বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২

ট্রাম্পের রণপ্রস্তুতিতে কাঁপছে বিশ্ব রাজনীতি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৭ পিএম | 74 বার পড়া হয়েছে
ট্রাম্পের রণপ্রস্তুতিতে কাঁপছে বিশ্ব রাজনীতি

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আবারও ঘনীভূত হচ্ছে যুদ্ধের কালো মেঘ। ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা দমন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানের ফলে অঞ্চলটি এখন বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে। পেন্টাগন থেকে ইরানে হামলার সবুজ সংকেত জানানো হয়েছে এবং সম্ভবত আজ রাতেই যদি আমেরিকা ইরানে হামলা করে বসে, তাহলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামায় হয়তো বিশ্ব রাজনীতি ও কৌশলগত সামরিক যুদ্ধের চরম সমরনীতিতে দাঁড়িয়ে যাবে গোটা বিশ্ব পরিস্থিতি। এমতাবস্থায় যে কোন মূহুর্তে ইরান যদি আমেরিকা ও ইসরায়েল কতৃক আক্রমনের শিকার হয়, তাহলে তেহরানের পক্ষ থেকে ইসরায়েল-আমেরিকাকে নিশ্চিহ্ন করার পাল্টা হুমকির মুখে বিশ্ব রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন উত্তাপের সৃষ্টি হইবে।
যুদ্ধের মহড়া ও মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ:- যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পূর্বেই সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে তাদের নাগরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। আজ ইরানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জরুরি ভিত্তিতে দেশ ছাড়ার নির্দেশ সেই আশঙ্কাকাকেই সত্য প্রমাণিত করছে। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন শুরু করেছে ওয়াশিংটন। পেন্টাগন সূত্রে জানা গেছে, ট্রাম্পের নির্দেশ পাওয়ামাত্রই আকাশপথের পাশাপাশি বড় ধরনের সাইবার হামলার ছকও চূড়ান্ত করে রাখা হয়েছে।
ইরানের প্রতিরক্ষা ও ‘খেইবারশেফান’ ক্ষেপণাস্ত্রের আতঙ্ক:- আমেরিকার হুমকির মুখে ইরানও বসে নেই। তেহরান দাবি করেছে, তারা কৌশলগতভাবে অন্তত ১১টি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে সক্ষম হয়েছে। সম্প্রতি তারা ‘খেইবারশেফান’ নামক একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে, যা সরাসরি তেল আবিবে আঘাত হানতে সক্ষম। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনী স্পষ্ট করে বলেছেন, “ইরান চাইলে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারে।”
দেশের প্রধান শহরগুলোতে বসানো হয়েছে অত্যাধুনিক এয়ার সার্ভিল্যান্স রাডার। ইরানের সামরিক বাহিনীর দাবি, মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটি মার্কিন ঘাঁটি এখন তাদের রাডারের নিখুঁত নিশানায় রয়েছে।
অভ্যন্তরীণ দমন ও মোসাদ এজেন্টদের মৃত্যুদণ্ড:- ইরানের ভেতরে চলমান অস্থিরতা কঠোর হস্তে দমন করছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC)। জানা গেছে, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তত ৬৮০ জনকে আটক করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাসিত নেতা রেজা শাহ পাহলভীর প্রায় ২ হাজার সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও এ সংঘর্ষে ১০০ জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন, তবুও সরকারের দাবি- পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এবং জনগণ রাজপথে নেমে সরকারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছে।
বন্ধুত্বের হাত বাড়ালো রাশিয়া, তুরস্ক ও চীন:- সংকটময় এই মুহূর্তে ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে রাশিয়া তাহার বিভিন্ন সামরিক যুদ্ধের সমরাস্ত্র, যুদ্ধ বিমান ও অত্যাধুনিক বিভিন্ন ধরনের হাইপারসনিক মিসাইল ইতোমধ্যেই ইরানের কাছে সরবরাহ করিয়াছে। তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা MIT। তারা সীমান্ত নজরদারি ও লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণে ইরানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে। অন্যদিকে, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আমেরিকাকে রুখতে চীন ১০০টি যুদ্ধজাহাজ নিয়ে যেকোনো পরিস্থিতিতে ইরানের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এই শক্তিশালী জোট গঠন আমেরিকার পার্লামেন্টকেও দ্বিধাবিভক্ত করে ফেলেছে।
স্টারলিংক অচল ও কূটনৈতিক লড়াই:- প্রযুক্তিগত যুদ্ধেও ইরান চমক দেখিয়েছে। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে তারা ইলন মাস্কের ‘স্টারলিংক’ স্যাটেলাইট সিস্টেম অচল করার দাবি করেছে, যা সমর ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা। ইরানের পার্লামেন্টে ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ স্লোগানের মাধ্যমে ঐক্যের ডাক দেওয়া হয়েছে। খামেনী ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, “ট্রাম্পকে দিয়ে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।”
চূড়ান্ত পরিণতির অপেক্ষায় রয়েছে বিশ্ব:- ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন অস্তিত্বের কোনো চিহ্ন রাখা হবে না। বিপরীতে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তারা ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প পুনর্গঠন করতে দেবেন না।
বিশ্ব বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এখন ‘নো কম্প্রোমাইজ’ বা আপোষহীন অবস্থানে। যদি শেষ পর্যন্ত বড় কোনো যুদ্ধ বেধে যায়, তবে তা কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং সারা বিশ্বের অর্থনীতি ও রাজনীতিকে ওলটপালট করে দেবে। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্পের সামরিক চাপ নাকি খামেনীর কূটনৈতিক ও সামরিক প্রতিরোধ-শেষ হাঁসি কে হাঁসে।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

হাজী সেলিম

আমি মানুষ, আমি প্রাণ

হাজী সেলিম প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
আমি মানুষ, আমি প্রাণ

আমি গরীব হতে পারি, অমানুষ নই,
আমি ক্ষুদ্র হতে পারি, কিন্তু ভীত নই।
আমি হাসাতে পারি, কাঁদাতে নয়,
আমি দূরে থাকি, তবু ভুলি নই।
আমি লিখি সত্যের কাহিনী সবার তরে,
আমি বলি কথা ন্যায়ের সবার তরে।
আমি বাঁচতে চাই কাজের তরে,
আমি মাটির সন্তান, মানবতার তরে।
আমি শত্রুকে দেই ন্যায়ের সাজ,
বন্ধুকে করি আমি অন্তরের পাশে নিজস্ব রাজ।
মিথ্যা, গুজব, অপবাদে আমি প্রতিবাদ,
গোপনে করি অনুসন্ধান, সত্যের খোঁজে সদা প্রবাদ।
আমি কাছে, দূরে, সবজায়গায় বিরাজমান,
সত্যের পথে গাইয়া বেড়াই গুণগান।
কৃষকের ছেলে, রাখালের সন্তান,
গরীবের বন্ধু, দুঃস্থের প্রিয় প্রাণ।
আমি অগ্নিঝরা মত চলি,
সত্য, ন্যায়, মুক্তির বার্তা বয়ে চলি।
আমি সবকিছু নিয়ে কথা বলি,
অপরাধী, অসত্য, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দিই।
আমি অপরাধীর চেনা,
আমি ঋণী তুমি হিনা।
আমিও ভালোবাসি আজো তোমায়,
ও আমার প্রিয় মাতৃভূমি, ও আমার জন্মভূমি।
আমি দেশের নাগরিক, জাতির গান,
আমি সত্যের যোদ্ধা, ন্যায়ের প্রতীক, মহান।
আমার প্রাণ, আমার ভালোবাসা,
সকল মানুষের, সকল জীবের, মহান মাতৃভূমির তরে।

error: Content is protected !!