল । কিন্তু আফসোস প্রকৃত ইসলামের সেই প্রাঞ্চল আদর্শ আজ নেই । ফলে এককালে যে মুসলিমরা অর্ধ দুনিয়াকে ন্যায় শান্তি ও সুবিচার অলংকারে সাজিয়ে তুলেছিল । সেই মুসলিমরাই আজ সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে অবজ্ঞাত, উপেক্ষিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত, অপমানিত,উভ্যাস্ত ,জনগোষ্ঠীতে পরিমিত পরিণিত হয়েছে । ইসলাম অনৈক্য -হানাহানিতে লিপ্ত দাঙ্গাবাজ আরবদের কে ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ করেছিল বংশানুক্রমিক শত্রুতা আর রক্তপাতে নিমজ্জিত আরব জাতিকে একে অপরের ভাই বানিয়ে দিয়েছিল ।বিশৃঙ্খল ও উশৃঙ্খল আরবদের কে, শৃঙ্খলা শিক্ষা দিয়েছিল ইসলাম যাদের জীবন যাপনে এতদিন শৃঙ্খলার কোন লেশমাত্র ছিল না । তারা ইসলামের আদর্শ গ্রহণের পর পুরোপুরি বদলে গিয়েছিল। তাদের ব্যক্তিগত জীবন পারিবারিক জীবন পোশাক আশাক খাদ্য গ্রহণ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সামাজিকতা জাতীয় সাময়িক কর্মকাণ্ডের পুরোটাই ছিল সুশৃংখল ও সুপরিকল্পিত। “চলবে”

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম
রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

জাহিদ হোসেন স্টাফ রিপোর্টার, চাঁদপুর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

চাঁদপুর জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের প্রতিটি বাড়ি যেনো এক একটি সবজি বাগান।

তারা বছরের যে কোনো সময়ের চাইতে শীত মৌসুমে সবজির আবাদ বেশি ফলায়। চরাঞ্চলের মানুষে নিয়মিত এসব সবজি চাষ করে নিজের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারেও বিক্রি করে।

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন চলাঞ্চলের নদী ভাঙা গড়ার খেলায় এক চর থেকে অন্য চরে বসতি স্থাপন করে এসব চরাঞ্চলের মানুষজন। নতুন চরে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন যেখানে তাদের নতুন করে বাড়ি সাজানো হয়। আর সেখানেই গড়ে তুলেন সবজির বাগান। একই সাথে গবাদি পশু ও অন্যান কৃষি উৎপাদন করেন। বর্তমানে চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি দিয়ে শহর অঞ্চলের সবজির একটি অংশ চাহিদা মিটায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিমে চরগুলোর দিকে থাকালে প্রতিটি বাড়ি দেখে মনে হয় যেন সবজির বাগানে ভরপুর। তারা বাড়ির সামনের জমিও ও ঘরের অঙ্গিনায় এসব সবজি চাষ করে জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের বলাশিয়া, শিলার চর, চিরারচর, বেড়া চাক্কি, বাঁশগাড়ি চরে গিয়ে দেখা গেছে পদ্মা-মেঘনা নদীর অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন শাক লতাপাতা লাগিয়ে শহরের চাহিদা মিটায়। কিন্তু শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে গেলে জমিতে সরিষা, মাশকালাই, করলা শশা, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ অন্যান্য শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও বসে নেই এসব উৎপাদনে । প্রতিটি বাড়ি নারীদের হাতের ছোঁয়ায় পরিণত হয় এক একটি সবজি বাগানে ।

এ বিষয়ে জনতা ৭১ টিভির প্রতিবেদক সরেজমিনে গেলে কথা হয় ট্রলারে লোক কিসমত আলীর সাথে। তিনি, বার বার নদী ভাঙ্গনের ফলে নতুন চর জেগে উঠে আর নতুন চরে পলি সমৃদ্ধ মাটিতে এসব সবজির ফলন খুব ভালো হয়।

শীতকালে দেখা যায় চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি ট্রলারে পদ্মা-মেঘনা পাড়ি দিয়ে চাঁদপুর শহরে র পুরান বাজার বৌ বাজারে নিয়ে আসে । শহরের চরাঞ্চলের সবজির চাহিদা বেশী। প্রতি কেজি শিম পাইকারী বিক্রি হয় ২০-২৫ টাকা। প্রতি পিস লাউ ৪০-৫০ টাকা। কুমড়া গড়ে প্রতি পিচ ৪০-৫০ টাকা। এছাড়াও অনেকে কুমড়া, মাশকালাই শাক বিক্রি করেন। শীত মৌসুমে নদীতে মাছ কম পাওয়া যায়। সবজির বিক্রির টাকা কিছুটা হলে আমাদের চরাঞ্চলের লোকদের আয় রোজগার বাড়ে।

তবে এখন কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাড়িতে সবজি এবং জমিতে একাধিক উচ্চ ফলনশীল ফসল উৎপাদনের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।

error: Content is protected !!