বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত কোনদিকে যাচ্ছে?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪, ২:৩৬ পিএম | 128 বার পড়া হয়েছে
ইরান-ইসরায়েল সংঘাত কোনদিকে যাচ্ছে?

ছয় মাসের মাথায় দ্বিতীয়বারের মতো ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ইরানের হামলার পর একদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন ‘ইরানকে মূল্য দিতে হবে’। অন্যদিকে, ইসরায়েল যদি জবাব দেয়ার চেষ্টা করে, আবারো পাল্টা হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

হামাস, হেজবুল্লাহর শীর্ষ নেতা ও ইরানের কমান্ডারদের হত্যার জবাব হিসেবেই মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে বলে জানায় ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড।

বিবিসি’র আন্তর্জাতিক সম্পাদক জেরেমি বোয়েন তার বিশ্লেষণে বলছেন, ইরান ‘সিরিয়াস ড্যামেজ’ (গুরুতর ক্ষতি) ঘটানোর চেষ্টা করেছিল বলেই দেখা যাচ্ছে। ফলে ইসরায়েলের জবাব কী হয় সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

বিবদমান দুই দেশ এবং তাদের মিত্রদের তৎপরতায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কোনদিকে যেতে পারে?

এ ব্যাপারে মি. বোয়েন এবং বিবিসির নিরাপত্তা বিষয়ক সংবাদদাতা ফ্র্যাংক গার্ডনারের বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি লেখা হয়েছে।

গত এপ্রিলে ইরান যখন ইসরায়েলে আক্রমণ করে, তখন দৃশ্যমান কিছু একটা কিছু করে দেখানোর প্রচেষ্টাটা লক্ষণীয় ছিল।

কিন্তু সেটা একটা প্রচেষ্টা হিসেবেই থেকে যায়, কারণ সেবার তাদের প্রায় সব ক্ষেপণাস্ত্রই ইসরায়েলি এবং আমেরিকান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে ভূপাতিত হয়।

এবারের ব্যাপারটা ভিন্ন। ইরান গুরুতর ক্ষতি করার চেষ্টাতেই জোরদার আঘাত হেনেছে বলে মনে হচ্ছে। এবার অনেক বেশি আগ্রাসী তাদের প্রচেষ্টা।

ইসরায়েলিদের মনোভাব
এপ্রিলে নেতানিয়াহুকে বড় ধরনের পাল্টা হামলা চালাতে বারণ করেছিলেন জো বাইডেন। তাতে ইসরায়েলেরই জয় হবে বলে অভিমত ছিল তার। ইসরায়েলও সেবার জোরালো কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

তবে গতবার ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক সহযোগীরা দেশটিকে যেভাবে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছিলো এবার তেমনটি হওয়ার সম্ভাবনা কম।

এখন ইসরায়েলে ভিন্ন হাওয়া বইছে।

গতরাতে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের করা টুইটের দিকে তাকালে এর একটা আভাস পাওয়া যায়। বেশ কড়া ভাষা ব্যবহার করেছেন মি. বেনেট।

তিনি লিখেছেন, “৫০ বছরের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বড় সুযোগ মধ্যপ্রাচ্যের চেহারা পাল্টে দেয়ার।”

ইরানের “সন্ত্রাসী সরকারকে মারাত্মকভাবে পঙ্গু করে দিতে” তাদের পরমাণু অবকাঠামোর দিকে নজর দেয়া উচিত ইসরায়েলের, এমনটা মনে করছেন মি. বেনেট।

তিনি যদিও এখন প্রধানমন্ত্রী নন। তবে, ভবিষ্যতে হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে ধারণা করা হয়, নিজেকে কঠোর হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা হয়তো সেজন্যই। কিন্তু তার বক্তব্য নিশ্চিতভাবেই দেশটির নাগরিকদের অন্তত একাংশের মনোভাবের প্রতিফলন।

এই মুহূর্তে ইরানের অর্থনীতির ক্ষতির কারণ হতে পারে এমন যেকোনো কিছুতে ইসরায়েলের হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না বলে মনে করেন জেরেমি বোয়েন। হতে পারে সেটি পরমাণু প্রকল্প কিংবা পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনা।

তেহরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল যদি কোনও প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেয়, তবে ইসরায়েলের সমস্ত অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালাবে ইরান।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর যুগ্ম প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি এই ঘোষণা দিয়েছেন।

“যদি (ইসরায়েল)… এই ধরনের অপরাধ অব্যাহত রাখে বা আমাদের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কিছু করতে চায়, তাহলে আজকের রাতের অভিযান আরও কয়েকগুণ শক্তিশালী হবে এবং তাদের সমস্ত অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে,” বলেন মি. বাঘেরি।

তিনি আরও বলেন যে ইরানের বিশেষায়িত সামরিক শাখা রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করার জন্য প্রস্তুত।

ইরানের ঢাল হেজবুল্লাহ
লেবাননের হেজবুল্লাহ ইরানের একটি প্রতিরক্ষা ঢাল হিসেবে কাজ করে আসছিল। ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো আক্রান্ত হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে, হেজবুল্লাহর ভাণ্ডারে থাকা অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলো প্রতিরোধের কাজে লাগানো যেতো।

কিন্তু, মার্কিন এবং ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, গত দুই সপ্তাহে সশস্ত্র সংগঠনটির অর্ধেক অস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। তাদের শীর্ষ নেতৃত্ব শেখ হাসান নাসরাল্লাহ নিহত হয়েছেন, লেবাননে প্রবেশ করেছে ইসরায়েলি সেনারা।

ফলে, হেজবুল্লাহর কারণে ইরানের যে প্রতিরোধটুকু ছিল, সেটি অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে।

জেরেমি বোয়েনের বিশ্লেষণ, এর ফলে ইসরায়েল আরো অবাধে তৎপরতা চালাতে পারছে।

আর ফ্র্যাংক গার্ডনার বলছেন, ইসরায়েলের এখনকার কৌশল হিসেবে দেখা যাচ্ছে এক সাথে দু’ভাবে এগোনোর চেষ্টা। গুপ্ত হামলায় শত্রুকে নিশ্চিহ্ন করা, বিমান হামলা ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা- যার মাধ্যমে ইরান ও ছায়াশক্তিগুলোকে বুঝিয়ে দেয়া যে ইসরায়েলে আঘাত করলে আরও বেশি শক্তির মুখোমুখি হতে হবে।

তবে, লেবাননে সম্মুখ যুদ্ধে ইসরায়েলি সেনাদের প্রতিহত করার দাবি করেছে হেজবুল্লাহ।

বুধবার দুইবার মুখোমুখি লড়াই হয়েছে বলে জানায় তারা। সংগঠনটির বক্তব্য, এগুলো যুদ্ধের প্রথম পর্যায়।

প্রতিবেদনটি লেখার সময় পর্যন্ত, দক্ষিণ লেবাননে নিজেদের অন্তত আটজন সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। আহত হয়েছেন আরো সাতজন।

যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা
ইরানে হামলার জন্য দীর্ঘদিনের একটি পরিকল্পনা ইসরায়েলের হাতে থেকে থাকবে। অবশ্যম্ভাবী সামরিক লক্ষ্যবস্তু হবে স্থলভাগে যেখান থেকে মঙ্গলবারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে।

ফায়ারিং এর জন্য ক্ষেপণাস্ত্র যেখানে রাখা হয়েছে সেই জায়গাই শুধু নয়, কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার, এমনকি রিফুয়েলিং সেন্টারগুলোও এর আওতায় থাকার কথা।

বুধবার গাজার খান ইউনিসে ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

অর্থাৎ, গত বছরের অক্টোবরে শুরু হওয়া ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের ইতি টানার মতো পরিস্থিতি হয়নি এখনো।

অন্যদিকে, জো বাইডেন ভূমধ্যসাগরে আরো সৈন্য পাঠিয়ে ইরানকে ইঙ্গিত করছেন, যদি ইসরায়েলের ওপর আঘাত আসে, সেটি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আঘাত বলেই বিবেচিত হবে।

এসব কারণে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা নিয়ে কথা উঠছে। চলমান ঘটনাপ্রবাহে তৈরি অস্থিতিশীলতা ও অশান্তির পরিপ্রেক্ষিতে কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ একেবারেই ক্ষীণ হয়ে এসেছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা আগুন দ্রুতই নরকে রূপ নিচ্ছে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।

অবশ্য, মি. গুতেরেসকে নিজেদের দেশে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ইসরায়েল।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

শংকর দাস পবন, ঝালকাঠি

ঝালকাঠিতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

শংকর দাস পবন, ঝালকাঠি প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৮ পিএম
ঝালকাঠিতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, ঝালকাঠি শাখার উদ্যোগে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে ঝালকাঠি সরকারি কলেজ রোডস্থ সংস্থার নিজস্ব কার্যালয়ে এ আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের সভাপতি ইমদাদুল হক স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় এবং সাধারণ সম্পাদক রুবেল খানের সঞ্চালনায় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার ঝালকাঠি প্রতিনিধি রেজাউল করিম, ‘ঢাকার সময়’ ও ‘চ্যানেল এস স্যাভেন’-এর স্টাফ রিপোর্টার শংকর দাস পবন, সাংবাদিক বাবুল মিনা,মাহাবুবুর রহমান, কামরুজ্জামান সুইটসহ সংস্থার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

ইফতারের পূর্বে দেশ, জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে দেশ ও জাতির সার্বিক অগ্রগতি, মানুষের সুখ-শান্তি এবং পেশাজীবী সাংবাদিকদের কল্যাণ কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ ধরনের আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে সম্প্রীতি বৃদ্ধি ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

ঈদের ছুটিতে চালু থাকবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৬ পিএম
ঈদের ছুটিতে চালু থাকবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে ঈদের ছুটিতেও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

আজ বুধবার প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মন্ত্রণালয়ের স্থাপিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ২৪ মার্চ পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে ৭ দিন চালু থাকবে। ১৬ মার্চ জারি করা অফিস আদেশ অনুযায়ী এ ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের সহায়তায় ১০ মার্চ থেকে এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের প্রবাসী কল সেন্টারে এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। এখানে তিন শিফটে মোট ২০ জন কর্মকর্তা ও ২৪ জন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করবেন। প্রবাসীরা জরুরি প্রয়োজনে দেশের ভেতর থেকে টোল-ফ্রি ১৬১৩৫ নম্বরে এবং বিদেশ থেকে ‍+৮৮০৯৬১০১০২০৩০ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।

অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় থাকবেন ওয়েজ আর্নারস কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া। আর ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মন্ত্রণালয়ের কর্মসংস্থান-১ শাখার উপসচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল।

নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে বিদেশে শ্রমকল্যাণ উইংগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করবেন এবং প্রাপ্ত তথ্য নিয়মিতভাবে ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তার কাছে জমা দেবেন বলে জানানো হয়েছে।

 

মধ্যপ্রাচ্যে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ আনতে কাজ করছে সরকার

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৫ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ আনতে কাজ করছে সরকার

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে আনার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক মারা গেছেন। তাদের মধ্যে একজনের মরদেহ ইতিমধ্যেই দেশে আনা হয়েছে। অন্য চারজনের মরদেহও দেশে আনার জন্য কাজ করছে সরকার।’ এ ছাড়া সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে প্রবাসীদের নিরাপত্তায় সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান।

আজ বুধবার দুপুরে ফরিদপুরের সালথা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায়দের ঈদ উপহার বিতরণী আয়োজনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করায় তেল, গ্যাস ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে যে সংকটের কথা ছিল, তা কিন্তু নেই। তেল বা খাদ্য সামগ্রীর দাম কিন্তু বাড়েনি। প্রধানমন্ত্রী সব বিষয়ে খোঁজ রাখছেন এবং সকল বিষয়ে সমাধান করছেন। এ ছাড়া সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরা যারা কষ্টের মধ্যে রয়েছেন, তাদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতেও কাজ করছে সরকার। সেই সঙ্গে তারা যাতে সেখানে নিরাপদে থাকতে পারেন, সেদিকেও খেয়াল রাখা হচ্ছে।

ঈদে রাজধানী থেকে মানুষ যাতে ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে ফিরতে পারে, তার সকল ব্যবস্থা সরকার নিয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই মানুষ ঘরে ফিরছে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রীরা খোঁজ খবর রাখছেন, সরেজমিনে গিয়ে পরিদর্শন করছেন। আমরা আশা করছি সকলে ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে ফিরে তাদের পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে পারবে।

এর আগে জেলার নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে ঈদুল ফিতরের উপহার হিসেবে সহস্রাধিক অসহায় মানুষের হাতে শাড়ি-কাপড় তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী।

error: Content is protected !!