শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

একনেকে ২৪ হাজার কোটি টাকার ৪ প্রকল্প অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪, ৫:০১ পিএম | 132 বার পড়া হয়েছে
একনেকে ২৪ হাজার কোটি টাকার ৪ প্রকল্প অনুমোদন

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভা (একনেক) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সভায় ২৪ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সোমবার (৭ অক্টোবর) একনেক সভাশেষে পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, একনেক সভায় ২৪ হাজার ৪১২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে অর্থায়ন হবে ৭ হাজার ৭৪৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আর বিদেশি ঋণ ও অনুদান ১৬ হাজার ১২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৬৫৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে ভূঞাপুরে অসহায়দের পাশে জলিল খান শাড়ি, লুঙ্গি, নগদ অর্থ ও ঈদ সামগ্রী বিতরণে মানবিক উদ্যোগ

খন্দকার আউয়াল ভাসানী টাঙ্গাইল প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে ভূঞাপুরে অসহায়দের পাশে জলিল খান  শাড়ি, লুঙ্গি, নগদ অর্থ ও ঈদ সামগ্রী বিতরণে মানবিক উদ্যোগ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে গরিব, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জলিল খান।

শুক্রবার (২০ মার্চ) দিনব্যাপী আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শাড়ি, লুঙ্গি, নগদ অর্থসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে বিপুল সংখ্যক অসহায় মানুষ অংশগ্রহণ করেন এবং সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বিতরণ অনুষ্ঠানে মোঃ জলিল খান বলেন,

“ঈদ মানেই আনন্দ, আর সেই আনন্দ তখনই পরিপূর্ণ হয় যখন তা সবার মাঝে ভাগাভাগি করা যায়। সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সবসময় এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি।”

তিনি আরও বলেন,

“মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রমই রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থাকাই একজন দায়িত্বশীল কর্মীর পরিচয়। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ভূঞাপুর পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল খান বলেন,

“ঈদ শুধু ধনী-গরিবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি সকল মানুষের জন্য আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। সমাজের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। মোঃ জলিল খানের এই মানবিক কার্যক্রম আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।”

তিনি আরও বলেন,

“রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণে কাজ করা। আমরা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই, তাহলে সমাজে বৈষম্য অনেকটাই কমে আসবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম আরও ব্যাপকভাবে চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব।”

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভূঞাপুর পৌরসভার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিন্টু তরফদার এবং ভূঞাপুর উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি মোছাঃ সেলিনা তরফদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিএনপির নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এলাকাবাসী এ উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ঘরে ফেরা মানুষের অনুভূতি

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
ঘরে ফেরা মানুষের অনুভূতি

শিকড়ের টানে ঘরমুখী মানুষের ঘরে ফেরার অনুভূতি নিয়ে গান গাইলেন সংগীতশিল্পী নাবিলা নূর কুহু। গানের শিরোনাম ‘ফেরা’। গানের কথা লিখেছেন শিল্পী কুহু নিজেই। সংগীতায়োজন করেছেন অটমনাল মুন। সম্প্রতি কুহুর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল, স্পটিফাই ও অন্যান্য স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে গানটি প্রকাশিত হয়েছে।

নতুন এই গান নিয়ে নাবিলা নূর কুহু বলেন, ‘আমার গানের কথা ও সুরে সাধারণত নস্টালজিয়া, অপেক্ষা এবং নগরজীবনের নানা অনুভূতি প্রতিফলিত হয়। ফেরা গানটিতেও ফিরে আসার আবেগ ও স্মৃতিমাখা অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। ঘর ছেড়ে দূরে থাকা মানুষের মনে যে নস্টালজিয়া জন্ম নেয় ও দীর্ঘদিন পর নিজের ঘরে কিংবা দেশে ফেরার যে আবেগ ও অনুভূতি, তা ধারণ করেই তৈরি হয়েছে গানটি।’

নাবিলা নূর কুহু। ছবি: সংগৃহীত
নাবিলা নূর কুহু। ছবি: সংগৃহীত

ছায়ানট থেকে নজরুলগীতিতে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জনের মাধ্যমে শিল্পী নাবিলা নূর কুহু তাঁর সংগীত শিক্ষা সম্পন্ন করেন। এ ছাড়া তিনি শুদ্ধ সংগীতের তালিম নিয়েছেন অনুপ বডুয়ার কাছে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবেও দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি নিজের মৌলিক গান নিয়ে কাজ শুরু করেছেন, যার অধিকাংশের কথা ও সুর তাঁর নিজের করা।

ঈদুল ফিতরে যেসব আমল করতেন নবীজি (সা.)

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫২ এএম
ঈদুল ফিতরে যেসব আমল করতেন নবীজি (সা.)

ঈদ মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব। তাই কোরআন-হাদিসের নির্দেশনা মেনে ঈদের আমেজে মেতে ওঠা উচিত। নবী করিম (সা.) যেভাবে ঈদ পালন করতেন, তা হতে পারে আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্য রাসুলের অনুসরণের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা আহজাব: ২১)

সুলতানি  ও মোগল আমলের ঈদ উৎসব

প্রিয় নবীর (সা.) দেখানো পথে যদি আমাদের ঈদটি সাজাতে পারি, তাহলে আনন্দের পাশাপাশি আল্লাহর সন্তুষ্টিও অর্জন সম্ভব। ঈদকেন্দ্রিক রাসুল (সা.)-এর আমলগুলো জেনে নেওয়া যাক—

চাঁদ দেখে ঈদ পালন

যান্ত্রিক জীবনে আমরা ঈদের চাঁদ দেখার আনন্দ ভুলে গেছি বললেই চলে। অথচ ঈদের চাঁদ দেখা সুন্নত। নবী করিম (সা.) চাঁদ দেখে ঈদ করার কথা বলেছেন।

ঈদের নতুন চাঁদ দেখে রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়া পড়তেন, ‘আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল-য়ুমনি ওয়াল ইমানি, ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি, রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি আমাদের জন্য এই চাঁদ সৌভাগ্য ও ইমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদিত করুন। আল্লাহই আমার ও তোমার রব। (সুনানে তিরমিজি: ৩৪৫১)

চাঁদরাতের ইবাদত

চাঁদরাত তথা ঈদের রাত সাধ্যমতো নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার, দোয়া-দরুদ ইত্যাদির মাধ্যমে কাটানো উচিত। এ রাতের ইবাদতের অনেক ফজিলত।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ঈদুল ফিতরের রাতে (ইবাদতের মাধ্যমে) জাগ্রত থাকবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে। (আত তারগিব: ১৬৫৬)

নবীজি (সা.) আরও বলেন, যে দুই ঈদের রাতে আল্লাহর কাছে সওয়াব পাওয়ার নিয়তে ইবাদত করবে, তার হৃদয় সেদিনও জীবিত থাকবে, যেদিন সকল হৃদয়ের মৃত্যু ঘটবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৭৮২)

ঈদগাহে যাওয়ার প্রস্তুতি

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) ঈদের দিন গোসল করতেন। (সহিহ বুখারি)। নবীজি (সা.) ও তাঁর সাহাবিরা ঈদের দিন তাঁদের সবচেয়ে সুন্দর পোশাকটি পরিধান করতেন। (ফাতহুল বারি)। তাই ঈদের দিন সাধ্য অনুযায়ী উত্তম পোশাক পরিধান করা সুন্নত।

আনাস (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) ঈদুল ফিতরের দিন সকালে কিছু খেজুর খেতেন। অন্য এক বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি বিজোড়সংখ্যক খেজুর খেতেন। (সহিহ বুখারি)

ওয়াজিব সদকাতুল ফিতর যদি আদায় করা না হয়, তাহলে ঈদগাহে যাওয়ার আগেই তা আদায় করা উচিত। নিজ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের পক্ষ থেকে এই সদকা আদায় করতে হয়।

ঈদগাহে যাওয়ার সুন্নত

রাসুলুল্লাহ (সা.) ঈদুল ফিতরের দিন ঘর থেকে বের হয়ে ঈদগাহে পৌঁছানো পর্যন্ত তাকবির বলতেন। (মুসতাদরাকে হাকেম: ১১০৬)। ঈদগাহে এক রাস্তা দিয়ে যেতেন এবং অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরতেন। (সহিহ বুখারি)। এ ছাড়া তিনি হেঁটে ঈদগাহে যেতেন এবং হেঁটে ঈদগাহ থেকে ফিরতেন। (সুনানে তিরমিজি)

ঈদে শিশুদের সঙ্গ দেওয়া

ঈদের দিন শিশুদের সময় দেওয়া এবং তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা উচিত। ঈদগাহে যাওয়ার সময় শিশুদের সঙ্গে নেওয়া সুন্নত। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) দুই ঈদের দিন ঈদগাহে যাওয়ার সময় ফজল ইবনে আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস, আব্বাস, আলী, জাফর, হাসান, হুসাইন, উসামা ইবনে জায়েদ, জায়েদ ইবনে হারিসা ও আয়মান ইবনে উম্মে আয়মানকে সঙ্গে নিয়ে উচ্চ স্বরে তাকবির পাঠ করতে করতে বের হতেন। (বায়হাকি)

error: Content is protected !!