বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২

সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:৩২ এএম | 179 বার পড়া হয়েছে
সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের খুলশি থেকে গ্রেফতার হয়েছেন নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রামের খুলশি থানাধীন আবদুল মালেক লেন এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাবের একটি দল।
র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) শরীফ উল আলম প্রথম আলোকে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে নগরের খুলশী এলাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি একরামুল করিম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ২৬ হাজার ২০০ মার্কিন ডলার, ২ হাজার ১০০ সিঙ্গাপুরের মুদ্রা ও বাংলাদেশি ১০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরীফুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তার কাছ থেকে দেশী-বিদেশী বেশ কিছু মুদ্রাসহ কিছু ব্যক্তিগত মালামাল জব্দ করেছে র‌্যাব।
আটকের সময় জব্দকৃত ব্যক্তিগত মালামাল:
১/ বাংলাদেশী ১০০০ টাকার নোট ১০০ টি ১০০০×১০০ =১০০,০০০/ (১ লক্ষ) টাকা মাত্র টাকা ২/ বাংলাদেশী ৫০০ টাকার নোট ১৮ বান্ডেল প্রতি বান্ডেলে ৫০,০০০ হাজার টাকা করিয়া ৫০০০০×১৮= ৯০০০০০/ (নয় লক্ষ) টাকা মাত্র। সর্বমোট বাংলাদেশী টাকা ১০,০০০০/ (দশ লক্ষ) টাকা মাত্র ৩/ ইউএস ডলার ১৬২টি প্রতিটি ১০০ ডলার করিয়া ১৬২×১০০= ১৬২০০/ ডলার ৪/ সিংগাপুরী ডলার ৬টি নোট ১০০ ডলার, ২৯টি নোট ৫০ ডলার, ৫টি ১০ ডলার, ৪টি ৫ ডলার, ৪টি ২ ডলার,নসর্বমোট ২১২৪ সিংগাপুরী ডলার। ৫/ এটিএম কার্ড ৪টি, ৬/ এনআইডি কার্ড ১টি
৭/ মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স ১টি, ৮/ সংসদ ভবন আইডি কার্ড ১টি, ৯/ মানি ব্যাগ ১টি, ১০/ সোনার সাদৃশ্য চেইন ১টি।
একরামুল করিম চৌধুরীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে র‌্যাব কর্মকর্তা শরীফ জানিয়েছেন।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন একরামুল করিম চৌধুরী। গত ১৭ বছর ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। কিছু দিন আগেও তার কথার বাইরে এলাকায় কিছুই হতো না। তবে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।
২০১৩ সালে শ্রমিক দলের কর্মী মো. খোকনকে (২৫) গুলি করে হত্যার অভিযোগে গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে মামলাটি করা হয়। মামলার বাদী নিহত খোকনের বাবা মফিজুল হক। আসামিরা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। ওই মামলায় গ্রেফতারর দেখানো হবে একরামুলকে। একরামুল ছাড়াও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে ৫৩ জনকে।
একরামুল করিম ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনে ওবায়দুল কাদের ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বিপক্ষে নির্বাচন করেন। ভোট পান ৩৪ হাজার। তখনই আলোচনায় আসেন তিনি। তবে ক্ষমতা পোক্ত করেন ২০০৮ সালে। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নোয়াখালী-৪ আসনে সেবার এমপি হন তিনি। এর পর এই আসনে আরও তিনবার এমপি হন।
দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে গত মে মাসে ছেলে শাবাব চৌধুরীকে তিনি সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান প্রার্থী করেন। ভোটে জয়ী হন শাবাব। এ ছাড়া, গত ১৫ বছর কবিরহাট পৌরসভার মেয়র ছিলেন তাঁর ভাগনে জহিরুল হক রায়হান। স্ত্রী কামরুন নাহার শিউলী নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। এখন তারা কেউই এলাকায় নেই।
অভিযোগ রয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, এলজিইডি ও পিডব্লিউডির টেন্ডার নিয়ন্ত্রণে একরামুল করিমের ছিল নিজস্ব বাহিনী। এই বাহিনীর নেতৃত্ব দেন তাঁর ভাগনে রায়হান, চাচাতো ভাই নূরুল আমিন রুমি, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মাহমুদুর রহমান জাবেদ। এই বাহিনী নোয়াখালীর ফোর লেন প্রকল্প ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার উন্নয়ন কাজে চাঁদা নেয়। এলাকায় চলাচলকারী চার হাজার সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে তারা চাঁদা তোলে। সিন্ডিকেটে আরও ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, জিয়াউল হক লিটন, আব্দুল মমিন বিএসসি, সহসভাপতি আতাউর রহমান মানিক ও মাহমুদুর রহমান জাবেদ ওরফে মামা জাবেদ। তারা সবাই এখন আত্মগোপনে।
এমপি হওয়ার পর একরামুলের সম্পদ বেড়েছে রকেট গতিতে।’ নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, ২০০৮ সালে তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ছিল ১১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার। ২০১৪ সালে ওই সম্পদ বেড়ে হয় ১৯ কোটি ৪০ লাখ টাকার। ২০১৮ সালে তা আরও বেড়ে হয় ৩৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার। আর ২০২৩ সালে জমা দেওয়া সর্বশেষ হলফনামা অনুযায়ী, একরামুল করিমের মোট সম্পদ ৩২ কোটি ৫৯ লাখ টাকার, যার মধ্যে স্থাবর ৭ কোটি ৪৩ লাখ ও অস্থাবর ২৫ কোটি ১৬ লাখ টাকার।

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০০ পিএম
অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) কাজী জিয়াউল বাসেত।

আগামী ০৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারীদের পাঁচটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে ময়মনসিংহ বিভাগের সফল নারীদের পুরস্কার প্রদান করা হবে। ক্যাটাগরিগুলো হলো: অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী, শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী, সফল জননী নারী, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী। ময়মনসিংহ বিভাগে প্রতিটি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা দুইজন করে নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যা পরবর্তী সভায় চূড়ান্তভাবে একজন করে বাছাই করে ঢাকায় পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে প্রত্যেকটি নারীর নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অবদান ও সংগ্রামের ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং তুলনামূলক অধিকতর যোগ্য নারীকে সর্বসম্মতিক্রমে বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সারাদেশে বাছাইকৃত নারীদের মধ্যে থেকে জাতীয় পর্যায়ে আগামী ০৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হবে।

তাসলিমা রত্না

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

তাসলিমা রত্না প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৯ পিএম
ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা, ময়মনসিংহের সদর – ৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আবু ওয়াহাব আকন্দ মহোদয়
আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নগরী নিয়ে কিছু কথা ব্যক্ত করতে চাই।
আমার এই লেখাটির যাদের দৃষ্টিগোচর হবে অবশ্য শেয়ার করবেন।
১/ প্রথম কথা হলো বর্তমানে এই নগরীর আপনি একজন এমপি হয়েছেন,সেক্ষেএে আমার প্রশ্ন —
২/ নগরীর যানজট নিরসন করতে হবে অবৈধ লাইসেন্স বাতিল করতে হবে, অবৈধ ফুটপাত পার্ক দখল মুক্ত করতে হবে।
৩/ নগরীকে মাদক মুক্ত করতে হবে– যদিও মাদক মুক্ত হওয়ার পথে না কারন টাকা খেয়ে পুলিশ প্রশাসন আসামী ছেড়ে দেয়, — এটা নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা।
৪/ বেকার যুবকদের কর্মসংস্হানের ব্যবস্হা করতে হবে,, —
৫ /সব শেষে এটাই বলবো কিছু কিছু পয়েন্টে রাস্তার যে বহালদশা সেটা সংস্কার করতে হবে/ শিক্ষানগরীকে কোন পুঁজিবাদ ইভেন ব্যবসায়ী ক্ষেএে নেওয়া যাবেনা, বরং একজন শিক্ষার্থীকে সঠিক শিক্ষা পাঠদানে গড়ে তুলতে হবে – আর বয়স্ক বাবা মা যাদের কেউ নেই, তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র স্থল গড়ে তুলতে হবে।
আর সব চেয়ে বড় কথা হলো বিগত বছরে কি হয়েছে,সব দ্বিধাধন্দ ভূলে আমাদের এই নগরীকে অন্যান্য জেলার তুলনায় আরও ডেভেলপ করতে হবে।
থানায় কোন সাংবাদিক দালালি করতে পারবেনা
আর একটা বিশেষ কথা না বলে পারলাম না সেটা হলো
অহিংসার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে? চুরি, ছিনতাই ও অরাজকতা লুটপাট থেকে পুলিশ প্রশাসন কে অবশ্য সজাক দৃষ্টিভঙি রাখতে হবে, সেক্ষেএে আপনার ভূমিকা বড় ভূমিকা রাখতে হবে।
ইভেন ময়মনসিংহ বাসি আপনার কাছে এইটুকুর দাবিদার
আমি একজন গণমাধ্যম কর্মী হয়ে একজন সাধারণ মানুষ হয়ে এই কথা বলছি।
এই নগরীর মানুষ একজন সত্যি কারের সেবক হিসেবে, আপনার কি করনীয় আছে, সেই টুকো আমরা শত ভাগ আশাবাদী।
জনগণ আপনাকে ভোট দিয়েছে বলে আজ আপনি জন প্রতিনিধি, তাই আমার এই লেখাটা একটু দৃষ্টিগোচর দিবেন মহোদয়।
আমি ছোট মানুষ আমার মনে এই কথা গুলো ছিলো তাই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করলাম।
বেয়াদবি নিবেননা।
আর একটা বিষয় না বললেই হয়না, এখন আপনার আশেপাশে কিছু অহেতুক সুবিধাবাদী লোক যাতায়াতের মাএা দ্বিগুণ আকারে বৃদ্ধি পাবে, তাদেরকে একটু দুরে সরিয়ে রাখবেন।

বিশেষ প্রতিনিধি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় চাকুরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা কন্ট্রাক্ট হয়।
পরে নগদ ৫ লক্ষ টাকা অগ্রিম নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শুভ (২২) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত শুভ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের ছোট পাঁকা গ্রামের মো. শাহিন আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড় পাঁকা গ্রামের মৃত কানু হাজীর ছেলে সাইফুল ইসলামের স্ত্রী মোছা: জেমি খাতুন (৩৭)-এর কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পাকাঁ কলেজের সভাপতি আবু আব্দুল্লাহ ওরফে বুলবুলের নাম ভাঙিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা নেন তিনি। তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
পরে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী এলাকায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে শুভ টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ না করে তিনি নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শুভ জেমি খাতুনের বাড়িতে গিয়ে উল্টো আবারও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি মারার হুমকি এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বান্দরবানে বদলি করিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এতে ভুক্তভোগী পরিবার চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
জেমি খাতুন বলেন, “চাকুরির আশ্বাসে আমরা কষ্ট করে টাকা জোগাড় করে দিয়েছি।
এখন টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।” জেমি আরও জানান, ঘটনার সময় গোপনে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে, যেখানে অভিযুক্তের হুমকিমূলক বক্তব্য রেকর্ড রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের প্রতারণার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়ান মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুরুল আলম’র মুঠোফোন বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।