মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২

অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা

আরডিএফ প্রতারণায় ১০ গ্রামের মানুষ দিশেহারা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৪:০৬ পিএম | 83 বার পড়া হয়েছে
আরডিএফ প্রতারণায় ১০ গ্রামের মানুষ দিশেহারা

ঋণ দেবে বলে ‘রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (RDF)’ নামে একটি ভুঁইফোড় এনজিও যশোর সদর উপজেলার হামিদপুর ও আস পাশ থেকে শত শত ব্যক্তিকে পথে বসিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে। ভুয়া এনজিও’টি অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে দশ গ্রামের মানুষকে পথে বসিয়েছে। লাপাত্তা হওয়া ওই এনজিওর বিরুদ্ধে এখন সরব ভুক্তভোগীরা।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকালে সাইনবোর্ডসর্বস্ব ওই প্রতিষ্ঠান কার্যালয় হামিদপুর গ্রামের ব্যাংকার শফিকুজ্জামানের বাড়ি ঘেরাও করে। পরে তারা মানববন্ধন করেন।
দ্রুত ওই ভুয়া এনজিওর পলাতক কর্মকর্তা কর্মচারী, বাড়িওয়ালা শফিকুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আটক ও টাকা ফেরত দাবি জানান বিক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা। বিষয়টি তারা যশোর কোতোয়ালি মডেল থানাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবগত করেন।
স্থানীয় সূত্র ও বিক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, হামিদপুর গ্রামের শফিকুজ্জামান নামে জনৈক ব্যাংকারের বাড়ি ভাড়া নিয়ে কয়েক মাস আগে রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফোরাম-আরডিএফ নামে একটি ভুয়া এনজিও আস্তানা গাড়ে। ইয়াসমিন, সালাউদ্দিন, আলী আকবরসহ কয়েকজনের সংঘবদ্ধ চক্রটি নিজেদেরকে এই এনজিওর কর্মকর্তা কর্মচারী পরিচয় দিয়ে মাঠ চষতে থাকেন। জনপ্রতি তিন লাখ, পাঁচ লাখ, সাত লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেয়ার কথা প্রচার করে হামিদপুর এলাকার হামিদপুর, সুলতানপুর, বাউলিয়া নীলগঞ্জ, চাঁদপাড়া, নালিয়া, সীতারামপুর, রাজারহাট, কচুয়া ফতেপুর, ধানঘাটা, তালবাড়ীয়া, রাজাপুর, বাকডাঙ্গা, তারাগঞ্জসহ দশ গ্রামে প্রচারণা চালিয়ে টাকা হাতাতে থাকেন। জনপ্রতি কমপক্ষে ৬ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে কয়েকদিন আগে আত্মগোপনে চলে যায় প্রতারক চক্রটি।
গত মাসখানেক তারা সদস্য সংগ্রহ, ঋণ প্রদান ও উন্নয়নমূলক কাজের নামে অর্থ নেয়ার পর অফিস গুটিয়ে পালিয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ তুলে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন লিটন হোসেন নামে জনৈক ভুক্তভোগী।
বুধবার সকালে ওই ভুয়া এনজিওর কার্যালয় হামিদপুরের ব্যাংকার শফিকুজ্জামানের বাড়ির সামনে জড়ো হন ভুক্তভোগীরা। এনজিওর দেয়া বই হাতে নিয়ে তারা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন।
দায়তলার হাদিউজ্জামান, বাউলিয়ার বাসিরা বেগম, সুলতানপুরের আদুরী বেগম রুনু রুনা, নাসিমা, ধানঘাটার রিজিয়া, আলিফ, জান্নাতুল, কুলসুম, সুলতানপুরের নাসির উদ্দিন, বাউলিয়ার আছিয়া খাতুন, তালবাড়িয়ার মিরাজুল, ফতেপুরে লিটন ঘোষসহ অর্ধশত নারী-পুরুষ জানান, আরডিএফ নামে একটি এনজিও কর্মীরা তাদের কাছ থেকে অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ঋণ দেয়ার নামে। তারা টাকা দেন মোটা অংকে ঋণ পেতে। এনজিও কর্মীদের মধ্যে ইয়াসমিন, সালাউদ্দিন, আলী আকবার, সানিক, নাঈমা, রোকেয়া, সিটুল, রাজিবসহ আরও অনেকেই ঋণ পেতে বিভিন্ন অংকের টাকা জমা দেন।
অভিযোগে তারা আরো উল্লেখ করেন, আরডিএফ কর্মীরা এলাকার লোকজনকে ঋণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শত শত সদস্য সংগ্রহ করেন। সদস্যপ্রতি ২০০ টাকা করে ফি নেয়া ছাড়াও ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘লোন প্রোসেসিং’ খরচ আদায় করেছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরও কেউ ঋণ পাননি। বরং প্রতিষ্ঠানটির লোকজন নানা অজুহাত দেখিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। অতিরিক্ত অর্থ দাবি ও টাকা ফেরতের বিষয়ে প্রশ্ন তুললে হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। গত ৫ নভেম্বর দুপুরে আরডিএফ’র হামিদপুরস্থ অফিসে গেলে তারা বুঝতে পারেন প্রতিষ্ঠানটি আসলে একটি ভুয়া এনজিও। অফিসের কর্মীরা দ্রুত স্থান ত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পরে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে তারা প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হন।
ভুক্তভোগীরা ভুয়া এনজিওর দেয়া পাশ বই উঁচু করে দেখিয়ে কান্না বিজড়িত কন্ঠে আরো বলেন, অনেকেই টাকা দিয়েছেন। কেউ কেউ লাখ টাকার বেশি দিয়েছেন। এখন অফিসে গেলে কাউকে পাওয়া যায়না। তারা প্রতারিত হয়েছেন। আর সর্বশেষ বিভিন্ন অভিযোগ করেন তারা। বাড়ি মালিক শফিকুজ্জামান জেনে শুনে ভুয়া এনজিওকে ভাড়া দিয়েছেন এমনও অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। তাদের দাবি এ ভুয়া চক্রে ব্যাংকার শফিকুজ্জামানও সরাসরি জড়িত। তার সাথে কথা বলতে গেলে তিনি এখন উল্টো হুমকি দিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে দ্রুত ভুয়া এনজিওর লোকজনসহ বাড়িওয়ালা ব্যাংকার শফিকুজ্জামানকে আটকের দাবি জানান।
এ ব্যাপারে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসনাত খান জানান, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া প্রক্রিয়াধীন।
ঐ এনজিও কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা কর্মচারী পরিচয় দিয়ে যারা টাকা পয়সা নিয়েছিলেন তাদের মধ্যে ইয়াসমিন, আলী আকবার ও সালাউদ্দীনের তিন ফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া গেছে।
তবে যে বাড়িতে ঐ এনজিও তার মালিক অপর অভিযুক্ত ব্যাংকার শফিকুজ্জামান এ বিষয়ে নিশ্চুপ রয়েছেন।।

নতুন এক প্রজন্ম — “জিলেনিয়াল”

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
নতুন এক প্রজন্ম — “জিলেনিয়াল”

বর্তমান সময়ে প্রজন্মভিত্তিক আলোচনা খুবই জনপ্রিয়। আমরা প্রায়ই শুনি মিলেনিয়াল (Millennials) বা জেন–জি (Gen Z) সম্পর্কে। কিন্তু এই দুই প্রজন্মের মাঝখানে থাকা এক বিশেষ গোষ্ঠী আছে — যাদের বলা হয় “জিলেনিয়াল (Zillennials)”। 🤔
📌 জিলেনিয়াল কারা?
জিলেনিয়ালরা সাধারণত ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া মানুষদের বোঝায়। তারা এমন এক সময় বড় হয়েছে, যখন পৃথিবী এনালগ থেকে ডিজিটাল যুগে দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছিল।
📱 তাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী?
✅ শৈশব কেটেছে ক্যাসেট, সিডি, ডায়াল-আপ ইন্টারনেটের যুগে
✅ কৈশোরে পেয়েছে স্মার্টফোন ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিস্ফোরণ
✅ প্রযুক্তির সাথে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা বেশি
✅ মিলেনিয়ালদের মতো বাস্তববাদী, আবার জেন–জির মতো ট্রেন্ড সচেতন
💡 কেন তারা আলাদা?
জিলেনিয়ালরা দুই প্রজন্মেরই ভালো দিকগুলো ধারণ করে। তারা একদিকে নস্টালজিক — পুরনো দিনের স্মৃতি ধরে রাখতে ভালোবাসে 🎞️, অন্যদিকে নতুন প্রযুক্তি ও লাইফস্টাইলও দ্রুত গ্রহণ করে 🚀।
🌐 কর্মক্ষেত্র, সামাজিক যোগাযোগ, এমনকি সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তারা ভারসাম্য বজায় রাখতে চেষ্টা করে। তাই অনেক গবেষক মনে করেন — ভবিষ্যতের নেতৃত্বে এই প্রজন্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট

দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের উত্তর ঘনেশ্যাম তুষভান্ডার বাজার এলাকায় ০৫-০৪-২৫ রোজ বৃহস্পতিবার দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জমির মালিকানা ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিকরা। সিভিল জজ আদালতের মোকদ্দমা নম্বর ১২৩/১৫-এর রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, তুষভান্ডার বাজার এলাকার ৪৮৩৪ দাগের ‘ক’ তফসিলে বর্ণিত প্রায় ৪০ শতক জমি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন দেবদাস রায় মোহন, পিতা: যতীন্দ্র মোহন, উত্তর ঘনেশ্যাম। এ ঘটনায় শ্রী বিপিন চন্দ্র রায় ওরফে নূর মোহাম্মদ, পিতা: বিজন ভূষণ রায় বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি ও প্রমাণ উপস্থাপনের পর আদালত প্রকৃত মালিকের পক্ষে রায় প্রদান করেন।
রায় কার্যকর হওয়ার পর স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে এবং দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটে। স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রকৃত মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা জমি ফিরে পেয়ে খুশি এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অন্যায়-জুলুম আর কারও সঙ্গে না ঘটে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সোনাগাজীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলে ক্লাসরুম সংস্কার কাজের উদ্বোধন

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
সোনাগাজীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলে ক্লাসরুম সংস্কার কাজের উদ্বোধন

সোশ্যাল এইড-এর বাস্তবায়নে ও কারামা সলিডারিটি-এর অর্থায়নে শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ; শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত

সোনাগাজী উপজেলা-এর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে একটি ক্লাসরুম সংস্কার প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোশ্যাল এইড-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও বাস্তবায়নে এবং কারামা সলিডারিটি-এর অর্থায়নে ভোর বাজার অ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে এই সংস্কার কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
গত ৬ এপ্রিল বিদ্যালয়ের ডাঃ মাহবুব মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোশ্যাল এইড-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার এম. নাছির উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন ঘোষণা করেন সোনাগাজী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নুরুল আমিন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সোনাগাজী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জহিরুল হক খান সজীব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারামা সলিডারিটির কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ মোহাম্মদ আলী সোহেল, সোশ্যাল এইড-এর নির্বাহী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার বাবুল আকতার, প্রজেক্ট প্ল্যানিং ম্যানেজমেন্ট কর্মকর্তা ইসহাক এম. সোহেল এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সোশ্যাল এইড-এর ডকুমেন্টেশন ও কমিউনিকেশন অফিসার বায়েজীদ আহমেদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও কৃষকদল নেতা মনির আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা।
সংস্কার কাজের বিস্তারিত
এই প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয়ে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
৩টি ক্লাসরুমের সংস্কার ও রং করা
একটি গার্লস কর্নার ও তার সিলিং নির্মাণ
বারান্দার ফ্লোর ঢালাই ও নেট ফিনিশিং
নতুন ইলেকট্রিক ওয়্যারিং ও ৬টি সিলিং ফ্যান সংযোজন
৪০ জোড়া নতুন ছাত্র বেঞ্চ সরবরাহ
৪৬ জোড়া বেঞ্চ মেরামত ও বার্নিশিং
৮টি টিচার্স টেবিল ও ৮টি চেয়ার
১টি নতুন দরজা এবং ৮টি দরজা সংস্কার
১৮টি জানালার সংস্কার
১টি কেবিনেট, খাট, তোশক, বালিশ ও বিছানার চাদর
নিরাপদ পানির জন্য ফিল্টার
ছাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত স্যানিটারি ও হাইজিন পণ্য
শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস
সংস্কারকৃত আধুনিক ও সুন্দর পরিবেশে ক্লাস করতে পেরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দারুণ আনন্দ প্রকাশ করেছে। শিক্ষক ও অভিভাবকরাও এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে উল্লেখ করেছেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও স্থানীয় জনগণ সোশ্যাল এইড-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, সোশ্যাল এইড ইতোমধ্যে সোনাগাজী উপজেলায় মোট সাতটি স্কুলের সংস্কার কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে, যা শিক্ষা খাতে একটি প্রশংসনীয় অবদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই উদ্যোগ শুধুমাত্র অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

error: Content is protected !!