শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২

স্কটল্যান্ডে বাংলাদেশের কনসাল ড. ওয়ালী তছর উদ্দিনকে ইবিএফসিআই’র সংবর্ধনা প্রদান

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩০ পিএম | 32 বার পড়া হয়েছে
স্কটল্যান্ডে বাংলাদেশের কনসাল ড. ওয়ালী তছর উদ্দিনকে ইবিএফসিআই’র সংবর্ধনা প্রদান

বাংলাদেশ ইউরোপ বাংলাদেশ ফেডারেশন অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ইবিএফসিআই)-এর বাংলাদেশ অঞ্চল ঢাকায় এক সংবর্ধনা ও ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

এই আয়োজনটি ছিল ড. ওয়ালি তছর উদ্দিন এমবিই ডিবিএ, ডি লিট-কে স্কটল্যান্ডে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সম্মানসূচক কনসাল হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়া উপলক্ষে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মিস দিপ্তী চৌধুরী, যিনি অতিথিদের স্বাগত জানান এবং পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। ২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারি ঢাকার উত্তরা এলাকায় হায়াত প্যালেসে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা শিক্ষাবিদ, আইনজীবী এবং ইবিএফসিআই-এর সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রা‌খেন মোহাম্মদ আলী টিংকু, কান্ট্রি হেড, ইবিএফসিআই-বাংলাদেশ অঞ্চল। এরপর একটি উপস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ইবিএফসিআই এর ভূমিকা তুলে ধরা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি ড. ওয়ালি তছর উদ্দিনের কূটনৈতিক নিয়োগকে স্বীকৃতি জানান এবং অর্থনৈতিক কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকারের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিশিষ্ট বক্তাদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক তাসলিম শাকুর, এফআরএসএ এফবিআইপি, এফআইএবি, ডিস্টিংগুইশত প্রফেসর, সোনার গণ্ডি বিশ্ববিদ্যালয় ও উপদেষ্টা, আইসিডিইএস জনাব মঞ্জিল মোরশেদ সভাপতি, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ এবং আইনজীবী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এবং এয়ার কমোডোর (অব) মুহাম্মদ পারভেজ, ইসলাম, বিপিপি, এনডিসি, পিএসসি, এডিডব্লিউসি, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও জ্ঞাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সাবেক কন্টিনজেন্ট কমান্ডার তারা সুশাসন, টেকসই উন্নয়ন, নেতৃত্ব ও বৈশ্বিক দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

ব্যবসা ও শিল্প খাত থেকে বক্তব্য রা‌খেন ফারুক হাসান, বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি, জায়ান্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং ঢাকায় গ্রিসের সম্মানসূচক কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ হাতেম, সভাপতি, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এবং মিসেস মাকসুদা চৌধুরী মিশা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্টাইলিশ গার্মেন্টস লিমিটেড পরিচালক ইবিএফসিআই ও বিপিসিসিআই এবং বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটির কো-চেয়ারম্যান। তারা টেকসই শিল্প রপ্তানি প্রতিযোগিতা, নারী নেতৃত্ব এবং শিল্পোন্নয়ন নিয়ে মতামতদেন।

এছাড়াও বক্তব্য রা‌খেন ড. এম. হেলাল সরকার অনুমোদিত সাংবাদিক ও দ্য ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস এর সম্পাদক জনার সাকুয়াত আলী, সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা অংশীদার, অ্যাকুইটাজ ক্যাপিটাল, আলহাজ মোহাম্মদ ফজলুল হক, সিডিওয়াইডব্লিউ (যুক্তরাজ্য), জাতীয় তরুণ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ও অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র এবং ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিনিয়র অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ও চেয়ারম্যান, লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি। তারা যুব উন্নয়ন, অর্থনীতি, সুশাসন ও আইনগত কাঠামো বিষয়ে আলোচনা করেন।

ড. ওয়ালি তছর উদ্দিন, ইবিএফসিআই এর প্রেসিডেন্ট এবং স্কটল্যান্ডে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সম্মানসূচক কনসাল। তিনি ভিয়েনা কনভেনশন অন কনসুলার রিলেশনস অনুযায়ী বাংলাদেশের সেবা করার অঙ্গীকার পুনর্বাক্ত করেন এবং যুক্তরাজা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন সংস্কৃতি ও পর্যটন যাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দেন।

একটি ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং রিসেপশন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নীতিনির্ধারক, বিনিয়োগকারী ও বিভিন্ন যাতের শিল্পনেতাদের মধ্যে পারস্পরিক আলোচনা ও অংশীদারিত্ব গড়ে ওঠে।

হ্নীলায় ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপপ্রচারের অভিযোগ ইউপি সদস্যের

বিশেষ প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৭ পিএম
হ্নীলায় ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপপ্রচারের অভিযোগ ইউপি সদস্যের

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে ঈদ-পরবর্তী একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্য মুহাম্মদ নুরুল হুদা লিখিত বক্তব্যে তার অবস্থান তুলে ধরেছেন।

তিনি জানান, গত ২২ মার্চ ২০২৬, ঈদের দ্বিতীয় দিন দুপুরে কয়েকটি টমটমে উচ্চ শব্দে সাউন্ড সিস্টেম বাজিয়ে সড়কে চলাচলের কারণে পার্শ্ববর্তী লেদা ইবনে আব্বাস মাদ্রাসায় নামাজ আদায়ে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তার কাছে অভিযোগ জানালে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকটি টমটমের সাউন্ড বন্ধ করে দেন।

তার দাবি, এ সময় এক চালক অতিরিক্ত বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড বক্সটি সাময়িকভাবে নামিয়ে রাখা হয়। পরে জোহরের নামাজ শেষে ঘটনাস্থলে ফিরে এসে তিনি দেখতে পান, নিজেকে হ্নীলা উত্তর শাখা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পরিচয়দানকারী জামাল হোছন নামের এক ব্যক্তি সেখানে এসে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

পরবর্তীতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ডেকে এনে ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে এরপরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অশ্রাব্য ভাষায় পোস্ট দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ইউপি সদস্য।

তিনি আরও বলেন, পূর্বেও একটি রাজনৈতিক মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, যা তিনি হয়রানিমূলক বলে দাবি করেন। বর্তমান ঘটনাটিও একইভাবে পরিকল্পিত অপপ্রচারের অংশ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

৭৫ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট: প্রান্তিক কৃষকের দুশ্চিন্তা বাড়ছে

ডিমলায় ভয়াবহ ঝড় ও শিলাবৃষ্টি: ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

নীলফামারী প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৯ পিএম
ডিমলায় ভয়াবহ ঝড় ও শিলাবৃষ্টি: ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় আকস্মিক দমকা ঝড় ও বড় আকারের শিলাবৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) রাত ১২টার পর শুরু হওয়া এই দুর্যোগে কৃষি খাতের ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি বসতভিটা ও গাছপালারও মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন প্রান্তিক কৃষকেরা।

উপজেলা সদরসহ গয়াবাড়ি, বালাপাড়া, পশ্চিম ও পূর্ব ছাতনাই, খালিশা চাপানি, ঝুনাগাছ চাপানি, নাউতারা, টেপাখরিবাড়ি এবং খগাখরিবাড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ দমকা হাওয়া শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যে তা তীব্র ঝড়ে রূপ নেয় এবং সঙ্গে শুরু হয় বড় আকারের শিলাবৃষ্টি। স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতিটি শিলার ওজন ছিল প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অত্যন্ত বিরল ও ভয়াবহ।

এই শিলাবৃষ্টির আঘাতে আম ও লিচুর মুকুল ব্যাপকভাবে ঝরে পড়ে। পাশাপাশি গম, ভুট্টা, পেঁয়াজ, আলু, কাঁচামরিচ ও বিভিন্ন শাকসবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই জমির ফসল মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে, আবার কোথাও সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। বিশেষ করে ভুট্টা ও মরিচের খেতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, প্রায় ৭৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ভুট্টা ৫০ হেক্টর, গম ১০ হেক্টর, মরিচ ১২ হেক্টর এবং শাকসবজি ৩ হেক্টর জমি রয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ চলমান রয়েছে এবং চূড়ান্ত ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছিলেন। গয়াবাড়ি ইউনিয়নের শুটিবাড়ি এলাকার কৃষক আবুল কাশেম বলেন, “তিন বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করেছি। প্রতি বিঘায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, যার বেশিরভাগই ঋণ। এক রাতের ঝড়েই সব শেষ হয়ে গেল। এখন ঋণ শোধ করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।”

নাউতারা ইউনিয়নের সালহাটি এলাকার কৃষক আমিনুর রহমান ও সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ তিতপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল্লাহ জানান, তারা ঋণ নিয়ে ফসল আবাদ করেছিলেন। হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে তাদের অধিকাংশ ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

উপজেলা সদরের হাবিবা নার্সারির পরিচালক শাহজাহান ইসলাম জানান, তার নার্সারির চারা গাছ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “এই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা খুব কঠিন। সরকারি সহায়তা না পেলে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে না।”

স্থানীয়দের মতে, গত ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে এত বড় আকারের শিলাবৃষ্টি এই এলাকায় দেখা যায়নি। অনেকের বসতঘরের টিনের চালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং গাছপালা ভেঙে পড়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মীর হাসান আল বান্না জানান, ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি প্রণোদনা, বীজ ও সার সহায়তার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে তারা দ্রুত পুনরায় চাষাবাদ শুরু করতে পারেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরানুজ্জামান বলেন, “ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে কৃষির পাশাপাশি অনেক পরিবারের ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সহায়তা দেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর সহায়তা না পেলে কৃষক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। তাই ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জব্দকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধেই পেট্রোল গায়েবের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জব্দকৃত পেট্রোল গায়েবের অভিযোগ

গোলাম মোস্তফা, তাড়াশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৩ পিএম
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জব্দকৃত পেট্রোল গায়েবের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জব্দকৃত পেট্রোল গায়েবের অভিযোগ উঠেছে খোদ জব্দকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধেই। শুক্রবার বিনসাড়া বাজারে মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালিয়ে ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান। পরে বিক্রির জন্য খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সমবায় ফিলিং স্টেশনের এক কর্মকর্তা বলেন, দুই ড্রাম পেট্রোল খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশনে নিয়ে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান। জন প্রতি এক লিটার করে এক ড্রাম বিক্রি করেন। আরেক ড্রাম মান্নাননগর মটর শ্রমিক ফিলিং স্টেশনে বিক্রির কথা বলে নিয়ে যান।

এদিকে সামাজিক মাধ্যমে পাওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় ও বলতে শোনা যায়, “ বিনসাড়া বাজারে জব্দকৃত এক ড্রাম পেট্রোল খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশন থেকে বিক্রি করা হয়েছে। আরেক ড্রাম ইউএনও স্যার নিয়ে যাচ্ছেন।”

অপরদিকে বিনসাড়া বাজারের মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী শাহ আলম মোল্লা বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করেন ইউএনও। অথচ, শুধু জরিমানা আদায়ের রশিদ দেওয়া হয়েছে। জব্দকৃত পেট্রোলের কোন কাগজ দেওয়া হয়নি। রাত ১১ দিকে তেলের খালি ড্রাম ফেরত দিয়ে গেছেন।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান বলেন, অতিরিক্ত দামে বিক্রির অপরাধে ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়। একই অপরাধে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। জব্দকৃত দুই ড্রাম তেল খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশন থেকে ১ লিটার করে জন প্রতি বিক্রি করা হয়েছে।

ছবি সংযুক্ত: ইউএনও তাড়াশ।

error: Content is protected !!