শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

জিবুতির উপকূলে নৌকাডুবি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:৩৬ এএম | 124 বার পড়া হয়েছে
জিবুতির উপকূলে নৌকাডুবি

আফ্রিকার দেশ জিবুতির সমুদ্র উপকূলে অভিবাসীবাহী দুটি নৌকা ডুবে অন্তত ৪৫ জন মারা গেছেন৷ জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আইওএম এ তথ্য জানিয়েছে৷

নৌকাডুবির ওই ঘটনায় নিখোঁজও রয়েছেন অনেকে৷

৩০ সেপ্টেম্বর জিবুতির উত্তর-পশ্চিম দিকে খোর আঙ্গার অঞ্চলের সৈকত থেকে প্রায় ১৫০ মিটার দূরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে জিবুতির কোস্টগার্ড৷

ইন্টারন্যাশনাল অর্গ্যানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইয়েমেন থেকে দুইটি নৌকায় ৩১০ জন অভিবাসী রওনা হয়েছিলেন৷ মাইক্রো ব্লগিং সাইট ‘এক্স’-এ দেয়া এক পোস্টে আইওএম বলেছে, ‘‘এখন পর্যন্ত ৩২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে৷” অনুসন্ধান ও উদ্ধার প্রচেষ্টায় সংস্থাটি কাজ করছে বলেও জানানো হয়েছে৷

এদিকে জিবুতির কোস্টগার্ড জানায়, নৌকাডুবির পরপরই ফরাসি নৌবাহিনীর সহায়তায় যৌথ উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়৷ এতে এ পর্যন্ত ১১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে৷

সংঘাত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দারিদ্র্য থেকে পালিয়ে তেলসমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোতে পৌঁছাতে চান হর্ন অব আফ্রিকার হাজার হাজার মানুষ৷ এজন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লোহিত সাগর পাড়ি দিতে চান তারা৷

এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই বিপদের মুখে পড়েন৷ এ বছরের এপ্রিলে জিবুতিতে ওবক শহরের কাছে শিশুসহ অন্তত ৭৭ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে বহন করা একটি নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত হন৷

গত দুই সপ্তাহের মধ্যে এটি দ্বিতীয় নৌকাডুবির ঘটনা৷ এর আগে আগস্টে ইয়েমেনের তায়েজ জেলার উপকূলে একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১৩ জন মারা গেছেন৷

সূত্র: ডয়েচে ভেলে

ঘরে ফেরা মানুষের অনুভূতি

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
ঘরে ফেরা মানুষের অনুভূতি

শিকড়ের টানে ঘরমুখী মানুষের ঘরে ফেরার অনুভূতি নিয়ে গান গাইলেন সংগীতশিল্পী নাবিলা নূর কুহু। গানের শিরোনাম ‘ফেরা’। গানের কথা লিখেছেন শিল্পী কুহু নিজেই। সংগীতায়োজন করেছেন অটমনাল মুন। সম্প্রতি কুহুর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল, স্পটিফাই ও অন্যান্য স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে গানটি প্রকাশিত হয়েছে।

নতুন এই গান নিয়ে নাবিলা নূর কুহু বলেন, ‘আমার গানের কথা ও সুরে সাধারণত নস্টালজিয়া, অপেক্ষা এবং নগরজীবনের নানা অনুভূতি প্রতিফলিত হয়। ফেরা গানটিতেও ফিরে আসার আবেগ ও স্মৃতিমাখা অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। ঘর ছেড়ে দূরে থাকা মানুষের মনে যে নস্টালজিয়া জন্ম নেয় ও দীর্ঘদিন পর নিজের ঘরে কিংবা দেশে ফেরার যে আবেগ ও অনুভূতি, তা ধারণ করেই তৈরি হয়েছে গানটি।’

নাবিলা নূর কুহু। ছবি: সংগৃহীত
নাবিলা নূর কুহু। ছবি: সংগৃহীত

ছায়ানট থেকে নজরুলগীতিতে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জনের মাধ্যমে শিল্পী নাবিলা নূর কুহু তাঁর সংগীত শিক্ষা সম্পন্ন করেন। এ ছাড়া তিনি শুদ্ধ সংগীতের তালিম নিয়েছেন অনুপ বডুয়ার কাছে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবেও দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি নিজের মৌলিক গান নিয়ে কাজ শুরু করেছেন, যার অধিকাংশের কথা ও সুর তাঁর নিজের করা।

ঈদুল ফিতরে যেসব আমল করতেন নবীজি (সা.)

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫২ এএম
ঈদুল ফিতরে যেসব আমল করতেন নবীজি (সা.)

ঈদ মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব। তাই কোরআন-হাদিসের নির্দেশনা মেনে ঈদের আমেজে মেতে ওঠা উচিত। নবী করিম (সা.) যেভাবে ঈদ পালন করতেন, তা হতে পারে আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্য রাসুলের অনুসরণের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা আহজাব: ২১)

সুলতানি  ও মোগল আমলের ঈদ উৎসব

প্রিয় নবীর (সা.) দেখানো পথে যদি আমাদের ঈদটি সাজাতে পারি, তাহলে আনন্দের পাশাপাশি আল্লাহর সন্তুষ্টিও অর্জন সম্ভব। ঈদকেন্দ্রিক রাসুল (সা.)-এর আমলগুলো জেনে নেওয়া যাক—

চাঁদ দেখে ঈদ পালন

যান্ত্রিক জীবনে আমরা ঈদের চাঁদ দেখার আনন্দ ভুলে গেছি বললেই চলে। অথচ ঈদের চাঁদ দেখা সুন্নত। নবী করিম (সা.) চাঁদ দেখে ঈদ করার কথা বলেছেন।

ঈদের নতুন চাঁদ দেখে রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়া পড়তেন, ‘আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল-য়ুমনি ওয়াল ইমানি, ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি, রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি আমাদের জন্য এই চাঁদ সৌভাগ্য ও ইমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদিত করুন। আল্লাহই আমার ও তোমার রব। (সুনানে তিরমিজি: ৩৪৫১)

চাঁদরাতের ইবাদত

চাঁদরাত তথা ঈদের রাত সাধ্যমতো নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার, দোয়া-দরুদ ইত্যাদির মাধ্যমে কাটানো উচিত। এ রাতের ইবাদতের অনেক ফজিলত।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ঈদুল ফিতরের রাতে (ইবাদতের মাধ্যমে) জাগ্রত থাকবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে। (আত তারগিব: ১৬৫৬)

নবীজি (সা.) আরও বলেন, যে দুই ঈদের রাতে আল্লাহর কাছে সওয়াব পাওয়ার নিয়তে ইবাদত করবে, তার হৃদয় সেদিনও জীবিত থাকবে, যেদিন সকল হৃদয়ের মৃত্যু ঘটবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৭৮২)

ঈদগাহে যাওয়ার প্রস্তুতি

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) ঈদের দিন গোসল করতেন। (সহিহ বুখারি)। নবীজি (সা.) ও তাঁর সাহাবিরা ঈদের দিন তাঁদের সবচেয়ে সুন্দর পোশাকটি পরিধান করতেন। (ফাতহুল বারি)। তাই ঈদের দিন সাধ্য অনুযায়ী উত্তম পোশাক পরিধান করা সুন্নত।

আনাস (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) ঈদুল ফিতরের দিন সকালে কিছু খেজুর খেতেন। অন্য এক বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি বিজোড়সংখ্যক খেজুর খেতেন। (সহিহ বুখারি)

ওয়াজিব সদকাতুল ফিতর যদি আদায় করা না হয়, তাহলে ঈদগাহে যাওয়ার আগেই তা আদায় করা উচিত। নিজ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের পক্ষ থেকে এই সদকা আদায় করতে হয়।

ঈদগাহে যাওয়ার সুন্নত

রাসুলুল্লাহ (সা.) ঈদুল ফিতরের দিন ঘর থেকে বের হয়ে ঈদগাহে পৌঁছানো পর্যন্ত তাকবির বলতেন। (মুসতাদরাকে হাকেম: ১১০৬)। ঈদগাহে এক রাস্তা দিয়ে যেতেন এবং অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরতেন। (সহিহ বুখারি)। এ ছাড়া তিনি হেঁটে ঈদগাহে যেতেন এবং হেঁটে ঈদগাহ থেকে ফিরতেন। (সুনানে তিরমিজি)

ঈদে শিশুদের সঙ্গ দেওয়া

ঈদের দিন শিশুদের সময় দেওয়া এবং তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা উচিত। ঈদগাহে যাওয়ার সময় শিশুদের সঙ্গে নেওয়া সুন্নত। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) দুই ঈদের দিন ঈদগাহে যাওয়ার সময় ফজল ইবনে আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস, আব্বাস, আলী, জাফর, হাসান, হুসাইন, উসামা ইবনে জায়েদ, জায়েদ ইবনে হারিসা ও আয়মান ইবনে উম্মে আয়মানকে সঙ্গে নিয়ে উচ্চ স্বরে তাকবির পাঠ করতে করতে বের হতেন। (বায়হাকি)

মেকআপ গলে যাওয়া থেকে রেহাই পেতে যা করবেন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫০ এএম
মেকআপ গলে যাওয়া থেকে রেহাই পেতে যা করবেন

ধারণা করা হচ্ছে, এবার ঈদে রোদের তাপ যেমন থাকবে, তেমনি সময়ে-অসময়ে বৃষ্টিও নামতে পারে। ফলে ঈদে মেকআপ করে বাইরে গেলে কয়েক ঘণ্টা বাদেই তা গলে যেতে পারে। তাই বলে কি মেকআপ করা বারণ? মোটেও নয়। এ সময় ফাউন্ডেশন, মাসকারা ও লিপস্টিক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। ঘাম প্রতিরোধক মেকআপ আপনাকে সারা দিন তরতাজা রাখবে। মেকআপের ক্ষেত্রে মাত্র কয়েকটি ধাপ মেনে চললে সারা দিন সুন্দর থাকতে পারবেন।

প্রাইমার বেছে নিতে ভুল নয়

মুখ ক্লিনজিংয়ের পর ভালোভাবে ময়শ্চারাইজ করতে হবে। এরপর অবশ্যই ভালো মানের প্রাইমার বুলিয়ে নিতে হবে। এটি মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী করে—এ কথা ভুলে গেলে চলবে না। এ জন্য বেছে নিতে পারেন ম্যাটিফাইয়িং প্রাইমার। তেল ও ঘামমুক্ত মেকআপের জন্য দারুণ সহায়ক এটি। পাশাপাশি এ ধরনের প্রাইমার ব্যবহার করলে ত্বক উজ্জ্বল দেখায়। তবে এটি কিনতে হবে ত্বকের ধরন বুঝে।

হালকা বেইজ

কথায় বলে, লেস ইজ মোর। ঘাম এড়াতে চাইলে, মানে সোয়েট ফ্রি মেকআপ করতে হলে বেইজ হালকা রাখতে হবে। যদি খুব ঘাম হয়, তাহলে সরাসরি কনসিলার লাগিয়ে নিন। তবে ফাউন্ডেশন ছাড়া মেকআপ করতে না চাইলে সেটি আঙুলে অল্প পরিমাণে নিয়ে ত্বকে বুলিয়ে নিতে পারেন। মেকআপ লক করতে কমপ্যাক্ট পাউডার ব্যবহার করতে ভুলবেন না। কমপ্যাক্ট পাউডার ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমায়।

পাউডার ব্লাশ একেবারেই নয়

পাউডার ব্লাশ এড়িয়ে চলুন। যদিও ব্লাশ মেকআপে পূর্ণতা আনে। কিন্তু পাউডার ব্রাশ ব্যবহারের পর যদি ঘেমে যান, তাহলে মেকআপ ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। একান্তই যদি ব্লাশ ব্যবহার করতে হলে সোয়েট ফ্রি ব্লাশ লাগান। অথবা ক্রিম বেজড লিপস্টিক অল্প পরিমাণে দিয়ে গালে ব্লাশ করে নিন।

হাইলাইটার ব্যবহারে ভুল নয়

সোয়েটপ্রুফ মেকআপের ক্ষেত্রে ম্যাট প্রসাধনী ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু মেকআপ করার পর ত্বক যদি একটু উজ্জ্বলই না দেখায়, তবে কি চলে? আর উজ্জ্বলতার এ কাজটাই করবে হাইলাইটার। নাক, চিবুক, ব্রো বোন ও চিকবোনে হালকা করে হাইলাইটার বুলিয়ে নিতে পারেন।

ওয়াটারপ্রুফ মাসকারা

সোয়েটপ্রুফ মেকআপ অসম্পূর্ণ রয়ে যাবে যদি ওয়াটারপ্রুফ মাসকারা ব্যবহার করা না হয়। চোখের পাপড়িতে তিন কোট ওয়াটারপ্রুফ মাসকারা লাগিয়ে নিন একেবারে পাপড়ির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।

ম্যাট লিপস্টিক

গরম ও বৃষ্টির দিনের মেকআপে ম্যাট লিপস্টিকের জুড়ি মেলা ভার। এ ধরনের লিপস্টিক দীর্ঘ সময় ঠোঁটে থাকে। যাঁরা অতিরিক্ত ঘামেন, তাঁরা এই সময়ে ব্যাগে ম্যাট লিপস্টিক রাখুন।

সূত্র: হারপার’স বাজার, টিনভোগ ও অন্যান্য

error: Content is protected !!