রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২
রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২

সাংবাদিক নির্যাতনমুক্ত বাংলাদেশ চাই — বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)।

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:০৫ পিএম | 66 বার পড়া হয়েছে
সাংবাদিক নির্যাতনমুক্ত বাংলাদেশ চাই — বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)।

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

এম. এ আরিফ চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টার:-

সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ, পেশাগত দায়িত্ব পালনে পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সত্য প্রকাশের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করে একটি নির্যাতনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)। সংগঠনটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, দেশে প্রতিনিয়ত সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা হামলা, মিথ্যা মামলা, হুমকি, হয়রানি ও নানা ধরনের চাপের শিকার হচ্ছেন—যা স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে বড় বাধা এবং গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি (রোববার) সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান সেলিম রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করেন। তাদের নির্ভীক, বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন রাষ্ট্র ও সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেক সাংবাদিককে শারীরিক হামলা, মিথ্যা মামলা, ক্যামেরা ভাঙচুর, মানসিক নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সত্য প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিক যেন হয়রানির শিকার না হন—এটি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক, মানবিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের, সংবাদ সংগ্রহে বাধা প্রদান, শারীরিক হামলা কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শন কোনো সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এসব ঘটনার ফলে একদিকে যেমন সংবাদকর্মীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের তথ্য জানার মৌলিক অধিকারও ক্ষুণ্ন হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমই জনগণের কণ্ঠস্বর। সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ না থাকলে দুর্নীতি, অনিয়ম, সন্ত্রাস, দখলবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাধাগ্রস্ত হয় এবং রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের গতিও মন্থর হয়ে যায়। তাই সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত, কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।

সংগঠনটি মনে করে, সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা না হলে এ ধরনের ঘটনা ক্রমেই বৃদ্ধি পাবে এবং একটি ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি হবে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইনগত সহায়তা, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আহত বা নির্যাতনের শিকার সাংবাদিকদের জন্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

বিসিপিসি নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মরত সাংবাদিকরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। সীমিত সুযোগ-সুবিধা, ন্যূনতম নিরাপত্তা এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা সমাজের অনিয়ম, দুর্নীতি ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন। কিন্তু অনেক সময় প্রভাবশালী মহলের চাপে তাদের সংবাদ প্রকাশে বাধা দেওয়া হয়, এমনকি মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে পেশাগতভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয়। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি সাংবাদিকবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা, তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়ন, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য পৃথক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট সব মহলকে সাংবাদিকদের প্রতি সহনশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির মতে, সাংবাদিক নির্যাতনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হলে তা শুধু সাংবাদিক সমাজের জন্য নয়, পুরো জাতির জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে আনবে। কারণ স্বাধীন ও নিরাপদ সাংবাদিকতা মানেই স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং উন্নয়নের পথ সুগম হওয়া। একটি সত্যভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন সত্য প্রকাশের পরিবেশ নিশ্চিত করা। আর সেই পরিবেশ তৈরি করতে হলে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিতে হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে।

বিসিপিসি আশা প্রকাশ করে যে, বর্তমান সরকার সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে এবং দেশের সব পর্যায়ে একটি নিরাপদ সাংবাদিকতা পরিবেশ গড়ে তুলবে। একই সঙ্গে সাংবাদিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন, সুশীল সমাজ ও সচেতন নাগরিকদের এই ন্যায়সঙ্গত দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংগঠনটি স্পষ্টভাবে জানায়—“সাংবাদিক নির্যাতনমুক্ত বাংলাদেশ” শুধু একটি দাবি নয়; এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য শর্ত। সাংবাদিকরা নিরাপদ থাকলে সত্য নিরাপদ থাকবে, আর সত্য নিরাপদ থাকলে দেশ এগিয়ে যাবে উন্নয়ন, সুশাসন ও ন্যায়বিচারের পথে।

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মহল থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের প্রশাসন পর্যন্ত সকলের সম্মিলিত উদ্যোগেই গড়ে উঠতে পারে এমন একটি বাংলাদেশ—যেখানে কলম থামবে না, সত্য চাপা পড়বে না, এবং সাংবাদিকরা নির্ভয়ে মানুষের কথা বলতে পারবেন। নিরাপদ সাংবাদিকতা মানেই শক্তিশালী গণতন্ত্র; আর শক্তিশালী গণতন্ত্রই একটি সমৃদ্ধ, মানবিক ও উন্নত বাংলাদেশের ভিত্তি।

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে সিএইচসিপির বিরুদ্ধে মাটি ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে

নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪৮ এএম
সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে সিএইচসিপির বিরুদ্ধে মাটি ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে

জানা যায় উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের সোনামুখী গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে ভানুডাঙ্গা নদী খননের মাটি নিলামে ক্রয় করেন।

নিলামে ক্রয়কৃত মাটি বিক্রি করতে গেলে ভানুডাঙ্গা গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে ও ভানুডাঙ্গা কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি বুলবুল আহমেদ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।

চাঁদার টাকা দেওয়ার পরও কিছু টাকা বাকি থাকায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার বিকেলে আমিনুল ইসলামের বাড়িতে এসে গালিগালাজ ও হেনেস্তা করেন বলে জানান আমিনুল ইসলাম ও তার ব্যবসায়ী পার্টনার আলাউদ্দিন আহমেদ,

এবিষয়ে ভানুডাঙ্গা কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি বুলবুল আহমেদের সাথে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব-এর উদ্যোগে এক হাজার রোজাদারের মাঝে ইফতার বিতরণ

মোঃ মিজানুর সরকার বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৫:০০ এএম
বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব-এর উদ্যোগে এক হাজার রোজাদারের মাঝে ইফতার বিতরণ

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সংযম, সহমর্মিতা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব। সংগঠনটির সভাপতি ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত-এর সম্পাদক খান সেলিম রহমান এবং মোহাম্মদ রমজান সরকারের উদ্যোগে মাতৃজগত পরিবারের আয়োজনে এক হাজার রোজাদারের মাঝে ইফতার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাজধানীর মিরপুর-এ বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি খান সেলিম রহমান। বিকেল থেকেই কার্যালয় প্রাঙ্গণে রোজাদারদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন ও ধর্মীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে খান সেলিম রহমান বলেন,

“রমজান মাস আমাদের সংযম, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়। এই মাস কেবল রোজা রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং অসহায়, দুঃস্থ ও রোজাদার মানুষের পাশে দাঁড়ানোই রমজানের প্রকৃত তাৎপর্য। সমাজের সামর্থ্যবানদের উচিত মানবকল্যাণে এগিয়ে আসা। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক সমাজ কেবল সংবাদ পরিবেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ সেই দায়িত্ববোধেরই বহিঃপ্রকাশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরঙ্গজেব কামাল। তিনি বলেন,

“এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়। সাংবাদিকদের সংগঠন যখন মানবিক কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা রাখে, তখন তা সমাজের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও অনুপ্রাণিত করে। রমজান আমাদের ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহমর্মিতার বন্ধনে আবদ্ধ করে।”

তিনি সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করার আহ্বান জানান এবং আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব আবদুর রব মিয়া এবং সাংবাদিক সুরক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন,

“সাংবাদিক সমাজ শুধু কলমের মাধ্যমে নয়, মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পারে। আজকের এই আয়োজন তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। রমজানের শিক্ষাকে ধারণ করে আমাদের সবাইকে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।”

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহিদুল হাসান সরকার, সহ-সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন বাবু, দৈনিক জন জাগরণ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক এবং মিরপুর প্রেসক্লাব-এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন, দৈনিক খবর বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ জাকির মোল্লা, মিরপুর প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস. এম. বদরুজ্জামান, মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন , মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুন্নবী ফরাজী মুক্তার, যুগ্ম আহ্বায়ক জুয়েল শিকদার, মোঃ বাবুল, জাহিদুল ইসলাম ও হারুন অর রশিদ জিন্নাহ। সিনিয়র সাংবাদিক লালন।

এছাড়াও বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মোঃ মাহবুব উদ্দিন। সাংগঠনিক সম্পাদক ভূইয়া কামরুল হাসান সোহাগ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুর রহমান ও মোঃ সুমন খান, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন মুন্না প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ঢাকা উত্তর শাখার ব্যুরো প্রধান এস. এম. রফিকসহ মোঃ রাকিবুল ইসলাম, মোঃ তন্ময় চৌধুরী, মোঃ রিবণ রায়হান, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম রাজু, মোঃ আতাউর রহমান এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

দোয়া ও মোনাজাত

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়ায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, দেশের স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং জনগণের সার্বিক মঙ্গল কামনা করা হয়। উপস্থিত সকলেই আমিন ধ্বনিতে অংশ নেন।

ইফতার বিতরণ শেষে অতিথি ও রোজাদাররা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে একসঙ্গে ইফতার গ্রহণ করেন। খেজুর, ফলমূল, পানি, শরবত ও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আয়োজকদের আন্তরিকতা প্রকাশ পায়।

বৃহত্তর মিরপুর এলাকার সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে এক আন্তরিক, ধর্মীয় ও মানবিক আবহে। রমজানের পবিত্রতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগ উপস্থিত সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

মোঃ ফজলুল কবির গামা ঝিনাইদহ

ধর্ষণের অপরাধীদের কোনো ধরনের রাজনৈতিক পরিচয় বা আশ্রয়-প্রশ্রয় পাওয়ার সুযোগ থাকবে না

মোঃ ফজলুল কবির গামা ঝিনাইদহ প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৭ পিএম
ধর্ষণের অপরাধীদের কোনো ধরনের রাজনৈতিক পরিচয় বা আশ্রয়-প্রশ্রয় পাওয়ার সুযোগ থাকবে না

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সংসদ সদস্য ও কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, “ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা তাদের সহযোগী ও আশ্রয়দাতাদের ছাড় দেওয়া হবে না। না। আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের দ্রুততম সময়ে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি চারণ করে মন্ত্রী বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের তাজা রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন সরকার ও নির্বাচন পেয়েছি। এই শহীদদের আত্মা কষ্ট পায় বা তাদের অমর্যাদা হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড এই সরকার মেনে নেবে না।” তিনি আরও জানান, “গণঅভ্যুত্থানে যারা অপরাধ করেছে, তাদের প্রত্যেকের বিচার নিশ্চিত করা হবে।”

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন,অন্তবর্তীকালীন সরকারের আমলে জনস্বার্থে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ আগামী জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই বিল আকারে পেশ করা হবে। এছাড়া চাঞ্চল্যকর নরসিংদীর ধর্ষণ মামলা ও ঝিনাইদহের শিশু তাবাসসুম হত্যা মামলা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিচার করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। প্রকল্পের একটি পয়সাও কেউ কমিশন হিসেবে নিতে পারবে না।
সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণে কোনো প্রকার আপস করা হবে না। অনিয়ম করলে ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবুবকর, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালেব, জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ এবং পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল সহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতম কর্মকর্তারা।

পরিশেষে তিনি বলেন, “ঝিনাইদহে যারা চাঁদাবাজি, দলাদলি বা সাধারণ মানুষকে হুমকি দেবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার ও বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর অবস্থান নেবে।”

error: Content is protected !!