শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২

বাংলাদেশ–মালদ্বীপ বিমান যোগাযোগ জোরদার

মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্সের ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০১ পিএম | 79 বার পড়া হয়েছে
মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্সের ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর ঘোষণা

মালদ্বীপের জাতীয় বিমান সংস্থা মালদিভিয়ান-এর মালিক ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান আইল্যান্ড এভিয়েশন সার্ভিসেস লিমিটেড (IASL)–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইব্রাহিম ইয়াস এবং সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম–এর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনের চ্যান্সারি ভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ঘনিষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে বিমান যোগাযোগ, বাণিজ্য, পর্যটন এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ (People-to-People Contact) আরও সম্প্রসারণে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
এ সময় IASL–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইব্রাহিম ইয়াস হাইকমিশনারকে অবহিত করেন যে, মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্স বাংলাদেশ–মালদ্বীপ রুটে পুনরায় সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে।
তিনি জানান, মালদ্বীপে বসবাসরত বৃহৎ বাংলাদেশি প্রবাসী জনগোষ্ঠীর চাহিদা বিবেচনায় নিয়েই এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যাত্রী পরিবহন, কার্গো কার্যক্রম, পর্যটন উন্নয়ন এবং মালদ্বীপকে একটি আঞ্চলিক ট্রানজিট হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠায় মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে, যা বাংলাদেশ–মালদ্বীপ সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম এ উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও IASL কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ফ্লাইট পুনরায় চালুর ফলে বাংলাদেশগামী ও বাংলাদেশ থেকে আগত যাত্রীদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক ভাড়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য অধিক স্বস্তিদায়ক হবে।
বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৬ সালের ১২ মার্চ থেকে মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালু হবে, যা সপ্তাহে দুই দিন—রবিবার ও বৃহস্পতিবার পরিচালিত হবে। ফ্লাইটগুলো ঢাকায় ভোরবেলায় অবতরণ করবে, ফলে যাত্রীদের জন্য অন্যান্য আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সংযোগ নেওয়া আরও সহজ হবে।
রমাদান ও পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির পরপরই এ ফ্লাইট চালু হওয়ায় মালদ্বীপের নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমণ এবং বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে এটি উল্লেখযোগ্য সুবিধা প্রদান করবে।
IASL আরও জানায়, এ রুটে রিটার্ন টিকিটের মূল্য শুরু হবে ৩৯৯ মার্কিন ডলার থেকে। যাত্রীরা ৩০ কেজি চেকড ব্যাগেজ সুবিধা ও বিনামূল্যে খাবার পাবেন। ইতোমধ্যে এ ফ্লাইটগুলোর জন্য টিকিট বুকিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।


হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ঢাকা মালদ্বীপের নাগরিকদের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্য—বিশেষ করে ব্যবসা, স্বল্পমেয়াদি সফর, চিকিৎসা এবং আঞ্চলিক ট্রানজিটের জন্য।
ঢাকা রুটে ফ্লাইট পুনরায় চালু উপলক্ষে মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্স “Dhaka, We Heard You” শীর্ষক একটি বিশেষ সঙ্গীত উৎসব আয়োজনের ঘোষণাও দিয়েছে।
IASL কর্তৃপক্ষ জানান, এই আয়োজনটি বিশেষভাবে মালদ্বীপে বসবাসরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের জন্য পরিকল্পিত, যা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধন ও জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রতীক।
বর্তমানে মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্সের বহরে মোট ২৬টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি ওয়াইড-বডি এয়ারবাস A330, একটি এয়ারবাস A320, পাঁচটি ATR, আটটি ড্যাশ-৮ এবং এগারোটি ড্যাশ-৬ টুইন অটার বিমান।
বৈঠকের শেষে উভয় পক্ষ বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং পর্যটন ও জনগণের যাতায়াত সহজীকরণে ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠকটি সমাপ্ত হয়। এ উপলক্ষে মান্যবর হাইকমিশনার ও IASL–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক একে অপরকে উপহার বিনিময় করেন।

এলাকাবাসী সংস্কারের দাবি জানিয়েছে

দিঘলিয়া সেনহাটি ইউনিয়নে ইটের সড়কের ভয়াবহ মরণ ফাঁদ

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি-খুলনা প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৪ পিএম
দিঘলিয়া সেনহাটি ইউনিয়নে ইটের সড়কের ভয়াবহ মরণ ফাঁদ

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের শেখপাড়া এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বর্তমানে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

এলাকার আতাই নদীর তীর ঘেঁষে নির্মিত ইটের সলিংয়ের এই সড়কটির অবস্থা এতটাই নাজুক হয়ে পড়েছে যে, যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ইট উঠে গেছে, বড় ধরনের ফাটল এবং কোথাও কোথাও বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে।
নদীর পানির চাপ ও ভাঙনের কারণে সড়কের পাশের অংশ ধসে পড়ছে। ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। বিশেষ করে রাতের বেলায় পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।স্থানীয় ইউপি সদস্য আজিজুল ইসলাম জানান, সড়কটির বর্তমান অবস্থার কথা উল্লেখ করে বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, “দ্রুত সড়কটি সংস্কার না করা হলে নদীর পানির চাপে এটি পুরোপুরি ভেঙে যেতে পারে।”তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সড়কটি ভেঙে গেলে আশপাশের শত শত বিঘা কৃষিজমি ও মৎস্য ঘের মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে। এতে করে এলাকার কৃষক ও ঘের মালিকদের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হবে।
এলাকাবাসী জানান, এই সড়কটি তাদের দৈনন্দিন যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।
শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমিকসহ সকল শ্রেণির মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করে থাকেন। সড়কের এমন দুরবস্থার কারণে যেকোনো সময় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
এ বিষয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী জরুরি ভিত্তিতে সড়কটির সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি নিরাপদ ও চলাচল উপযোগী করে তোলা হবে।

চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি: (আহমদ রেজা)

হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইন (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি: (আহমদ রেজা) প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪১ পিএম
হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইন (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার উত্তর বন্দর গ্রামে প্রখ্যাত ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইন (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ ২০২৬) বিকাল ৪টা থেকে বাদ এশা পর্যন্ত এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, মাওলানা মুফতি নঈম উদ্দিন আল কাদেরী (রহ.)-এর সহযোদ্ধা এবং আনোয়ারা উপজেলায় ইসলামী ছাত্রসেনা ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইন (রহ.) দীর্ঘ ১৬ বছর মসজিদুল ইকরার খেদমতে নিয়োজিত ছিলেন। গত ২৮ রমজান রাত ৯টার দিকে এতেকাফরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। পরদিন ২৯ রমজান রাত ৯টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তার আকস্মিক ইন্তেকালে এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে এবং এবারের ঈদকে শোকের আবহে পালন করেন স্থানীয়রা।

স্মরণ সভায় কোরআন খতম, গাউছিয়া খতম, নাতে মোস্তফা (সা.) পরিবেশন, আলোচনা সভা, মিলাদ, কিয়াম ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তর বন্দর এলাকার বিভিন্ন মসজিদের খতিব, পেশ ইমাম, মোয়াজ্জেম, হাফেজ ও ছাত্রবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— মসজিদুল ইকরা মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল আলম, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মোঃ ফারুক, মধ্য বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খালেক, উত্তর বন্দর শাহী জামে মসজিদ কমিটির মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বুলু, কাফকো সিবিএ সভাপতি পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ আনিসুর রহমান চৌধুরী, উত্তর বন্দর ব্লাড ডোনেশন গ্রুপের উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা (আনোয়ারা পশ্চিম) সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম (আনোয়ারা পশ্চিম) এর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আবু সালাম, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট উত্তর বন্দর ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোঃ আসাদুর রহমানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোঃ সাদ্দাম হোসেন। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন মোঃ ইরফান আহমেদ মাঈন এবং নাতে মোস্তফা পরিবেশন করেন মোকাদ্দেস হোসেন। সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন মঈনীয়া যুব ফোরাম আনোয়ারা উপজেলার সভাপতি মোহাম্মদ জহির উদ্দিন সওদাগর।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইন (রহ.) প্রায় ৬৫ বছরের জীবনে ধর্মীয় শিক্ষা, শিক্ষকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। যশোরে জন্ম হলেও তিনি জীবনের অধিকাংশ সময় উত্তর বন্দর গ্রামের মানুষের সাথে কাটিয়েছেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, সদালাপী ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। গ্রামের মানুষকে সাথে নিয়ে জশনে জুলুস ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) প্রতিষ্ঠায়ও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

বক্তারা আরও বলেন, তিনি কখনো কারো সাথে কঠোর আচরণ করেননি; বরং হাসিমুখে সকলের সাথে মিশে থাকতেন এবং ইসলামের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।

পরিশেষে, মিলাদ, কিয়াম ও বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা হেলাল উদ্দিন আল কাদেরী ও মাওলানা মাহফুজুর রহমান আল কাদেরী।

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী

পটিয়ার ছনহরায় হজরত চিকন খলিফা ছিদ্দিক আহমদ আলিম মাদরাসার বার্ষিক সভা অনুষ্টিত

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৭ পিএম
পটিয়ার ছনহরায় হজরত চিকন খলিফা ছিদ্দিক আহমদ আলিম মাদরাসার বার্ষিক সভা অনুষ্টিত

চট্টগ্রামের পটিয়া ছনহরা হযরত চিকন খলিফা ছিদ্দিক আহমদ আলিম মাদরাসা, ছায়রা ছিদ্দিক এতিমখানা ও হেফজখানার বার্ষিক সভা ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) বিকেলে এ সভা অনুষ্টিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসা এতিমখানা ও হেফজখানার প্রতিষ্ঠাতা এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া।বিশেষ অতিথি ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম নেচার, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির, চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ দৌলতি,সহ অনেকে ।এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন চৌধুরী, হাজী শাহেব মিয়া চম্পা খাতুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল হক, বিএনপি নেতা জিল্লুর রহমান, আফরোজা বেগম জলি, আবু জাফর চৌধুরী, জিয়াউর রহমান, মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, আমির হোসেন সওদাগর,কাসেম চেয়ারম্যান, নাজিম উদ্দীন, আলমগীর মেম্বার, এম এ রুবেল প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শাহাদাত হোসেন সুমন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমান সময়ের নানা বিভাজন, হিংসা ও মতপার্থক্য ভুলে ইসলামের মহান আদর্শকে সামনে রেখে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ইসলাম শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবতার ধর্ম—এই শিক্ষাকে সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দিতে আলেম-ওলামা ও সচেতন মহলকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

error: Content is protected !!