মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

মামুনুর রশীদ মামুন

ময়মনসিংহে অবৈধ মদ বিক্রি নিয়ে তোলপাড়

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:১১ পিএম | 44 বার পড়া হয়েছে
ময়মনসিংহে অবৈধ মদ বিক্রি নিয়ে তোলপাড়

ময়মনসিংহ মহানগরীতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত দেশি ও বিদেশি মদের দোকান মাত্র দুইটি হলেও অবৈধভাবে মদ বিক্রির বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৪০ থেকে ৪২ জন ব্যক্তি প্রকাশ্যে বা আড়ালে অবৈধভাবে দেশি ও বিদেশি মদ বিক্রি করে আসছে। ফলে আইন-শৃঙ্খলা,জননিরাপত্তা এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,ময়মনসিংহ নগরীর নাসিরাবাদ এলাকায় একটি দেশি মদের লাইসেন্স এবং একটি বিলাতি (বিদেশি) মদের লাইসেন্স থাকলেও সেই সীমাবদ্ধতার বাইরে নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, চায়ের দোকান, মুদি দোকান ও গোপন আড্ডাকেন্দ্রকে ব্যবহার করে অবাধে মদ বিক্রি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এই অবৈধ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি,একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি নিয়মিতভাবে এসব অবৈধ দোকান থেকে চাঁদা আদায় করে থাকে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিটি দোকান থেকে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ টাকা করে চাঁদা তোলা হয়, যা মাস শেষে বড় অঙ্কের অর্থে পরিণত হয়। অভিযোগ রয়েছে, এই অর্থের একটি অংশ সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু কর্মকর্তা বা প্রভাবশালী মহলের নামে “মাসোয়ারা” হিসেবে আদায় করা হয়—যার কারণে অবৈধ ব্যবসা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,নগরীর কয়েকটি এলাকায় সন্ধ্যার পর প্রকাশ্যেই মদ বিক্রি ও সেবনের ঘটনা ঘটছে। এর ফলে তরুণ সমাজের মধ্যে মাদকাসক্তি বাড়ছে এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে কিছু এলাকায় মদের আড্ডাকে কেন্দ্র করে মারামারি,ছিনতাই,চুরি ও সামাজিক অস্থিরতার ঘটনা ঘটছে বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা। সচেতন মহলের মতে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি না থাকলে এই অবৈধ ব্যবসা আরও বিস্তৃত হতে পারে। তাদের দাবি,নগরীতে বৈধ লাইসেন্সের বাইরে কীভাবে এত বড় আকারে মদের অবৈধ বাজার গড়ে উঠল,তা খতিয়ে দেখতে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা দ্রুত প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ ও কঠোর অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন,“অবৈধ মদ বিক্রির এই নেটওয়ার্ক ভেঙে না দিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।”
সচেতন মহল মনে করছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অবৈধ মদ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, সিন্ডিকেট এবং সম্ভাব্য প্রভাবশালী পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি। অন্যথায় নগরীর সামাজিক পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: সংস্কৃতি মন্ত্রী

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৬ পিএম
নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: সংস্কৃতি মন্ত্রী

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচির আওতায় নড়াইল জেলায় খাল খননের কাজের উদ্বোধন করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৩টায় নড়াইল সদর উপজেলার হাতিয়াড়া খাল খননের কাজের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। এসময় খাল খননে অংশ নেন নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম এবং নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চু।
মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, খাল খননের মাধ্যমে এলাকার কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে। এতে কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং স্থানীয় কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন। সরকার নির্বাচনের আগের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু করেছে। কৃষিখাতকে শক্তিশালী করতে সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
এর আগে বেলা সাড়ে ১২টায় নড়াইল সার্কিট হাউজে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বৈষম্যহীন উন্নয়নে বিশ্বাসী। দেশের প্রতিটি নাগরিকের সেবা করা সরকারের দায়িত্ব। যে ভোট দেয়নি তার জন্যও যেমন কাজ করতে হবে, যে দিয়েছে তার জন্যও তেমন কাজ করতে হবে। দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই হবে রাজনীতির মূল সার্থকতা। এছাড়া মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলবাজীর বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
এসময় জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব মোরশেদ জাফল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার রিজভী জর্জ, জেলা যুবদলের সভাপতি মশিয়ার রহমান, সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফরিদ বিশ্বাসসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রিপন আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিল দখলের চেষ্টা

রিপন আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৩ পিএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিল দখলের চেষ্টা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে চৌধুরী ইসমাঈল সাজ্জাদ জোহাদ ওয়াকফ স্টেটের কুমিরাদহ বিল দখলকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। হামলার ঘটনায় ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের সাতরসিয়া গ্রামে গত ১৫ মার্চ কুমিরাদহ বিলে এ ঘটনা ঘটে। এতে কেউ আহত না হলেও আতঙ্কে রয়েছে এলাকাবাসী । এ ঘটনায় ১২ জনকে আসামি করে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থানায় মামলা করা হয়েছে। এর আগে ১৩ মার্চ দুপুরে একই স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এ নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় নিউজ প্রকাশ হলেও কোন ব্যবস্থা নেননি দাবি এলাকাবাসীর।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, লিজ সূত্রে পাওয়া বিলের মালিক আলফাজ উদ্দীন । রবিবার দুপুরের দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, হাসুয়া কাতা, লাঠি, লোহার রড নিয়ে বিলের, কয়েকটি বাথান ঘর, জাল রাখার ঘর, নৌকা, স্যালো মেশিনসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়।

এ বিষয়ে আলফাজ উদ্দীন বলেন, আমাদের অনেক কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে আমিসহ ৫ শত জেলে পরিবার এই কুমিরাদহ বিলটি লিজ নিয়েছি। অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমাদের বিলে ব্যপক ভাঙচুর ও লুটপাট করে করে। এখন তারা হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। আমরা বিল ছেড়ে না দিলে, আমাদের উপর হামলা করবে, এবং তারা নিজেরাই হত্যা করে সেই মামলায় আমাদের আসামি করবে। শুধু তাই নয় যেকোন ধরনের মাদক, ও অস্ত্র গোলাবারুদ রেখেও আমাদের ফাসানো হতে পারে বলে দাবি করেন আলফাজ উদ্দীন।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, পেশিশক্তি ব্যবহারে বিল দখলকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটছে। গত ১৩ মার্চ, ও ১৫ মার্চ হঠাৎ করে কুমিরাদহ বিলে ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়। এতে এলাকাজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

তিনি আরও বলেন, আমি শিবগঞ্জ সনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা করি কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর বিরুদ্ধে, মামলা নম্বর ২০৯/২৩ , আমার মামলা বাতিলের জন্য ২৪-০৮-২০২৫ ইং সালে আবেদন করেন কাইয়ুম রেজা চৌধুরী, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই মামলার আবেদনটি বাতিল করেন সিনিয়র সহকারী জজ আদালত এবং আমার পক্ষে মামলার আদেশ দেন সিনিয়র সহকারী জজ আদালত, আদেশে বলা হয়েছে, দরখাস্তকারী/বিবাদী পক্ষের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত প্রতিপক্ষের/ বাদীর বিরুদ্ধে দোতরফা সূত্রে বিনা খরচায় না মঞ্জুর করা হল । আদেশে আরও বলা হয়েছে, যে পক্ষ দখলে আছে তারাই দখলে থাকবে। আদেশে উভয় পক্ষকে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। বর্তমানে আলফাজ উদ্দিনের ২০৯/২৩ নম্বর মামলা এখনও চালু রয়েছে।

আলফাজ উদ্দীন আরও বলেন, ১৩ মার্চ ঘটনার পর উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে পাঠান , আমাদের বলেন নিজ নিজ কাগজ দেখাতে, আমি আমার কাগজ পত্র জমা দেওয়ার পরেও আমার বিলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়, এবং তার মেয়ে সাবেক সংরক্ষিত সংসদ সদস্য জারা জাবীন মাহবুব এর ফোনে কয়েকবার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শিবগঞ্জ থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, কুমিরাদহ বিল সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছে। ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়ে তিনি বলেন, ১৩ মার্চ বা ১৫ মার্চ সেখানে কোন ককটেল বিস্ফোরণ হয়নি, লুটপাটের বিষয়ে তদন্তের পর মামলা দায়ের করা হবে বলে জানান তিনি।

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিমের পরিচালক মো: সেলিম রানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৯ পিএম
ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিমের পরিচালক মো: সেলিম রানা

পবিত্র রমজান মাস শেষে মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব Eid al-Fitr উপলক্ষে দেশ ও প্রবাসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশি এবং প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিমের পরিচালক, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মো: সেলিম রানা।
তিনি সৌদি আরব থেকে এক শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে আসে। এই পবিত্র দিনে তিনি দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশি, বিশেষ করে প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।
মো: সেলিম রানা বলেন, প্রবাসে থাকা অনেক শ্রমজীবী মানুষ নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করেন। তাদের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর নেওয়া এবং বিপদে পাশে দাঁড়ানো একজন প্রবাসী হিসেবে নিজের নৈতিক দায়িত্ব মনে করেন তিনি। বিশেষ করে সৌদি আরবে কাজহীন, অসহায় ও বিপদগ্রস্ত প্রবাসীদের সহায়তায় তিনি নিয়মিত মানবিক উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, সমাজের অবহেলিত ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার মূল লক্ষ্য। একজন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী হিসেবে দেশ ও বিদেশে যেখানে অন্যায়, নির্যাতন বা মানবিক সংকট দেখা দেয়, সেখানেই তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন।
প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি উপলব্ধি করেছেন যে, বেকারত্ব ও দারিদ্র্য অনেক সমস্যার মূল কারণ। তাই বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ভুক্তভোগী মানুষের সমস্যা সমাধানে কাজ করাই তার অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
একজন সাধারণ পরিবারে জন্ম নেওয়া মানুষ হিসেবে তিনি বলেন, “আমি গরিবের সন্তান। তাই গরিব ও অসহায় মানুষের কষ্ট আমি খুব কাছ থেকে বুঝতে পারি। মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখাই আমার জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য।”
শেষে তিনি দেশবাসী ও প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পবিত্র Eid al-Fitr আমাদের মাঝে শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করুক। সবাই যেন সুখ, শান্তি ও নিরাপদে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন—এই কামনা করেন তিনি।
ঈদ মোবারক। 🌙🤲

error: Content is protected !!