শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

ঈদ উপলক্ষে জনগণকে শুভেচ্ছা ও সচেতনতার আহ্বান এসপি কামরুল হাসানের

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৭ এএম | 29 বার পড়া হয়েছে
ঈদ উপলক্ষে জনগণকে শুভেচ্ছা ও সচেতনতার আহ্বান এসপি কামরুল হাসানের

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান জেলার সকল পুলিশ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন। ঈদুল ফিতর আনন্দ,শান্তি ও সহমর্মিতার বার্তা নিয়ে আসে। দীর্ঘ এক মাসের সংযম ও আত্মশুদ্ধির পর এই পবিত্র উৎসব আমাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও দৃঢ় করে। এই উপলক্ষে তিনি সকলের সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বলেন,জেলা পুলিশ সর্বদা জনগণের নিরাপত্তা ও সেবায় নিয়োজিত। ঈদের সময় যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারে এবং নিরাপদে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে,সে জন্য ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করছে। যানজট নিয়ন্ত্রণ,গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল বৃদ্ধি এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন,শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে জনগণ ও পুলিশের পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই যদি সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণ করে,তবে একটি নিরাপদ ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি জেলা পুলিশের সকল সদস্যের কঠোর পরিশ্রম ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একইসাথে তাদের পরিবারসহ সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
সবশেষে,তিনি ময়মনসিংহবাসীসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকলকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন—“ঈদ মোবারক। সবার জীবন সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক।”

দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি-খুলনা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৯ এএম
দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

আজ বৃহস্পতিবার ২৯ শে রমজান স্থানীয় উপজেলা মোড় খান ফার্মেসীতে দিঘলিয়া উপজেলার এস এস সি ৯৩ ব্যাচের উপস্থিতিতে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করে দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের আহবায়ক শেখ শামীমুল ইসলাম এবং পরিচালনা করে দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের সদস্য সচিব মোঃ ইব্রাহিম শেখ, উপস্থিত ছিল উপজেলা ব্যাচ ৯৩ এর উপদেষ্টা আলী রিয়াজ কচি,ব্যাংকার বন্ধু মোঃ মাসুদ রানা,মোঃ রবিউল ইসলাম মোড়ল,মোল্লা সালাউদ্দিন, মোঃ ররি, মোঃ মিজানুর রহমান, মোল্লা হাবিবুর রহমান, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ করির,মোঃ আমান,মোঃ কওসার হোসেন বিদ্যুৎ, খান শহীদ, মোঃ কুদ্দুস মোল্লা, মোঃ জিয়াউর রহমান, এ্যাডঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ মিলন শেখ, আহাদ গাজী, আরো অনেকে, ইফতার মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করে বন্ধু খান শহীদ প্রমুখ,মাগরিবের নামাজের শেষে আবারও উক্ত স্থানে ৯৩ বন্ধুদের নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয় সভায় সিদ্ধান্ত হয় – ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিনে রোজ সোমবার ২৩ শে মার্চ স্থানীয় দিঘলিয়া এম এ মজিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে ঈদ পূর্ণ মিলনীর আয়োজন করা হবে, ঈদ পূর্ণ মিলনিতে সকল ৯৩ বন্ধুরা তাদের পরিবারের সকল সদস্য কে নিয়ে বিকাল ৫ ঘটিকায় বিদ্যালয়ের মাঠ উপস্থিত হবে এবং ঈদ পূর্ণ মিলনী রাত ১০ টা পর্যন্ত একটানা চলবে বিভিন্ন আয়োজনের ব্যবস্থা করা হবে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গান,আবৃত্তি, বল বিতরণ,ছোট নাটিকার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবে।

জ্ঞানের প্রকার ভেদ

জ্ঞানের প্রকার ভেদ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:২০ এএম
জ্ঞানের প্রকার ভেদ

জ্ঞান দুই প্রকারঃ- আল্লাহর দেওয়া জ্ঞানের নামই অর্পিত জ্ঞান ও অর্জিত জ্ঞান বলা হয় বই , খাতা কলম শিক্ষার প্রতিষ্ঠান থেকে যেই

মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি কুলের সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী হিসেবে সৃষ্টি করেন
এবং জ্ঞান- একটা শক্তি। এই শক্তি জ্ঞান- একটা শক্তি। এই শক্তি মানুষের ভেতরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। একে জাগ্রত করাই প্রত্যেক সত্তার প্রথম কর্তব্য। কেউ তা জাগ্রত করে কেউ করে না। যার জ্ঞান জাগ্রত হয় সে এই জ্ঞান দিয়ে সত্য-মিথ্যা নিরুপণ করে অতঃপর সত্যের পথ অবলম্বন করে।
.
জীবন তো চলমান, বহমান। এক মুহূর্ত সে থামে না। এই চলমান জীবনে জ্ঞানের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে যত সম্মুখে অগ্রসর হয় তত তার জীবন উজ্জল হয়। চলতে চলতে একটা পর্যায়ে সে পরম সত্যে বিলীন হয় অর্থাৎ মার্গে পৌঁছে।
.
যে সত্তা সর্বাবস্থায় ন্যায়-অন্যায়ের দ্বন্দ্বে ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করল সে সত্তাই প্রকৃত শক্তির অধিকারী অর্থাৎ জ্ঞানী। যে সমাজে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্নীত হয় না সে সমাজই অন্ধকার, জাহেলী সমাজ। এমন স্থিতি যখন উপস্থিত হয় তখন হয় সেই জাহেলি সমাজ পরিত্যাগ করতে হবে নয়তো সেটা ধ্বংস করে নতুন সমাজ নির্মাণ করতে হবে। এই নবনির্মাণে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা উচিত জ্ঞানী ব্যক্তিদের। সত্তার প্রথম কর্তব্য। কেউ তা জাগ্রত করে কেউ করে না। যার জ্ঞান জাগ্রত হয় সে এই জ্ঞান দিয়ে সত্য-মিথ্যা নিরুপণ করে অতঃপর সত্যের পথ অবলম্বন করে।
.
জীবন তো চলমান, বহমান। এক মুহূর্ত সে থামে না। এই চলমান জীবনে জ্ঞানের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে যত সম্মুখে অগ্রসর হয় তত তার জীবন উজ্জল হয়। চলতে চলতে একটা পর্যায়ে সে পরম সত্যে বিলীন হয় অর্থাৎ মার্গে পৌঁছে।
.
যে সত্তা সর্বাবস্থায় ন্যায়-অন্যায়ের দ্বন্দ্বে ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করল সে সত্তাই প্রকৃত শক্তির অধিকারী অর্থাৎ জ্ঞানী। যে সমাজে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্নীত হয় না সে সমাজই অন্ধকার, জাহেলী সমাজ। এমন স্থিতি যখন উপস্থিত হয় তখন হয় সেই জাহেলি সমাজ পরিত্যাগ করতে হবে নয়তো সেটা ধ্বংস করে নতুন সমাজ নির্মাণ করতে হবে। এই নবনির্মাণে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা উচিত জ্ঞানী ব্যক্তিদের।

মোঃ তালাত মাহামুদ
বিশেষ প্রতিনিধি
“দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ পত্রিকা”

ঈদযাত্রা—আনন্দের পথে যেন না নামে বিষাদের ছায়া

এম এস শ্রাবন মাহমুদ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৭ এএম
ঈদযাত্রা—আনন্দের পথে যেন না নামে বিষাদের ছায়া

ঈদ মানেই আনন্দ, ভালোবাসা আর আপনজনের কাছে ফেরার এক অনন্য অনুভূতি।

বছরের ব্যস্ততা, কর্মজীবনের ক্লান্তি আর শহরের যান্ত্রিক জীবন পেছনে ফেলে এই একটি সময়েই মানুষ ছুটে যায় নিজের শেকড়ে-গ্রামের বাড়িতে, মা-বাবার কাছে, শৈশবের স্মৃতির কাছে।
কেউ রেলপথে, কেউ সড়ক পথে, আবার কেউ নদীপথে-সব পথ যেন মিলিত হয় একটাই গন্তব্যে: প্রিয়জনের কাছে ফেরা।
কিন্তু এই আনন্দযাত্রাই কখনো কখনো পরিণত হয় দুঃখ আর শোকে। শুধু একটু অসাবধানতা, একটু তাড়াহুড়া, কিংবা নিয়ম অমান্য করার প্রবণতা-এগুলোই কেড়ে নিতে পারে একটি পরিবারের হাসি, একটি জীবনের মূল্য।
প্রতিবছর ঈদের সময় আমরা দেখি অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ।
ট্রেনের ছাদে ঝুঁকি নিয়ে ভ্রমণ, লঞ্চে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহন, বাসের ছাদে উঠা কিংবা দরজায় ঝুলে যাত্রা-এসব দৃশ্য যেন এখন স্বাভাবিক হয়ে গেছে।
অথচ এই “স্বাভাবিক” বিষয়গুলোই সবচেয়ে বড় অস্বাভাবিক বিপদের কারণ।
একটু ভাবুন—আপনি যে যাত্রা শুরু করেছেন, সেটি আপনার জন্য শুধু একটি সফর নয়; আপনার পরিবার, আপনার প্রিয়জনদের কাছে এটি আপনার ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি। আপনার মা অপেক্ষা করছেন, সন্তানেরা অপেক্ষা করছে, প্রিয় মানুষটি অপেক্ষা করছে।
আপনার একটি ভুল সিদ্ধান্ত, একটি অসতর্ক পদক্ষেপ তাদের জীবনে চিরস্থায়ী শোক বয়ে আনতে পারে।
সুশৃঙ্খলভাবে যানবাহনে ওঠা, অতিরিক্ত ভিড় এড়িয়ে চলা, নিয়ম মেনে যাত্রা করা—এসব কোনো বড় ত্যাগ নয়, বরং নিজের জীবনকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব। মনে রাখতে হবে, নিরাপত্তা কোনো বিকল্প নয়, এটি একটি বাধ্যবাধকতা।
বিশেষ করে ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য অসাবধানতায় বিদ্যুতের তার, সেতু কিংবা হঠাৎ ঝাঁকুনিতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। একইভাবে লঞ্চ বা নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী হওয়া মানেই ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া।
আমরা অনেকেই ভাবি-“আমার কিছু হবে না”-কিন্তু দুর্ঘটনা কখনো কাউকে বলে আসে না।

ঈদের আনন্দ কেবল গন্তব্যে পৌঁছানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং নিরাপদে পৌঁছানোই প্রকৃত আনন্দ।
তাই যাত্রাপথে একটু ধৈর্য, একটু সচেতনতা এবং একটু মানবিকতা—এই তিনটি জিনিসই পারে একটি সুন্দর ঈদ নিশ্চিত করতে।
চলুন, আমরা নিজেরা সচেতন হই, অন্যকেও সচেতন করি।
পরিবারের কথা ভাবি, নিজের জীবনের মূল্য বুঝি। কারণ একটি নিরাপদ যাত্রাই পারে ঈদের আনন্দকে পূর্ণতা দিতে।

আপনার ঈদযাত্রা হোক আনন্দময়, নিরাপদ ও স্বস্তির—বিষাদের নয়।

লেখক- এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, কেন্দ্রীয় সদস্য, (বিটিএসএফ)।

error: Content is protected !!