মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

পাবো তোমায় কবে?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩১ পিএম | 29 বার পড়া হয়েছে
পাবো তোমায় কবে?

তোমার প্রেমে পড়ে আমি
পুড়ে হলাম ছাই ,
তোমায় ছাড়া বাঁচার মতো
কোনো উপায় নাই ।

কাঠ যেমন পুড়ে পুড়ে
কয়লা অবশেষে ,
তোমার প্রেমে তেমনি আমি
দগ্ধ বিদুষী বেশে ।

তোমায় ছাড়া এই জনম
মিথ্যে আমার হবে ,
বিস্বাদ মনের প্রশ্ন শুধু
পাবো তোমায় কবে ?

বসন্তের ঐ প্রথম পাওয়া
তোমার হাতের গোলাপ ,
সাধনায় পূর্ণতা আসে
নয়তো অভিশাপ ।

বসন্তের দাওয়াত রইলো
এসো গোলাপ হাতে ,
কৃষ্ণচূড়ায় রাঙানো ঠোঁটে
আদর দিয়ো সাথে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল: গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে র‍্যাবের অভিযান সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হারুন গ্রেফতার

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল: গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৮ পিএম
গোদাগাড়ীতে র‍্যাবের অভিযান সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হারুন গ্রেফতার

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অভিযান চালিয়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মোঃ হারুন অর রশিদ (৩০)-কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত সোমবার (০৯ মার্চ, ২০২৬) সন্ধ্যা ৭:১৫ মিনিটের দিকে র‍্যাব-৫, সিপিএসসি-এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোদাগাড়ী থানাধীন ‘সারবাংলা ইকো পার্ক’ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।

গ্রেফতারকৃত হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা ছিল। উক্ত মামলায় আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ০১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ০৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই হারুন গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন।

র‍্যাব জানায়, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালিত হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে রাতেই সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মোঃ জাকারিয়া হোসেন

কুড়িগ্রামের উলিপুর বাজারে সোলার ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনে এমপি সালেহীর ব্যক্তিগত অনুদান

মোঃ জাকারিয়া হোসেন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৩ পিএম
কুড়িগ্রামের উলিপুর বাজারে সোলার ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনে এমপি সালেহীর ব্যক্তিগত অনুদান

কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী উলিপুর বাজারে সোলার ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনের জন্য তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৫২ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেছেন। বাজার এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করে নিরাপত্তা ও চলাচল সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুরে উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভিজিএফ কর্মসূচি বাস্তবায়ন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এ অনুদান প্রদান করেন। এ সময় উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক মাহামুদুল হাসান, পৌর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি মাহবুবুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত)-এর হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত তহবিলের এ অর্থায়নে উলিপুর বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সোলার ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা হবে। এতে বাজার এলাকায় রাতের বেলায় আলোকসজ্জা বাড়বে এবং ব্যবসায়ী ও পথচারীদের চলাচল আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, “উলিপুর বাজারে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। সোলার ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা হলে বাজার এলাকায় রাতের বেলায় নিরাপত্তা বাড়বে এবং ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবেন।”

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরাও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বাজার এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর অভাব ছিল। সোলার ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা হলে রাতের বেলায় চলাচল সহজ হবে এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার হবে।

জিকে রউফঃ

সংবাদ প্রকাশের জেরে সেই ওহাব সাংবাদিককে জারজ বলে আখ্যায়িত

জিকে রউফঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৯ পিএম
সংবাদ প্রকাশের জেরে সেই ওহাব সাংবাদিককে জারজ বলে আখ্যায়িত

নীলফামারী সদর উপজেলার লক্ষীচাপ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আ. ওহাবের বিরুদ্ধে দলীয় অফিস নির্মাণের জন্য সংগৃহীত অর্থ আত্মসাৎ, রাস্তার গাছ কেটে বিক্রি করা এবং নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে আব্দুল ওহাবের কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিকেও সাথেও অসৌজন্য মূলক আচরণ ও হুমকি ধামকি প্রদান করে, এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন ধরে লক্ষীচাপ ইউনিয়নে বিএনপির নিজস্ব কোনো দলীয় অফিস নেই। এ কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা ঐক্যবদ্ধভাবে অর্থ সংগ্রহ করে একটি দলীয় অফিস নির্মাণের উদ্যোগ নেন। বিএনপি নেতা শহীদ গোলাম রাব্বানীর বাসস্থানের পাশেই অফিসটি নির্মাণ করা হবে—এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, সংগৃহীত ওই অর্থের দায়িত্বে থাকা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আ. ওহাব দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও দলীয় অফিস নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেননি। বরং তিনি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় বিএনপি কর্মী-সমর্থকেরা আরও অভিযোগ করেন, দলীয় অফিসের টাকা সম্পর্কে জানতে চাইলে আ. ওহাব বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে সাধারণ কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে রাস্তার পাশে থাকা সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করা, সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্নভাবে অর্থ আদায় করা এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি নানা মামলা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে অর্থ আদায় করেছেন।

ইউনিয়নের কয়েকজন প্রবীণ নেতা-কর্মী দাবি করেন, ইউনিয়ন বিএনপির দায়িত্বে থাকলেও অতীতে আ. ওহাবের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে কাজ করার অভিযোগও তোলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতন মহল বলছে, এসব অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। তারা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দলের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এদিকে লক্ষীচাপ ইউনিয়নের বিএনপি নেতা-কর্মীরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আগামী ১ মাসের মধ্যে যদি দলীয় অফিস নির্মাণের দৃশ্যমান উদ্যোগ না নেওয়া হয়, তবে তারা মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবেন। প্রয়োজনে তারা জেলা প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছেও স্মারকলিপি দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অনিয়মমুক্ত একটি রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

এ বিষয়ে আরও চমকপ্রদ তথ্য আসছে দ্বিতীয় প্রতিবেদনে।

 

error: Content is protected !!