বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২

হাড় থেকে জীবিত হরিণ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১২ পিএম | 90 বার পড়া হয়েছে
হাড় থেকে জীবিত হরিণ

আল্লাহ তাআলা হযরত ঈসা (আ.)-কে এমন কিছু ক্ষমতা দিয়েছিলেন যা সাধারণ মানুষের কল্পনার অতীত। তিনি যেমন জন্মান্ধকে দৃষ্টি দান করতেন এবং মৃত মানুষকে জীবিত করতেন, তেমনই পশুপাখিদের জগতেও তাঁর অলৌকিক প্রভাব ছিল অপরিসীম।
১. বনের হরিণ ও অলৌকিক ডাক
হযরত ঈসা (আ.)-এর যখন হরিণের মাংস খাওয়ার ইচ্ছা হতো, তিনি জঙ্গলের ধারে গিয়ে এক বিশেষ কণ্ঠে ডাক দিতেন— “ইয়া তাবিদান!” (হে হরিণ! সামনে এসো)।
তাঁর এই ডাক শোনামাত্রই বনের গভীর থেকে হরিণের পাল লাফিয়ে লাফিয়ে তাঁর সামনে এসে হাজির হতো। হরিণগুলো যেন জানত যে, আল্লাহর একজন মহান নবী তাদের ডাকছেন। ঈসা (আ.) খুব শান্তভাবে তাদের মধ্য থেকে স্বাস্থ্যবান একটি হরিণ পছন্দ করে নিতেন।
২. আহার ও হাড়ের বিশেষ সুরক্ষা
পছন্দমতো হরিণটিকে তিনি নিজ হাতে জবাই করতেন। এরপর চামড়া ছাড়িয়ে মাংসগুলো অত্যন্ত রুচিশীলভাবে আগুনে পুড়িয়ে বা বার-বি-কিউ করে খেতেন। কিন্তু এখানে একটি অদ্ভুত নিয়ম ছিল—হযরত ঈসা (আ.) হরিণের কোনো হাড় বা হাড্ডি চিবোতেন না বা ভেঙে ফেলতেন না। তিনি মাংস খাওয়ার সময় হাড়গুলোকে অত্যন্ত যত্নের সাথে আলাদা করে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় স্তূপ করে জমা করে রাখতেন।
৩. “কুমলি বিইসমিল্লাহ!”: জীবন ফিরে পাওয়ার মুহূর্ত
আহার শেষ হওয়ার পর ঈসা (আ.) সেই রক্ত-মাংসহীন হাড়ের স্তূপের দিকে ইশারা করতেন। তিনি গম্ভীর ও নূরানি কণ্ঠে বলতেন—
“কুমলি বিইসমিল্লাহ!” (আল্লাহর নামে পুনর্জীবিত হয়ে ওঠো!)
তাঁর মুখ থেকে কথাটি শেষ হওয়ার আগেই এক অলৌকিক দৃশ্য তৈরি হতো। পড়ে থাকা হাড়গুলোর ওপর মুহূর্তের মধ্যে মাংস আর চামড়া গজিয়ে উঠত এবং হরিণটি পুনরায় জীবিত হয়ে লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়াত। ঈসা (আ.)-এর আদেশে জীবিত হওয়া সেই হরিণটি পুনরায় সুস্থ অবস্থায় জঙ্গলে তাঁর দলের কাছে ফিরে যেত।
৪. আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন
এটি ছিল হযরত ঈসা (আ.)-এর নবুয়তের এক অকাট্য প্রমাণ। তিনি এর মাধ্যমে মানুষকে বোঝাতেন যে, যিনি হাড় থেকে পুনরায় প্রাণ দিতে পারেন, তিনিই কিয়ামতের দিন মানুষকে পুনরায় জীবিত করতে সক্ষম।
গল্পের শিক্ষা:
কোনো কিছুই অসম্ভব নয় যদি মহান আল্লাহ তাআলা চান। তিনি মৃতকে জীবিত করার ক্ষমতা তাঁর নবীদের দান করেছিলেন সত্যের প্রচারের জন্য।
মৃতের পুনরুত্থান: হাড় থেকে হরিণের জীবন পাওয়া আমাদের কিয়ামতের দিনের পুনরুত্থানের কথা মনে করিয়ে দেয়।
প্রকৃতির আনুগত্য: আল্লাহর নির্দেশ পেলে বনের পশুও নবীদের অনুগত হয়ে যায়।

এসডি সোহেল রানা

শ্রীবরদীতে টাঙ্কে ভরা অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

এসডি সোহেল রানা প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৭ পিএম
শ্রীবরদীতে টাঙ্কে ভরা অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

রাস্তার পাশে ফেলে রাখা একটি স্টিলের টাঙ্কের ভেতর থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে শেরপুরের শ্রীবরদী থানা পুলিশ। বুধবার দুপুরে শহরের তাঁতিহাটি নয়াপাড়া ঢালিবাড়ি মোড়ে রাস্তার পাশ থেকে ওই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল থেকেই রাস্তার পাশে একটি মালিকবিহীন টাঙ্ক পড়ে ছিল। দুপুর পর্যন্ত টাঙ্কটি একই স্থানে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ জাগে। একপর্যায়ে ভেতর থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকলে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ তালা ভেঙে টাঙ্কের ভেতরে থাকা অর্ধগলিত অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করেন। আনুমানিক ত্রিশ বছর বয়সী ওই নারীর হাত ও পা বাধা অবস্থায় ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, কয়েকদিন আগে হত্যার পর গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা মরদেহটি ফেলে রেখে গেছে।

জাহিদ হোসেন

মানিক-৪ বরিশালের চরমোনাই ঘাটে ডুবে যায়

জাহিদ হোসেন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৪ পিএম
মানিক-৪ বরিশালের চরমোনাই ঘাটে ডুবে যায়

বরিশালের চরমোনাই ঘাটে বাৎসরিক মাহফিলকে কেন্দ্র করে রিজার্ভ একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

আজ বুধবার (১ই এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নে ময়দানে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ডুবে যাওয়া শরীয়তপুরের এমভি মানিক-৪ লঞ্চটি মঙ্গলবার (৩১ই মার্চ) রাতে চরমোনাই মাহফিলের উদ্দেশে মুন্সিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসে। লঞ্চটি ভোররাতে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে চরমোনাইয়ের ঘাটে অবস্থান করছিল। নদীতে পানি কমে যাওয়ার কারনে লঞ্চের পেছনের দিকটা ডেবে গিয়ে দুপুরের দিকে লঞ্চটি ডুবে যায়। তবে এ সময় লঞ্চের ভিতরে কেউ ভেতরে না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে লঞ্চের ভেতরে রাখা মুসল্লিদের বেশ কিছু মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

লঞ্চ সংশ্লিষ্ট ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, লঞ্চটি মজবুতভাবে বেঁধে না রাখায় পানি কমে যাওয়ার সাথে সাথে এ দুর্ঘটনা ঘটছে বলে ধারণা করা হয়।

রাজশাহীতে পদ্মা ব্যারাজ দ্রুত নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫১ পিএম
রাজশাহীতে পদ্মা ব্যারাজ দ্রুত নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

রাজশাহী অঞ্চলকে মরুকরণের হাত থেকে রক্ষা করতে পদ্মা ব্যারাজ দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) রাজশাহী জেলা কমিটি। একই সঙ্গে বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার নিশ্চিত করা, উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন এবং পদ্মা নদী ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও কৃষিরক্ষার দাবিও জানানো হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে এসব দাবি উত্থাপন করা হয়। সামাজিক সংগঠন রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সহযোগিতায় কর্মসূচিতে পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বাপার রাজশাহী সভাপতি মাহমুদ হাসানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি মো. লিয়াকত আলী ও সাধারণ সম্পাদক মো. জামাত খান; বাপার রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক সেলিনা বেগম, সোনার দেশ পত্রিকার সম্পাদক হাসান মিল্লাত, কলেজশিক্ষক মো. জুয়েল কিবরিয়া, বাপার পবার সভাপতি রহিমা বেগম, রুলফাওর নির্বাহী পরিচালক মো. আফজাল হোসেন প্রমুখ।

error: Content is protected !!