বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২

সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:৩২ এএম | 181 বার পড়া হয়েছে
সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের খুলশি থেকে গ্রেফতার হয়েছেন নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রামের খুলশি থানাধীন আবদুল মালেক লেন এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাবের একটি দল।
র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) শরীফ উল আলম প্রথম আলোকে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে নগরের খুলশী এলাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি একরামুল করিম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ২৬ হাজার ২০০ মার্কিন ডলার, ২ হাজার ১০০ সিঙ্গাপুরের মুদ্রা ও বাংলাদেশি ১০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরীফুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তার কাছ থেকে দেশী-বিদেশী বেশ কিছু মুদ্রাসহ কিছু ব্যক্তিগত মালামাল জব্দ করেছে র‌্যাব।
আটকের সময় জব্দকৃত ব্যক্তিগত মালামাল:
১/ বাংলাদেশী ১০০০ টাকার নোট ১০০ টি ১০০০×১০০ =১০০,০০০/ (১ লক্ষ) টাকা মাত্র টাকা ২/ বাংলাদেশী ৫০০ টাকার নোট ১৮ বান্ডেল প্রতি বান্ডেলে ৫০,০০০ হাজার টাকা করিয়া ৫০০০০×১৮= ৯০০০০০/ (নয় লক্ষ) টাকা মাত্র। সর্বমোট বাংলাদেশী টাকা ১০,০০০০/ (দশ লক্ষ) টাকা মাত্র ৩/ ইউএস ডলার ১৬২টি প্রতিটি ১০০ ডলার করিয়া ১৬২×১০০= ১৬২০০/ ডলার ৪/ সিংগাপুরী ডলার ৬টি নোট ১০০ ডলার, ২৯টি নোট ৫০ ডলার, ৫টি ১০ ডলার, ৪টি ৫ ডলার, ৪টি ২ ডলার,নসর্বমোট ২১২৪ সিংগাপুরী ডলার। ৫/ এটিএম কার্ড ৪টি, ৬/ এনআইডি কার্ড ১টি
৭/ মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স ১টি, ৮/ সংসদ ভবন আইডি কার্ড ১টি, ৯/ মানি ব্যাগ ১টি, ১০/ সোনার সাদৃশ্য চেইন ১টি।
একরামুল করিম চৌধুরীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে র‌্যাব কর্মকর্তা শরীফ জানিয়েছেন।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন একরামুল করিম চৌধুরী। গত ১৭ বছর ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। কিছু দিন আগেও তার কথার বাইরে এলাকায় কিছুই হতো না। তবে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।
২০১৩ সালে শ্রমিক দলের কর্মী মো. খোকনকে (২৫) গুলি করে হত্যার অভিযোগে গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে মামলাটি করা হয়। মামলার বাদী নিহত খোকনের বাবা মফিজুল হক। আসামিরা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। ওই মামলায় গ্রেফতারর দেখানো হবে একরামুলকে। একরামুল ছাড়াও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে ৫৩ জনকে।
একরামুল করিম ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনে ওবায়দুল কাদের ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বিপক্ষে নির্বাচন করেন। ভোট পান ৩৪ হাজার। তখনই আলোচনায় আসেন তিনি। তবে ক্ষমতা পোক্ত করেন ২০০৮ সালে। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নোয়াখালী-৪ আসনে সেবার এমপি হন তিনি। এর পর এই আসনে আরও তিনবার এমপি হন।
দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে গত মে মাসে ছেলে শাবাব চৌধুরীকে তিনি সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান প্রার্থী করেন। ভোটে জয়ী হন শাবাব। এ ছাড়া, গত ১৫ বছর কবিরহাট পৌরসভার মেয়র ছিলেন তাঁর ভাগনে জহিরুল হক রায়হান। স্ত্রী কামরুন নাহার শিউলী নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। এখন তারা কেউই এলাকায় নেই।
অভিযোগ রয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, এলজিইডি ও পিডব্লিউডির টেন্ডার নিয়ন্ত্রণে একরামুল করিমের ছিল নিজস্ব বাহিনী। এই বাহিনীর নেতৃত্ব দেন তাঁর ভাগনে রায়হান, চাচাতো ভাই নূরুল আমিন রুমি, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মাহমুদুর রহমান জাবেদ। এই বাহিনী নোয়াখালীর ফোর লেন প্রকল্প ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার উন্নয়ন কাজে চাঁদা নেয়। এলাকায় চলাচলকারী চার হাজার সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে তারা চাঁদা তোলে। সিন্ডিকেটে আরও ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, জিয়াউল হক লিটন, আব্দুল মমিন বিএসসি, সহসভাপতি আতাউর রহমান মানিক ও মাহমুদুর রহমান জাবেদ ওরফে মামা জাবেদ। তারা সবাই এখন আত্মগোপনে।
এমপি হওয়ার পর একরামুলের সম্পদ বেড়েছে রকেট গতিতে।’ নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, ২০০৮ সালে তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ছিল ১১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার। ২০১৪ সালে ওই সম্পদ বেড়ে হয় ১৯ কোটি ৪০ লাখ টাকার। ২০১৮ সালে তা আরও বেড়ে হয় ৩৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার। আর ২০২৩ সালে জমা দেওয়া সর্বশেষ হলফনামা অনুযায়ী, একরামুল করিমের মোট সম্পদ ৩২ কোটি ৫৯ লাখ টাকার, যার মধ্যে স্থাবর ৭ কোটি ৪৩ লাখ ও অস্থাবর ২৫ কোটি ১৬ লাখ টাকার।

অবৈধ পুকুর খননের সংবাদ করতে গিয়ে তাড়াশে সাংবাদিক লাঞ্ছিত,থানায় অভিযোগ দায়ের

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
অবৈধ পুকুর খননের সংবাদ করতে গিয়ে তাড়াশে সাংবাদিক লাঞ্ছিত,থানায় অভিযোগ দায়ের

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অবৈধ পুকুর খননের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তাড়াশ উপজেলার সগুনা গ্রামের বাসিন্দা ও দৈনিক চলনবিল প্রবাহ পত্রিকার সাংবাদিক রাশিদুল হাসান (৩২) গত ৪ মার্চ ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার গুল্টা এলাকায় অবৈধ পুকুর খননে উপজেলা প্রশাসনের একটি অভিযানের সংবাদ সংগ্রহে যান। তার সঙ্গে ছিলেন দৈনিক শ্যামল বাংলা ও দৈনিক তৃতীয় মাত্রা পত্রিকার সাংবাদিক খালিদ হাসান।

‎সংবাদ সংগ্রহ শেষে ফেরার পথে সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ৪৫ মিনিটে তাড়াশ থানাধীন ধোপাগাড়ি বাজার এলাকায় পৌঁছালে ঠিকাদার মো. রাজু আহমেদ (৫৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন তাদের পথরোধ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

‎ভুক্তভোগীদের দাবি, এ সময় তাদের মারধর করা হয় এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে চেয়ার দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে হাত তুলে বাধা দিলে রাশিদুল হাসানের হাতে ও মাথায় আঘাত লাগে। এতে তার হাতে ক্ষত সৃষ্টি হয়ে রক্তপাত হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে শাবল ও লোহার রড নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

‎ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা তাড়াশ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তারা হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

‎এ বিষয়ে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎উল্লেখ্য, তাড়াশ উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনহীন পুকুর খননের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব খননের ফলে কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অবৈধ খনন বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি জরুরি।

‎সচেতন মহল মনে করছেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা অবাধ ও অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের প্রতিফলন। অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

error: Content is protected !!