কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে ঈদ-পরবর্তী একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্য মুহাম্মদ নুরুল হুদা লিখিত বক্তব্যে তার অবস্থান তুলে ধরেছেন।
তিনি জানান, গত ২২ মার্চ ২০২৬, ঈদের দ্বিতীয় দিন দুপুরে কয়েকটি টমটমে উচ্চ শব্দে সাউন্ড সিস্টেম বাজিয়ে সড়কে চলাচলের কারণে পার্শ্ববর্তী লেদা ইবনে আব্বাস মাদ্রাসায় নামাজ আদায়ে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তার কাছে অভিযোগ জানালে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকটি টমটমের সাউন্ড বন্ধ করে দেন।
তার দাবি, এ সময় এক চালক অতিরিক্ত বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড বক্সটি সাময়িকভাবে নামিয়ে রাখা হয়। পরে জোহরের নামাজ শেষে ঘটনাস্থলে ফিরে এসে তিনি দেখতে পান, নিজেকে হ্নীলা উত্তর শাখা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পরিচয়দানকারী জামাল হোছন নামের এক ব্যক্তি সেখানে এসে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
পরবর্তীতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ডেকে এনে ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে এরপরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অশ্রাব্য ভাষায় পোস্ট দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ইউপি সদস্য।
তিনি আরও বলেন, পূর্বেও একটি রাজনৈতিক মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, যা তিনি হয়রানিমূলক বলে দাবি করেন। বর্তমান ঘটনাটিও একইভাবে পরিকল্পিত অপপ্রচারের অংশ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
