শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২

তালাত মাহামুদ বিশেষ প্রতিনিধি

মাধবদীতে ধর্ষিত কিশোরী আমেনা হত্যার মূল আসামি সৎ বাবা গ্ৰেফতার

MD. TALAT MAHMUD
MD. TALAT MAHMUD - Special Correspondent, BANGLADESH প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম | 43 বার পড়া হয়েছে
মাধবদীতে ধর্ষিত কিশোরী আমেনা হত্যার মূল আসামি সৎ বাবা গ্ৰেফতার

নরসিংদীর মাধবদী থানার আলোচিত আমেনা হত্যা মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিমের সৎ পিতা মোঃ আশরাফ আলীসহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে ভিকটিমের সৎ পিতা মোঃ আশরাফ আলী (৪০), প্রেমিক নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা (২৮) এবং হযরত আলী (৪০) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।
তদন্তে জানা যায়, নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরার সঙ্গে নিহত আমেনার পূর্ব থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও গড়ে ওঠে। অন্যদিকে, ঘটনার প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে হযরত আলীর বাড়িতে হযরত আলী, এবাদুল, জামান ও গাফফার দলবদ্ধভাবে আমেনাকে ধর্ষণ করে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
পুলিশ জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ভিকটিমের সৎ পিতা আশরাফ আলী তাকে সহকর্মী সুমনের বাড়িতে যাওয়ার পথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন। পরে তিনি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানান, মেয়েটির বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে বিরক্ত হয়ে এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার কারণে তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটান।
নরসিংদী জেলা পুলিশ জানায়, এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় গত ৬ মার্চ আশরাফ আলীকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে প্রেমিক নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরাকে গাজীপুরের মাওনা এলাকা থেকে এবং হযরত আলীকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় ৪ জন ধর্ষকসহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত অন্যান্য আসামিরা হলেন— এবাদুল্লাহ (৪০), গাফফার (৩৭), আহাম্মদ আলী মেম্বার ওরফে আহাম্মদ দেওয়ান (৬৫), ইমরান দেওয়ান (৩২), আইয়ুব (৩০) এবং ইছাহাক ওরফে ইছা (৪০)।
এ ঘটনায় মাধবদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৭/৯(৩)৩০ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩৪১/৩৬১/৩০২/২০১/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মো. আরফান আলী

ঠাকূরগাঁও জেলায় গম শস্য গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার

মো. আরফান আলী, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৫ পিএম
ঠাকূরগাঁও জেলায় গম শস্য গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার

ঠাকূরগাঁও জেলায় পীরগঞ্জ, লোহাগাড়া, সেনুয়া, নাককাটি, কাতিহার, নেকমরদ, রাণীশংকৈল, জাবরহাট, গোগর, শিবগঞ্জ, হরিপূর নামক স্থানে গো-খাদ্য হিসেবে গম শস্য হাট- বাজার ও ভ্যানে করে বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষক অধিক লাভের আশায় গম ফসল খেত ঘাস পাইকারী কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। গম ফসল তোলার অপেক্ষা না করে একই সময়ে দুইবার গম ঘাস হিসেবে বিক্রি যোগ্য। বাজারে পর্যাপ্ত গিনি, পারা, নেপিয়ার, ভূট্রা ঘাস থাকার পরও গম দানাদার খাদ্যশস্য গো-খাদ্য ব্যবহার করা লক্ষ্য করা যায়। এক বিঘা অর্থাৎ ৫০ শতাংশ জমিতে পরিপক্ব অবস্থায় বিক্রি করলে প্রায় ২২ হাজার টাকা পাওয়া যায়। গো খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করলে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা পাওয়া যাচ্ছে। কৃষকের ভাষ্য মতে, গম পাকানোর চাইতে কাঁচা অবস্থায় বিক্রি করা অধিক লাভ।
ঠাকূরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) আলমগীর কবীর জানান,” যেটা কৃষক লাভজনক মনে করে সেটা কৃষক ব্যবহার করে। “
গম বীজ গো-খাদ্য ব্যবহার ফলে রাসায়নিক সার উচ্চ মাত্রা ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশন এর নির্বাহী পরিচালক কবি ও সাংবাদিক জানান অদূর ভবিষ্যতে গম উৎপাদন ব্যহত হলে গম নির্ভরশীল পণ্য দাম বৃদ্ধি, খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে, গম দ্বারা সুজি,বার্লি, সাগু, আটা, ময়দা, প্রস্তুত করা হয়।

চাটমোহরে পুকুর খননের সময় মাটির নিচে মিলল প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি

খালিদ হাসান,স্টাফ রিপোর্টার,উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৭ পিএম
চাটমোহরে পুকুর খননের সময় মাটির নিচে মিলল প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি

পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল এলাকায় পুকুর সংস্কারের কাজ করতে গিয়ে মাটির নিচ থেকে একটি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বাঘলবাড়ি গ্রামের একটি মাঠের পুকুর থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।

‎জানা যায়, সরকারি একটি প্রকল্পের আওতায় পুকুরটি সংস্কারের জন্য ভেকু (খননযন্ত্র) দিয়ে মাটি কাটার সময় শ্রমিকরা মাটির নিচে একটি পাথরের মূর্তি দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।

‎পুকুর খননকাজের দায়িত্বে থাকা গ্রামের বাসিন্দা ইদ্রীস আলী বিষয়টি থানায় ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুসা নাসের চৌধুরী এবং হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আতিকুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে তারা মূর্তিটি উদ্ধার করে নিরাপদে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে মূর্তিটি হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

‎স্থানীয়দের ধারণা, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজিত বিষ্ণু দেবতার এবং এটি অনেক প্রাচীন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই এলাকায় আগে কোনো প্রাচীন মন্দির বা স্থাপনা থাকতে পারে, যার অংশ হিসেবে মূর্তিটি মাটির নিচে চাপা পড়ে ছিল।

‎চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী জানান, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটির উচ্চতা প্রায় চার ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ কেজি। মূর্তিটি ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। আপাতত এটি হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

স্টাফ রিপোর্টারঃ

মুনতাসীর রহমানের প্রথম জন্মদিন আজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৯ পিএম
মুনতাসীর রহমানের প্রথম জন্মদিন আজ

আজ ৭ মার্চ ২০২৬, সাংবাদিক মোঃ মিজানুর রহমান মিলনের একমাত্র পুত্র, আদরের সন্তান ও বংশের গর্ব মোঃ মুনতাসীর রহমান -এর প্রথম জন্মদিন।আজ তার ১ বছর পূর্ণ হলো ।আজকের এই দিনে সকলের কোল উজার করে পৃথিবীর আলোবাতাস দেখেছেন তিনি ।

তার এই জন্মদিনে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা মুনতাসীরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন। সবাই মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন—তিনি যেন সুস্থ, দীর্ঘায়ু ও নেককার বান্দা হিসেবে গড়ে ওঠেন।

মুনতাসীরের বাবা-মা দোয়া চেয়ে বলেন, “আমাদের সন্তান যেন বড় হয়ে একজন আলেম, রাসূল (সঃ)-এর অনুসারী ও সমাজের উপকারে আসা একজন আদর্শ মানুষ হতে পারে—এই আমাদের কামনা।”

আজকের এই শুভ দিনে সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিলনের পক্ষ থেকে দেশবাসী ও সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর প্রতি রইল সালাম ও দোয়ার অনুরোধ ।

error: Content is protected !!