শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

চাঁদ রাতের নাটক ‘ছায়াসঙ্গী’

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩২ এএম | 46 বার পড়া হয়েছে
চাঁদ রাতের নাটক ‘ছায়াসঙ্গী’

ঈদকে সামনে রেখে চাঁদ রাতে প্রকাশের লক্ষ্যে নির্মাতা সোহেল রাজ বানিয়েছেন নাটক ‘ছায়াসঙ্গী’। রোমান্টিক থ্রিলার গল্পে নির্মিত নাটকটির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার ও সাদনিমা বিনতে নোমান। ছায়াসঙ্গী মুক্তি দেওয়া হবে শুক্রবার চাঁদ রাতে সুস্মিতা আনিস ইউটিউব চ্যানেলে।

নাটকের গল্প লেখা হয়েছে সুলতান নামের একজন কন্ট্রাক্ট কিলারকে ঘিরে। এই চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার। চরিত্রটি একজন কিলার হলেও তিনি কেবল তাদেরই খুন করেন, যারা কেউই সমাজের ভালো মানুষ না। ঘটনাক্রমে সুলতানের পরবর্তী টার্গেটে পরিণত হয় সাদনিমা অভিনীত চরিত্রটি। সুলতান যখন তাঁকে হত্যার মিশনে নামে, তখন একের পর এক ঘটতে থাকে অপ্রত্যাশিত ঘটনা।

খায়রুল বাসার বলেন, ‘কঠিন হৃদয়ের মানুষটিও ভালোবাসা পেলে শুদ্ধ মানুষ হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু এই শুদ্ধ মানুষ হয়ে বেঁচে থাকা অনেক সময় সহজ হয় না। কারণ, সুন্দরকে আগলে রাখা সহজ কাজ নয়। আমাদের সমাজে সুন্দরকে টেনে ধরার বা নষ্ট করার চর্চাটা আছে। এসব বিবেচনায় আমার ভাবনায় ছায়াসঙ্গী ভিন্ন ভাবনার একটি গল্প। এখানে আমি এক বিপ্লবী প্রেমিক। প্রেমিকার ভালোবাসায় যে মানুষটা শুদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করে।’

নির্মাতা সোহেল রাজ জানান, নাটকে অ্যাকশন দৃশ্য রয়েছে। এসব দৃশ্যে ডামি ছাড়া নিজেই শুটিং করেছেন খায়রুল বাসার। প্রচণ্ড জ্বরে পড়লেও শুটিং বন্ধ করেননি বাসার। জ্বর নিয়েই বৃষ্টি ভেজার দৃশ্যে শুটিং করেছেন।

‘ছায়াসঙ্গী’ নাটকটিতে ‘অনেক ভালোবেসে’ শিরোনামের একটি গান ব্যবহার করা হয়েছে। গানটি লিখেছেন সোমেশ্বর অলি; সুর ও সংগীত আয়োজন করেছেন সাজিদ সরকার। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন নিলয় ও সুস্মিতা আনিস। সম্প্রতি গানটি ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে।

 

দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি-খুলনা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৯ এএম
দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

আজ বৃহস্পতিবার ২৯ শে রমজান স্থানীয় উপজেলা মোড় খান ফার্মেসীতে দিঘলিয়া উপজেলার এস এস সি ৯৩ ব্যাচের উপস্থিতিতে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করে দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের আহবায়ক শেখ শামীমুল ইসলাম এবং পরিচালনা করে দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের সদস্য সচিব মোঃ ইব্রাহিম শেখ, উপস্থিত ছিল উপজেলা ব্যাচ ৯৩ এর উপদেষ্টা আলী রিয়াজ কচি,ব্যাংকার বন্ধু মোঃ মাসুদ রানা,মোঃ রবিউল ইসলাম মোড়ল,মোল্লা সালাউদ্দিন, মোঃ ররি, মোঃ মিজানুর রহমান, মোল্লা হাবিবুর রহমান, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ করির,মোঃ আমান,মোঃ কওসার হোসেন বিদ্যুৎ, খান শহীদ, মোঃ কুদ্দুস মোল্লা, মোঃ জিয়াউর রহমান, এ্যাডঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ মিলন শেখ, আহাদ গাজী, আরো অনেকে, ইফতার মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করে বন্ধু খান শহীদ প্রমুখ,মাগরিবের নামাজের শেষে আবারও উক্ত স্থানে ৯৩ বন্ধুদের নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয় সভায় সিদ্ধান্ত হয় – ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিনে রোজ সোমবার ২৩ শে মার্চ স্থানীয় দিঘলিয়া এম এ মজিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে ঈদ পূর্ণ মিলনীর আয়োজন করা হবে, ঈদ পূর্ণ মিলনিতে সকল ৯৩ বন্ধুরা তাদের পরিবারের সকল সদস্য কে নিয়ে বিকাল ৫ ঘটিকায় বিদ্যালয়ের মাঠ উপস্থিত হবে এবং ঈদ পূর্ণ মিলনী রাত ১০ টা পর্যন্ত একটানা চলবে বিভিন্ন আয়োজনের ব্যবস্থা করা হবে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গান,আবৃত্তি, বল বিতরণ,ছোট নাটিকার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবে।

ঈদ উপলক্ষে জনগণকে শুভেচ্ছা ও সচেতনতার আহ্বান এসপি কামরুল হাসানের

মামুনুর রশীদ মামুন: ময়মনসিংহ জেলা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৭ এএম
ঈদ উপলক্ষে জনগণকে শুভেচ্ছা ও সচেতনতার আহ্বান এসপি কামরুল হাসানের

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান জেলার সকল পুলিশ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন। ঈদুল ফিতর আনন্দ,শান্তি ও সহমর্মিতার বার্তা নিয়ে আসে। দীর্ঘ এক মাসের সংযম ও আত্মশুদ্ধির পর এই পবিত্র উৎসব আমাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও দৃঢ় করে। এই উপলক্ষে তিনি সকলের সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বলেন,জেলা পুলিশ সর্বদা জনগণের নিরাপত্তা ও সেবায় নিয়োজিত। ঈদের সময় যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারে এবং নিরাপদে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে,সে জন্য ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করছে। যানজট নিয়ন্ত্রণ,গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল বৃদ্ধি এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন,শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে জনগণ ও পুলিশের পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই যদি সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণ করে,তবে একটি নিরাপদ ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি জেলা পুলিশের সকল সদস্যের কঠোর পরিশ্রম ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একইসাথে তাদের পরিবারসহ সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
সবশেষে,তিনি ময়মনসিংহবাসীসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকলকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন—“ঈদ মোবারক। সবার জীবন সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক।”

জ্ঞানের প্রকার ভেদ

জ্ঞানের প্রকার ভেদ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:২০ এএম
জ্ঞানের প্রকার ভেদ

জ্ঞান দুই প্রকারঃ- আল্লাহর দেওয়া জ্ঞানের নামই অর্পিত জ্ঞান ও অর্জিত জ্ঞান বলা হয় বই , খাতা কলম শিক্ষার প্রতিষ্ঠান থেকে যেই

মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি কুলের সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী হিসেবে সৃষ্টি করেন
এবং জ্ঞান- একটা শক্তি। এই শক্তি জ্ঞান- একটা শক্তি। এই শক্তি মানুষের ভেতরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। একে জাগ্রত করাই প্রত্যেক সত্তার প্রথম কর্তব্য। কেউ তা জাগ্রত করে কেউ করে না। যার জ্ঞান জাগ্রত হয় সে এই জ্ঞান দিয়ে সত্য-মিথ্যা নিরুপণ করে অতঃপর সত্যের পথ অবলম্বন করে।
.
জীবন তো চলমান, বহমান। এক মুহূর্ত সে থামে না। এই চলমান জীবনে জ্ঞানের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে যত সম্মুখে অগ্রসর হয় তত তার জীবন উজ্জল হয়। চলতে চলতে একটা পর্যায়ে সে পরম সত্যে বিলীন হয় অর্থাৎ মার্গে পৌঁছে।
.
যে সত্তা সর্বাবস্থায় ন্যায়-অন্যায়ের দ্বন্দ্বে ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করল সে সত্তাই প্রকৃত শক্তির অধিকারী অর্থাৎ জ্ঞানী। যে সমাজে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্নীত হয় না সে সমাজই অন্ধকার, জাহেলী সমাজ। এমন স্থিতি যখন উপস্থিত হয় তখন হয় সেই জাহেলি সমাজ পরিত্যাগ করতে হবে নয়তো সেটা ধ্বংস করে নতুন সমাজ নির্মাণ করতে হবে। এই নবনির্মাণে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা উচিত জ্ঞানী ব্যক্তিদের। সত্তার প্রথম কর্তব্য। কেউ তা জাগ্রত করে কেউ করে না। যার জ্ঞান জাগ্রত হয় সে এই জ্ঞান দিয়ে সত্য-মিথ্যা নিরুপণ করে অতঃপর সত্যের পথ অবলম্বন করে।
.
জীবন তো চলমান, বহমান। এক মুহূর্ত সে থামে না। এই চলমান জীবনে জ্ঞানের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে যত সম্মুখে অগ্রসর হয় তত তার জীবন উজ্জল হয়। চলতে চলতে একটা পর্যায়ে সে পরম সত্যে বিলীন হয় অর্থাৎ মার্গে পৌঁছে।
.
যে সত্তা সর্বাবস্থায় ন্যায়-অন্যায়ের দ্বন্দ্বে ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করল সে সত্তাই প্রকৃত শক্তির অধিকারী অর্থাৎ জ্ঞানী। যে সমাজে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্নীত হয় না সে সমাজই অন্ধকার, জাহেলী সমাজ। এমন স্থিতি যখন উপস্থিত হয় তখন হয় সেই জাহেলি সমাজ পরিত্যাগ করতে হবে নয়তো সেটা ধ্বংস করে নতুন সমাজ নির্মাণ করতে হবে। এই নবনির্মাণে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা উচিত জ্ঞানী ব্যক্তিদের।

মোঃ তালাত মাহামুদ
বিশেষ প্রতিনিধি
“দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ পত্রিকা”

error: Content is protected !!