সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক বাজেট সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪, ৭:২৯ পিএম | 231 বার পড়া হয়েছে
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক বাজেট সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সংশোধিত ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেট এবং পরবর্তী দুই অর্থবছরের প্রক্ষেপণ বাজেট সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা ০৬ অক্টোবর রবিবার বেলা ১১টায় শহিদ তাজউদ্দীন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। মতবিনিময় সভায় বার্ষিক বাজেটের বিভিন্ন খাতের অঙ্গভিত্তিক ব্যয় তুলে ধরেন অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. শাহনেওয়াজ নাজিমুদ্দিন আহমেদ।ঐ সভায় শিক্ষকদের জন্য টিচিং এ্যাসিস্ট্যান্স (টিএ) ভাতা, মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের গবেষণা অনুদানের সংখ্যা বৃদ্ধি, আবাসিক হলগুলোর বিদ্যুৎ বিল আবাসিক হিসেবে প্রদান, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সংগঠন ও ক্লাবসমূহকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান বাবদ বার্ষিক অনুদান প্রদানের জন্য ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের দপ্তরে তহবিল প্রদান এবং ফিল্ড ল্যাবের মেইনটেন্যান্স বাবদ অর্থ প্রদান, উন্নয়ন বাজেটে ইক্যুইপমেন্ট বাবদ থাকা অর্থের যথাযথ ব্যবহারসহ নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম বার্ষিক বাজেটে উল্লিখিত বিষয়গুলো কিভাবে যুক্ত করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। একই সাথে বার্ষিক বাজেটে কোনো দিক বাদ পড়েছে কি না সে বিষয়েও নজর রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় উপস্থিত শিক্ষকরা প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন ও সিনিয়র শিক্ষকদের নিয়ে বাজেট সংক্রান্ত এ রকম একটি মতবিনিময় সভা আয়োজনের জন্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিমকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। উক্ত মতবিনিময় সভায় বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুল এবং শিক্ষা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. কামরুল হাসান তালুকদার, জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. আবুল কালাম আজাদ, সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আবুসাঈদ খান, কলা ও মানবিক স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. শাহজাহান কবীর, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. নূর আলম, আইন স্কুলের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. নাসিফ আহসান, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. ইয়াছিন আলী, ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইসমত কাদির, ইংরেজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. ইমদাদুল হক, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুজ্জামানসহ অর্থ ও হিসাব বিভাগের বাজেট শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুসন্ধানী সংবাদে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১:১৫ পিএম
কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে পরিবেশ বিধ্বংসী নিষিদ্ধ পলিথিনের অবৈধ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আনিস নামের এক ব্যক্তি পলি ব্যবসায়ী। সম্প্রতি এ বিষয়ে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক ইস্পাহানী ইমরান ও ফয়সাল হাওলাদারের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আনিসের সঙ্গে আমিনুল ও শুক্কুর নামের আরও দুই ব্যক্তি মিলে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। কদমতলী, শুভাঢ্যা, রাজেন্দ্রপুরসহ কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে নিষিদ্ধ পলিথিনের একাধিক গোডাউন ও সরবরাহ ব্যবস্থা। এসব এলাকা ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যার মাধ্যমে পলিথিন মজুদ ও বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।

পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হওয়ায় সরকার বহু আগেই পলিথিন উৎপাদন ও বাজারজাত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যেই এসব পলিথিনের বেচাকেনা চলছে এবং দক্ষিণবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাসযোগে সরবরাহ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অবৈধ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কিছু অসাধু সাংবাদিকও ভূমিকা রাখছে। তাদের মধ্যে শাহীন,এশিয়ান টিটু, এনবিপি মাসুম পারভেজসহ আরও কয়েকজনের নাম স্থানীয়ভাবে আলোচনায় রয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, এই অবৈধ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে একটি প্রভাবশালী চক্র সক্রিয় রয়েছে। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত অভিযোগ অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে মাসিক ভিত্তিতে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কেউ যদি এই অবৈধ পলিথিন ব্যবসা নিয়ে অনুসন্ধান বা সংবাদ প্রকাশ করেন তখন একটি চক্র সক্রিয় হয়ে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আনিস, আমিনুল, শুক্কুর ও অভিযোগ ওঠা সাংবাদিকদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত করার সাইফুল আলম জানান, অনিয়মের ক্ষেত্রে কোন ব্যবসায়ী বা সাংবাদিককে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, পরিবেশ ধ্বংসকারী এই অবৈধ ব্যবসা বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

মোতাহার হোসেন শেরপুর

ইফতার মাহফিলে ঐক্যের বার্তা দিলেন প্রেসক্লাব সভাপতি এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ

মোতাহার হোসেন শেরপুর প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
ইফতার মাহফিলে ঐক্যের বার্তা দিলেন প্রেসক্লাব সভাপতি এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ

শেরপুরের শ্রীবরদীতে প্রেসক্লাব শ্রীবরদীর আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) উপজেলা পরিষদের হৈচৈ পার্কে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব শ্রীবরদীর সভাপতি এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ। সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ আবদুল গফুর, সাংবাদিক কেএম ফারুক, ফরিদ আহমেদ রুবেল, সাজিদ হাসান শান্ত এবং মমিনুল ইসলাম মমিন প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ বলেন, প্রেসক্লাব শ্রীবরদীকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে নতুন ও প্রবীণ সকল সাংবাদিককে একসাথে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের মাধ্যমেই সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন এবং সংগঠনের অগ্রগতি সম্ভব।

আলোচনা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন সিনিয়র সাংবাদিক আলহাজ্ব তাজুল ইসলাম। এসময় প্রেসক্লাব শ্রীবরদীর সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

ঘরের মেঝে পরিষ্কারের সহজ ৫ উপায়

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
ঘরের মেঝে পরিষ্কারের সহজ ৫ উপায়

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। এই আনন্দ পূর্ণতা পায় তখন, যখন ঘরদোর থাকে পরিপাটি ও পরিচ্ছন্ন। কিন্তু ব্যস্ত সময়ে মেঝের দাগ বা কালচে ভাব দূর করা বেশ ঝক্কির কাজ বলে মনে হতে পারে। রোজ ডিটারজেন্ট মেশানো পানি দিয়ে মোছার পরও অনেক সময় ঘরের মেঝে পরিচ্ছন্ন দেখায় না। কিন্তু হাতের কাছে থাকা উপকরণ দিয়ে খুব অল্প পরিশ্রমেই ঘরের মেঝে ঝকঝকে করে তোলা সম্ভব।

টাইলসের জন্য ভিনেগার ও পানির মিশ্রণ

টাইলসের মেঝেতে অনেক সময় পানির দাগ বা ছোপ ছোপ কালচে দাগ পড়ে যায়। এটি দূর করতে সাদা ভিনেগার খুবই কার্যকর। এ জন্য এক বালতি কুসুম গরম পানিতে আধা কাপ সাদা ভিনেগার নিন। এই মিশ্রণ দিয়ে ঘর মুছলে টাইলসের চটচটে ভাব দূর হয় এবং চকচকে ভাব আসে। ভিনেগার প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক হিসেবেও কাজ করে, যা ঘর রাখে নিরাপদ।

কড়া দাগ সরাতে বেকিং সোডা

রান্নাঘরের মেঝের কোণে বা ডাইনিং টেবিলের নিচে অনেক সময় তেলের আঠালো দাগ পড়ে যায়, যা সাধারণ সাবান পানি দিয়ে ওঠে না। এ ক্ষেত্রে বেকিং সোডা ব্যবহার করুন। দাগের ওপর সামান্য বেকিং সোডা ছড়িয়ে দিয়ে অল্প পানি দিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর একটা পুরোনো টুথপেস্ট দিয়ে ঘষলেই দেখবেন দাগ উঠে যাবে।

মার্বেল মেঝের জন্য লেবুর রস ও লবণ

যাঁদের ঘরের মেঝে মার্বেলের, তাঁরা অনেক সময় মেঝে হলুদ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন। মার্বেল মেঝের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে লেবুর রস ও লবণের মিশ্রণ খুবই কার্যকর। লেবুর অ্যাসিডিক গুণ ময়লা কাটাতে সাহায্য করে আর লবণ স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। তবে মনে রাখবেন, মিশ্রণটি ব্যবহারের পর অবশ্যই পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালো করে মেঝে মুছে নিতে হবে। কারণ লেবুর অ্যাসিড দীর্ঘক্ষণ থাকলে মেঝের ক্ষতি হতে পারে।

সুগন্ধির জন্য তরল ডিশ সোপ ও এসেনশিয়াল অয়েল

ঈদের দিন পরিষ্কার থাকার সঙ্গে সঙ্গে ঘর থেকে সুঘ্রাণ আসাটাও জরুরি। বালতির পানিতে কয়েক ফোঁটা তরল ডিশ ওয়াশিং সোপ এবং কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার বা লেমন গ্রাস এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন। এটি মেঝে পরিষ্কার করার পাশাপাশি সারা ঘরে এক স্নিগ্ধ সুবাস ছড়িয়ে দেবে। যাঁরা ঘরে পোষা প্রাণী রাখেন, তাঁদের জন্য এ পদ্ধতিটি দুর্গন্ধ দূর করতে খুব ভালো কাজ করে।

পুরোনো সুতি কাপড় বা মাইক্রোফাইবার মপ ব্যবহার

পরিষ্কার করার পদ্ধতি যেমনই হোক, মোছার সরঞ্জামটি হওয়া চাই সঠিক। ঘর মোছার জন্য সব সময় পুরোনো সুতি কাপড় বা মাইক্রোফাইবার মপ ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। মাইক্রোফাইবার মপ মেঝের সূক্ষ্ম ধুলাবালু শুষে নিতে পারে এবং মেঝেতে কোনো দাগ বা রেখা ফেলে না। ঘর মোছার পর জানলাগুলো খুলে দিন, যাতে দ্রুত বাতাস চলাচলের মাধ্যমে মেঝে শুকিয়ে যায়। ভেজা মেঝেতে পা দিলে পুনরায় দাগ পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

কিছু বাড়তি সতর্কতা

মেঝের উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে মেঝে মোছার আগে অবশ্যই খুব ভালো করে ঝাড়ু দিয়ে সব ধুলাবালু ও ময়লা পরিষ্কার করে নিন।
যেকোনো নতুন মিশ্রণ পুরো মেঝেতে ব্যবহারের আগে এক কোণে সামান্য ব্যবহার করে পরীক্ষা করে নিন।
অতিরিক্ত রাসায়নিকযুক্ত ফ্লোর ক্লিনার এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ এগুলো দীর্ঘ মেয়াদে মেঝের রং নষ্ট করে দেয়।
কাঠের বা ল্যামিনেট মেঝের স্থায়িত্ব বজায় রাখতে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার না করে হালকা ভেজা কাপড় দিয়ে মেঝে মুছে নিন।
পরিষ্কার করার সময় ভিনেগারের সঙ্গে ভুলেও ব্লিচ মেশাবেন না। তাতে মারাত্মক বিষাক্ত গ্যাস সৃষ্টি হতে পারে। এ গ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

error: Content is protected !!