চুরি, ছিনতাই, জুয়া, মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং বাল্যবিয়ে সহ অপরাধ ও নিরাপদ, উপজেলা গঠনের লক্ষ্য নিয়ে জলঢাকা থানা এলাকায় নিরাপদ ও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল আলম।
জলঢাকা থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসাবে যোগদান করেই মাদক, জুয়া ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন অফিসার ইনচার্জ নাজমুল আলম এর পর থেকেই বিভিন্ন মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করা হয় বহু চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাচালানীদের
জলঢাকা থানা পুলিশের মাদক বিরোধী এবং প্রকাশ্যে চোরাচালান বাণিজ্যে বাধাগ্রস্থ করা অভিযানকে থামিয়ে দিতে কৌশল অবলম্বন অব্যাহত রেখেছে অপরাধীরা। ওসির কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে নানা অপ-প্রচার চালাতে থাকে বিশেষ একটি কুচক্রী মহল।
ওসি নাজমুল আলম তার নিজ যোগ্যতা, আর দক্ষতায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সচেতন মহল ও সাধারণ এলাকাবাসীর মন জয় করেছেন। সেই সাথে একজন সফল ওসি হিসেবে যত গুণাবলী প্রয়োজন তা তিনি দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। বিশেষ করে চোরাচালান কারবারীদের লাগাম টেনে ধরেছে তাঁর নেতৃত্বে জলঢাকা থানা পুলিশ।
জলঢাকা থানার ওই ওসির নেতৃত্বে থানার অফিসার ফোর্স অপরাধীদের কঠোর হাতে দমন অব্যাহত রেখেছেন। ফলে পুর্বের তুলনায় মামলার সংখ্যা অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। থানা এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে থানা পুলিশের টহল থাকায় অপরাধমূলক কর্মকান্ড অনেকটাই আগের তুলনায় কমেছে বলে জানান এলাকাবাসী। আগে অলিতে গলিতে বিভিন্ন অপরাধীরা হরহামেশাই বিভিন্ন অপরাধে লিপ্ত থাকায় অতিষ্ঠ ছিলো এলাকাবাসী। যেসব এলাকায় অপরাধীদের আড্ডা ছিলো সেসব এলাকার অপরাধীদের আখড়ায় ওসি নাজমুল আলম নিজেই অভিযান পরিচালনা করেছেন।
এলাকাবাসী বলেন, আগের তুলনায় জলঢাকা থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো। থানা পুলিশের টহল বৃদ্ধি করায় অপরাধীদের আনাগোনা কমেছে। প্রতিদিন যদি নিয়মিত থানা পুলিশের তৎপরতা থাকে তাহলে অপরাধীরা অপরাধ কর্মকান্ড করতে সুযোগ পাবে না বলে জানান এলাকার জনসাধারণ।
জলঢাকা থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে (ওসি) হিসেবে যোগদানের পর থেকে থানা এলাকায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভুমিদস্যুতা সহ সকল অপরাধ কমে এসেছে। থানা এলাকায় চুরি, ডাকাতিসহ ছিনতাইয়ের মত অপরাধ তার কঠোর হস্তক্ষেপে সহনশীল পর্যায় রয়েছে। বিভিন্ন অপকর্মে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় এলাকাবাসীর নিকট প্রশংসায় পঞ্চমুখর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম । তবে এক শ্রেনীর লোকজন অপকর্ম করতে না পেরে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এবিষয়ে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজমুল বলেন- জলঢাকা থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতিমধ্যে অনেক অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। থানা পুলিশ এলাকাবাসীকে সেবা প্রদান করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত। অপরাধী যত বড় প্রভাবশালী হউক অপরাধ করলে ছাড় নাই। মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে আমি অপরাধীদের বিরুদ্ধে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, জুয়াড়ী ও সন্ত্রাসীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার জন্য জলঢাকা থানা বাসীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পুলিশকে যদি অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয় তাহলে পুলিশ এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারবে। তাহলে এ দেশ একদিন অপরাধ মুক্ত দেশে রুপান্তরিত হবে।